মন্ত্রীর বাড়িতে ঘুরাঘুরি
আসসালামু আলাইকুম
সবাই কেমন আছেন? আশা করি ভাল আছেন? আমিও ভালো আছি আজকে আমি আপনাদের সাথে নতুন একটি পোস্ট নিয়ে এসেছি। আমার বাংলা ব্লগে প্রতিদিন পোস্ট করতে আমার অনেক ভালো লাগে। আগের পর্বতে আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করেছিলাম মন্ত্রীর বাড়িতে চিড়িয়াখানার পশু-পাখি। এই পর্বে আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করব মন্ত্রীর বাড়ি ঘুরে দেখার অনুভূতি।
গেট দিয়ে ঢোকার সময় প্রথমেই এই ভাস্কর্যটি দেখা যায়। ভাস্কর্যটি খুবই সুন্দরভাবে তৈরি করা হয়েছে। কিছুদিন আগে পর্যন্ত এখানে এত ভিড় ছিল না। ইদানিং মানুষ এখানে ঘুরতে আসছে। বিকাল হলে এখানে প্রচুর ভিড় জমে যায়। বাড়ির পাশেই রয়েছে প্রচুর বড় একটি মাঠ। মানুষ মাঠে বসে সময় কাটায়। সকালেও অনেকে হাটাহাটি করতে আসে।
বাড়ির একটু ডান সাইডে গেলে দেখা যায় মন্ত্রীর একটি ভাস্কর্য। দুই তিন বছর হলো এ বাড়িতে থাকেন না। রাজনীতিবিদদের ভিড় কম। আগে সব সময় এই বাড়িতে পুলিশের গার্ড ছিল। সাধারণ মানুষকে তেমন ঢুকতে দিত না। এখন উন্মুক্ত হয়ে যাওয়ার কারণে মানুষের এত ভিড় জমে।
এই বাড়িতে মন্ত্রী তার স্ত্রীর নামে করেছে। এই বাড়িটির নাম আফসানা মঞ্জিল। বাড়িটি অনেক সুন্দর পরিপাটি ও গোছানো। বাড়িতে দেখাশোনার জন্য কিছু লোক আছে । তারা এই বাড়িটি কে পরিপাটি করে রাখে। এ বাড়িতে বিভিন্ন ধরনের ফুল গাছ রয়েছে। ফুল গাছের জন্য বাড়িটি আরও সুন্দর হয়ে উঠেছে।
বাড়ির সাথে রয়েছে বড় একটি পুকুর। এই পুকুরের সিঁড়িতে মন্ত্রী বিকালে এসে বসতেন। এই পুকুরটিতে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ চাষ করা হয়। এই বাড়িটি খুবই সুন্দর এবং মনোরম পরিবেশ। সম্পূর্ণ বাড়ি ঘুরে আমাদের অনেক ভালো।
আশা করি আজকের পোস্টটি আপনাদের কাছে খুবই ভালো লাগবে। আপনাদের সাথে শেয়ার করতে পেরে আমারও খুবই ভালো লাগলো।
| ফটোগ্রাফার | @mithila19 |
|---|---|
| ডিভাইস | Narzo50i |
আমি মিথিলা ইসলাম।আমি একজন 🇧🇩বাংলাদেশি🇧🇩। বাংলা আমার মাতৃভাষা।আমি বাংলায় কথা বলতে ও লিখতে ভালোবাসি।ধন্যবাদ।❤️ আমার স্টিমিট একাউন্ট @mithila19
মন্ত্রীর বাড়িতে আপনি বেশ ভালোই ঘুরাঘুরি করেছেন। আসলে বর্তমান রাজনীতির কারণে মন্ত্রী মনে হচ্ছে তেমন বাড়িতে আসে না। সেই সুবিধায় লোজজন মন্তীর বাড়ি দেখার সুযোগ পেয়েছে। আসলে আমরা সুযোগে সদব্যাবহার সবাই করি।যাইহোক ভাস্কর্যগুলো বেশ চমৎকার দেখাচ্ছে। আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ সুন্দর ভ্রমন করে আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
ধন্যবাদ আপনাকে আমার পোস্টটি সম্পূর্ণ পড়ার জন্য এবং এত সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য। শুভকামনা রইল আপনার জন্য।
আপনার ফটোগ্রাফির গুলো দেখে বুঝতে পারলাম মন্ত্রীর বাড়িটি দেখতে বেশ সুন্দর। যাইহোক বাড়িটিতে ঢোকার পারমিশন এখন উন্মুক্ত করে দেওয়ার কারণে আপনি সহ আরো অনেকেই সেখানে ঘুরতে যেতে পারে জেনে ভালো লাগলো। আর হ্যাঁ, বাড়িতে ফুল গাছ লাগালে দেখতেও সুন্দর লাগে আবার পরিবেশটা ভালো হয়ে যায়। যাই হোক ধন্যবাদ আপনাকে মন্ত্রীর বাড়িতে ঘোরাঘুরি করার মুহূর্তগুলো আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য। শুভ কামনা রইল আপনার জন্য।
মন্ত্রীর বাড়িতে ঘোরাফেরা করে খুব আনন্দের সময় কাটিয়েছে। মন্ত্রী মনে হয় বাড়িতে বেশি থাকে না কারণ থাকলে পুলিশ গার্ড জনসাধারণকে কেমন ঢুকতে দিত না। বাড়িতে ঢোকার পারমিশন দেওয়ার কারণে সবাই ঢুকতে পেরেছেন জেনে ভালোই লাগলো। ভাস্কর্যের ফটোগ্রাফি গুলো আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। মন্ত্রীর বাড়িতে ঘোরার মুহূর্ত আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ আপনাকে আপু। শুভকামনা রইল আপনার জন্য।
আপু আপনার পোস্ট পড়ে বুঝতে পারলাম মন্ত্রী তার স্ত্রীকে ভীষণ ভালোবাসে। আর সেজন্যই তো তার স্ত্রীর নামে বাড়িটির নামকরণ করেছে আফসানা মঞ্জিল। ব্যাপারটি খুবই ভালো লাগলো। আপু আমি আপনার গত পোস্টে মন্ত্রীর বাড়ির চিড়িয়াখানা সম্পর্কে অবগত হয়েছিলাম। আর আজ মন্ত্রীর বাড়ি খুব সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করেছেন। তারমানে মন্ত্রীর বাড়িতে আপনার সময়টুকু বেশ ভালই কেটেছে। মন্ত্রীর বাড়িতে কাটানো সময়টুকু সুন্দর বর্ণনার মাধ্যমে শেয়ার করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ আপনাকে ভাইয়া আমার পোস্টটি সম্পূর্ণ পড়ার জন্য এবং এত সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য। শুভ কামনা রইল আপনার জন্য।
আফসানা মঞ্জিল দেখতে সত্যিই অনেক সুন্দর। মন্ত্রী সাহেব উনার স্ত্রীর নামে এই বাড়িটির নামকরণ করেছে জেনে ভালো লাগলো। আর এত সুন্দর পরিপাটি করে চারপাশ সাজিয়ে গুছিয়ে রেখেছে দেখে অনেক ভালো লেগেছে। জায়গাটা সত্যিই অনেক সুন্দর। আপু আপনি অনেক সুন্দর ভাবে ফটোগ্রাফি গুলোও করেছেন।
ধন্যবাদ আপনাকে আপু। শুভ কামনা রইল আপনার জন্য।
যদিও প্রথম পর্ব টি দেখি নি ৷ তবে আজকের পোষ্ট টি পড়ে অনেক ভালো লাগলো ৷ আপনি মন্ত্রীর বাড়িতে গিয়ে বেশ কিছু আলোকচিত্র তুলে ধরেছেন ৷ যার প্রতিটি ছবি দেখতে বেশ ভালোই লাগছে ৷ তবে কোন মন্ত্রীর বাড়িতে জানলে হয়তো বেশি ভালো লাগতো ৷
ধন্যবাদ
ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশারফ হোসেন এর বাড়িতে ঘুরতে গিয়েছিলাম। আপনাকে ভাইয়া আমার পোস্টটি সম্পূর্ণ পড়ার জন্য । শুভ কামনা রইল আপনার জন্য ।
মন্ত্রীর বাড়ি তো দেখতে অনেক সুন্দর অনেক ভালো লেগেছে মন্ত্রী তার বউয়ের নামে বাড়িটি করেছিলেন আফসানা মঞ্জিল। বাড়ির পাশের ফুল বাগান দেখতে অসাধারণ ছিল। যদি কোন কিছু দেখার জন্য যখন উন্মুক্ত করে দেওয়া হয় তাহলে সুবিধা হয় সবাই দেখার সুযোগ পাই। একটা জিনিস দেখে খুব ভালো লেগেছে সেটি হচ্ছে যে মন্ত্রী বিকেল বেলায় যে পুকুর পাড়ে যেয়ে বসতেন সেই দৃশ্যটা। মন্ত্রীর বাড়ি ঘুরতে গিয়ে অসাধারণ একটি সময় কাটিয়েছেন এবং আমাদের সাথে শেয়ার করেছেন অনেক ভালো লেগেছে।
ধন্যবাদ আপনাকে আপু আমার পোস্টটি সম্পূর্ণ পড়ার জন্য এবং এত সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য। শুভ কামনা রইল আপনার জন্য।
মন্ত্রীর বাড়িতে কি এমনিতেই ঢুকতে দেয় নাকি টিকিট কেটে ঢুকতে হয়? বিশাল এরিয়া নিয়ে বাড়ি করেছেন দেখছি। তাছাড়া দেখতেও খুব সুন্দর বাড়িটি। মন্ত্রী থাকেন না জন্যই হয়তো সবাইকে দেখার সুযোগ করে দিয়েছেন। তাছাড়া পুকুরপাড়টি খুব ভালো লেগেছে আমার কাছে। মন্ত্রীর বাড়িতে বেশ ভালো সময় কাটিয়েছেন বোঝা যাচ্ছে।
মন্ত্রীর বাড়িতে ঢুকতে কোনো টিকিট লাগে না। ধন্যবাদ আপনাকে আমার পোস্টটি সম্পূর্ণ পড়ার জন্য। শুভকামনা রইল আপনার জন্য।
যদিও এর আগের পর্বটি আমি দেখিনি তবে এই পর্ব দেখেও বেশ ভালো লাগলো।
বাড়িটি বেশ বড় এলাকা জুড়েই তৈরি দেখছি আর নকশাও অত্যন্ত দৃষ্টিনন্দিত করার মতো।
অনুভূতি জেনে ভালো লাগলো,শুভ কামনা রইলো।
ধন্যবাদ আপনাকে ভাইয়া। শুভ কামনা রইল আপনার জন্য।