প্রকৃতি।
আজ - ১৪ই আশ্বিন |১৪৩০ বঙ্গাব্দ, | শরৎকাল |
আসসালামু-আলাইকুম। আদাব - নমস্কার। মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি আমার বাংলা ব্লগ এর ভারতীয় এবং বাংলাদেশী সদস্যগণ, আশা করি সবাই ভাল আছেন।
ছবি এখান হতে নেওয়া হয়েছে।
প্রকৃতির আসলে অনেক ধরনের রূপ রয়েছে। প্রকৃতি কখন কি রুপ ধারণ করবে তা বুঝে ওঠা দায়। প্রকৃতি যেমন সুন্দর তেমনি ভয়ানক তেমনি কোমল । আমরা প্রকৃতির সাথে যেমন আচরণ করবো ঠিক কিছু বছর পরে প্রকৃতি আমাদের সাথে তেমনি আচরণ করবে। প্রকৃতি সঙ্গে সঙ্গে তার বিরূপ আচরণ দেখায় না সময়ের সাথে সাথে তার আচরণ প্রকাশ করে।
এইতো কয়েক শত যুগ আগে ডাইনোসরের সে সময় প্রকৃতির কেমন রূপ ছিল আর বর্তমানে এর রূপ কেমন তাতো নিশ্চয়ই আমরা প্রত্যক্ষ করছি। ঠিক তেমনি আজ থেকে কয়েক যুগ পর প্রকৃতি কোন পর্যায়ে পৌঁছাবে তা হয়তো আমরা ধারণা করতে পারছি না। এটাও অনিশ্চিত যে ওই সময়টাতে আদ্য এই পৃথিবীতে বসবাসের যোগ্য থাকবে কিনা। কারণ প্রতিনিয়ত প্রকৃতি দূষিত হচ্ছে। আর এভাবেই যদি প্রকৃতি দূষিত হতে থাকে তাহলে সত্যিই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনেক বড় একটি আশঙ্কা থেকেই যায়। আবার এমনটা হতে পারে যে আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম এই পৃথিবীটাকে বাঁচিয়ে রাখতে আমাদের থেকে আরো বেশি সচেতন আমাদের থেকে আরো বেশি পরিশ্রমে হবে।
একটা জিনিস দেখবেন প্রতিটা প্রজন্ম কখনো একইভাবে চলে না। কোন এক প্রজন্ম কঠিন পরিশ্রম করে আরেক প্রজন্মের জন্য ধনসম্পদ বানায়। আর পরবর্তী প্রজন্ম পূর্ব সেই ধন-সম্পদ গুলো আরাম আইসে খেয়ে দেয়ে কাটিয়ে দেয়। এরপর আবার তাদের পরবর্তী প্রজন্ম কষ্ট করে নতুন করে শুরু করে এরপর পরবর্তী প্রজন্ম আবারও সেটি কোন পরিশ্রম ছাড়া আর আমায় কাটিয়ে দেয়। এভাবে আসলে হয়ে থাকে এক প্রজন্মের পরিশ্রমের ফল আরেক প্রজন্ম বিনা পরিশ্রমে ভোগ করে এরপর তার পরবর্তী প্রজন্ম আবারো পরিশ্রম করতে হয় তাদের আলসেমির কারণে। ঠিক তেমনি আমাদের প্রকৃতিটা এমন আমরা যেভাবে আমাদের প্রকৃত এটাকে ধ্বংস করছি তার প্রতিফলন আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম ভোগ করবে।
তো আজ এই পর্যন্তই, সকলে ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন দেখা হবে পরবর্তী দিন আবার অন্য কোন বিষয় নিয়ে। আল্লাহ হাফেজ।
সকলকে ধন্যবাদ অনুচ্ছেদ টি পড়ার জন্য।
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
VOTE @bangla.witness as witness
OR
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
এজন্যই আমাদের উচিত পরের প্রজন্মের জন্য সবকিছু সহজ করে না রাখা! সে প্রজন্ম এসে যেন কিছুটা পরিশ্রম করে সবকিছু লাভ করতে পারে। কিন্তু আমরা সেটা করি না বলেই আমাদের এই প্রকৃতির এই অবস্থা। প্রকৃতির রূপ সামনে হয়তো আরও পরিবর্তন হবে।
আমরা খুব সহজভাবে বলতে পারি প্রকৃতি হলো মহান স্রষ্টার সৃষ্টি। প্রকৃতি তার নিজস্ব গতিতে রূপ বদল করে থাকে। এই বর্ষা এই খরা এই শীত। তবে বর্তমানে আবহাওয়া দুই ধরনের হয়ে গেছে এখনো বর্ষা আরেক হল গরম। তবে গরমের প্রবণতা একটু বেশি। অধিক বর্ষ অথবা খরা দুইটা হলে সবজি দাম বেড়ে যাবে আর এটাই স্বাভাবিক। বর্ষাকালে সবজি নষ্ট হয়ে যাবে, খরা বেশি হওয়ার কারণে সবজি উৎপাদন কমে যাবে। এক প্রজন্ম কষ্ট করে আরেক প্রজন্ম বসে খায় এটাও মনে প্রকৃতির একটা নিয়ম ভাই। আর এই পরিস্থিতি আমরা সমাজের বুকে অহরহ দেখছি এখন।
কথাটা দারুণ বলেছেন ভাই। এক প্রজন্ম পরিবেশ তৈরি করবে কিন্তু পরবর্তী প্রজন্ম তার ফলাফল ভোগ করবে। এই ফলাফল ভালো খারাপ উভয়ই হতে পারে। এই অসময়ের দূর্যোগে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনেক হয়ে যায়। যার একটা একটা প্রভাব বাজারে গেলে বুঝতে পারি। তবে বতর্মান প্রজন্ম যেভাবে প্রকৃতি কে ধ্বংস করছে এতে করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এটা হুমকি হয়ে যাবে। সুন্দর লিখেছেন ভাই।।
আমরা যেভাবে প্রতিনিয়ত প্রকৃতি ধ্বংস করছি,এতে করে কয়েক যুগ পরে পৃথিবী বসবাসের অযোগ্য হয়ে যেতে পারে। কারণ প্রকৃতি ছাড় দেয় কিন্তু ছেড়ে দেয় না। বর্তমানে কখন কোন ঋতু চলে সেটা বুঝা খুব মুশকিল। যেমন এখন শরৎকাল চলছে, কিন্তু আবহাওয়া দেখলে মনে হয় বর্ষাকাল। যাইহোক প্রকৃতি বাঁচাতে প্রচুর পরিমাণে বৃক্ষ রোপণের কোনো বিকল্প নেই। এতো চমৎকার একটি টপিক নিয়ে পোস্ট শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
চমৎকার একটি বিষয় নিয়ে পোস্ট শেয়ার করেছেন ভাইয়া।আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। এটা সুন্দর বলেছেন এক প্রজন্ম পরিবেশ তৈরি করবে অন্য প্রজন্মে তা ধ্বংস করবে।বর্তমানে যেভাবে প্রকৃতির ধ্বংস হচ্ছে তাতে করে ভবিষ্যতে সবাই হুমকীর সম্মুখীন হবে।খুবই চমৎকার লিখেছেন ভাইয়া, ধন্যবাদ আপনাকে।