জলাবদ্ধতা।
আজ- ৭ই ভাদ্র, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, শরৎকাল
আসসালামু-আলাইকুম। আদাব - নমস্কার। মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি আমার বাংলা ব্লগ এর ভারতীয় এবং বাংলাদেশী সদস্যগণ, আশা করি সবাই ভাল আছেন।
ছবি এখান হতে নেওয়া হয়েছে।
চট্টগ্রাম, ফেনী, নোয়াখালী ছাড়াও আরো কয়েকটি অঞ্চলে ব্যাপক পানি উঠে গিয়েছে। অনেক জায়গায় বিদ্যুৎবিহীন, ইন্টারনেট বিহীন হয়ে পড়েছে। গতকাল থেকে টানা দিন রাত বৃষ্টি পড়েছে আর যার ফলস্বরূপ রাস্তায় এত পানি উঠে গিয়েছে।
আসলে কয়েক দিন ধরে থেমে থেমে বৃষ্টি পড়েই চলেছে সে সাথে রাস্তায় পানি ও উঠেছে। তবে আজকে যে পরিমাণ রাস্তাই পানি উঠেছে তাতে পূর্বের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। গ্যারেজ থেকে শুরু করে রাস্তা পর্যন্ত কোমর পরিমাণ পানি আর এতো পানিতে আসলে রাস্তাঘাট গুলো চলাচলের অনুপযোগী হয়ে উঠেছে। এ পরিস্থিতিতে বের হওয়ার কোন সুযোগই থাকছে না। তবে আজকের মধ্যে যদি পানি না শুকিয়ে যায় তাহলে মানুষের ভোগান্তি অনেকখানি বেড়ে যাবে। এবং অনেক পরিবার রয়েছে যাদের বাসায় বাড়িতে পানি ঢুকে যাওয়ার কারণে রান্নাবান্না, খাওয়া দাওয়া এমনকি বিশুদ্ধ পানি সংকট দেখা দিয়েছে। কারো বাড়িতে শিশু রয়েছে কারো বাড়িতে বৃদ্ধ লোক রয়েছে অসুস্থ মানুষ রয়েছে এত সকল কিছু মধ্যে দিয়ে পরিস্থিতিতে আসলেই অনেকটা কঠিন। হয়তো আমরা এই সকল কষ্টগুলোর কথা বর্ণনা করছি কিংবা অনুধাবন করছি কিন্তু সত্যিকার অর্থে ওই মানুষগুলো পরিস্থিতি কিন্তু আমরা কখনোই সম্পূর্ণরূপে উপলব্ধি করতে পারবো না। উপর তলায় বসে নিচ তলায় মানুষগুলোর খবর সত্যি জানা যায় না।
আমরা উপর তলায় বসে নিচে নামতে পারছিনা বলে আমাদের আক্ষেপ করছি। বাসায় থাকাটাতে ও বিরক্ত বোধ করছি। কিন্তু অনেক মানুষ রয়েছে যারা ঘরের মধ্যেই পানি ঢুকে আছে। তারা নিজেদের ঘরটুকুতেও নিরাপদ ভাবে থাকতে পারছে না। হয়তো যাদের সামর্থ্য আছে তারা না হয় এই পরিস্থিতিটাকে কোনভাবে কাটিয়ে উঠতে পারবে। কিন্তু নিম্নবিত্ত মানুষগুলো পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে অনেকটা হিমশিম খেতে হবে।
গতবারের সিলেটের বন্যার ভয়াবহ দিকটার কথা মনে পড়লে এখনো যেন গা শিউরে ওঠে। ওরকম পরিস্থিতি যেন আর না হোক এটাই প্রত্যাশা করছি। এ সকল প্রাকৃতিক দুর্যোগ গুলোতে আসলে আমরা অনেকটাই অসহায় পড়ি। আমাদের তখন কিছুই করার থাকে না। আর এই সময়টাতে সবচেয়ে যেটা প্রয়োজন সেটা হচ্ছে অন্যের সাহায্য।আমাদের প্রত্যেকের উচিত নিজ নিজ দায়িত্ব থেকে বিপদে পড়া মানুষগুলোকে সাহায্য করা।
এখন বিভিন্ন অঞ্চলে যেহেতু বন্যা হচ্ছে সেহেতু আমরা আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী তাদেরকে সাহায্য করাটা অবশ্যই কর্তব্য। আজ এই সকল মানুষগুলো বিপদে পড়েছে কাল যে আমরা বিপদে পড়বো না তার তো কোন গ্যারান্টি নেই। তাই যে যার দিক থেকে সাহায্য করা উচিত।
সকলকে ধন্যবাদ অনুচ্ছেদ টি পড়ার জন্য।
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
VOTE @bangla.witness as witness
OR
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
এটা ঠিক যে এমন পরিস্থিতি আমাদের কারওই কাম্য নয়। আপনি বেশ সুন্দর করে গুছিয়ে আমাদের মাঝে আপনার অনুভূতিগুলো তুলে ধরেছেন। তবে এমন সময় আমাদের সবারই একত্রে থাকা প্রয়োজন। আর এমন সময় আমাদের সবার সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া প্রয়োজন। ধন্যবাদ সুন্দর এই পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।
অনেক খারাপ অবস্থা আমাদের এদিকে ও নিচু এলাকা গুলো ডুবে গেছে। এই টানা কয়েক দিন খুব বেশি ভারী বৃষ্টি হয়েছে। তবে ফেনী, কুমিল্লা, চট্টগ্রামের দৃশ্য গুলো দেখেই বসে থাকার মত অবস্থা নয়। তাদের হাজারীতা দেখলে বেশ খারাপ লাগে। দোয়া করি সবাই যেন ভালো পরিস্থিতিতে ফিরে আসেন। পানি কমে যাক সৃষ্টিকর্তার কাছে তাই প্রার্থনা করছি। আমরা সবাই চেষ্টা করব সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে তাদেরকে সহযোগিতা করার।
চারিদিকে জল আটকে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হওয়াতে মানুষের দুর্ভোগের শেষ নেই।বাসস্থান বিশেষ করে খাবারের বেশ কষ্ট হচ্ছে মানুষের মধ্যে। এদের পাশে আমাদের সকলের দাঁড়ানো দরকার।কারন মানুষ মানুষের জন্য ই।
আসলেই এমন পরিস্থিতিতে যার যার জায়গা থেকে যথাসম্ভব সাহায্য সহযোগিতা করা উচিত। বন্যা কবলিত মানুষদের কথা ভাবলে সত্যিই খুব খারাপ লাগে। এই বছর বৃষ্টি অনেক বেশি হচ্ছে। দোয়া করি সার্বিক পরিস্থিতি যাতে দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে যায়। সাবধানে থাকবেন ভাই। পোস্টটি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে আমি মোটামুটি অবগত আছি দাদা। বিশেষ করে ফেনী, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী এই তিন জায়গায় তো বেশ ভাল রকমের বন্যা দেখা দিয়েছে। তবে এটা ঠিক কথা, আমরা আসলে উপর তলায় থেকে নিম্নবিত্তদের বা নিম্ন মধ্যবিত্তদের এই যে কষ্ট এটা আমরা অনুভব করতে পারব না। তবে আমাদের সকলেরই উচিত এই সময়টাতে এই মানুষগুলোর পাশে এসে দাঁড়ানো।