ফড়িংয়ের রেনডম মাইক্রো ফটোগ্রাফি
আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধুগন
আমি @mostafezur001 বাংলাদেশ থেকে
আজকে শুক্রবার , আগস্ট ০৫/২০২২
আশা করি আপনারা সবাই ভাল আছেন আমিও ভাল আছি। আজকে যখন আমি স্কুলে ক্লাস নিছিলাম তখন দেখতে পেলাম হঠাৎ একটা ফড়িং এসে স্কুলে জানালার পাশে বসলো। ফড়িংটি খুবই সুন্দর ছিল তাই তখনই আমার মাথায় চিন্তা চলে আসলো ফড়িংটির ফটোগ্রাফি করা যায়। যেমন চিন্তা তেমনি কাজ শুরু করে দিলাম ফড়িং এর ফটোগ্রাফি। আজকে আমি আপনাদের মাঝে সেই ফোল্ডিং এর কিছু রেনডম ফটোগ্রাফি শেয়ার করব। চলুন শুরু করা যাক...
ফড়িংকে বসেছিল জানালার উপরে। ফড়িংকে যখন আমি প্রথম দেখলাম তখন সেটা একটু অসুস্থ মনে হচ্ছিল আমার কাছে কিন্তু আমি সেটাকে যখন ভালোভাবে দেখলাম তখন দেখলাম সেটা পুরোটাই সুস্থ রয়েছে। যখন আমি ফড়িং এর ফটোগ্রাফি করার চিন্তা করছিলাম তখন ভেবেছিলাম যে ফড়িংটি হয়তোবা উড়ে যাবে কিন্তু আমি দেখতে পেলাম খুব কাছ থেকে ফড়িং এর ফটোগ্রাফি করলেও ফড়িংটি উড়ে যাচ্ছে না। তাই আমি খুবই স্বাচ্ছন্দের সাথে ফটোগ্রাফি করতে সক্ষম হয়েছি।
ফড়িং এর গায়ের রং লাল হবার কারণে এটি দেখতে আরো বেশি সুন্দর লাগছিল। আমি যখন ফটোগ্রাফি গুলো করছিলাম তখন আমাদের স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা খুবই আনন্দের সাথে আমার ফটোগ্রাফি করা দেখছিল। আসলে তারাও এত কাছ থেকে ফড়িং দেখার সুযোগ পায় না কেননা এরা সব সময় খুবই চাঞ্চলের সাথে চলাচল করতে পছন্দ করে।
এতটা কাছ থেকে আমি ফড়িং এর ফটোগ্রাফি করতে পারব এটা আমি ভাবতেও পেরেছিলাম না। সব মিলিয়ে কাছ থেকে ফটোগ্রাফি করতে পেরে খুবই খুশি হয়েছি আমি নিজেও।
এত শান্ত প্রকৃতির ফড়িং এর আগে আমি কোন সময় দেখেছিলাম না। পরে আমি চিন্তা করেছিলাম ফড়িংটি হাতের উপর নিয়ে কয়েকটা ফটোগ্রাফি ধারণ করে আপনাদের মাঝে শেয়ার করব কিন্তু যখনই আমি হাতের উপর নিয়ে ফটোগ্রাফি ধারণ করার চেষ্টা করলাম তখনই ফড়িংটি উড়ে গেল।
আমার ধারণা করা ফড়িংয়ের রেনডম এই মাইক্রো ফটোগ্রাফি গুলো আপনাদের কাছে কেমন লেগেছে তা অবশ্যই আমাকে কমেন্ট করে জানাবেন। আপনাদের মূল্যবান মতামতের অপেক্ষায় রইলাম।
| শ্রেণী | ফড়িংয়ের রেনডম মাইক্রো ফটোগ্রাফি |
|---|---|
| ক্যামেরা | রিয়েলমি সি ২৫ এস ৪৮ মেগাপিক্সেল |
| পোস্ট তৈরি | @mostafezur001 |
| লোকেশন | গাংনী, মেহেরপুর, বাংলাদেশ |
আমি মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান।আমি বাংলাদেশের খুলনা বিভাগে মেহেরপুর জেলার গাংনী থানায় বসবাস করি।আমি বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে নিজেকে গর্বিত মনে করি। আমি আমার জন্মভূমি বাংলাদেশকে খুবই ভালোবসি।বর্তমানে আমি গ্রীনরেইন ল্যাবরেটরী স্কুলের একজন শিক্ষক।আমি ফটোগ্রাফি করতে খুব ভালোবাসি এবং সৃজনশীলতার মাধ্যমে নতুন নতুন জিনিস তৈরি করতে আমার খুবই ভালো লাগে।আমি বিশ্বাস করি, আমার এই সৃজনশীল কাজের মাধ্যমে থেকে কেউ যদি উপকৃত হয় বা নতুন কিছু শিখতে পারে তবেই আমার সৃজনশীল কাজটি সার্থক হবে। তাই আমি চেষ্টা করবো আপনাদের মাঝে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন সৃজনশীল জিনিস নিয়ে উপস্থিত হতে।
আমার কিছু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
ফেসবুক টুইটার
দারুন ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন ভাইয়া।ফড়িং এর ছবি তুলতে ভিশন কষ্টের এবং ধৈর্য কাজ।ছবি তুলতে তো ফড়িং চলে যাওয়ার কথা ছিল। মনে হচ্ছে ফড়িং টা অনেক ভালো ছিল। এই ধরনের ফটোগ্রাফি ভিশন ভালো লাগে আমার কাছে। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য।
ঠিক কথা বলেছেন ভাইয়া এদের ছবি ধারণ করতে হলে অনেক ধৈর্য ধারণ করতে হয়
ফড়িংয়ের রেনডম মাইক্রো ফটোগ্রাফি গুলো দারুণ ছিল। আসলে ফড়িংয়ের রং লাল হওয়ার কারণে দেখতে আরো সুন্দর লাগছে।ফড়িংয়ের রেনডম মাইক্রো ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
লাল সবার ফলে এদেরকে দেখতে খুবই বেশি সুন্দর লাগছে
কিভাবে যে পারেন এতো ক্লোজ থেকে ছবি তুলতে। আমি কাছে গেলেই ফড়িং উড়ে যায়। আমার সাথে মনে হয় শত্রুতা আছে ফড়িং এর।
আসলে ফড়িং অনেক ভাল ছিল তাই এত ক্লোজ ফটোগ্রাফি করতে পেরেছি
স্কুলে ক্লাস নেওয়ার সময় হঠাৎ করে ফড়িং দেখার পর ফড়িংয়ের চমৎকার কিছু ফটোগ্রাফি করেছেন ভাইয়া। ফটোগ্রাফি গুলো দেখতে খুবই সুন্দর হয়েছে। এত সুন্দর ভাবে ফরিংয়ের ফটোগ্রাফি গুলো আমাদের মাঝে উপস্থাপন করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
ক্লাস নিতে নিতে এমন চমৎকার ফটোগ্রাফি ধারণা করতে পারব এটা আমি ভাবতেই পারিনি
ছোটবেলায় আঠা দিয়ে ফড়িং ধরতাম আপনার ফটোগ্রাফি দেখে সেই স্মৃতি মনে পড়ে গেল। খুব কাছ থেকে ফড়িং এর ফটোগ্রাফি তুলে ধরেছেন অনেক সুন্দর ছিল। অনেক অনেক শুভকামনা রইলো ভাইয়া।
আমিও যখন এটার ফটোগ্রাফি ধারণ করেছিলাম আমার ছোটবেলার কথা মনে পড়ে যাচ্ছিল