আমার বাংলা ব্লগে সকল বন্ধুরা
আসসালামুআলাইকুম
প্রীতি ও শুভেচ্ছা
আশা করি সবাই ভাল আছেন। আমিও আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি।আজ আমি আপনাদের মাঝে নতুন একটি রেসিপি নিয়ে হাজির হয়েছি। আর আজকের রেসিপিটি হচ্ছে মুচমুচে পেঁয়াজু রেসিপি। রমজান মাসে ইফতারিতে খাবারের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে পেঁয়াজু রেসিপি। রমজান মাস ছাড়াও এমনিতেই বিকেল বেলার নাস্তায় ও আমরা পেঁয়াজু খাই।
পেয়াজু খেতে আমার কাছে খুবই ভালো লাগে। ইফতারিতে অন্যান্য উপাদানের সাথে পেঁয়াজু না হলে যেন ভালই লাগেনা। যদি ও এখন তীব্র গরমে ভাজাপোড়া খাবার খেতে মন চাইছে না। শুধু ঠান্ডা জাতীয় খাবার খেতেই যেন ভালো লাগে। এমনিতেই আমি বেশ কয়েকদিন যাবত পান্তা ভাত দিয়ে ইফতার করি। তবে এরপর পেঁয়াজু বা যে কোন চপ জাতীয় খাবার খাই। আর ঘরে নিজ হাতে পেঁয়াজু বানিয়ে খেতে অনেক বেশি ভালো লাগে। তাহলে চলুন আমার আজকের পেয়াজু বানানোর পদ্ধতি দেখে নেয়া যাক।

- পেঁয়াজোর ডাল
- পেঁয়াজকুচি
- কাঁচা মরিচ কুচি
- হলুদের গুঁড়ো
- মরিচের গুঁড়ো
- রসুন বাটা
- আদা বাটা
- জিরা বাটা
- লবণ
- ধনিয়া পাতা


- প্রথমে আমি পিয়াজুর ডালগুলো সিঁল পাটায় বেটে নিলাম।



- এবার সবগুলো উপকরণ একসাথে মেখে নিলাম।

- এবার অল্প পরিমাণ বেসন দিয়ে মেখে নিলাম।


- সবশেষে ধনিয়া পাতা দিয়ে মেখে নিলাম।


- এবার হাত দিয়ে গোল গোল করে পেঁয়াজুর সাইজ করে গরম তেলে দিয়ে দিলাম।


- এবার দু পিঠ ভালোভাবে ভেজে নিলাম।


- এবার মুচকুচে পেঁয়াজু পরিবেশন করে ছবি তুলে নিলাম।

🌺 আশা করি আমার আজকের রেসিপি টি আপনাদের ভালো লাগবে।ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। 🌺 |
🌺 ধন্যবাদ সবাইকে আমার পোস্টটি দেখার জন্য ও পড়ার জন্য🌺 |
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
আপু আপনার মুচমুচে ডালের বড়া দেখে তো লোভ লেগে গিয়েছে। এভাবে ডালের বড়া খেতে সত্যি অনেক ভালো লাগে। রোজা ছাড়াও বিকালের নাস্তা হিসেবে খেতে অনেক ভালো লাগে। আপনার উপস্থাপনা খুব সুন্দর হয়েছে। ধাপগুলি খুব সুন্দর ভাবে বর্ণনা করেছেন। ধন্যবাদ মজাদার রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
পেয়াজু খেতে আমার কাছে খুবই ভালো লাগে। মুচমুচে ডালের বড়া খেতে আসলেই অনেক ভালো লাগে ।রোজা ছাড়াও বিকেল বেলার নাস্তায় এই রেসিপিটি খুবই চমৎকার।
পেঁয়াজু ভাজা আমার খুব পছন্দ। ইফতারের সাথে পেঁয়াজু না হলে আমার ভালই লাগে না। আপনি অনেক সুন্দর করে উপস্থাপন করেছেন। আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ এত সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা রইল।
আসলেই আপু ইফতারের সাথে পেঁয়াজু না হলে ভালই লাগেনা। তাই তো আজ আপনাদের মাঝে আমি পেঁয়াজু বানিয়ে ধাপে ধাপে উপস্থাপন করেছি। আশা করি আপনাদের পছন্দ হয়েছে আমার আজকের রেসিপিটি। ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
আহা রোজা রেখেছি তো 🤗
পেয়াজু আমার সবথেকে পছন্দের খাবারগুলোর মধ্যে অন্যতম, আর রমজান মাসে তো এটা ছাড়া চলেই না।
পান্তা ভাত দিয়ে আমি কখনো ইফতার করিনি, তবে আইডিয়াটা কিন্তু ভালো লেগেছে। দেখি একদিন পান্তা ভাত দিয়ে ইফতার করবো।
ধন্যবাদ আপু চমৎকার রেসিপি আমাদের সাথে ভাগ করে নেয়ার জন্য।
দোয়া রইল।
পেঁয়াজু আমারও অনেক পছন্দের একটি রেসিপি। তবে তাপমাত্রা বৃদ্ধি হওয়ার কারণে আমি ভাজাপোড়া কিছুটা কম খাচ্ছি। তাই পান্তা ভাত দিয়ে সন্ধ্যায় ইফতার করলে প্রাণটাই জুড়িয়ে যায়। ঠান্ডা হয়ে যায় পুরো শরীর। তবে আপনি চাইলে পান্তা ভাতের সাথে পেয়াজু দিয়ে খেতে পারেন এটিও কিন্তু অনেক মজা।
দারুন আইডিয়া 👌
আমি টেস্ট করে দেখবো।
প্রচন্ড গরমে ভাজাপোড়া কম খাওয়াই আমাদের শরীরের জন্য ভালো। তবে পেঁয়াজু আমারও খুবই পছন্দের। রমজান মাস ছাড়াও বিকেলের নাস্তা হিসেবে আমরা ও মাঝে মধ্যে পেঁয়াজু খায়। গরম গরম পেঁয়াজু খাওয়ার মজাটাই আলাদা। পেঁয়াজু তৈরি করার প্রতিটি ধাপ খুব সুন্দর ভাবে আমাদের মাঝে দেখিয়েছেন। সুস্বাদুও আমার পছন্দের একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
আসলেই তাই প্রচন্ড গরমের কারণে ভাজা পোড়া খেলে আমাদের পেটের সমস্যা বাড়তে পারে। তবে ইফতারের পর কিন্তু আমরা চাইলেই এরকম ভাজাপোড়া জিনিস খেতে পারি। পেঁয়াজু আমার অনেক পছন্দ তাই আপনাদের সাথে রেসিপিটি ভাগাভাগি করে নিলাম।
পেঁয়াজু এমনি আমার খেতে খুব ভাল লাগে। রমজান মাস এলে ত আর কথা নেই পেঁয়াজু ছাড়া মনে হয় ইফতার সম্পূর্ন হয় না। আপনি পেঁয়াজু তৈরী করার খুব সুন্দর রেসিপি শেয়ার করেছেন। প্রতিটি ধাপ সুন্দরভাবে উপস্থাপন করেছেন। পরিবেশন সুন্দর হয়েছে। ধন্যবাদ আপু।
পেঁয়াজু আমার কাছেও এমনিতেই খেতে অনেক ভালো লাগে। রমজান মাসে তো পেঁয়াজু বানাতেই হবে বাধ্যতামূলক। কেননা সন্ধ্যাবেলায় ইফতারিতে পিয়াজ না হলেই ভালোই লাগে না।
গরম গরম পেঁয়াজু দেখতে বেশ লোভনীয় লাগছে আপু। পেঁয়াজু ইফতারের সময় এবং বিকেলের নাস্তায় খেতে দারুণ লাগে। আপনার তৈরি করা পেঁয়াজু গুলো দেখেই বুঝা যাচ্ছে খেতে খুব সুস্বাদু হয়েছে। পেঁয়াজু মচমচে না হলে খেতে ভালো লাগে না। রেসিপির উপস্থাপনা এবং পরিবেশনাও চমৎকার হয়েছে। ধাপে ধাপে এত মজাদার একটি রেসিপি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
একদম ঠিক বলেছেন গরম গরম পেয়াজু দেখলে অনেক বেশি লোভ লেগে যায়। খেতে ইচ্ছে করে খুব ।আমার কাছে অনেক ভালো লাগে পেঁয়াজু খেতে ।সন্ধ্যেবেলা ইফতারিতে পেঁয়াজুর ভূমিকা অপরিসীম।
Congratulations, your post has been upvoted by @dsc-r2cornell, which is the curating account for @R2cornell's Discord Community.