নববর্ষ উপলক্ষে পান্তা ভাতের আয়োজন করা
আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধুগন
আমি @mostafezur001 বাংলাদেশ থেকে
আশা করি আপনারা সবাই ভাল আছেন আমিও ভাল আছি আজকে আমি আপনাদের মাঝে পুনরায় আরও একটা নতুন পোস্ট নিয়ে হাজির হয়ে গেলাম। বাংলা নববর্ষকে আমরা কিভাবে পালন করেছি সেটা ইতিমধ্যেই আমি আপনাদেরকে দেখানোর চেষ্টা করেছি। এই বাংলা নববর্ষে আমরা আরো একটা জিনিস করেছিলাম সেটা হচ্ছে নববর্ষের দিনে পান্তা খাওয়া। এই পান্তা ভাত বাঙালি সংস্কৃতির সাথে খুবই সুন্দর ভাবে মিশে আছে আর সেই অতীতের সংস্কৃতিকেই ছাত্র-ছাত্রীদেরকে শেখানোর জন্য এমন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। অতীতে বাঙালিরা অনেক গরিব ছিল যার কারণে তাদের সকাল শুরু হতো পান্তা ভাত খেয়ে। এক কথায় যদি আমরা বলতে চাই তাহলে দিনের বেশিরভাগ সময়ই তারা পান্তা ভাত খেয়েই অতিবাহিত করত। এই জিনিসটা এখন বর্তমান সময়ে আর দেখতে পাওয়া যায় না তাই আমি চিন্তা করেছিলাম যে এই বিষয়গুলোর সাথে ছাত্রছাত্রীদেরকে পরিচয় করিয়ে দেয়া দরকার আর সেজন্যই আমরা নববর্ষের দিনে পান্তা ভাতের ব্যবস্থা করেছিলাম।
আমরা যারা গ্রাম অঞ্চলে বসবাস করে থাকি তারা সকলেই জেনে থাকবো যে পান্তা ভাত রান্না করার ক্ষেত্রে আউশ ধান উপযোগী। এক কথায় এই ধান এর পান্তা ভাত খেতে অনেক বেশি ভালো লাগে। আর এজন্য আমরা আমাদের স্কুলে পান্তা ভাত করার জন্য এই আউশ ধান কেই গুরুত্ব দিয়েছিলাম। যদিও এই ধরনের চাল পেতে আমাদেরকে অনেক বেশি কষ্ট করতে হয়েছিল তারপরও আমরা অনেক জায়গায় ঘোরাঘুরি করে এই ভারত সংগ্রহ করেছি যেন অতীত ঐতিহ্যটাকে আরো ভালোভাবে সকলের মাঝে উপস্থাপন করা যায়।
লক্ষ্য করে দেখলাম ছাত্র-ছাত্রীরা বাঙালির এই পুরাতন ঐতিহ্যের সাথে নিজেদেরকে সম্পর্কিত করতে পেরে অত্যন্ত খুশি হয়েছে। আর যেহেতু এই ধরনের পান্তা ভাত তারা এর আগে কোন সময় খাইনি তাই তারা অনেক মজা করে পান্তা কাঁচা মরিচ পেঁয়াজ এবং আলু ভর্তা খাচ্ছিল। খাওয়া-দাওয়ার পর্ব শেষ হয়ে যাবার পরে আমরা শিক্ষকেরাও একইভাবে পান্তা খেয়েছি। আর এই পান্তা ভাত খাওয়ার মধ্য দিয়েই আমাদের পহেলা বৈশাখের সকল কার্যক্রম শেষ হয়ে যায়।
আমি মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান।আমি বাংলাদেশের খুলনা বিভাগে মেহেরপুর জেলার গাংনী থানায় বসবাস করি।আমি বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে নিজেকে গর্বিত মনে করি। আমি আমার জন্মভূমি বাংলাদেশকে খুবই ভালোবাসি।বর্তমানে আমি গ্রীনরেইন ল্যাবরেটরী স্কুলের একজন শিক্ষক।আমি ফটোগ্রাফি করতে খুব ভালোবাসি এবং সৃজনশীলতার মাধ্যমে নতুন নতুন জিনিস তৈরি করতে আমার খুবই ভালো লাগে।আমি বিশ্বাস করি, আমার এই সৃজনশীল কাজের মাধ্যমে থেকে কেউ যদি উপকৃত হয় বা নতুন কিছু শিখতে পারে তবেই আমার সৃজনশীল কাজটি সার্থক হবে। তাই আমি চেষ্টা করবো আপনাদের মাঝে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন সৃজনশীল জিনিস নিয়ে উপস্থিত হতে। আমি ২০১৭ সালে প্রথম এই প্লাটফর্মে যুক্ত হয়েছিলাম সেই থেকে আজ পর্যন্ত এই প্লাটফর্মের সাথেই রয়ে গিয়েছি। আশা করি ভবিষ্যতেও এই প্লাটফর্মের সাথেই থেকে যাব।
আমার কিছু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
ফেসবুক টুইটার
VOTE @bangla.witness as witness
OR
Posted using SteemPro Mobile
আপনাদের স্কুলে তো দেখছি সব উত্সবই পালন করেন। কোন স্কুলে নববর্ষ উপলক্ষে পান্তা ভাতের আয়োজন করতে দেখি নাই। আপনাদের উদ্যোগটা ভালো লেগেছে। ধন্যবাদ।
পান্তা ভাত বাঙালির ঐতিহ্যের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ! নববর্ষে এই আয়োজন সত্যিই প্রশংসনীয়। শুভ নববর্ষ।পান্তা ভাত, ইলিশ মাছ আর বিভিন্ন ভাজির সাথে নববর্ষ উদযাপন যেন সম্পূর্ণতা পায়। আমাদের সংস্কৃতিকে এভাবে লালন করা খুব ভালো কাজ।
https://x.com/mostafezurr001/status/1913995049911894355?t=6DDuEVnGZyJ30eXL5SZUIQ&s=19
https://x.com/mostafezurr001/status/1913995442230317343?t=Sdr39hjSlKMqF4IksGIWyw&s=19
https://x.com/mostafezurr001/status/1913995828995506626?t=3ICVxAd6Chds1AYf1msFIA&s=19
https://x.com/mostafezurr001/status/1913996078195581162?t=2vvrEpb3PqtesxLVDhAODQ&s=19
খুবই সুন্দর উদ্যোগ নিয়েছেন ভাইয়া পহেলা বৈশাখে পান্তা ভাত খাওয়ার আয়োজন করে। পহেলা বৈশাখে পান্তা ভাত খাওয়ার টা আমাদের ঐতিহ্যকে ধারণ করে। আমরা বাংলা সালের প্রথম দিনেই পান্তা ভাত পেঁয়াজ আলু ভর্তা এসব খাবার খেয়ে থাকি। হাই স্কুলের বাচ্চাদেরকে দেখেই বোঝা যাচ্ছে তারা অনেক খুশি হয়েছিল। ধন্যবাদ আপনাকে চমৎকার সুন্দর একটি আয়োজন করার জন্য।