ইফতার আয়োজন।
আজ - ০৬ ই বৈশাখ, মঙ্গলবার | ১৪২৯ , বঙ্গাব্দ | গ্রীষ্মকাল |
আসসালামু-আলাইকুম। আদাব - নমস্কার। মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি আমার বাংলা ব্লগ এর ভারতীয় এবং বাংলাদেশী সদস্যগণ, আশা করি সবাই ভাল আছেন।
যাইহোক, আজ ১৬ রমজান পেরিয়ে ১৭ই রমজান চলছে। বেশ অনেকটা দিন পার হয়ে গেল। আর বেশিদিন নেই রমজান রমজান শেষ হতে। আমার কাছে মনে হয় রমজানের প্রথম ১৫ দিন কোনমতে পার করলেই শেষের দিনগুলো খুবই দ্রুত পার হয়ে যায়। কখন যে একটি মাস পার হয়ে যাবে টেরই পাওয়া যাবে না।
১৬টা রমজান পার হয়ে আসলাম কিন্তু আপনাদের সাথে এখনো ইফতারের আয়োজন গুলো শেয়ার করা হয়নি। তাই আজ চলে এলাম আমার বাসার ইফতারের আয়োজন গুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করতে। সাধারণত আমাদের বাসায় ইফতারের সময় যেসব আয়োজন গুলো করা হয় সেসব কিছুই তৈরি করা হয়েছে গতকাল । তবে গতকালের ইফতার একটি বিশেষ আইটেম ছিল। বিশেষ আইটেম কি সেটি পোষ্ট পড়লেই জানতে পারবেন।
এখানেএ এই সবকিছুর পরিবেশন আমি নিজ হাতে করেছি। যদি ও ব্যাপারটি একটু কষ্টের তবে বেশ আনন্দের। সবকিছু সাজাতে গোছাতে আমার অনেকটুকুই সময় লেগেছে তবে বেশ উপভোগ করেছি বিষয়টি।
সাধারণত ইফতারের সময় আমার দায়িত্ব থাকে ফল এবং সালাত কাটা আর শরবত বানানো। আমি মনে করি বাড়ির বেকারদের কে এ কাজটি দেওয়া হয়। কেননা তারা সাধারণত বাড়ির কোন কাজে আসে না। তাই তাদেরকে দিয়ে কাজটা করানো হয়। এ কাজটি করতে কিন্তু আমার বেশ ভালো লাগে।
আপনাদেরকে শুরুতেই বলেছিলাম গতকালের ইফতারে একটি বিশেষ আইটেম ছিলো। আর সেই আইটেমটি হচ্ছে এই এগ ডেভিল বা ডিম চপ।
এই এগ ডেভিলটি আমি @tanuja বৌদির রেসিপিটি অনুসরণ করে বানিয়েছি। যদিও বৌদির মত এতটা সুন্দর করে বানাতে পারেনি । তবে সত্যি বলছি খেতে কিন্তু বেশ মজা হয়েছিল। এবং বাসার সকলের অনেক পছন্দ করেছে। আমার এই চপটি এতটাই ভাল লেগেছে যে আবার ও আমি এটি বানাবো। আর এই এগ ডেভিল এর রেসিপিটি আমি তৈরি করে রেখেছি সময় করে একদিন আপনার সাথে শেয়ার করব।
এছাড়া আপনারা ছবিটি যে গোল গোল চপ গুলো দেখতে পাচ্ছে এগুলো হচ্ছে আলুর চপ। চপ গুলো ও কিন্তু খেতে বেশ মজা হয়েছিল।
ইফতারে আয়োজনে পেঁয়াজু, বেগুনি থাকবে না তা কি কখনো হয়। আম্মু পেঁয়াজু বেগুনি খুবই ভালো বানায়। আমার আম্মুর হাতের এই পেঁয়াজু বেগুনি আমার খুবই পছন্দের। পেঁয়াজুগুলো খুব ছোট ছোট করে বানানোর যার কারণে খেতে অনেক মুচমুচে। একবারে দু'তিনটে পেঁয়াজু একসাথে মুখে ভরা যায়। আর বেগুনি গুলো ফুলা ফুলা হয় এবং অনেক নরম হয়।
এগুলো হচ্ছে ছোলা ভাজি। ইফতারের প্রধান আইটেম হচ্ছে এটি। আমার কেন জানি রমজানের সময় ছোলা ভাজি খাওয়ার আগ্রহটা অনেকটাই কমে যায়। প্রথম কয়েকদিন বেশ ভালো লাগে খেতে। পরে আর খেতে ভাল লাগেনা।
ইফতারে আমার খুবই পছন্দের একটা আইটেম হচ্ছে হালিম। আমাদের কখনোই বাহির থেকে হালিম কিনে আনা হয় না। আমাদের সবসময় বাসায় হালিম তৈরি করা হয়। আর এই হালিমটি ও বাসায় তৈরি করা চিকেন হালিম।
এটি হচ্ছে জিলাপি বাহির থেকে কিনে আনা হয়েছে। জিলাপি গুলো বেশ গরম ছিল। খেতে খুবই ভালো লেগেছে।
সকলকে ধন্যবাদ অনুচ্ছেদ টি পড়ার জন্য।
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
তাপমাত্রা ৩২ ডিগ্রি হলেও আদ্রতার কারণে গরম বেশি লাগে ভাই। আর আপনি তো ফল খুব সুন্দর করে কেটেছেন। ইফতারেরে সময় আমিও কাটি মাঝে মধ্যে কিন্তু বেকা হয়ে যায়। ডিম চপ আমার কাছে খুব ভালো লাগে। আর আলুর চপ এর ফ্যান আমি।
This post has been upvoted by @italygame witness curation trail
If you like our work and want to support us, please consider to approve our witness
Come and visit Italy Community
খুবই সুস্বাদু এবং লোভনীয় খাবার দিয়ে ইফতার আয়োজন করেছিলেন। বিশেষ করে ফলের কথা না বললেই নয়। ইফতারের সময় ফল খেতে খুবই ভালো লাগে আমার। আরেকটি কথা ঠিকই বলেছেন বাড়ির বেকারদের কে দিয়েই ইফতারের আয়োজন করানো হয় যেমন আমিও🤭🤭
সারাদিন রোজা রাখার পর শরীরের পুষ্টি গুনাগুন ঠিক রাখতে ফল অবশ্যই খাওয়া প্রয়োজন। আমার ও ইফতারের পর ফল খেতে খুবই ভালো লাগে।
ভাইয়া আপনার ইফতারের আইটেম গুলো দেখে খুবই ভালো লাগলো। আমার সবচেয়ে ভালো লেগেছে হালিম দেখে। কারণ হালিম আমি খুবই পছন্দ করি।অনেকদিন হলো হালিম খাওয়া হয়না। কিন্তু আজকে আপনার বাসার তৈরি হালিম দেখে খেতে খুব ইচ্ছা করছে।আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া আমাদের মাঝে আপনার বাসার ইফতারের আইটেম গুলো তুলে ধরার জন্য।💖💖
আমারা ও হালিম খুবই পছন্দ তাই মাঝেমধ্যে রান্না করা হয়।
আপনি অনেক সুন্দর ইফতারের আয়োজন করেছেন ভাইয়া। আপনার ইফতারের আয়োজন দেখে অনেক লোভনীয় লাগছে। দেখে বোঝা যাচ্ছে খেতে অনেক সুস্বাদু হয়েছে। ধন্যবাদ আপনাকে ভাইয়া এতো সুন্দর ইফতারের আয়োজন করে আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য। আপনার জন্য শুভকামনা রইল।
একদম ঠিক বলেছেন ভাইয়া, এই দলে কিন্তু আমিও আছি🤭 আপনার ইফতারের প্রত্যেকটি আইটেমই খুবই লোভনীয় লাগছে। বিশেষ করে এগ ডেভিল টি খুবই আকর্ষণীয় লেগেছে আমার কাছে। তনুজা বৌদির এই রেসিপিটি আমি দেখেছিলাম। আমিও ভেবে রেখেছি বানাবো একদিন। আপনার ইফতার আইটেমে দেখলাম আপনারা পেয়াজু খুব ছোট ছোট করে বানান। আর চিকেন হালিম এর কথা কি বলবো। হালিম আমার সবচেয়ে পছন্দের একটি খাবার। আপনাকে ধন্যবাদ ভাইয়া ইফতারের আইটেম গুলো আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
বাহ! আপনি ও দেখছি আমার মত। তবে কাজগুলো করতে কিন্তু বেশ ভালই লাগে।
বৌদির এগ ডেভিল টি কিন্তু খেতে সত্যি খুব মজা হয়েছিল ।
একটি কথা হাস্যকর কথা মনে হলেও সত্য যে বাড়ির বেকারদের কাজই হচ্ছে ইফতার তৈরিতে সহায়তা করা। আমিও প্রতিদিন ইফতার সামগ্রী বিশেষ করে শরবত এবং কাটাকুটির কাজ করে থাকি। ইফতারের সকল আইটেমগুলো দেখতে খুব সুস্বাদু মনে হচ্ছে এবং সেইসাথে ডিমের চপ। তবে সত্যি বলতে চিকেন হালিম কখনো খাওয়া হয়নি। আশা করছি এই রেসিপি একদিন শেয়ার করবেন।
চিকেন হালিম এর রেসিপি আমি কয়েকদিন আগেই শেয়ার করেছিলাম আপনি চাইলে দেখে নিতে পারেন
।
এগ ডেভিলটি আসলেই অনেক সুস্বাদু লাগছে দেখতেই।আর আমাদের বাসায় ও এভাবেই পিঁয়াজু বানানো হয়।আমার অনেক প্রিয় এমন ছোট ছোট পিঁয়াজু।শরবত আর ফলের দায়িত্ব আমাদের বাসায় ও আমাকেই দেওয়া হয়।
ছোট পিঁয়াজু খেতে কিন্তু বেশ মজা লাগে এবং মুচমুচে খেতে।
ভাইয়া একথাটা পড়ে বেশ মজাই পেলাম। আপনার বাসায় যদিও এই দায়িত্বটা আপনার। কিন্তু আমাদের বাসায় এই দায়িত্বটা নিয়মিত আমি পালন করতে হয় ।যাইহোক খুব ভালো লাগলো আপনার ইফতারির আয়োজন। পিয়াজু গুলো আমার কাছে বেশ ভালই লেগেছে। এই রকম মুচমুচে পিয়াজু খেতে খুব ভালো লাগে।
ঠিকই বলেছেন এরকম মচমচে পিয়াজু খেতে খুবই মজা।
ভাইয়া এই কথাটা কিন্তু একদম ঠিক বলেছেন। শরবত বানানোর দায়িত্ব এবং ফল কাটার দায়িত্ব এসে পড়ে সব আমাদের মত বেকারদের কাছেই। তবে আমি বাসায় গেলে ভয়ে শরবত বানাই না। কারণ আমার বাবা খুব বেশি ভুল ধরেন শরবত তৈরিতে। উনার কাছে এখনো শুনিনি যে আজকে শরবত বানানো ভালো হয়েছে। তাই উনি সবসময় নিজেই শরবত বানান। তনুজা বৌদির তৈরি করা এগ ডেভিল রেসিপিটি আমিও দেখেছিলাম। আমার কাছে অনেক ভালো লেগেছিল। আপনি অনেক সুন্দর করে ইফতারির সকল আয়োজন আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন এ জন্য আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
আমারও মাঝে মাঝে শরবত বানাতে একটু এদিক-সেদিক হয়ে যাই। তবে সেটি নিয়ে বাড়ির কেউ কিছুই বলো না।
আর বৌদির এগ ডেভিল টি কিন্তু খেতে খুবই মজা হয়েছিল।