টমেটো ও আলু দিয়ে মজাদার কাতলা মাছের ঝোল।
আজ- ১৫ই পৌষ | ১৪২৮ , বঙ্গাব্দ | | হেমন্ত-কাল | বৃহস্পতিবার |
আসসালামু-আলাইকুম। আদাব - নমস্কার। মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি আমার বাংলা ব্লগ এর ভারতীয় এবং বাংলাদেশী সদস্যগণ, আশা করি সবাই ভাল আছেন।
আজ আমি আপনাদের সাথে কাতলা মাছের রেসিপি শেয়ের করব।
শীতকালে অন্যান্য সবজি থেকে আমার থেকে সব থেকে পছন্দের একটি সবজি হচ্ছে টমেটো। বিশেষ করে বড় যেকোনো মাছের সাথে টমেটো দিলে আমার খেতে অনেক ভালো লাগে। আর অন্যান্য সময়ে থেকে শীতকালে টমেটোগুলো টেস্ট অন্যরকম। টমেটো গুলো কিছুটা টক টক থাকে তাই আমার খেতে অনেক ভালো লাগে। গতকাল রাতে বাজার থেকে বড় বড় কাতলা মাছ আনা হয়েছিল। তাই ভাবলাম মাছটি যেহেতু তাজা তাই নতুন আলু ও দেশি টমেটো দিয়ে দেশি স্টাইলে মাছেটি রান্না করলে খেতে অনেক মজা লাগবে। সত্যি এই ভাবে মাছটি রান্নার ফলে খেতে খুব মজা হয়েছিল।
তো চলুন রান্নাটি কিভাবে করেছি তা আপনাদের সাথে শেয়ার করি -
প্রয়োজনীয় উপকরণঃ
- পেঁয়াজ কুচি।
- মরিচের গুঁড়া।
- লবণ।
- তেল।
- জিরা বাটা।
- আলু।
- রসুন বাটা।
- টমেটো।
- কাতাল মাছ।
প্রস্তুত প্রণালীঃ
ধাপ-১ঃ
- প্রথমে মাছটিকে কেটে ভালোভাবে ধুয়ে নেব।
ধাপ-২ঃ
- এরপর কেটে রাখা মাছগুলোতে পেঁয়াজ কুচি, মরিচের গুঁড়া, রসুন বাটা, জিরা বাটা এই সব মসলা দিয়ে মেখে নেব।
ধাপ-৩ঃ
- এরপর একটি পাত্রে তেল গরম করে দিব। তেল গরম হয়ে গেলে এতে মেখে রাখা মাছ গুলো দিয়ে দিব।
ধাপ-৪ঃ
- তেলের মধ্যে মাছগুলোকে কিছুক্ষণ কষিয়ে নিব।
ধাপ-৫ঃ
- ভালো ভাবে মাছ কষিয়ে নেওয়ার পর। অন্য একটা পাত্রে মাছগুলোকে উঠিয়ে নেব। যাতে পরবর্তীতে আলু দেওয়ার সাময় মাছ ভেঙে না যায়।
ধাপ-৬ঃ
- এরপর পাত্রে আলু দিয়ে দিব।
ধাপ-৭ঃ
- আলু গুলোকে কষিয়ে নেওয়ার পর মাছ ও টমেটো দিয়ে দিব।
ধাপ-৮ঃ
- এরপর আবারো মাছট, টমেটো ও আলু গুলোকে কিছুক্ষণ কষিয়ে নেওয়ার পর পরিমাণমতো পানি দিয়ে দিব ।
ধাপ-৯ঃ
- এরপর মাছগুলোকে ভালোভাবে রান্না করবো ।
ধাপ-১০ঃ
- রান্না হয়ে গেলে নামিয়ে নিব।
সকলকে ধন্যবাদ।
Support @heroism Initiative by Delegating your Steem Power
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
ভাইয়া অনেক সুন্দর একটা রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। কাতল মাছ দিয়ে টমেটো রেসিপি আমার পছন্দের রেসিপি। এই রেসিপিটি খাইতে বেশ ভালই লাগে। ভাই আপনি সুন্দর করে প্রতিটি ধাপ উপস্থাপন করছেন, সত্যি অনেক সুন্দর হয়েছে। দেখে মনে হচ্ছে অনেক টেস্ট হয়েছে। আপনার জন্য শুভকামনা রইলো ভাইয়া।
This post has been upvoted by @italygame witness curation trail
If you like our work and want to support us, please consider to approve our witness
Come and visit Italy Community
কাতল মাছ আমার খুবই পছন্দের একটি মাছ। কাতল মাছ তিন থেকে পাঁচ কিলো যদি হয় তাহলে এটি খুবই সুস্বাদু এবং মজাদার হয়। অন্যান্য জিওল মাছের মধ্যে কাতল মাছের স্বাদটা একটু ভিন্ন ধরনের যদি সেটা সুন্দর করে রান্না করা যায়। আপনি অসাধারণ একটা রেসিপি আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন এবং বেশ ভালো লেগেছে। আমাদের সাথে ভাগাভাগি করে নেওয়ার জন্য আপনার প্রতি রইল আন্তরিক শুভেচ্ছা এবং ভালোবাসা।
ঠিক বলেছেন ভাইয়া,শীতের অন্যান্য সবজির থেকেও টমেটো সুস্বাদু লাগে। শীতের দিনে টমেটো দিয়ে বিভিন্ন বড় মাছের সাথে রান্না করলে শুধু খেতেই ইচ্ছে করে। টমেটো তরকারির টক ভাবটা স্বাদ যেনো আরো বারিয়ে তুলে। কাতলা মাছ দিয়ে আলু, টমেটো দিয়ে সুস্বাদু ঝোল তরকারি দেখে মনে হচ্ছে অনেক সুস্বাদু হয়েছে। কালারটাও অনেক লোভনীয় লাগছে। অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া এতো সুস্বাদু রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন।
কাতলা মাছ এমনি অনেক মজাদার হয়। তারপর যদি টমেটো দিয়ে কাতলা মাছ রান্না করা হয় তাহলে স্বাদ একটু বেশিই হয়। টমেটোর টক টক স্বাদ এর জন্য মাছের টেস্ট একটু অন্যরকম লাগে। লোভনীয় রেসিপি শেয়ার করার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া।
শীতকালে টমেটো দিয়ে মাছের রেসিপি তৈরি করলে খুবই ভালো লাগে। টমেটো ও আলু দিয়ে মজাদার কাতলা মাছের ঝোল রেসিপি দেখে খেতে ইচ্ছে করছে ভাইয়া। তরকারির কালার দেখেই বোঝা যাচ্ছে খেতে অনেক মজাদার হয়েছে। কাতলা মাছ আমার খুবই প্রিয়। টমেটো ও আলু দিয়ে কাতলা মাছের রেসিপি দেখতে খুবই লোভনীয় লাগছে। ভাইয়া আপনি আপনার রেসিপি তৈরির প্রতিটি ধাপ অনেক সুন্দর করে উপস্থাপন করেছেন। ভাইয়া আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি অনেক মজাদার কাতলা মাছের রেসিপি শেয়ার করার জন্য এবং শুভকামনা রইলো আপনার জন্য।
আরিফ ভাই কাতল মাছ আমার খুবই একটা পছন্দনীয় মাছ। কাতল মাছ খেতে খুবই মজাদার।টমেটো দিয়ে কাতল মাছ রান্না করলে সেটা খুবই মজা হয়। আপনি অসাধারণ একটা রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা রইলো।
ভোজন রসিক বাঙালিদের খাবারের তালিকায় সবচেয়ে জনপ্রিয় খাবার হলো মাছের ঝোল। টমেটো ও আলু দিয়ে কাতলা মাছের ঝোল খুবই ভালো লাগে খেতে। কাতলা মাছ টা দেখে বোঝা যাচ্ছে অনেক বড় ছিল। কাতলা মাছ খেতে নিশ্চয়ই অনেক মজাদার হয়েছিল। বাঙ্গালীদের প্রিয় কাতলা মাছের অনেক মজাদার একটি রেসিপি তৈরি করেছেন ভাইয়া। আপনি আপনার রান্নার প্রতিটি ধাপ খুব ভালো ভাবে উপস্থাপন করেছেন। গরম ভাতের সাথে কাতলা মাছের ঝোল খেতে খুবই ভালো লাগবে। মজাদার একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি ভাইয়া।
লোভ লাগানো এক মাছ কাতলা রান্নার প্রতিটা ধাপ খুব সুন্দর উপস্থাপন করেছেন ভাইয়া।আপনার রেসিপি গুলো আমার কাছে খুবই ভালো লাগে ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য।
ভাইয়া,কাতলা মাছের সাথে টমেটোগুলো দেখতে বেশ দারুণ লাগতেছে। কাতলা মাছ এমনিতেই অনেক সুস্বাদু আর আজকের এই রেসিপিটি তো খুব ভালো হয়েছে ভাইয়া। খুব ভালো লাগলো, তবে দুপুরে খাওয়ার জন্য এইখান থেকে এক পিস নিয়ে নেব😁😁