ঘূর্ণিঝড়।
আজ - ৩১ই, বৈশাখ |১৪৩০ বঙ্গাব্দ, | গ্রীষ্ম-কাল |
আসসালামু-আলাইকুম। আদাব - নমস্কার। মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি আমার বাংলা ব্লগ এর ভারতীয় এবং বাংলাদেশী সদস্যগণ, আশা করি সবাই ভাল আছেন।
ছবি এখান হতে নেওয়া হয়েছে।
কিছুদিন আগে এভারেজ তাপমাত্রা ছিল যেখানে ৩৫ ডিগ্রির উপরে সেখানে একদিনের ব্যবধানে তাপমাত্রা হুরহুর করে নেমে গিয়ে ২৬ /২৭ ডিগ্রিতে এসে পৌঁছেছে। আসলে একেই বলে প্রকৃতি। মাত্র কিছু সময়ের মধ্যে প্রকৃতির এই অসামান্যা পরিবর্তন।
যাইহোক, গতকাল দুপুর থেকে মূলত আকাশের এমন অবস্থা। তবে গতকাল কিন্তু খুব একটা বৃষ্টি ছিল না। আকাশ একদম স্তব্ধ এবং গম্ভীর ছিল। ঠিক ঝড় উঠার আগে আকাশ যেমনটা থাকে এমনটাই ছিল। মনে করেছিলাম রাতেই ঝড় নামবে। তবে রাতের দিকে তেমন ঝড় উঠেনি এবং বৃষ্টি হয়েছে ঝিরি ঝিরি।
কিন্তু আজ সকালের দিকে হালকা একটু বাতাস এবং সেই সাথে বৃষ্টি হচ্ছে। তবে খুব বেশি যে দমকা হাওয়া কিংবা ঝুম বৃষ্টি তা কিন্তু না। যাইহোক,হঠাৎ ওয়েদারের এই পরিবর্তন নিশ্চয়ই আমাদের কারোরই অজানা নয়। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে দুপুরের মধ্যে ঘূর্ণিঝড় "মোখা" উপকূলের দিকে অতিবাহিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
ছবি এখান হতে নেওয়া হয়েছে।
যাইহোক সকাল থেকে কয়েকবার লোডশেডিং তো আছেই, তবে তার থেকে বড় যে সমস্যা সেটা হচ্ছে গ্যাস নেই। ঘূর্ণিঝড়ের কারনে বেশ কয়েকটি জায়গায় গ্যাস এর লাইন বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। আর তাই মূলত গতকাল রাত থেকেই বাসায় গ্যাস ও রান্নাবান্না একেবারেই বন্ধ।
তবে কি আর করার, কোন মতে এটা সেটা করে চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তবে কখন যে গ্যাস আসবে সেটা এখনো বলা যাচ্ছে না।
কোথায় ভেবে রেখেছিলাম এই বৃষ্টি ভেজা ওয়েদার একটা ভুড়িভোজন হবে। ঠিক করে রেখেছিলাম দুপুরের মেনুতে গরম গরম খিচুড়ি তার সাথে মাছ ভাজা কিংবা মাংস থাকবে। কিন্তু কই আর সেটি হল। খিচুড়ি তো দূরের কথা পানি পর্যন্ত গরম করা যাচ্ছে না।
তবে আমি মনে করি, গ্যাসবিহীন বিদ্যুৎ বিহীন কিছু সময় থাকা খুব বেশি কষ্টসাধ্য কাজ নয়। সকলের কথা ভেবে সরকার এমন একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আর সব থেকে বড় কথা হচ্ছে, ইট পাথরের দালানে বসে আমরা এই সুন্দর ওয়েদার উপভোগ করছি। কিন্তু অন্যদিকে এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে উপকূলীয় মানুষ কতটা আতঙ্কে আছে তা হয়তো আমরা বুঝতে পারছি না। ইতিমধ্যে উপকূলীয় ভর্তি অঞ্চলগুলোতে দশ নাম্বার বিপদ সংকেত দেখানো হয়েছে।
উপকূলীয় ভর্তি মানুষগুলো নিজেদের ভিটাবাড়ি ছেড়ে আশ্রয় কেন্দ্রে থাকতে হচ্ছে। কোথায় তাদের খাওয়া দাওয়া? কোথায় কি? শুধুমাত্র নিজের পরনে বস্ত্র টাই নিয়ে ছুটে চলেছে নিজেদের অনিশ্চিত জীবনে। তারা তো এটাই জানেনা না যে, ফিরে এসে তারা তাদের ভিটা বাড়ির অস্তিত্ব পাবে কিনা! যাইহোক, আমার গ্রামটা সেহেতু একটি উপকূলীয় স্থান তাই এই বিষয়গুলো আমি খুব ভালোভাবে প্রত্যক্ষ করি ।
যাইহোক, এখানেই শেষ করছি আমার আজকে আলোচনা। সকালে সুস্থ থাকবেন ভালো থাকবেন। দেখা হবে পরবর্তী দিন অন্য কোন বিষয় নিয়ে। আল্লাহ হাফেজ।
সকলকে ধন্যবাদ অনুচ্ছেদ টি পড়ার জন্য।
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
VOTE @bangla.witness as witness
OR
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
আসলে শহর এলাকাতে এখন শুধুমাত্র একটু বেশি লোডশেডিং এবং গ্যাস নেই তাতেই কতজন অসন্তুষ্টি হয়ে বসে আছে। কিন্তু যারা উপকূলীয় এলাকায় থাকে তাদের তো এখন বাড়িতে থাকায় মুশকিল হয়ে যাচ্ছে। শুধুমাত্র কিছু সামগ্রী নিয়েই ছুটে চলেছে সবাই আশ্রয় কেন্দ্রের দিকে। যাইহোক আপনার পোস্টটি পড়ে বেশ ভালো লাগলো ধন্যবাদ ভাই আপনাকে এই সুন্দর পোস্টটি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
গ্যাস এবং পানি ছাড়া যেন কোন কিছুই চলে না। ভীষণ অসহায় লাগে তখন। আর যখন রান্না করার কোনো উপায় থাকে না তখন নানান রকমের খাবার খেতে মন চায়। যাইহোক ভাইয়া উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতে বিপদ সংকেত দেওয়া হয়েছে। তারা না জানি কতটা কষ্টের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। হয়তো অনেকটা আতঙ্কের মধ্যেও সময় কাটছে তাদের। সৃষ্টিকর্তা যেন সবাইকে সুস্থ রাখেন এই দোয়া করি।
সেটাই ভাবছি ভাইয়া । যেখানে দুই একবার কারেন্ট গেলে আমরা অতিষ্ঠ হয়ে যাচ্ছি। সেখানে উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষগুলোর কি হচ্ছে। কিভাবে তারা টিকে আছে। কত দুর্বি সহ জীবন যাপনে তারা করছে। মহান আল্লাহ পাকের কাছে দোয়া করি তিনি যেন তাদেরকে শত বিপদ থেকে উদ্ধার করেন।
সত্যি প্রকৃতির কথা চিন্তা করলে অবাক লাগে এই ঠান্ডা এই গরম। হঠাৎ বৃষ্টি হঠাৎ গরম বেড়ে যেন কূলকিনারা কিছু পাওয়া যায় না। তবে আমাদের এখানে তেমন বৃষ্টি হলো না হালকা বৃষ্টি হলো ১০ নাম্বার বিপদ সংকেত ছিল। অনেক আতঙ্কে ছিলাম অবশেষে মায়ানমারে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় মোখা এবং টেকনাফের কিছু এলাকাতে ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া সেন্টমার্টিনে ঘূর্ণিঝড়ে অনেক ক্ষতি করল। গ্যাস লাইন বন্ধ করে দেওয়া ভালো হয়েছে কারণ কোন কারণে যদি বিচ্ছিন্ন হয়ে যেত তাহলে এক অন্য রকম পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়ে যেত।
ভাইয়া আমাদের মেহেরপুরে ঘূর্ণিঝড় মোখা'র প্রভাবে সারাদিন শুধুমাত্র বাতাস হয়েছে পাশাপাশি রোদ ছিল কিন্তু বৃষ্টি হয়নি। তবে অনেকদিন পর আবহাওয়া কিছুটা হলেও শীতল ছিল। তবে এরকম প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে সবচাইতে বেশি আতঙ্কে থাকে আমাদের উপকূলে অঞ্চলের মানুষেরা। তারা তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য চলে যায়। সত্যি ভাইয়া প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় তাদের জীবনটা খুবই অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে যায়। যাহোক ভাইয়া, খুবই সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
সৃষ্টিকর্তার আশীর্বাদে খুব অল্প ক্ষয় ক্ষতি হয়েছে আমাদের। ঝড় টা আমাদের এদিকে খুব একটা জোড়ালো আঘাত করে নি। এটা এক দিয়ে ভালো দিক। আরো বেশি খারাপ কিছু হতে পারতো। অন্যান্য বারে ঝড়ের সময় আমাদের এদিকে বৃষ্টিপাত হয়। তবে এবার তেমন কিছুই ছিল না। একদম ঝলমলে রোদ ছিল সকাল থেকেই।
হ্যাঁ ভাই প্রচন্ড পরিমাণে ঝড় হওয়ার কথা ছিল যদিও আমাদের এই দিকে ঝড় খুব একটা বেশি না হলেও ভালোই বৃষ্টি হয়েছে ।আর ওয়েদার টা দারুন শীতল করে দিয়ে চলে গিয়েছে। গ্যাসের লাইন বন্ধ করে দেওয়াই আপনাদের তো অবশ্যই অসুবিধা হয়েছে। তবে আপনি যে উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষগুলোর কথা চিন্তা করেছেন, এটা দেখে খুবই ভালো লাগলো ।এই প্রচন্ড ঝড় বৃষ্টির পরে তারা সত্যিই জানেনা ,তাদের ভিটে বাড়ির অবস্থা কি হবে? এরপর কোথায় থাকবে? কি খাবে ?কি পড়বে?
আপনার লেখাটি পড়ে সত্যিই খুব ভালো লাগলো।