স্কুল মাঠে কিছুক্ষণ সময় কাটানো।
আজ - ২৪ই, শ্রাবণ | ১৪২৯ , বঙ্গাব্দ | বর্ষাকাল | |
আসসালামু-আলাইকুম। আদাব - নমস্কার। মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি আমার বাংলা ব্লগ এর ভারতীয় এবং বাংলাদেশী সদস্যগণ, আশা করি সবাই ভাল আছেন।
আমরা বর্তমানে যে এলাকায় আছি। সে এলাকায় যদিও আমরা স্থানীয় নয় তবে বেশ অনেক বছর ধরেই এখানে আছি বিধায় এলাকায় সবকিছুই আমাদের চেনা জানা । আমাদের এই এলাকায় বেশ পুরনো এবং বড় একটি স্কুলের মাঠ আছে। যেখানে একসময় প্রায় যাওয়া হতো বন্ধুদের নিয়ে আড্ডা দিতে কিংবা ক্রিকেট খেলতে। তবে শেষ কয়েক বছর ধরে আমার এই স্কুলের মাঠে তেমন একটা আসা হতো না। তবে ঐদিন বহু বছর পর ওই স্কুল এর মাঠে গিয়েছিল কিছুক্ষণ সময় কাটাতে।
তবে বহুদিন পরে স্কুলের মাঠে গিয়ে বেশ অবাকই হয়েছি বটে কেননা এই স্কুলের পুরো পরিবেশ একেবারে বদলে গিয়েছে।
তো চলুন কথা না বাড়িয়ে স্কুলের ভিতরে এবং এর আশেপাশে কিছু ফটোগ্রাফি আপনাদের সাথে শেয়ার করি।
শহীদ মিনারে বসে এই ফটোগ্রাফিটি করেছি । যার কারণে শহীদ মিনানারের ছবিটি ক্যামেরাবন্দী করতে পারলাম না। আমি যেখানে বসেছিলাম ওইটার উপর একটি বিশাল বড় গাছ ছিল যার কারণে ওখানে সুন্দর একটা বাতাস আসছিল। আর দূরের ওই খোলা আকাশ টা দেখতে খুব সুন্দর লাগছিল। তাই ভাবলাম এই সুন্দর দৃশ্যের একটি ফটোগ্রফি করি। আপনার নিশ্চয়ই দূরে দেখতে পারছেন বিল্ডিং তৈরির বিভিন্ন জিনিসপত্র এখনো ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। আসলে স্কুল তৈরীর কাজটা এখনো সম্পন্ন ভাবে শেষ হয়নি। তাই মাঠের এই অবস্থা হয়ে আছে। বড় বড় ঘাস এবং ইট-পাথরের কারণে মাঠ খেলার অনুপোযোগী। তবে বর্ষার শেষে শীত আসতে আসতে পুরো মাঠ খেলার উপযোগী হয়ে উঠবে।
এই ছবিগুলো স্কুল গেটের বাইরে কিছু বিল্ডিং এর ফুল গাছ থেকে তোলা হয়েছে। আসলে এই কয়েক বছরে স্কুলের পরিবেশ যেভাবে পরিবর্তন হয়েছে স্কুলের বাহিরের গেটের আশেপাশের পরিবেশ গুলো অনেকটাই পরিবর্তন হয়েছে। বেশ পরিপাটি এবং খুব সুন্দর ভাবে সাজানো সবকিছু।
স্কুলের মাঠের এক কোনায় এই ছোট্ট ফুল গাছগুলো লাগানো হয়েছে । এই ফুলগুলো আমি এর আগে কখনো দেখিনি। ফুলগুলো খুবই ছোট এবং দেখতে ও খুবই সুন্দর।
স্কুলের গেটের বাহিরের একটি দোকান থেকে এই ঠান্ডা ড্রিংকসটা নিয়েছি। স্কুলের মাঠে ওই শহীদ মিনারটি তে বসে বসে খাবো বলে। বাজারে মনে হয় ড্রিংকসটি নতুন এসেছে কেননা এর আগে আমি কখনও চোখে পড়েনি। যাইহোক খুবই মজার ছিল এই ড্রিংকসটা।
এটি স্কুলের পিছনের গেট। আপনারা এখানে যে বিল্ডিংটি দেখছেন ওইটি হচ্ছে স্কুলের পিছনের দিকটা।
গাঢ় নীল আকাশ তার সাথে দেশের পতাকা। চোখ জুড়িয়ে যাওয়ার মত একটি দৃশ্য এটি।
গাছটির ছবি তুলছিলাম হঠাৎ দেখলাম কতগুলো পাখি উড়ে এসে গাছের মগডালে বসে পড়েছে। বিষয়টি দেখতে খুবই সুন্দর লাগছিল। তাই জুম করে একটি ফটোগ্রাফি করেছি। যদিও ফটোগ্রাফি তেমন একটি ভালো আসেনি আর পাখিগুলো তেমন একটি স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে না। তবে আপনারা ভালোভাবে খেয়াল করলে পাখিগুলোকে দেখতে পারবেন। আমি দেখতে চাই আপনাদের কার চোখের পাওয়ার কতটুকু। এখানে আপনারা কে কয়েকটি পাখি খুঁজে পেয়েছেন তা কমেন্ট করে জানাতে পারেন কিন্তু।
শেষে সুন্দর নীল আকাশের দৃশ্য দেখিয়ে আজকের আলোচনা এখানেই শেষ করছি। সকলে ভাল থাকবেন সুস্থ থাকবেন। পরের দিন ভিন্ন কিছু নিয়ে আবারো হাজির হবো। আল্লাহাফেজ।
Device : oneplus 9r
Taken on : 7 August 2022
সকলকে ধন্যবাদ ।
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
এক গুচ্ছ গোলাপি ফুলের ছবিটা দূর্দান্ত আর এখন আকাশের যে সৌন্দর্যতা দেখতে পাওয়া যায় তা সত্যি মন জুড়িয়ে দেয়।
This post has been upvoted by @italygame witness curation trail
If you like our work and want to support us, please consider to approve our witness
Come and visit Italy Community
ভাইয়া অনেক বেশি ভাল লাগলো আপনার স্কুল মাঠের ফটোগ্রাফিগুলো।আকাশের ছবির তো তুলনাই হয়না। ফুলগুলোর ছবিও অসাধারণ হয়েছে। সব কিছু মিলিয়ে ভাল লেগেছে আমার। কিন্তু ভাইয়া পাখি ত দেখলাম না গাছটাতে।🤔🤔😐
গাছটিতে অনেক পাখি আছে ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করলে তা বুঝতে পারবেন। গাছের দ্বিতীয় ছবিটি ভালভাবে জুম করে দেখুন।
সত্যি ত ভাইয়া পরের গাছটাতে পাখি দেখলাম ।ধন্যবাদ ভাইয়া আপনাকে ,বলে দেয়ার জন্য । আমি ত প্রথম গাছটাতে ই শুধু দেখছিলাম ।
স্কুলের মাঠে বসে সময় কাটাতে আমারও অনেক অনেক ভালো লাগে ভাইয়া। আর আপনি যখন স্কুলের মাঠে বসে সময় কাটাচ্ছিলেন তখনকার ফটোগ্রাফি গুলো সত্যিই দারুণ হয়েছে। নীল আকাশে সাদা মেঘ ভেসে বেড়ানো তার নিচে স্কুলের মাঠের শহীদ মিনারে বসে ঠান্ডা ঠান্ডা ড্রিংকস খাওয়া কি দারুন অনুভূতি। খুবই চমৎকার সময় পার করেছেন দেখছি। স্কুল মাঠে কাটানো সময়টুকু আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ।
অনেকদিন পরে স্কুল মাঠে খুব সুন্দর সময় অতিবাহিত করেছেন যা আপনার ফটোগ্রাফি গুলা দেখেই বোঝা যায়। স্কুলের চারিপাশ ঘুরে ফুল এবং আকাশের দুর্দান্ত ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন দেখে একদম মুগ্ধ হয়ে গেলাম ফটোগ্রাফি গুলা।
এই ড্রিংকস টা সত্যি নতুন এসেছে। আমিও কয়েকবার দেখেছি কিন্তু খেয়ে দেখা হয়নি। স্কুলের পরিবেশটা দারুণ লাগল। একেবারে পরিষ্কার আবওহাওয়া। তবে সবকিছু ছাপিয়ে আমার ভালো লেগেছে আপনার ফটোগ্রাফি গুলো। অনেক সুন্দর হয়েছে ফটোগ্রাফি গুলো। ধন্যবাদ আপনাকে।।
বেশ মনোরম ও খুব সুন্দর কিছু ছবি দেখালেন। সত্যি খুব ভালো লাগলো ছবিগুলো দেখে ধন্যবাদ দাদা, এত সুন্দর ছবিগুলো আমাদের দেখার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য।
বাহ,স্কুলের দৃশ্যগুলি খুব সুন্দর তাছাড়া মাঠে বড় ঘাস জন্মালেও সেগুলো দেখতে দারুণ লাগছে।সবুজ প্রকৃতি আমার অনেক পছন্দের তাছাড়া ফুলগুলো খুবই আকর্ষণীয় দেখতে।প্রত্যেকটি ছবি সুন্দর ছিল এবং আশা করি আপনি দারুণ সময় কাটিয়েছেন ভাইয়া।ধন্যবাদ আপনাকে।
স্কুলের সময় গুলো অনেক মজার ছিল। এখন ইচ্ছা করে এই আগের স্কুল জীবনে ফিরে যেতে।
সব গুলো ছবি ভালো লাগলো। ফুলের ছবি আর নীল আকাশে সাদা মেঘের ছবি বেশি ভালো লেগেছে। ড্রিঙ্কস টা একদম নতুন লাগলো ভাই, নাম কি ছিল?
ড্রিংকো। এই ড্রিংকস এর ভিতর জেলির মত কিছু একটা ছিল যার কারণে খেতে খুবই মজা লাগে। তবে প্রচুর মিষ্টি খেতে।