আত্মতৃপ্তি।
আজ - ২২শে শ্রাবণ |১৪৩০ বঙ্গাব্দ, | বর্ষা-কাল |
আসসালামু-আলাইকুম। আদাব - নমস্কার। মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি আমার বাংলা ব্লগ এর ভারতীয় এবং বাংলাদেশী সদস্যগণ, আশা করি সবাই ভাল আছেন।
ছবি এখান হতে নেওয়া হয়েছে।
আসলে আমি এমন কাজ খুবই কম করতে চাই, যে কাজগুলোতে কিনা আমার আত্মতৃপ্তি আসে না। তাই আমি বেছে বেছে আমার পছন্দের কাজগুলো আমার উপভোগ্য বিষয়গুলোকে সব সময় করার চেষ্টা করি।
আমি একটা কথাই বিশ্বাসী, পৃথিবীতে থাকা প্রত্যেকটি মানুষ কখনো ষোলআনা পরিপূর্ণ না এবং প্রতিটি মানুষ সমান ভাবে কখনো সকল বিষয়ে পারদর্শী হতে পারে না। প্রত্যেকটা মানুষের মধ্যে আলাদা আলাদা কিছু বিশেষত্ব বা গুণ রয়েছে যেগুলা আসলে অন্যজনের মধ্যে নাও থাকতে পারে। সব সময় প্রত্যেকটা মানুষকে একই পাল্লায় মাপা উচিত না। এতে করে ওই মানুষটার মূল্যায়ন সঠিকভাবে হয় না।
আপনারা নিজেরাই একটু ভেবে দেখেন না একজন হার্টের ডক্টর হার্ট সম্পর্কে যতটুকু ভালো জ্ঞান রাখে ঠিক একই ভাবে একজন মেডিসিন ডাক্তার ও বিষয়টি সম্পর্কে অত বেশি ধারণা রাখতে পারবে না। তাই প্রতিটা মানুষেরই আলাদা আলাদা কিছু বিশেষত্ব রয়েছে।
যাইহোক যা বলছিলাম, প্রত্যেকটা কাজের ক্ষেত্রে চেষ্টা করবেন আত্মতৃপ্তি খুঁজে নেওয়ার। এতে করে যদি দুই পয়সা ক্ষতি হয় তাতে কোন সমস্যা নেই। এতে অন্তত নিজের কাজগুলোকে সুন্দরভাবে মানের আনন্দ নিয়ে করা যায়। আমাদের দেশের যেকোন ক্ষেত্রে আত্মতৃপ্তিটাকে আসলে খুব একটা প্রাধান্য দেওয়া হয় না। সেই ছোটবেলা থেকেই দেখে আসছি একজন শিশু ভবিষ্যতে কি হবে তা তার বাবা-মায়ের সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু তারা একবারের জন্য ভেবে দেখে না তাদের সন্তান টা কি চাচ্ছে তার কি পছন্দ সে কি এই সব বিষয়ে আগ্রহী কিনা। বরং জোড় করে সন্তানের উপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
বাবা মায়ের চাপে পড়ে সন্তানটাও একসময় তার আত্মতৃপ্তির জায়গা টাকে ভুলে যায়। আসলে এমনটা কখনোই উচিত না। অভিভাবক হিসেবে আমাদের উচিত সন্তানের পছন্দ অপছন্দ ভালো লাগার এ বিষয়টিকে প্রাধান্য দেওয়ার। আমাদের দেশের প্রত্যেকটা বাবা মায়ের স্বপ্নে থাকে ছেলে মেয়ে বড় হয়ে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, পাইলট হবে। কিন্তু তারা ভেবে দেখে না তাদের সন্তানরা আসলে এই বিষয়ে আগ্রহী কিনা। তারা তো শুধু মাত্র নিজের আগ্রহটাই সন্তানের উপর চাপিয়ে দেয়। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায় সন্তানরা অনেক ভালো গান পারে আর্ট পারে অথবা অন্য এক গুনে গুণান্বিত। কিন্তু অভিভাবকরা সে বিষয়টি নিয়ে কোন তোয়াক্কাই করেন না। ফলে এক প্রকার বাধ্য হয়ে তারা অভিভাবকদের কথা শুনে নিজের আত্মতৃপ্তিটাকে বিসর্জন দিয়ে দেয়। অথচ সন্তান যদি তার ভালো লাগার বিষয়টি কাজ করতে তাহলে তার জীবনে আর আগে সফলতা আসতো ।
তাই আবারও বলছি জীবনে আত্মতৃপ্তিটাকে খুঁজে নেওয়া উচিত। যাইহোক, আজ এই পর্যন্তই সকলে ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন দেখা হবে পরবর্তী দিন অন্য কোন বিষয় নিয়ে আল্লাহ হাফেজ।
সকলকে ধন্যবাদ অনুচ্ছেদ টি পড়ার জন্য।
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
VOTE @bangla.witness as witness
OR
This post has been upvoted by @italygame witness curation trail
If you like our work and want to support us, please consider to approve our witness
Come and visit Italy Community
Hi @moh.arif,
my name is @ilnegro and I voted your post using steem-fanbase.com.
Come and visit Italy Community
অল্পতে সন্তুষ্ট থাকা শিখতে হবে আমাদের তবেই আমরা তিপ্তি পাব।আমরা যদি সন্তুষ্ট থাকা না শিখতে পারি তাহলে কোনো কিছু করেই শান্তি পাব না।তাই প্রথমে আমাদের সন্তুষ্ট থাকতে হবে।দারুন লিখেছেন ভাইয়া শুভ কামনা রইলো।
একদম ঠিক কথা ভাইয়া। কাজের মধ্যেই আত্মতৃপ্তি থাকতে হবে তাহলে সে কাজ খুবই ভালো করে করা যাবে। আর একজন মানুষ কে যে সব জ্ঞানে জ্ঞানানীত্ব হতে হবে তাই না। সবার সব যোগ্যতাও থাকে না। তবে সে যে কাজটিই করুক না কেন সেটা করতে হবে ভালোবেসে মন থেকে । তাহলেই সে কাজের মাঝে আত্মতৃপ্তি পেতে পারে। আবার জোড় করে কারো ঘাগে কোন কাজ চাপিয়ে দেওয়াও উচিত নয়। ধন্যবাদ ভাইয়া এত সুন্দর একটি পোস্ট করার জন্য।
কাজের মধ্যে আত্মতৃপ্তি অত্যন্ত জরুরি।আপনি খুব সুন্দর একটি বিষয় আজকে আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন ভাইয়া।সেই ছোট থেকেই দেখে আসছি এই ব্যপারটা,বাবা মায়েরা সন্তানদের উপর নিজেদের মত চাপিয়ে দেয়। যার ফলে কোনো কাজে পারদর্শী হওয়া সত্বেও সেখান থেকে সন্তানদের সরে আসতে হয়।যেকোনো কাজের প্রতি ভালো লাগা না থাকলে সে কাজে সফলতা আসাটা দুরূহ হয়ে পড়ে।ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।
আপনি একদম ঠিক কথা বলেছেন ভাইয়া। এমনকি আমাদের ছোটবেলায় অনেক অভিভাবক মনে করতো যে গান শিখলে, আর্ট শিখলে বাচ্চাদের সময় নষ্ট হবে। সেকারণে ইচ্ছে থাকা স্বত্তেও অনেকে এসব কন্টিনিউ করতে পারে নি। আবার, অনেক বাবা-মা-ই তাদের অপূর্ণ ইচ্ছে গুলো তাদের সন্তানের উপর চাপিয়ে দিয়ে তাদের স্বপ্নের বাস্তবায়ন করতে চান। জানতে চান না যে তাদের বাচ্চার আদৌ সে বিষয়ে কোন ইন্টারেস্ট আছে কি না। যা আসলে দু:খজনক।
আপনি ঠিকই বলেছেন দাদা কাজের ভেতরে যদি আত্মতৃপ্তি যদি না থাকে সে কাজে সফলতা অর্জন করা যায় না। অভিভাবকরা আমাদের সাথে আসলে অন্যায় করে থাকে যদি অভিভাবকরা ছেলে মেয়েদের প্রতিভাকে কাজে লাগায় তাহলে ছেলে মেয়েরা অনেক আগেই প্রতিষ্ঠিত হতে পারবে। কিন্তু মা বাবা তাদের স্বপ্নটাকে ছেলেমেয়েদের ঘাড়ের উপর চাপিয়ে দেয় তখন ছেলে মেয়েরা বাধ্য হয়ে কাজটি সম্পন্ন করতে হয়।এতে ছেলেমেয়েদের আত্মতৃপ্তি চিরদিনের জন্য শেষ হয়ে যায়। ধন্যবাদ দাদা সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
খুব সুন্দর একটি বিষয়ে পোস্ট শেয়ার করেছেন ভাইয়া এজন্য অনেক ধন্যবাদ জানাই আপনাকে। এটা সত্যি, যে কাজ আমরা তৃপ্তি নিয়ে করবো তাতে সাকসেস আসবে।তাই এমন কাজ করতে হবে যাতে আত্মতৃপ্তি পাওয়া যায়। মা-বাবার কখনও উচিত নয় সন্তানের উপর কিছু চাপিয়ে দেয়া। প্রতিটি মানুষেরই নিজস্ব পছন্দ বা ভালো লাগা থাকে।সেই জায়গা থেকে যার যার পছন্দের বিষয়ে কাজ করতে দেয়া উচিত।তবেই সফলতা সুনিশ্চিত। সুন্দর এই পোস্টটি শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া আপনাকে।
আমরা অনেক সময় অন্য মানুষের স্বপ্নকে পূরণ করতে গিয়ে নিজের স্বপ্নকেই জলাঞ্জলি দিয়ে দিই। কিন্তু এতে আমাদের আত্মা আত্মতৃপ্তি পায় না। একজন মানুষ সব বিষয়ে পারদর্শী হতে পারে না কখনোই। প্রত্যেকটা মানুষের ভেতর নিজ নিজ স্বত্বা আর নিজ নিজ গুণ থাকে। কোন বিষয়ে বা কোন কাজের উপর আমাদের ট্যালেন্ট বেশি ফোকাস করে সেই কাজের উপরেই আমাদেরকে গুরুত্ব দিতে হবে। আর সেই কাজেই আমাদেরকে পারদর্শী হয়ে উঠতে হবে। আর তাহলেই আমরা পাব নিজেদের আত্মতৃপ্তি। সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই।