মহল্লা বাসীকে সাথে নিয়ে মসজিদে ইফতার
আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধুগন
আমি @mostafezur001 বাংলাদেশ থেকে
আজকে মঙ্গলবার, মার্চ ২৮/২০২৩
আশা করি আপনারা সবাই ভাল আছেন আমিও ভাল আছি। আজকে আপনাদের মাঝে পুনরায় আরো একটা পোস্ট নিয়ে হাজির হয়ে গেলাম। বর্তমান সময়ে রমজান মাস চলছে আর এই রমজান মাসের ইফতারি কে কেন্দ্র করেই আমরা বেশিরভাগ সময় ব্যয় করে থাকি। আমরা সবসময়ই চেষ্টা করি আমাদের পছন্দমত ইফতারের ব্যবস্থা করতে। আমাদের গ্রামের মসজিদ গুলোতে প্রত্যেক দিন ইফতারের ব্যবস্থা করা হয়। রমজান মাসে যে ৩০ রোজা হয়ে থাকে এই প্রত্যেকটা রোজাতেই কোন না কোন ব্যক্তি ইফতারির ব্যবস্থা করে থাকে। আজকে আমরা ইফতারির ব্যবস্থা করেছিলাম আমাদের বাড়ির পাশের মসজিদে। আমাদের এই মসজিদে প্রত্যেকদিন ১০০ জন রোজাদার ইফতার করে থাকে। আজকের দিনের বেশিরভাগ সময় আমি এই ইফতার কেনাকাটা করার জন্যই ব্যয় করেছিলাম। অবশেষে যখন কেনাকাটার কাজ শেষ হলো তখন যেন মনের মধ্যে অন্য রকমের একটা প্রশান্তি চলে আসলো।
এতগুলো মানুষের ইফতারি কেনার পরে সেগুলো সঠিকভাবে আয়োজন করা একা কোন মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়। এর জন্য আমাদের মহল্লাতে অনেক ছেলে রয়েছে যারা এই ধরনের কাজে সাহায্য করে থাকে। তারা রোজায় থেকে প্রত্যেকদিন বিকেলে এই ধরনের কাজগুলো করে থাকে। সত্য কথা বলতে তারা যে পরিশ্রম নিঃস্বার্থভাবে করে তা সত্যিই প্রশংসার দাবি রাখে।
আজকে আমরা মসজিদে যে ইফতারি দিয়েছিলাম সেখানে আমি বেশিরভাগ ফলের দিকেই গুরুত্ব দিয়েছিলাম। আজকের ইফতারিতে কি কি ছিল তা আমি আপনাদের মাঝে নিচের ছবি আকারে শেয়ার করছি।
ছবিগুলো দেখে হয়তোবা আপনারা বুঝতে পেরে গিয়েছিলেন আজকের ইফতারিতে কি কি ছিল। প্রত্যেকদিন সকলে মিলে এইভাবে ইফতার করার মধ্যে অন্য রকমের একটা প্রশান্তি পাওয়া যায়। ধনী গরিব নির্বিশেষে সকলে এই ইফতার মাহফিলে যোগদান করে। যা প্রত্যেকটি মানুষের মধ্যকার ভ্রাতৃত্ববোধ আরো জাগিয়ে তোলে। এই আয়োজনের ফলে বিশেষ করে গরিব মানুষেরা বেশি উপকৃত হয়। আর মহান সৃষ্টিকর্তা তো আমাদেরকে জানিয়ে দিয়েছেন যে তোমরা নিজে ইফতারি করো এবং অন্যকে ইফতারি করাও।
আপনাদের এলাকাতে কি মসজিদে এই ধরনের ইফতারির আয়োজন করা হয় তা অবশ্যই আমাকে কমেন্ট করে জানাবেন। আপনাদের মূল্যবান মতামতের অপেক্ষায় রইলাম। আজকের মত এ পর্যন্তই পরবর্তী সময়ে আপনাদের মাঝে হাজির হব নতুন কোন একটা পোস্ট এর মধ্য দিয়ে।
আমি মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান।আমি বাংলাদেশের খুলনা বিভাগে মেহেরপুর জেলার গাংনী থানায় বসবাস করি।আমি বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে নিজেকে গর্বিত মনে করি। আমি আমার জন্মভূমি বাংলাদেশকে খুবই ভালোবসি।বর্তমানে আমি গ্রীনরেইন ল্যাবরেটরী স্কুলের একজন শিক্ষক।আমি ফটোগ্রাফি করতে খুব ভালোবাসি এবং সৃজনশীলতার মাধ্যমে নতুন নতুন জিনিস তৈরি করতে আমার খুবই ভালো লাগে।আমি বিশ্বাস করি, আমার এই সৃজনশীল কাজের মাধ্যমে থেকে কেউ যদি উপকৃত হয় বা নতুন কিছু শিখতে পারে তবেই আমার সৃজনশীল কাজটি সার্থক হবে। তাই আমি চেষ্টা করবো আপনাদের মাঝে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন সৃজনশীল জিনিস নিয়ে উপস্থিত হতে।
আমার কিছু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
ফেসবুক টুইটার
VOTE @bangla.witness as witness
OR
এভাবেই রমজান মাসটাতে যদি মাঝেমধ্যেই ইফতারের আয়োজন করা হয়, তাহলে সবাই মিলে যেভাবে একসাথে খেতে পারে ঠিক তেমনি কিছু কিছু মানুষ আছে যারা সব সময় খাবারগুলো তাদের সাধ্যের মধ্যে রাখতে পারে না তারাও খেতে পারে। আসলে রমজান মাস এমনই একটি মাস যেখানে সকলের মধ্যে কিছুটা ভ্রাতৃত্ববোধ সৃষ্টি হলেও মহান আল্লাহতালা অনেক খুশি হয়ে যায়। আর এই মাসে যত বেশি দান সদকা করা হবে বা অন্যকে ইফতার করানো যাবে সেখানেই অনেক বেশি সার্থকতা। যাই হোক মহল্লার ছেলেরা মিলে, আপনার এবং অন্যদের এই আয়োজন অনেক বেশি ভালো লেগেছে।
মহল্লাবাসীকে সাথে নিয়ে মসজিদে বেশ ভালই ইফতারের আয়োজন করেছেন ভাই। সত্যি কথা বলতে কি এরকম ইফতারের আয়োজনে ধনী গরীব একসাথে ইফতারি করলে ভাতৃত্ববোধ জোরালো হয়। তাই আপনাদের এই আয়োজন দেখে সত্যিই খুব ভালো লাগলো। সেই সাথে ইফতারের আইটেম গুলো খুবই ভালো ছিল l আর আপনারা সকলে মিলে সুন্দরভাবে পরিবেশন করেছেন। সব মিলিয়ে ইফতার আয়োজন খুবই ভালো ভাবে সম্পন্ন করেছেন এজন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
রমজান মাসে রোজাদারদের সব থেকে খুশির মুহূর্ত হলো ইফতারি। আর সেই ইফতারিটা যদি অনেকজন মিলে একত্রিত বসে করা যায় তাহলে ওই মুহূর্তটা আরো বেশি ভালো লাগে। বেশ কয়েকদিন একত্রিত বসে ইফতারি করেছিলাম। যদিও আজকে ইফতারিটা করতে পারিনি মসজিদে বসে। সবাইকে অনেক মিস করছি। রমজান মাসের রোজাদারদের ইফতারি হলো সর্বোত্তম খাবার।
খুবই সুন্দর একটি উদ্যোগ। যেখানে ধনী গরিব ভেদাভেদ নেই। সকলে মিলে একসাথে ইফতার করা যায়। আর কাউকে ইফতারি করাতে দ্বিগুণ সওয়াব পাওয়া যায়। আর এভাবে সকলে মিলে ইফতারি করার মজাই আলাদা। এটা ঠিক একা একা এত বড় আয়োজন করা যাবে না। সবাই মিলে একসাথে মজা করে কাজ করলে কাজটা শেষ হয়ে যায়। একজনের উপর এতো প্রেসার পড়ে না। আপনার জন্য শুভকামনা রইল।
এইটা দেখি এখন ট্রেন্ড হয়ে গেছে চারদিকে।আমাদের। একদিকেও অবশ্য এভাবে মসজিদে প্রত্যেকদিন ইফতার দেওয়া হয়। যাইহোক সবাই মিলে ইফতার করার ব্যাপারটা কিন্তু বেশ দারুন ব্যাপার।😊
দেখেই বোঝা যাচ্ছে এলাকাবাসীর সঙ্গে ইফতারের মুহূর্তে খুবই সুন্দর একটি মুহূর্ত অতিবাহিত করেছেন। প্রতিবছর আমরাও এরকম আয়োজন করে থাকি যদিও এ বছর এখন পর্যন্ত করা হয়নি তবে খুব শীঘ্রই এরকম একটি আয়োজন করব। আসলে সকলে মিলে একত্রে ইফতারি করার ভেতর অন্যরকম এক ভালো লাগা ভালোবাসা কাজ করে। শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।