নাটক রিভিউ: স্বপ্নের নাইকা তুমি
আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধুগন
আমি @mostafezur001 বাংলাদেশ থেকে
আজকে শনিবার, জুন ১০ /২০২৩
আশা করি আপনারা সবাই ভাল আছেন আমিও ভালো আছি। আজকে আমি আপনাদের মাঝে পুনরায় আরও একটা নতুন পোস্ট নিয়ে হাজির হয়ে গেলাম। নাটক দেখতে আমার খুবই ভালো লাগে তাই আমি মাঝে মাঝে চেষ্টা করি আপনাদের মাঝে নাটকের রিভিউ শেয়ার করার। বিশেষ করে ছোটদের নাটকগুলো আমার কাছে সব থেকে বেশি ভালো লাগে। তাই আমি বেশিরভাগ সময়ই এদের নাটক ই আপনাদের মাঝে রিভিউ আকারে শেয়ার করি। এক মাসের উপরে হয়ে গিয়েছে আপনাদের মাঝে নাটকের রিভিউ শেয়ার করা হয় না। এজন্য আজকে আমি আপনাদের মাঝে একটা নাটকের রিভিউ নিয়ে হাজির হয়ে গেলাম।
| নাটকের নাম | স্বপ্নের নায়িকা তুমি |
|---|---|
| পরিচালক | মামুন অর রশিদ |
| অভিনয় | শোয়েব শান্ত , লামহা অনুশ |
| দৈর্ঘ্য | ৪১ মিনিট ৪৯ সেকেন্ড |
| ভাষা | বাংলা |
| মুক্তির তারিখ | ২৭ মে ২০২৩ ইং। |
নাটকের প্রথমেই আমরা লক্ষ্য করি নাটকের নায়ক একজন ফুচকা বিক্রেতা। আর নাটকের নায়িকা একজন বড়লোকের বাড়িতে কাজ করে। প্রত্যেকদিন সে নায়কের দোকান থেকে ফুচকা কিনতে আসে আর যখনই সে ফুসকা কিনতে আসে। নাটকের নায়ক দোকানের অন্যান্য ক্রেতাদেরকে ফুচকা না দিয়ে শুধুমাত্র তাকেই ফুচকা দেয়।
যেহেতু বর্তমান সময়ে কাজের মেয়ে খুজে পাওয়া কষ্ট। তাই যে বাড়িতে নায়িকা কাজ করে সেই বাড়ির মালিক বাড়ির মালকিনকে অনেক বকা দিতে থাকে এভাবে বাইরে ফুচকা আনতে পাঠানোর জন্য।
নায়িকা যে বাড়িতে কাজ করে তারা সকলেই গ্রামের বাড়িতে যাবার কারণে সে আর ফুচকা নিতে আসছিল না। তাই নায়কের বন্ধুর পেপার বিক্রয়ের সুযোগটাকে কাজে লাগিয়ে নায়ক নায়িকাদের বাড়িতে যাই দেখা করার জন্য
যখনই সে দেখা করতে যায় ঠিক তখনই বাড়ির মালিক চলে আসে। আর তাদেরকে প্রচুর পরিমাণে বকাঝকা করে।
তারপরে বাড়ির মালিকেরা যখন বেশ কয়েকদিনের জন্য গ্রামে যায় তখন নায়িকা নায়ককে ফোন দিয়ে ফুচকা বাড়িতে দিয়ে যেতে বলে। কথাটা শোনার পর নায়ক সাথে সাথে ফুচকা নিয়ে বাড়িতে চলে আসে।
যেহেতু বাড়িতে আর কেউ ছিল না তাই নায়ক নায়িকার সব কাজ করে দিতে চাই। আর নায়িকা মালিকেরা তার সাথে যেভাবে ব্যবহার করে নায়কের সাথে সেভাবে ব্যবহার করে। সেই ব্যবহার দেখে নায়ক বুঝতে পারে যে এখানে নায়িকা কতটা কষ্টে রয়েছে।
তাদের এই অবাধ মেলামেশার একপর্যায়ে বাড়ির মালিকেরা চলে আসে এবং তাদেরকে একত্রে দেখে ফেলে। পরে তারা নায়ক কে প্রচুর পরিমাণে মারধর করে হসপিটালে ভর্তি করে দেয়।
তারপরে নায়কের বন্ধুর সাহায্য নিয়ে তারা দুজন পালিয়ে বিয়ে করে ফেলে।
যেহেতু নায়কের বন্ধু তাদের দুজনকে পালিয়ে যেতে সাহায্য করেছে তাই বাড়ির মালিকেরা তাকে ধরে প্রচুর পরিমাণে মারধর করে। তারা দুজন এখন কোথায় আছে সেটা তার কাছ থেকে জানতে চাই কিন্তু সে কোনভাবেই তাদের খবর বলে না।
এভাবে নায়ক এবং নায়িকার নতুন সংসার কিছুদিন খুব ভালোভাবেই চলছিল। হঠাৎ একদিন সকালে নায়ক কাজে যাবার পরে রাতে আর বাড়িতে ফেরেনা। বিষয়টাতে নায়িকা অনেক চিন্তা করতে থাকে এবং অবশেষে থানাতে একটা মিসিং কমপ্লেন করে। পরে আমরা দেখতে পাই নাটকের নায়ক এক্সিডেন্ট করে মারা গিয়েছে আর তার লাশ সেই থানাতেই রয়েছে।
নাটকটির আমি আমার ব্যক্তিগত রেটিং পয়েন্ট দিবো ১০ এর মধ্যে ৮.৯।
আমি মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান।আমি বাংলাদেশের খুলনা বিভাগে মেহেরপুর জেলার গাংনী থানায় বসবাস করি।আমি বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে নিজেকে গর্বিত মনে করি। আমি আমার জন্মভূমি বাংলাদেশকে খুবই ভালোবসি।বর্তমানে আমি গ্রীনরেইন ল্যাবরেটরী স্কুলের একজন শিক্ষক।আমি ফটোগ্রাফি করতে খুব ভালোবাসি এবং সৃজনশীলতার মাধ্যমে নতুন নতুন জিনিস তৈরি করতে আমার খুবই ভালো লাগে।আমি বিশ্বাস করি, আমার এই সৃজনশীল কাজের মাধ্যমে থেকে কেউ যদি উপকৃত হয় বা নতুন কিছু শিখতে পারে তবেই আমার সৃজনশীল কাজটি সার্থক হবে। তাই আমি চেষ্টা করবো আপনাদের মাঝে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন সৃজনশীল জিনিস নিয়ে উপস্থিত হতে।
আমার কিছু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
ফেসবুক টুইটার
VOTE @bangla.witness as witness
OR
ভাইয়া যদিও এ ধরনের নাটক গুলো খুব একটা দেখা হয় না কিন্তু এই নাটকগুলো কিন্তু বেশ মজার এবং অনেক কিছু শিখার ও আছে। নাটকের রিভিউ পড়ে বেশ ভালো লেগেছে। ধন্যবাদ ভাইয়া নাটকের রিভিউ টি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
দেখতে শুরু করে দেন আপু আশা করি ভালো লাগবে
ভাই আপনি অনেক সুন্দর একটি নাটকের রিভিউ শেয়ার করেছেন আমাদের মাঝে ।নাটকের কাহিনীটি মনে হচ্ছে খুব চমৎকার হবে খুবই রোমান্টিক আমি সময় করে নাটকটি দেখে নেব।
নাটকের কাহিনীটা সত্যিই অনেক চমৎকার ছিল
স্বপ্নের নায়িকা তুমি নাটকটা আমার এখনো পর্যন্ত দেখা হয়নি। আপনি খুবই সুন্দর একটা নাটকের রিভিউ পোস্ট করেছেন, যা পড়ে খুব ভালো লেগেছে আমার কাছে। এরকম নাটকের রিভিউ গুলো পড়তে আমি অনেক বেশি পছন্দ করি। আসলে নাটক দেখতে আর নাটকের রিভিউ পড়তে খুব ভালো লাগে। শেষের দিকটা অনেক বেশি খারাপ লেগেছে। নায়ক এবং নায়িকা তাদের নতুন জীবন খুবই সুন্দর ভাবে শুরু করছিল, তখনই নায়ক এক্সিডেন্টে মারা যায়। সময় পেলে অবশ্যই নাটকটি দেখার চেষ্টা করব।
নাটকের শেষের দিকটা আমারও অনেক খারাপ লেগেছিল আপু।