আমার বাংলা ব্লগের সকল বন্ধুরা
আসসালামুআলাইকুম
প্রীতি ও শুভেচ্ছা
আশা করি সবাই ভাল আছেন ।আমিও আপনাদের দোয়ায় আল্লাহর রহমতে ভালো আছি ।আজ আমি আপনাদের মাঝে নতুন একটি ব্লগ নিয়ে হাজির হয়েছি। আমার আজকের পোস্ট হচ্ছে একটি সিম্পল ফুলের কাঁথা সেলাই।
- বাঙালির জীবনের ঐতিহ্যের অন্যতম একটি হলো নকশি কাঁথা। বাঙ্গালীদের প্রতিটি ঘরে নকশি কাঁথা থাকে। এই কাঁথাগুলো বাঙালি নিজেরাই সেলাই করে। আর আমরা যেহেতু বাঙালি তাই আমরাও এর বাইরে নই। শীত কিংবা বর্ষায় এই পাতলা নকশি কাঁথাগুলো গায়ে জড়িয়ে ঘুমাতে খুবই ভালো লাগে। আর নিজ হাতে তৈরি করা ফুলের কাঁথা গায়ে দেওয়ার মজাই আলাদা। তবে যত সিম্পল ই হোক না কেন এই কাঁথাগুলো করতে অনেক দিন সময় লেগে যায়। বাঙালিদের তৈরি করা নকশি কাঁথাগুলো বিদেশিদের পর্যন্ত খুবই পছন্দের জিনিস।
- তবে উপজাতিরা যে নকশি কাঁথা গুলো করে সেগুলো একটু বেশি সুন্দর হয়। এক একটি নকশি কাঁথা ৪ হাজার ৫ হাজার টাকা দিয়েও বিক্রি করা হয় তার চেয়ে বেশি দামিও অনেক সময় পাওয়া যায়। তবে আমি খুব বেশি সময় পাই না তাই অতটা গর্জিয়াস ভাবে নকশি কাঁথা করার সুযোগ হয়ে ওঠেনা। তাই আজ একটি সিম্পল ফুলের কাঁথা সেলাই নিয়ে আপনাদের সাথে শেয়ার করব। এই কাঁথাটি করতেও আমার প্রায় এক বছর লেগে গেছে। অবশ্য সময় মতো না করার কারণেই এতটা দেরি হয়েছে। আর কথা না বাড়িয়ে চলুন ফুলের কাঁথা তৈরি করা দেখা যাক


- প্রথমে আমি নকশী কাঁথার জন্য তিনটি কাপড় ভাজ করে চারপাশ সেলাই করে নিলাম।

- এবার একই সিস্টেমে গোল গোল ডিজাইন করে কাঁথা এঁকে নিলাম।


- এবার গোল ডিজাইনের ভেতরে আরো কয়েকটি গোল ফুলের ডিজাইন করে নিলাম।


- এবার সেলাই করার পালা ।গোলের ভেতর ফুল গুলো লাল সুতো দিয়ে সেলাই করে নিলাম।


- গোল এর বাইরের পাশ কালো সুতো দিয়ে সেলাই করে নিলাম।


- কাঁথার মাঝখানে সম্পূর্ণ একই রকম করেছি। আর চারপাশ কোনাকুনি তীরের মতো কালো সুতো ও লাল সুতো দিয়ে সেলাই করেছি।



- তৈরি হয়ে গেল আমার সিম্পল ফুলের কাঁথা। তারপর সম্পূর্ণ কাঁথাটি ছবি তুলে নিয়েছি।।


🌺 আশা করি আমার আজকের ফুলের কাঁথা টি আপনাদের ভালো লাগবে।ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। 🌺 |
🌺 ধন্যবাদ সবাইকে আমার পোস্টটি দেখার জন্য ও পড়ার জন্য🌺 |
নকশি কাঁথা গুলো দেখতে যেমন সুন্দর লাগে তেমনি এগুলো সেলাই করা খুব কষ্টকর। নরমাল কাথা সেলাই করতে অনেক কষ্টকর। আর এভাবে ডিজাইন করে তো কথাই নেই। চার-পাঁচ হাজার টাকার নকশি কাথার গুলোর দাম হওয়ার পেছনে এর সুন্দর ডিজাইন। আপনি খুব সিম্পল এর মধ্যে সুন্দর একটি নকশি কাঁথা সেলাই করেছেন। আপনি মনে হয় প্রতি মাসে একবার করে বসেছেন সেলাই করতে🤣। তা না হলে এক বছর লাগার কথা না। যাইহোক যতদিনই লাগুক শেষে কিন্তু সুন্দর লাগছে দেখতে।
আসলে আপু নকশি কাঁথাগুলো দেখতে সিম্পল হলেও করতে গেলে বুঝা যায় কতটা কঠিন। আমি তাই খুব বেশি গর্জিয়াস ভাবে কাঁথাটি করিনি। আপু আসলে এমনও হয়েছে দু তিন মাসও কাঁথাটি ধরা হয়নি আবার একদিনে অনেকগুলো কাজ করে ফেলেছি। আসল কথা হচ্ছে সময় করে কাজ করে হয়ে ওঠেনি তাই এতদিন লেগেছে।
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
খুবই চমৎকার একটি নকশি কাঁথা সেলাই পদ্ধতি আপনি আমাদের মাঝে তুলে ধরেছেন। আপনার এই নকশি কাঁথা সেলাই দেখে খুবই ভালো লাগলো। আপনি একদম সত্য কথা বলেছেন গ্রাম বাংলার এই ঐতিহ্যবাহী নকশী কাঁথা দেখতে অনেক বেশি আকর্ষণীয় হয়ে থাকে। আরে ব্যাপারে গ্রাম বাংলার মেয়েরা অনেক বেশি দক্ষ। যাইহোক চমৎকার একটি নকশি কাঁথা তৈরি করে আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
নকশি কাঁথা সেলাই করতে আমার খুবই ভালো লাগে। তবে একাধারে কয়েকদিন করলে বিরক্ত চলে আসে ।আর তাছাড়া এক একটি নকশি কাঁথা করতে অনেক দিন সময় লেগে যায় তাই একটু বোরিং হয়ে যাই। আসলে গ্রামের মেয়েরা নকশি কাঁথা সেলাইয়ে দক্ষ।
বাঙ্গালীদের এক পুরাতন ঐতিহ্য নকশি কাঁথায় সাজ তোলা।। আমিও দেখেছি আমার মা আপু এরকম কাজগুলা মাঝে মাঝেই করে থাকে।।
আপনি খুব সুন্দর নকশা প্রস্তুত করেছেন খুবই ভালো লেগেছে আমার কাছে।।
প্রতি প্রাচীনকাল থেকেই নকশী কাঁথার প্রচলন রয়েছে গ্রাম বাংলায়। আপনার মা আপু এরকম কাজগুলো মাঝে মাঝেই করে থাকে জেনে আমার কাছে অনেক ভালো লাগছে। আসলে এই ঐতিহ্য আমাদেরই টিকিয়ে রাখা দরকার।
কিছুদিন আগে আমাদের বাড়িতে আমার এক আন্টি সহ নকশি কাঁথার ডিজাইন করেছিল। আমিও তাকে কিছুটা হেল্প করেছিলাম। তবে আজকে আপনার এই নকশী কাথার ডিজাইনটি দেখে বেশ ভালো লাগলো ধন্যবাদ আপনাকে।
তার মানে আপনিও মাঝে মাঝে এরকম কাজ করে থাকেন। এই ধরনের নকশি কাঁথাগুলো একজন করা শুরু করলে গ্রামের অন্যান্য মহিলারা ও কাজে হেল্প করে থাকে ।যা আসলেই প্রশংসনীয় একটি কাজ। আর একে অপরকে সাহায্য করে কাজ করলে খুব দ্রুত কাজ করা সম্ভব হয়।
আপনার প্রতিভা দেখে মুগ্ধ হয়ে গেলাম আপু। আপনি খুব নিখুঁতভাবে, দক্ষতার সাথে নকশী কাঁথার ডিজাইন করেছেন। ছোটবেলা মা-খালাদের নকশী কাঁথা সেলাই করতে দেখতাম। আপনার নকশী কাঁথার ডিজাইন দেখে, অল্প সময়ের জন্য ছোটবেলায় হারিয়ে গিয়েছিলাম। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে, এতো সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
ভাইয়া আমিও আমার মা খালাদের কাছ থেকেই এই কাজটি শিখেছি ।খুব ছোটবেলা থেকেই দেখতাম কয়েকদিন পরপরই আমার মা নকশি কাঁথা সেলাই করত এখনও আমার মায়ের হাতের অনেকগুলো নকশি কাঁথা ঘরে রয়েছে ।তাই আমিও নিজে চেষ্টা করে দেখলাম কেমন হয়।
ঠিক এই সময়টাতে আম্মাকে দেখতাম ঘরে বসে নকশিকাঁথা সেলাই করতো। সামনে যেহেতু শীত এজন্য নকশিকাঁথা লাগবেই! গ্রামের চাচীরা সবাই মিলে সেলাই করে নিতো! আপনার নকশিকাঁথা দেখে মনে পড়ে গেল আপু। আপনার নকশা সুন্দর হয়েছে 🌼
আসলেই শীত আসছে এখন কাঁথা তো গায়ে দিতে হবেই। আর এই কাঁথাগুলো নিজেরা সেলাই করে বেশি গায়ে দেয়া হয়। আমিও ছোটবেলা থেকে দেখতাম গ্রামের মা চাচীরা সবাই মিলে এই ধরনের নকশী কাঁথাগুলো সেলাই করে। কোথায় আমিও কিছুটা শিখে নিলাম।
বাঙ্গালীদের সবচাইতে ঐতিহ্য সৌন্দর্য হচ্ছে নকশি কাঁথা তৈরি করা।আমার তো নকশি কাঁথা ছাড়াই চলে না যত কম্বল আসুক না কেন ইদানিং।এই শীতের মধ্যে যদি নকশি কাঁথা গায়ে দিয়ে ঘুমানো যায় তাহলে অনেক আরাম লাগে আপু।খুব সুন্দর একটি কাজ করতেছেন একটি সুন্দর নকশি কাঁথা তৈরি করতেছেন ভালো লাগলো।
বাঙালিদের সবচাইতে সৌন্দর্যমন্ডিত ঐতিহ্য হচ্ছে নকশি কাঁথা ।যেটি গ্রাম অঞ্চলে এখনো প্রচলিত রয়েছে। এটা একদম ঠিক বলেছেন আপু কম্বল যতই থাকুক না কেন, গায়ের মধ্যে যদি নকশি কাঁথা জড়ানো থাকে তাহলে অন্যরকম আরামের ঘুম হয়।
বাঙালির ঐতিহ্যবাহি লোকশিল্পের একটা অংশ আমাদের নকশি কাঁথা । লোক কথায় অনেক বর্ণনা আছে নকশি কাঁথার। একবছর ধরে অনেক ধৈর্য ধরে দারুণ একটা কাঁথা আমাদের উপহার দিয়েছেন। অনেক শুভ কামনা আপনার জন্য।
বাঙালির ঐতিহ্যবাহী লোকশিল্পের একটি অংশ হচ্ছে নকশি কাঁথা। আর এই নকশীকাঁথার ঐতিহ্য যুগে যুগে বাঙালিদের মধ্যে থেকেই যাবে। আসলেই আপু একটি বছর ধৈর্য ধরে সময় নিয়ে কাজটি সম্পন্ন করলাম।
নাইন টেনের ইংলিশ ফার্স্ট পেপার বইয়ের মোস্ট ইম্পর্টেন্ট একটা টপিক এই নকশীকাঁথা।
আমার দাদি খুব সুন্দর সেলাই করতেন।আমার কাছে এখনো আছে দুই তিনটা।
খুবই সুন্দর এবং মনোমুগ্ধকর একটা পোস্ট দেখলাম অনেকদিন পরে।ভালো লাগলো অনেক।
শুভ কামনা রইলো আপনার জন্য।
আসলেই এই নকশি কাঁথার সম্পর্কে নাইন টেনের একটি ফ্যাসেজ রয়েছে। তাই এটা সম্পর্কে ছাত্র-ছাত্রীদেরও ধারণা রয়েছে। আসলেই তখনকার নানী দাদিরা খুব সুন্দর নকশি কাঁথা সেলাই করত ।আর তার স্মৃতি হিসেবে আপনার কাছে রয়েছে জেনে খুবই ভালো লাগলো।