পেঁয়াজ দিয়ে তৈরি গোলাপ ফুল
আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধুগন
আমি @mostafezur001 বাংলাদেশ থেকে
আশা করি আপনারা সবাই ভাল আছেন আমিও ভাল আছি। প্রতি বছরের ন্যায় আমাদের গ্রামে দুদিন ব্যাপী ওয়াজ মাহফিল আগামীকাল শুরু হয়েছে। অনেক বছর যাবত দেখে আসছি যে আমাদের গ্রামে একই জায়গাতে একই মাসে দুদিন ব্যাপী ওয়াজ মাহফিলের আয়োজন করা হয়ে থাকে। আর এর মধ্য দিয়ে আমাদের গ্রামে একটা উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। গতকাল রাতে আমি যখন ওয়াজ মাহফিলের দিকে যাবার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করেছিলাম তখন প্রথমেই দেখতে পেলাম সেখানে অনেক মেলা বসেছে ওয়াজ মাহফিল কে কেন্দ্র করে।
সেখানে সব থেকে বেশি খাবারের দোকান গুলোই স্থান পেয়েছে। অন্যান্য দোকান যেমন কসমেটিকস অথবা ছোটদের খেলনার দোকানে রয়েছে কিন্তু সংখ্যায় অনেক কম। সব থেকে বেশি মানুষের ভিড় লক্ষ্য করলাম জিলাপির দোকান এবং বড়ার দোকানগুলোতে।
সবকিছুকে উপেক্ষা করে আমার চোখ প্রথমেই একটা জিনিসের দিকে আটকে গেল যেটা দেখে আমার খুবই ভালো লেগেছে। দেখতে পেলাম ১২ ভাজা বিক্রেতার দোকানে খুব একটা ভিড় নেই। তিনি দারুন একটা জিনিস তৈরি করে রেখে দিয়েছেন তার দোকানের সামনে। প্রথমে আমি জিনিসটা দেখে বুঝতে পেরেছিলাম না যে এটা কি দিয়ে তৈরি এবং কি তৈরি করা হয়েছে। একটু কাছে যেতেই লক্ষ্য করলাম জিনিসটা পেঁয়াজের তৈরি। ১২ ভাজা বিক্রেতা একটা পেঁয়াজ সুন্দরভাবে কেটে কেটে একটা গোলাপ ফুল তৈরি করেছে।
অনেকেই হয়তোবা চিন্তা করতে পারছেন না যে পেঁয়াজ দিয়ে এত সুন্দর জিনিস কিভাবে তৈরি করা সম্ভব। আমিও বিষয়টি দেখে অনেক অবাক হয়েছিলাম। পরে দেখলাম শুধুমাত্র পেঁয়াজের তৈরি সেই গোলাপ ফুল দেখার জন্য সেই দোকানের সামনে অনেক ভিড় চলতে শুরু। আর এই ভিড়ের ফলে সেই দোকানদারের বিক্রয়ের পরিমাণটাও বৃদ্ধি পেয়ে গেল। বিষয়টি সত্যিই একটা মজার ব্যাপার। দোকানদার এমনই একটা জিনিস তৈরি করল যার ফলে তার দোকানের বিক্রয় বৃদ্ধি পেয়েছে। একজন দোকানদারের এই ধরনের চিন্তাধারা দেখে আমার কাছে খুবই ভালো লাগলো।
পেঁয়াজের তৈরি এই গোলাপ ফুলটি আপনাদের কাছে কেমন লেগেছে তা অবশ্যই আমাকে কমেন্ট করে জানাবেন। আজকের মত এ পর্যন্তই পরবর্তী সময়ে আপনাদের মাঝে হাজির হব নতুন কোন একটা পোস্ট এর মধ্য দিয়ে।
আমি মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান।আমি বাংলাদেশের খুলনা বিভাগে মেহেরপুর জেলার গাংনী থানায় বসবাস করি।আমি বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে নিজেকে গর্বিত মনে করি। আমি আমার জন্মভূমি বাংলাদেশকে খুবই ভালোবসি।বর্তমানে আমি গ্রীনরেইন ল্যাবরেটরী স্কুলের একজন শিক্ষক।আমি ফটোগ্রাফি করতে খুব ভালোবাসি এবং সৃজনশীলতার মাধ্যমে নতুন নতুন জিনিস তৈরি করতে আমার খুবই ভালো লাগে।আমি বিশ্বাস করি, আমার এই সৃজনশীল কাজের মাধ্যমে থেকে কেউ যদি উপকৃত হয় বা নতুন কিছু শিখতে পারে তবেই আমার সৃজনশীল কাজটি সার্থক হবে। তাই আমি চেষ্টা করবো আপনাদের মাঝে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন সৃজনশীল জিনিস নিয়ে উপস্থিত হতে।
আমার কিছু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
ফেসবুক টুইটার
VOTE @bangla.witness as witness
OR
প্রথমে আপনার টাইটেল পড়ে ভেবেছিলাম হয়তোবা আপনি নিজেই পেঁয়াজ দিয়ে ফুলটা তৈরি করেছেন। কিন্তু এখন দেখছি ভাজার দোকানের লোকটা ফুলটা তৈরি করে রেখে দিয়েছে। আসলেই ফুলটা দেখতে এত সুন্দর লাগছে এই জন্য সবাই শুধু ফুলটা দেখার জন্যই বিড় করেছে। আর এতে দোকানের লোকটার ও বিক্রি বেশি হয়েছে। এটা কিন্তু দারুণ একটা আইডিয়া বলতে পারেন।
ঠিক বলেছেন আপু দোকানদার খুবই দারুণ একটা আইডিয়া করেছিল।
প্রথমে আপনার টাইটেল পড়ে তো মনে হচ্ছিল যে, এটা আপনি তৈরি করেছেন। যাই হোক সেটা কোন ব্যাপার না, তবে এরকম পেঁয়াজ আমাদের এখানে প্রতিনিয়তই ঝাল মুড়ির দোকানে দেখতে পাওয়া যায়। এটা আমার কাছে নতুন নয়, তবে যেহেতু আপনার কাছে ব্যাপারটা নতুন তাই হয়তো বেশি ইন্টারেস্টিং লাগছে।
জ্বী ভাইয়া আমাদের এলাকাতে এমনটা দেখতে পাওয়া যায় না তার যার কারণে বিষয়টি আমার কাছে মজাদার লেগেছে।
এরকম আকর্ষণীয় কিছু যদি বিক্রেতারা ব্যবহার করে থাকে তাহলে তাদের বিক্রয়ের পরিমাণটা বৃদ্ধি পাবে। এটা হচ্ছে একেকজনের একেক রকম কৌশল বিক্রয় বৃদ্ধি করার। তাছাড়া মাহফিল কে কেন্দ্র করে বর্তমানে সব সময় মেলার মতোই দোকানপাট বসে যায়।তবে আপনি যে পেঁয়াজ দিয়ে গোলাপ ফুলের কথা বললেন সেটা অনেক আগে দেখেছি,যদিও আমি কখনো এভাবে তৈরি করিনি।ভেবেছিলাম হয়তোবা আপনি করেছেন, পরে জানলাম আরকি দোকানে দেখলেন।তবে মানুষের ক্রিয়েটিভিটির প্রশংসা করতেই হয়।
এটাই তো একজন ব্যবসায়ীর ব্যবসার পদ্ধতি।
দুই দিনের ওয়াজ মাহফিলের জন্য আবার এত বড় মেলা বসেছে। এখনকার দোকানদাররাও বিভিন্ন জিনিসের মাধ্যমে যত বেশি আকর্ষণীয় করে তুলতে পারে তাদের তত বেশি বিক্রি হয়। এই ভাজার দোকানদার পেঁয়াজকে গোলাপ ফুলের সেপে কেটে রেখে লোকজনকে আকর্ষণ করেছে। এরপরে তার বিক্রিও বেশি হচ্ছে। গোলাপ ফুলটি কিন্তু খুব চমৎকার হয়েছে। আপনি শিখে আসলেই পারতেন,আমাদের সঙ্গে পরবর্তীতে শেয়ার করতেন। ভালো লাগলো দেখে।
আমাদের এলাকাতে একদিনের ওয়াজ মাহফিল হলেও অনেক বড় মেলা বসে যায়।
পেঁয়াজ দিয়ে তৈরি গোলাপ দেখতে অনেক ভালো লাগছে ভাইয়া।দোকানদার অনেক সৃজনশীল একজন ব্যক্তি ছিলেন,নইলে এতো সুন্দর হাতের কাজ তার।১২ ভাজা বিক্রি করেন তিনি দোকানে তেমন একটা ভিড় নেই ওয়াজ মাহফিলে তো অনেক লোকজন থাকে।যাইহোক তখন হয়তো ছিলনা।ধন্যবাদ আপনাকে ভাইয়া সুন্দর পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।
ঠিক বলেছেন আপু দোকানদারের সৃজনশীলতা ভালো হয়েছে।
আসলেই দোকানদারের এরকম চিন্তা-ভাবনা আমার কাছে অনেক বেশি ভালো লেগেছে সে খুবই চমৎকারভাবে পেঁয়াজ কেটে গোলাপ ফুল তৈরি করে রেখেছে। প্রথমে আমি ভেবেছিলাম এটা হয়তোবা আপনি তৈরি করেছেন গতকাল হ্যাংআউট হওয়ার সময় দেখেছিলাম। আসলে কিছু কিছু ইউনিক ধারণা আমাদেরকে অনেক কিছুই পাল্টে দেয় এবং অনেক কিছু অনেক বেশী রঙিন করে দেয়।
ঠিক বলেছেন দোকানদারের চিন্তাভাবনার প্রশংসা করতে হয়।
ভাই, আমাদের এদিকেও ওয়াজ মাহফিল হলে সেখানেও উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। সেখানে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের ছোট ছোট দোকানগুলো তাদের খাবারের পসরা সাজিয়ে বসে। যাইহোক ভাই, আপনার পোস্টে ১২ ভাজা বিক্রেতা যেভাবে পেঁয়াজের গোলাপ ফুল তৈরি করে রেখেছে, আমি আগে কখনো দেখিনি। তাই এই পেঁয়াজের ফুলটি দেখতে আমার কাছে ভীষণ রকম ভালো লেগেছে।এত সুন্দর একটি পেঁয়াজের ফুল ফটোগ্রাফি করে পোস্টের মাধ্যমে আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
আমাদের এদিকেও একই রকমের অবস্থা ওয়াজ মাহফিলের কথা শুনলেই ছোট-বড় অনেক দোকান বসে যাই।
প্রথম আপনার টাইটেল পড়ে মনে করলাম পেঁয়াজ দিয়ে গোলাপ আপনি নিজেই বানিয়েছেন। পরে পোস্টটি পড়ে বুঝতে পারলাম দোকানদার বানিয়েছেন পেঁয়াজ দিয়ে গোলাপটি। আসলে এই ধরনের দোকানগুলোতে আকর্ষণের জন্য এরকম জিনিস গুলো বানিয়ে থাকে। আপনি মনে হয় ওয়াজে গিয়ে খুব মজার মজার জিনিস খেয়েছেন। ধন্যবাদ আপনাকে খুব সুন্দর করে পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।
দোকানদার তার দোকানের আকর্ষণ বাড়ানোর জন্যই মূলত এই জিনিসটা করেছিল।