বৈশ্বিক উষ্ণতা।
আজ - ২৮ই, চৈত্র |১৪২৯ , বঙ্গাব্দ | বসন্তকাল |
আসসালামু-আলাইকুম। আদাব - নমস্কার। মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি আমার বাংলা ব্লগ এর ভারতীয় এবং বাংলাদেশী সদস্যগণ, আশা করি সবাই ভাল আছেন।
ছবি এখান হতে নেওয়া হয়েছে।
আজ অনেকদিন পর একটি কাজে বাহিরে বেরিয়েছিলাম। আমার সত্যি বলতে, খুব একটা বাহিরে বের হওয়া হয় না। খুব একটা প্রয়োজন না হলে আমি দিনের বেলাতে একদমই বাইরহই না, তবে আজ এ প্রচন্ড রোদের মধ্যেও প্রয়োজনে বাহিরে বের হতে হয়েছে। তবে খুব একটা দূরে নয় আমার বাসার খুব কাছে, হেঁটে গেলে সর্বোচ্চ ৮ থেকে ১০ মিনিটের পথ। তবে এই সামান্য পথ পাড়ি দিয়েই আমার অবস্থা একেবারে নাজেহাল। বাহিরে প্রচন্ড রোদে যেন চোখ খুলে তাকানোর সেই উপায় নেই। এতো আলোতেও যেন সবকিছু একেবারে ঝাপসা লাগছিল। চশমার কাচটা বারবার মুছছিলাম তারপরও যেন সব ঝাপসা। প্রত্যেকের মুখে মুখে তাপদাহে তিক্ততা এবং বিরক্ততার ছাপ যেন স্পষ্ট।
ছবি এখান হতে নেওয়া হয়েছে।
যাইহোক, গরমে শুরুতেই যদি এমন অবস্থা সৃষ্টি হয় তবে জানি না সামনের দিনগুলোতে আমাদের জন্য কি অপেক্ষা করছে। আসলে মাত্রা অতিরিক্ত দূষণ বৃদ্ধির কারণে বৈশ্বিক উষ্ণতায় প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধ না করলে পরবর্তী প্রজন্মের জন্য এক ভয়ঙ্কর অবস্থায় সৃষ্টি হতে পারে। বিজ্ঞানীরা তো ধারণা করে নিয়েছি যে বাংলাদেশের মতো কিছু নিচু অঞ্চল এক সময় বিলীন হয়ে পানির নিচে তলিয়ে যাবে বৈশ্বিক উষ্ণতার কারণে। তাপমাত্রা বাড়ার সাথে সাথে উত্তর মেরুর বরফগুলো ক্রমশ গলতে থাকবে এবং এভাবেই নিচু অঞ্চলগুলো পানিতে তলিয়ে যাবে।
বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি জনিত কারণের জন্য একমাত্র আমরাই দায়। আমরাই আমাদের এ পৃথিবীটাকে একটু একটু করে ধ্বংসের মুখে নিয়ে যাচ্ছি। অপরিকল্পিত নগরায়ন, ইটের ভাটা, যানবাহন ও কলকারখানার কালো ধোঁয়া এসব কিছুই আমাদের পরিবেশটাকে একেবারে ধ্বংসের মুখে ফেলে দিচ্ছে। বায়ুমণ্ডলের খুবই গুরুত্বপূর্ণ ওজন স্তরটিকে এ সকল ক্ষতিকর কার্বন-ডাই-অক্সাইডের গ্যাস গুলো এই স্তরটিকে বিনষ্ট করতে সাহায্য করছে। যতদিন না আমাদের পৃথিবীর দূষণ কমছে ততদিন এই বৈশ্বিক উষ্ণতাও কমবে না বরং উষ্ণতা আরও প্রতিনিয়ত বাড়তে থাকবে।
যাই হোক, বাংলা বছরের প্রথম মাস হচ্ছে বৈশাখ। আর কিছুদিন পরেই আসছে বৈশাখ। তাই বলা যায় এই গরম থেকে কিছুদিনের মধ্যেই রেহাই পাওয়ার একটি আশঙ্কা রয়েছে। কেননা বৈশাখ মানেই হচ্ছে ঝড়ের তাণ্ডব শুরুর প্রথম ধাপ। এরপর চলতেই থাকবে সারা গ্রীষ্মকাল ধরে ঝড়-বৃষ্টি রোদের খেলা। আসলে এই গরমের একটু স্বস্তির বার্তা নিয়ে আসতে পারে একমাত্র বৃষ্টি। তাই অপেক্ষায় আছি সেই সময়ের।
তো আজ এ পর্যন্তই সকলে ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন। দেখা হচ্ছে পরবর্তী দিন অন্য কোন বিষয় নিয়ে। আল্লাহ হাফেজ।
সকলকে ধন্যবাদ অনুচ্ছেদ টি পড়ার জন্য।
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
VOTE @bangla.witness as witness
OR
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
You've got a free upvote from witness fuli.
Peace & Love!
This post has been upvoted by @italygame witness curation trail
If you like our work and want to support us, please consider to approve our witness
Come and visit Italy Community
Hi @moh.arif,
my name is @ilnegro and I voted your post using steem-fanbase.com.
Come and visit Italy Community
৩৮ ডিগ্র সেলসিয়াস তাপমাত্রা ভাবতেই ভয় লাগছে ভাইয়া। আসলে গরমের মাত্রা অনেক বেড়ে গেছে। এই গরমে বাইরে বের হওয়া সত্যিই ভীষণ কষ্টের ব্যাপার। যেহেতু বৈশাখ মাস প্রায় চলেই এলো আশা করছি খুব শীঘ্রই গরমের প্রকোপ কমে যাবে। ঝড়-বৃষ্টি সাথে সাথে আবহাওয়া ঠান্ডা হবে।
হঠাৎ করে তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ায় রমজান মাসে খুব কষ্টকর পরিস্থিতি তে পড়তে হচ্ছে সবার।এর মধ্যে যাদের সারাদিন বাইরে কাজ করতে হয় তাদের তো আরও খারাপ অবস্থা।আর যেহেতু তাপমাত্রা প্রায় ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস এর কাছাকাছি,এরকম তো হবেই।এটা ঠিক বলেছেন ভাইয়া,বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধিতে আমরাই দায়ী।ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।
আপনার আলোচনার বিষয়টি সময় উপযোগী ছিল ভাইয়া।আসলে অতিরিক্ত গরম বৃদ্ধি পাওয়ার জন্য মানুষের কুকর্মগুলোই দায়ী।আমাদের এখানে চৈত্র মাস থেকেই প্রচন্ড গরম পড়া শুরু হয়।আগামী 5 দিন ও খুব গরম পড়বে, বৃষ্টি হবে না।সত্যিই খুবই দূষণ বৃদ্ধি পেয়েছে,ধন্যবাদ ভাইয়া।
এবার গরমের শুরুতেই তাপমাত্রা প্রচন্ড বেড়েছে। বাহিরে বের হলে অল্প কিছুক্ষণের মধ্যেই গলা শুকিয়ে যায়। তারপর সারাদিন রোজা রাখতে খুব কষ্ট হয়। দরকার না হলে দিনের বেলায় বাসা থেকে বের না হওয়া উত্তম। সামনে মনে হচ্ছে আরও ভয়াবহ অবস্থা হবে। এটা অবশ্যই স্বীকার করতে হবে যে বৈশ্বিক উষ্ণতার জন্য আমরাই দায়ী। পোস্টটি পড়ে খুব ভালো লাগলো ভাইয়া। শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।