❝গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার সুন্দর মুহূর্তের কিছু ফটোগ্রাফি❞
গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার মধ্যে অন্যরকম একটা আনন্দ এবং অন্যরকম একটা শান্তি পাওয়া যায়।আমরা যারা গ্রামের বাইরে থাকি গ্রামে যাওয়ার জন্য তাদের মন ছুটে যায়।কারণ গ্রামে আমরা ছোট থেকে বড় হয়েছি।গ্রামেই আমাদের সব আপনজন।তাই গ্রামের প্রতি একটা টান সবসময় আমাদের অনেক বেশি থাকে।একটু সুযোগ পেলে চলে যেতে ইচ্ছা করে গ্রামের বাড়িতে।বেশ কিছু কারণে অনেকদিন ব্যস্ত থাকার কারণে আমি গ্রামের বাড়িতে যেতে পারিনি।কিন্তু গতকাল একটু কাজ কম ছিল তাই আমি ছুটে গিয়েছিলাম আমার গ্রামের বাড়িতে।যেহেতু সার্ভারের সমস্যা দেখা দিচ্ছে তাই আমি বেশি কথা বাড়াবো না। গ্রামে যাওয়ার সময় কিছু অনুভূতি এবং সুন্দর সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করব।আশা করি আপনাদের সকলের অনেক ভালো লাগবে।তোর চলুন আর বেশি দেরি না করে শুরু করা যাক।
Device:Poco X2
Device:Poco X2
সকাল আটটার দিকে ঘুম থেকে উঠলাম।ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হওয়ার পর আম্মু বলল খাওয়া দাওয়া করে বাড়িতে যাও।পরে আমি কিছু খাওয়া দাওয়া করলাম।তারপর সকাল নয়টা ত্রিশের দিক আমি সিরাজগঞ্জ থেকে আমার গ্রামের বাড়ি যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হলাম।আমার গ্রামের বাড়ি সিরাজগঞ্জ শহর হতে মাত্র নয় কিলোমিটার দূরে নলকা গ্রামে অবস্থিত।সিরাজগঞ্জ শহর থেকে সিএনজিতে আসতে ৩০ টাকা লাগে।আর বাসে আসতে ১৫ টাকা লাগে।আপনারা উপরের ছবিতে যে জায়গাটি দেখতে পাচ্ছেন এ জায়গাতেই মূলত সিএনজি এবং বাস এসে নামিয়ে দেয়।এখান থেকে রাস্তাটা পার হয়ে দুই মিনিট হাটলেই আমার গ্রামের বাড়ি।
Device:Poco X2
আমার গ্রামের বাড়ির সামনে দিয়ে বয়ে চলেছে বাংলাদেশের সুবিশাল একটি রাস্তা।তার নাম বিশ্বরোড বলে পরিচিত।এ রাস্তা দিয়ে বাংলাদেশের সব যানবাহন চলাফেরা করে।এছাড়াও কলকাতা যাওয়ার রাস্তা আমাদের এখান দিয়েই।এ রাস্তা দিয়ে বাংলাদেশের রাজশাহী,রংপুর,দিনাজপুর বিভাগে যেতে হয়।এছাড়াও এই রাস্তা দিয়ে যশোরের বেনাপোল দিয়ে ভারতে যাওয়া যায়।তাই এই রাস্তাকে বিশ্ব রোড বলা হয় এবং বিশ্বরোড নামে পরিচিত।
Device:Poco X2
দুই তিন বছর যাবত এই রাস্তাটি আরো অনেক বড় করা হচ্ছে।বিভিন্ন জায়গায় ফ্লাইওভার নির্মাণ করা হচ্ছে।তাই এই জায়গার কাজ এখনো নির্মাণরত অবস্থায় আছে।সিরাজগঞ্জ জেলার বগুড়া রোডের এই রাস্তার অংশের কাজটুকু শেষ হলে বাংলাদেশের যানবাহন ব্যবস্থা আরো উন্নতি হবে এবং দুর্ঘটনা অনেক কমে যাবে।বেশ কিছুদিন পর গ্রামের বাড়িতে যাচ্ছি এমনিতেই অনেক ভালো লাগছে।আবার রাস্তাগুলোর কাজ অনেক এগিয়ে গেছে দেখে আরো ভালো লাগলো এবং উপরের আকাশটা দেখে আরো অনেক বেশি ভালো লাগলো।আকাশটা দেখে মনটা একদম ভরে গেল,কারণ এরকম পরিবেশ আমার অনেক ভালো লাগে। তাই আমি আর চুপ করে না থেকে তাড়াতাড়ি ছবি তোলা শুরু করে দিলাম।
Device:Poco X2
Device:Poco X2
Device:Poco X2
Device:Poco X2
বিশ্বরোড পার হলেই আমার গ্রাম। আপনারা উপরে যে ছবিটি দেখতে পাচ্ছেন এই জায়গাটি বিশ্ব রোডের ঠিক একদম পাশে অবস্থিত।এখানে আমার গ্রামের মানুষরা এসে বসে থেকে চা নাস্তা করে। বিশেষ করে গ্রামের বৃদ্ধ লোকেরা এই জায়গাটিতে এসে চা খায় এবং একে অপরের সাথে অনেকক্ষণ আড্ডা দেয়।আসলে গ্রামের এই ট্রি-স্টল গুলো গ্রামের বৃদ্ধ লোকদের জন্য একটি বিনোদন কেন্দ্র।অবশেষে আমি সকাল দশটার দিকে বাড়িতে এসে পৌছালাম।বাড়িতে এসেই সবার সাথে দেখা হয়ে খুবই ভালো লাগলো।তারপর তাদের সাথে খুব সুন্দর সুন্দর সময় কাটালাম।
আজ এখানেই শেষ করছি। অন্য কোন একদিন ভিন্ন ধরনের কনটেন্ট নিয়ে আপনাদের মাঝে হাজির হব। ততক্ষন পর্যন্ত আপনারা সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন, আল্লাহ হাফেজ।
ফোনের বিবরণ
| ক্যামেরা | রেডমি পোকো x2 |
|---|---|
| ধরণ | ❝গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার সুন্দর মুহূর্তের কিছু ফটোগ্রাফি❞ |
| ক্যমেরা মডেল | Poco X2 |
| ক্যাপচার | @mohamad786 |
| অবস্থান | সিরাজগঞ্জ- বাংলাদেশ |
👉বিশেষভাবে ধন্যবাদ সকল বন্ধুদের যারা এই পোস্টকে সমর্থন করছেন🌺🌹🌺
টুইটার লিংক
https://twitter.com/FaisalA45225288/status/1697107063997145542?s=20
গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার মুহূর্ত সত্যিই অসাধারণ। গ্রাম যেন আমাদের জীবনের সাথে জড়িয়ে রয়েছে। তাই গ্রামে যাওয়ার অনুভূতি জানতে পেরে খুবই ভালো লাগলো।
ধন্যবাদ ভাইয়া।
বাহ! ফটোগ্রাফি গুলো দারুন ছিল ভাইয়া। আপনি গ্রামের বাড়ি যাচ্ছেন সেই ফাঁকে খুব সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি গুলো নিলেন। সত্যি বলতে রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় ফটোগ্রাফি গুলো দারুন করলেন। নীল আকাশের ফটোগ্রাফি গুলো অনেক সুন্দর ছিল। গ্রামের ফটোগ্রাফি গুলো অসাধারণ ভালো লেগেছে।
নীল আকাশের ফটোগ্রাফি গুলো আপনার অনেক ভালো লেগেছে শুনে খুবই খুশি হলাম। ধন্যবাদ জানাচ্ছি আপু।
গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার মুহূর্ত চমৎকার ভাবে উপভোগ করেছেন আপনি। আপনার তোলা প্রত্যেকটি ফটোগ্রাফি খুবই দুর্দান্ত হয়েছে। প্রকৃতির বৈচিত্র্যময় সৌন্দর্য অসাধারণ। প্রকৃতির এমন সৌন্দর্য দেখলে ফটোগ্রাফি করতে খুব মন চায়। এতো চমৎকার কিছু মুহূর্তের অনুভূতি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই।
আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া।
গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার মুহূর্তে তোলা কিছু ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন যা সত্যি অসম্ভব সুন্দর হয়েছে। তার সাথে আপনি গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার যে অনুভূতি সেটাও আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। প্রত্যেকটা ফটোগ্রাফি অনেক সুন্দর ছিল আমার কাছে শেষের ফটোগ্রাফি টা বেশি ভালো লেগেছে। ধন্যবাদ ভাই।