দিনগুলো যেন ছোট হয়ে আসছে।
আজ - ৮ই আশ্বিন |১৪৩০ বঙ্গাব্দ, | শরৎকাল |
আসসালামু-আলাইকুম। আদাব - নমস্কার। মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি আমার বাংলা ব্লগ এর ভারতীয় এবং বাংলাদেশী সদস্যগণ, আশা করি সবাই ভাল আছেন।
ছবি এখান হতে নেওয়া হয়েছে।
যাইহোক অন্যান্য অঞ্চলে বৃষ্টি হলেও আমাদের এদিকে কিন্তু এরকম ভাবে বৃষ্টিটা হয়নি। এমনিতেই মাঝে মধ্যেই আকাশ মেঘলা হয়ে দুই চার ফোঁটা বৃষ্টি পড়ে এরপর আবার থেমে যায়। তবে ওয়েদার তেমন একটা উষ্ণ নয় মোটামুটি সহনীয় আছে। এখন শুধু এরকম ওয়েদার টা থাকলেই হল।
সামনে আবার শীতকাল আসছে দিনগুলো এখন থেকেই যেন একটু একটু করে ছোট হয়ে আসছে। যতদিন যাবে ততো সময়গুলো আরো ছোট হয়ে আসবে। তবে চিন্তা নেই শহরে শীত আসতে আরো অনেক দেরি। শীতকালের কথা ভাবলে যেন অন্যরকম একটা ভালো লাগে কাজ করে। আমি তো অপেক্ষায় আছি শীতকালের জন্য। তবে আমার কাছে মনে হয় এইতো কিছুদিন আগেই আমরা একটা শীতকাল পার করে এসেছি আমার সামনে আরেকটা শীতকাল আসতে চলেছে।
একটা জিনিস আমি প্রায় সময় খেয়াল করি। আমাদের দিনগুলো কেন জানি খুব তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে যাচ্ছে । কিভাবে কিভাবে যেন এক একটা দিন পার হয়ে যাচ্ছে বুঝে ওঠা যায় না । সময়গুলো যেন ছোট হয়ে আসছে প্রতিনিয়ত। খাওয়া ঘুম আর একটু কাজ দিয়েই যেন দিনটা কাভার হয়ে যায়। আগে আমাদের একটা বছর পার হতে কতটা দীর্ঘ সময় মনে হতো কিন্তু এখন এক একটা বছর যেন এক পলকে পার হয়ে যাচ্ছে। দিন যত যাচ্ছে সময় ততো আরো দ্রুত পার হচ্ছে।
আসলে আমাদের এই সময় গুলো কিন্তু একটা নির্দিষ্ট সময় থেকে কেটে যাচ্ছে। আমাদের আয়ু থেকে কমে যাচ্ছে । কিন্তু আমরা সেই হিসাবটা রাখছি না। আমরা শুধু পরের দিন, আবার এর পরের দিনের এভাবে করে একটি দিন পার করে আবার পরের দিনের কথা কথাই ভাবছি।
আগে একেকটা দিন কত দীর্ঘ মনে হতো ওই একটা দিনে আমরা কতই না কাজ করতাম কিন্তু এখন এক একটা দিন যেন এক একটা মুহূর্তের মত। সামনের দিনগুলোতে মনে হয় এক একটা দিন আরো ছোট হয়ে যাবে।
এই কয়েকদিন ধরে আমার সময় গুলো কাটছে মোটামুটি তিনটি কাজ দিয়ে, খাওয়া, ঘুম আর স্ক্রিন টাইম। সকালে ঘুম থেকে উঠে খেয়েদেয়ে কম্পিউটার নিয়ে বসি আর দুপুরে উঠি এরপর আবারো ফ্রেশ হয়ে খেয়েদেয়ে আবারো বসে পড়ি কম্পিউটার নিয়ে এরপর সন্ধ্যার টাইমে একটু হাঁটতে বের হয় এরপর আবার পুনরায় বসে পড়ি কম্পিউটার নিয়ে এভাবেই চলছে আমার দিনকাল। কয়েকটা দিন আমার কাছে সময়গুলো এতটাই ছোট ছোট লাগছে কি আর বলবো। মনে হচ্ছে এই বুঝি সকাল হচ্ছে আবার এই রাত নেমে আসছে। কোন একটি কাজ নিয়ে আসলে পড়ে থাকলে আমাদের সময় গুলো এভাবেই পার হয়ে যায়। তবে আমার এই ব্যস্ততা শুধুমাত্র কিছুদিনের জন্যই।
যাইহোক আজ এখানেই বিদায় নিচ্ছি সকলে ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন দেখা হবে পরবর্তী দিন আবার অন্য কোন বিষয় নিয়ে আল্লাহ হাফেজ।
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
অনেক সময় বৃষ্টির অপেক্ষায় থাকি কবে নামবে বৃষ্টি,সে প্রত্যাশায় থাকতাম। খুব ভালো লাগতো বৃষ্টি হলে। কিন্তু বেশি বৃষ্টি হলে তো সেখানে ভালোর জায়গাতে খারাপে পরিণত হয়। বিশেষ করে কিছু জায়গা রয়েছে যেখানে বৃষ্টি একটুর চাইতে একটু বেশি হলেই জলবদ্ধতা দেখা দেয়। আর এটাও ঠিক বলেছেন যে বর্তমানে দিনগুলো ছোট হয়ে আসছে। একদিক থেকে দিনগুলো দিনের নিয়মে ছোট হয়ে আসছে। কিন্তু ব্যস্ততার কারণে যখন কাজ করে সময় কুলিয়ে উঠতে পারিনা, তখন মনে হয় বড় একটি দিনও যেন ছোট হয়ে গেল। খুব ভালো লাগলো আপনার ব্লগটি পড়ে ধন্যবাদ ভাই।
হ্যাঁ ঠিক বলেছেন বাংলাদেশকে বৃষ্টি হলে একটাই সমস্যা রাস্তাঘাট সব পানিতে ভর্তি হয়ে যায়। তবে এই ক্ষেত্রে আমাদের অঞ্চলটার এমন অবস্থা হয় না। তবে বৃষ্টির হলে কাদার জন্য চলাফেরা করা একটু কষ্টকর হয়ে থাকে। আর হ্যাঁ আমাদের সময় গুলো এমন হয়েছে যে আমরা একটা কাজ নিয়ে পড়ে থাকি তাই মনে সময়গুলো যেন খুব দ্রুত চলে যাচ্ছে। আমার কাছে মাঝে মাঝে মনে হয় এইতো সেদিন বছর শুরু হল আবার এর মধ্যেই শেষ হয়ে যাচ্ছে। যাই হোক ধন্যবাদ ভাই আপনাকে সুন্দর পোস্টে আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
অতিরিক্ত কোন কিছুই ভালো লাগে না। তেমনি করে অতিরিক্ত বৃষ্টিও কিন্তু মানুষের জীবন কে অস্য করে তুলে। আসলে ভাইয়া কাজের মধ্যে ডুবে থাকলে সময় যে কোন দিক দিয়ে চলে যায় সেটাই তো বুঝতে পারি না। দিন আর রাতের পার্থক্যই এখন অনেক সময় বুঝি না। মাঝে মাঝে মনে হয় এক সপ্তাহে যদি এক দিন হতো তাহলে কেমন হত। দারুন লাগলো আপনার কথাগুলো।
কেয়ামতের একটা বিশেষ আলামত হচ্ছে সময় দ্রুত চলে যাওয়া। যেটা এখন আমরা বুঝতে পারছি। কেয়ামতের কয়েকটি লক্ষ্যণের মধ্যে বেশকটি দেখা যাচ্ছে। জানিনা আমাদের কপালে কি আছে। তবে আমাদের সময়কে গুরুত্ব দেয়া উচিত! প্রত্যেক মোমেন্ট কাজে লাগানো উচিত।
মাঝে মাঝে আমার একটা বিষয় মনে আসে দশ বছর আগের একদিন এবং এখনকার একদিনের দৈর্ঘ্য এক না। এখন অনেক ছোট হয়ে গিয়েছে দিনগুলো হা হা। যদিও এটা আমার নিছক কল্পনা। কিছুদিন পর শীতকাল মনে আসলেই আলাদা একটা ভালোলাগা কাজ করছে। সুন্দর ওয়েদার কুয়াশাচ্ছন্ন সকাল। আর আমাদের জীবন এখন নির্দিষ্ট কিছু কাজের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ভাই।।
যেহেতু এখন সেপ্টেম্বর মাসের শেষের দিকে। মাঝখানে আর একটি মাস বাকি আছে পুরোপুরি শীত চলে আসতে। নভেম্বর মাস থেকে খুব ঘন করে শীত শুরু হয়ে যাবে। মনে করলেই খুবই ভালো লাগা কাজ করতেছে। কারণ শীত ঋতু এবং বর্ষাকাল আমার খুবই প্রিয় ঋত। ঠিক বলছেন আমাদের এদিকে অনেক ঝলমলে রোদ কোন বৃষ্টির দেখা নেই। আগে প্রায় সাতটা বাজে মাগরিবের আযান দিত। এখন কিন্তু ৬ টা বাজার আগে শুরু হয়ে যায় আযান। এখন দিনগুলো ছোট হয়ে যাচ্ছে আস্তে আস্তে।
আমিও মাঝেমধ্যে ভাবি যে সময় কতো তাড়াতাড়ি অতিবাহিত হয়ে যায়। অনেক সময় মনে হয় চোখের পলকে দিন কেটে যায়। রাতের বেলা শুয়ে শুয়ে ভাবি যে দিনটা কিভাবে পার হয়ে গেল এবং সারাদিন কি কি করলাম। হ্যাঁ ভাই দিনগুলো অনেক ছোট হয়ে আসছে। সন্ধ্যা ৬ টায় মাগরিবের আজান দিয়ে দেয়। যেহেতু আর ২ মাস পর শীতকাল চলে আসবে, ধীরে ধীরে দিন আরো ছোট হয়ে আসবে। যাইহোক পোস্টটি পড়ে খুব ভালো লাগলো। শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
আপনি ঠিকই বলেছেন দিনগুলো কেন জানি ছোট হয়ে যাচ্ছে। আর আমরা শুধু পরের দিন টা নিয়েই ভাবি। আমাদের জীবন থেকে যে একটি দিন চলে যাচ্ছে এটা কয়জনেই বা ভাবে।
আসলে শেষ জামানায় এটি একটি আলামত। জানিনা আমাদের ভাগ্যে কি আছে। তবে সৃষ্টিকর্তার নিয়ম অনুযায়ী আমাদের এ পৃথিবীতে চলতে হবে। ধন্যবাদ ভাই সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে উপস্থাপন করার জন্য।
আপনি একদম ঠিক বলেছেন ভাইয়া,দিনগুলো যেন ছোটই হয়ে আসছে আগের তুলনায়।সামান্য একটু কাজ করতেই দিন শেষ হয়ে যায়।পূর্বে একটা দিন শেষ হতো কতো কাজের পর।যেহেতু ব্যস্ত সময় পার করছেন,এজন্য আরো দিন আরো বেশি ছোট মনে হচ্ছে।আমার এদিকে বৃষ্টি প্রচুর হয়েছে দুইদিন।ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।