ঢাকা শহরে এই নতুন পেরিবেশের মধ্যে বন্ধুদের সাথে যেন মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করতেছিলাম। তবে মানিয়ে নিতে পেরে যেন ভালই লাগতেছিল। আমার রুমমেট আরো কয়েকজন বন্ধু মিলে আজকে বিকাল বেলা রের হলাম। ঢাকা শহরের সুন্দরময় কিছু দৃশ্য দেখার জন্য। আসলে বিকেলবেলা বন্ধুদের সাথে এই ভ্রমণের মুহূর্তটা ভালই লাগতেছিল। বন্ধুরা বলল ফুটপাতে এক মামা খিচুড়ি বিক্রি করে। আর এই খিচুড়ি খেতে যেন হাজার মানুষের আনাগোনা। আসলে এরকম একটা মুহূর্ত কথা জানতে পেরে যেন সেই খিচুড়ি খাওয়ার ইচ্ছা জাগলো। তাই বিকেল বেলা বন্ধুদের সাথে রাস্তা দিয়ে যেন হাঁটতে লাগলাম। আর হেঁটে হেঁটে ফুটপাতে সেই মামার দোকানে দিকে রওনা দিলাম।
তাই আমরা হোস্টেল থেকে কয়েকজন বন্ধু মিলে ফুটপাত দিয়ে হেঁটে চাচ্ছিলাম। হেঁটে যাওয়ার পথে এই শহরের সুন্দর দৃশ্যগুলো দেখতে লাগলাম। আসলে শহরের কিছু আমি চিনি না, বন্ধুরা অনেক আগে থেকে শহরে থাকে ওরা অনেক কিছুই জেনে, যার কারণে ওদের সাথে আমি এই শহরের নতুন রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলাম। হেঁটে যেতে যেতে সন্ধ্যা নেমে আসলো। এবং সন্ধ্যার সময় একটি কলেজের পাশেই দেখতে পেলাম এই মামার হোটেল। সে ফুটপাতে যেন বিক্রি করছে। আর তার কাছে থেকে সকলে যেন খিচুড়ি এবং মুরগির মাংস দিয়ে মজা করে খাচ্ছে। আসলে রাস্তায় এভাবে খিচুড়ি বিক্রি করা এবং খিচুড়ি খাওয়ার অনুভূতি আমার যেন একদম নতুন।

সেই মামার হোটেলটি রাস্তার পাশেই একটি ভ্যানের উপরে। আসলে সেখানে অনেক ধরনের খাবারের আইটেম দেখতে পেলাম। আসলে এভাবে আমি অনেক সময় ফুচকা চটপটি খেয়েছি। কিন্তু কখনো এভাবে খীচুরি খাওয়া হয়নি। আর এখান থেকে যেন সকলেই মজা করে খাচ্ছে। আমার এক বন্ধু বলল অনেক মজা লাগে। মাঝে মাঝে সে খিচুড়ি খেতে আসে। এই খিচুড়ি খেলে নাকি মুখে লেগে থাকবে। আবারও খেতে ইচ্ছা করবে। আমার দেখতে পেয়ে ভালই লাগলো। কারণ এত মজাদার যদি না হতো তাহলে সবাই খেতে আসতো না।

তাই আমরা ৬ জন বন্ধু এসেছিলাম। ৬ জন বন্ধু আমরা ছয়টা খিচুড়ির অর্ডার দিয়ে পাশেই যেন দাঁড়িয়ে থাকলাম। এই খিচুরি ওলা মামা সবাইকে খিচুড়ি দেওয়া শেষে আমাদের এই ছয়টি খিচুড়ি দেওয়ার জন্য তৈরি করতে লাগলো। আমি বললাম মামা আমরা কিন্তু আজকে প্রথম এসেছি। আর আপনার খিচুড়ি অনেক সুনাম শুনেছি। দেখি খিচুড়িটা কত মজা হয়। যদি আমার কাছে ভালো লাগে তাহলে মাঝেমধ্যে আপনার সাথে দেখা হবে। মামা বলল ঠিক আছে আপনি একবার খেয়ে দেখুন।

| তারপরে আমাদের ছয় বন্ধুকে একসাথে ছয়টি প্লেট দিলেও। সত্যি এই খিচুড়ি খেতে লাগলাম আর খিচুড়ি মুখে দিয়েই যেন অন্যরকম একটা অনুভূতি নিজের কাছে মনে হল। আসলে খিচুড়ি অনেক খেয়েছি তবে এই রকম খিচুড়ি খাওয়া হয়নি। খিচুড়ি অনেক ভাল ছিল, আর এর ঝোল অর্থাৎ মুরগির মাংসের এত মজাদার ছিল যা বলার মতো না। সাথে সাথে আমি এক প্লেট শেষ করে আর এক প্লেটের জন্য অর্ডার দিয়েছিলাম।ছয় বন্ধু মিলে এরকম পরিবেশের মধ্যে খিচুড়ি খাওয়ার অনুভূতি সত্যি আমার কাছে অন্যরকম লেগেছে। আর এই অনুভূতিটাও ছিল অসাধারণ। তাই আপনাদের মাঝে সেই অনুভূতির কিছু অংশ শেয়ার করলাম। |
প্রত্যেকটা ছবি তোলার লোকেশন এবং ডিভাইসের নামঃ
Location
Device:Poco X2
আজ এখানেই শেষ করছি। অন্য কোন একদিন ভিন্ন ধরনের কনটেন্ট নিয়ে আপনাদের মাঝে হাজির হব। ততক্ষন পর্যন্ত আপনারা সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন, আল্লাহ হাফেজ।

ফোনের বিবরণ
| ক্যামেরা | রেডমি পোকো x2 |
| ধরণ | ❝ ফটোগ্রাফি❞ |
| ক্যমেরা মডেল | Poco X2 |
| ক্যাপচার | @mohamad786 |
| অবস্থান | সিরাজগঞ্জ- বাংলাদেশ |
আমার পরিচয়

আসলে এভাবে ফুটপাতে খিচুড়ি খাওয়ার দৃশ্য আমি এখনো দেখিনি। তবে ফুটপাতে অনেক ধরনের ভাজিপুরী খাবার আমিও খেয়েছি। আজকে আপনাদের এই খিচুড়ি খাওয়ার দৃশ্য দেখতে পেয়ে খুবই ভালো লাগলো। বন্ধুদের সাথে সুন্দর একটি মুহূর্ত উপভোগ করেছেন।
আসলে আমিও ফুটপাতে এরকম খিচুড়ি বিক্রি করতে দেখিনি। তবে গত কয়েকদিন আগে কোন এক ভাইয়ের পোস্টে দেখলাম এবং আজকে আবার আপনার পোস্টে দেখতে পেলাম। ওই খিচুড়ি ওয়ালা মামার কাছে তো দেখছি অনেক ধরনের আইটেমই ছিল। যাই হোক আপনারা ৬ জন বন্ধু মিলে সেখান থেকে খিচুড়ি খেয়েছেন এবং খিচুড়িটা অনেক ভালো ছিল জেনে ভালো লাগলো। রাস্তার পাশের খিচুড়ি যেটা এত টেস্ট যে মুখে লেগে থাকার মত সত্যি বেশ অবাক করা বিষয়। যাই হোক ধন্যবাদ ভাই আপনাকে সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
দেখে তো বুঝা যাচ্ছে মানুষের অনেক ভিড়। এই ধরণের খিচুড়ি গুলো খেতে খুবই ভালো লাগে। তারপর আপনারা অনেক বন্ধুরা মিলে খাওয়া-দাওয়া করলেন। পাশাপাশি শহরের অনেক সুন্দর প্রাকৃতিক দৃশ্যের ফটোগ্রাফি শেয়ার করলেন। খিচুড়ির কালার গুলো দেখে মনে হচ্ছে খুবই সুস্বাদু ছিল। মুহূর্তটি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।