এই বাংলা মুভিটি অনেক পুরোনো কাহিনী অবলম্বনে তৈরি। এই বাংলা মুভিটির নাম হলো "জজ সাহেব"।
দাদা আপনি আজকে যেই মুভি রিভিউ আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন সেই মুভি এর আগে আমি কখনও দেখিনি। তবে আজকে যখন আমি আপনার মুভি রিভিউ পড়ার জন্য বসেছি তখন মনের মধ্যে আলাদা আকর্ষণ কাজ করেছিল। কারণ আপনি সবসময় দারুন সব মুভি রিভিউ শেয়ার করেন। এই সুন্দর মুভি রিভিউ আরো ভালোভাবে পড়ার আরো একটি কারণ হলো এই চমৎকার বাংলা মুভিতে আমার অনেক প্রিয় অভিনয়শিল্পীরা অভিনয় করেছেন। যেমন শ্রদ্ধেয় রঞ্জিত মল্লিক স্যার, প্রসেনজিৎ স্যার ও শতাব্দি রায় ম্যাডাম। তাদের অভিনয়ের দক্ষতা এই মুভিটিকে সকলের কাছে জনপ্রিয় করে তুলেছে। যখন অভিনয় শিল্পীরা তাদের অভিনয়ের জাদুতে দর্শককে মুগ্ধ করে তখন সেই মুভিটি সার্থক হয়। আসলে একটি সার্থক মুভির পিছনে লুকিয়ে থাকে হাজারো পরিশ্রম ও দক্ষতা। রঞ্জিত মল্লিক স্যারের মুভি গুলো সব সময় সর্বকালের সেরা মুভি। কারণ যে মুভিতে রঞ্জিত মল্লিক স্যার অভিনয় করেন সেই মুভি গুলো সব সময় অনেক সুন্দর হয় এবং তার অভিনয় সকলের কাছে ভালো লাগে। আমার মনে হয় ছোট থেকে বড় সকলেই রঞ্জিত মল্লিক স্যারের মুভি দেখতে পছন্দ করেন। এই মুভিগুলো অনেক সময় আমরা আমাদের পরিবারের সকলের সাথে বসে দেখতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। কারণ এই মুভি গুলোর মাঝে রয়েছে অনেক সুন্দর কাহিনী চিত্র। বর্তমান সময়ের মুভিগুলো থেকে আগেকার পুরনো দিনের সেই মুভি গুলো অনেক ভালো ছিল। আসলে সেই মুভি গুলো পরিবার পরিজনদের নিয়ে অনেক সুন্দর করে উপভোগ করা যেতো। তারা তাদের অভিনয়ের জাদুতে মানুষকে এতটাই মুগ্ধ করত যে তাদের কষ্টেও দর্শকরা কেঁদে ফেলতো। যখন একজন অভিনয়শিল্পী তার অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শক হৃদয়কে আকৃষ্ট করে ও তার কষ্টে দর্শক কেঁদে ফেলে তখন একজন অভিনয়শিল্পীর অভিনয় সার্থক হয়। তেমনি এই মুভিতে স্যার প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় অনেক দক্ষ অভিনয় করেছেন। তিনি একজন বিত্তশালী পরিবারের সন্তান হয়েও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তাঁর নিকট আত্মীয়দের থেকে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এবং অবশেষে পাগলা গারদে সময় কাটিয়েছেন। সেখানে তিনি যেমন মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন তেমনি শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। শ্রদ্ধেয় স্যার রঞ্জিত মল্লিক তার এই কথাগুলো জানতে পেরে তার মুক্তির জন্য লড়াই করেছেন। আসলে আমাদের সমাজে এমন কিছু মানুষ রয়েছে যারা অন্যের বিপদে এগিয়ে আসতে সহায়তা করে। তেমনি শ্রদ্ধেয় স্যার রঞ্জিত মল্লিকের মত অনেক মানুষ আছে যারা বিপদে মানুষকে সাহায্য করতে অনেক আনন্দ পায়। শ্রদ্ধেয় স্যার রঞ্জিত মল্লিক প্রসেনজিতের এই বন্দী জীবন থেকে মুক্তি করতে ও সাবেক জীবনে ফিরে আসতে অনেক সহায়তা করেছেন। সেই সাথে রঞ্জিত মল্লিক স্যারের বোন চরিত্রে অভিনয় করেছেন যিনি তিনি হলেন শতাব্দি ম্যাডাম। আর তিনিও প্রসেনজিৎকে ভালবেসে ফেলেছিলাম। তাদের মাঝে একটি সুন্দর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। এই মুভি এত সুন্দর একটি কাহিনীর উপর নির্মিত হয়েছে যে এই মুভিটি যে দেখবে তার কাছে অনেক ভালো লাগবে। আসলে যখন অনেক মন খারাপ থাকে তখন যদি আমরা পুরনো দিনের সেই বাংলা মুভি গুলো দেখি তাহলে খুবই ভালো লাগবে। কারণ সেই মুভি গুলো অনেক সুন্দর কাহিনীর উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে। আপনি অনেক সুন্দর ভাবে এই মুভি রিভিউ উপস্থাপন করেছেন। মুভি রিভিউ করার জন্য দারুন একটি মুভি বেছে নিয়েছেন দাদা। একদিকে যেমন আপনি মুভি দেখে অনেক সুন্দর সময় কাটিয়েছেন অন্যদিকে অনেক উপভোগ করেছেন। দাদা আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি দারুন একটি মুভি রিভিউ সকলের মাঝে শেয়ার করার জন্য এবং এই সুন্দর একটি মুভি রিভিউ সম্পর্কে আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য। আপনার মুভি রিভিউ পড়ে এই মুভি সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পেয়েছি এ জন্য আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি দাদা।