রেসিপি: পেঁয়াজ ফুল ও মুশরের ডাল ভুনা।
আমার প্রিয় বন্ধুরা,
আমি@md-razu বাংলাদেশের নাগরিক।
আজ -৩ মাঘ| ১৪৩০বঙ্গাব্দ |বুধবার|শীতকাল|
আমি রাজু আহমেদ।আমার ইউজার নাম @md-razu।আমি বাংলাদেশ থেকে। আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন।মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি [আমার বাংলা ব্লগ] ভারতীয় এবং বাংলাদেশী সদস্যগণ, সবাইকে অভিনন্দন।
তাহলে চলুন শুরু করি
আমি মনে করি নিজের চেষ্টার দ্বারা সফলতা সম্ভব।ট্যালেন্ট বা যোগ্যতা দিয়ে জীবনে কিছু একটা করে ফেলবো- এমনটা আশা করে কোন লাভ নাই। কারণ দুনিয়াতে ট্যালেন্ট বা যোগ্যতা দিয়ে কাউকে বিচার করা হয় না। বিচার করা হয় অর্জন দিয়ে।
চলুন আজ একটা সহজ এবং মজাদার রান্নার রেসিপি আপনাদের দেখাই। । আশা করি, এই রান্নাটা প্রায় সকল দেশের মানুষই খেতে পারবে। হা হা হা। তবে মজার ব্যাপার হচ্ছে, খাবার না পেলে একজন মানুষকে যে খাবার দেবেন সেই খাবারি সে খেতে বাধ্য।
ফটো-এডিটর দিয়ে বানানো।
পেঁয়াজ ফুল ও মুশরের ডাল ভুনা।
device:redmi note 10
প্রয়োজনীয় উপকরণ
– পেঁয়াজ ফুল,
–মুশরের ডাউল,
– পেঁয়াজ কুচি,
– কাচা মরিচ,
–রসুন বাটা,
–মরিচ গুড়া,
–হলুদ গুড়া,
– ধনিয়া পাতার কুঁচি
– লবন/পানি, পরিমান মত
রন্ধন প্রণালী
ধাপ:-১:ভাল করে ধুয়ে পেঁয়াজ কলি এভাবে রিং এর মত করে কুচিয়ে নিতে হবে। হাফ কাপ মুশরীর ডাল ভাল করে ধুয়ে পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে।
ধাপ:-২:কড়াইতে তেল গরম করে তাতে পেঁয়াজ কুচি, রসুন বাটা, কয়েকটা কাচা মরিচ ফালি, মরিচ গুড়া,হলুদ গুড়া ও সামান্য লবন দিয়ে ভাল করে ভেজে নিতে হবে।
ধাপ:-৩:এর পর ভিজিয়ে রাখা মুশরী ডাল এবং পেঁয়াজ কলি গুলো দিয়ে দিলাম।
ধাপ:-৪:খুন্তি দিয়ে ভাল করে মিশিয়ে ভাজতে হবে। আগুন মাধ্যম আঁচে থাকবে।
ধাপ:-৫:কিছুতেই নাড়ানো বন্ধ করা যাবে না।
ধাপ:-৬:একদম ভাজা ভাজা করে ফেলতে হবে।
ধাপ:-৭: এবার পরিমাণ মতো পানি দিন, গা গা হিসাবে। বেশি দিলে আগুন বাড়িয়ে দিতে হবে, ঢাকনা চলবে না।
ধাপ:-৮: এবার ঢাকনা দিয়ে মিনিট ১০ রাখুন, আগুন মাধ্যম আঁচে থাকবে। ডাল নরম হয়ে এলে, পানি শুকিয়ে গেলে ঢাকনা সরিয়ে নিতে হবে।
ধাপ:-৯: ঠিক এই অবস্থায় এসে যাবে, ফাইন্যাল লবন দেখুন, লাগলে দিন, না লাগলে ওকে। ঠিক এই অবস্থায় আসলেই খুন্তি দিয়ে নাড়িয়ে কিছু ধনিয়া পাতার কুচি দিন এবং ভাল করে মিশিয়ে নিন।
ধাপ:-১০: গরম ভাতের সাথে খেয়ে দেখুন। আপনাকে আজ একটু বেশি ভাত খেতেই হবে।আশাকরি খারাপ লাগবে না।আজ এই পর্যন্তই সামনের দিনে অন্য কোন রেসিপি নিয়ে হাজির হবো।
ধন্যবাদ সবাইকে
>>>>>|| এখানে ক্লিক করেন ডিসকর্ড চ্যানেলে জয়েন করার জন্য ||<<<<<
💞 আল্লাহ হাফেজ 💞
VOTE @bangla.witness as witness

OR
তাহলে চলুন শুরু করি
আমি মনে করি নিজের চেষ্টার দ্বারা সফলতা সম্ভব।ট্যালেন্ট বা যোগ্যতা দিয়ে জীবনে কিছু একটা করে ফেলবো- এমনটা আশা করে কোন লাভ নাই। কারণ দুনিয়াতে ট্যালেন্ট বা যোগ্যতা দিয়ে কাউকে বিচার করা হয় না। বিচার করা হয় অর্জন দিয়ে।
চলুন আজ একটা সহজ এবং মজাদার রান্নার রেসিপি আপনাদের দেখাই। । আশা করি, এই রান্নাটা প্রায় সকল দেশের মানুষই খেতে পারবে। হা হা হা। তবে মজার ব্যাপার হচ্ছে, খাবার না পেলে একজন মানুষকে যে খাবার দেবেন সেই খাবারি সে খেতে বাধ্য।
ফটো-এডিটর দিয়ে বানানো।
device:redmi note 10
প্রয়োজনীয় উপকরণ
– পেঁয়াজ ফুল,
–মুশরের ডাউল,
– পেঁয়াজ কুচি,
– কাচা মরিচ,
–রসুন বাটা,
–মরিচ গুড়া,
–হলুদ গুড়া,
– ধনিয়া পাতার কুঁচি
– লবন/পানি, পরিমান মত
রন্ধন প্রণালী
ধাপ:-১:ভাল করে ধুয়ে পেঁয়াজ কলি এভাবে রিং এর মত করে কুচিয়ে নিতে হবে। হাফ কাপ মুশরীর ডাল ভাল করে ধুয়ে পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে।
ধাপ:-২:কড়াইতে তেল গরম করে তাতে পেঁয়াজ কুচি, রসুন বাটা, কয়েকটা কাচা মরিচ ফালি, মরিচ গুড়া,হলুদ গুড়া ও সামান্য লবন দিয়ে ভাল করে ভেজে নিতে হবে।
ধাপ:-৩:এর পর ভিজিয়ে রাখা মুশরী ডাল এবং পেঁয়াজ কলি গুলো দিয়ে দিলাম।
ধাপ:-৪:খুন্তি দিয়ে ভাল করে মিশিয়ে ভাজতে হবে। আগুন মাধ্যম আঁচে থাকবে।
ধাপ:-৫:কিছুতেই নাড়ানো বন্ধ করা যাবে না।
ধাপ:-৬:একদম ভাজা ভাজা করে ফেলতে হবে।
ধাপ:-৭: এবার পরিমাণ মতো পানি দিন, গা গা হিসাবে। বেশি দিলে আগুন বাড়িয়ে দিতে হবে, ঢাকনা চলবে না।
ধাপ:-৮: এবার ঢাকনা দিয়ে মিনিট ১০ রাখুন, আগুন মাধ্যম আঁচে থাকবে। ডাল নরম হয়ে এলে, পানি শুকিয়ে গেলে ঢাকনা সরিয়ে নিতে হবে।
ধাপ:-৯: ঠিক এই অবস্থায় এসে যাবে, ফাইন্যাল লবন দেখুন, লাগলে দিন, না লাগলে ওকে। ঠিক এই অবস্থায় আসলেই খুন্তি দিয়ে নাড়িয়ে কিছু ধনিয়া পাতার কুচি দিন এবং ভাল করে মিশিয়ে নিন।
ধাপ:-১০: গরম ভাতের সাথে খেয়ে দেখুন। আপনাকে আজ একটু বেশি ভাত খেতেই হবে।আশাকরি খারাপ লাগবে না।আজ এই পর্যন্তই সামনের দিনে অন্য কোন রেসিপি নিয়ে হাজির হবো।
ধন্যবাদ সবাইকে
VOTE @bangla.witness as witness OR
আপনি আসার পছন্দের একটা রেসিপি শেয়ার করেছেন। তবে আমার ভাবি মুশরের ডাল দিয়ে ভূনা করে না না।ঝোল করে রান্না করে,যাইহোক আপনার রেসিপি কিন্তু দারুণ হয়েছে। এইভাবে রান্না করতে বাসায় বলতে হবে।ধন্যবাদ ভাই সুন্দর ভাবে রেসিপি টি শেয়ার করার জন্য।
মসুর ডাল ভুনা আমার ভীষণ পছন্দের। তবে এভাবে কখনো পেঁয়াজের ফুল দিয়ে করা হয়নি। আজকে আপনার কাছে নতুন একটি রেসিপি শিখতে পেরে ভালো লেগেছে। অনেক সুন্দর করে এই রেসিপি তৈরি করে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি ভাইয়া।
পেঁয়াজ ফুলের সাথে মসুর ডালের চমৎকার একটি রেসিপি তৈরি করে আপনি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। আপনারে রেসিপি তৈরিতে পেঁয়াজ ফুলগুলো কুচিকুচি করে কেটে নেওয়াটা আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। সব থেকে বেশি ভালো লেগেছে আপনার এই রেসিপি তৈরির শেষ পর্যায়ে এসে ধনিয়া পাতার ব্যবহারটা। চমৎকার একটি রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
কিছুদিন আগে আমিও পেঁয়াজের ফুলের একটা রেসিপি তৈরি করে আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছিলাম ভাইয়া। কিন্তু আপনি যেভাবে তৈরি করেছেন সেটা আমার কাছে সম্পূর্ণই ভিন্ন ধরনের লেগেছে। ব্যক্তিগতভাবে পেঁয়াজের ফুলের রেসিপি আমার কাছে খেতে খুবই ভালো লাগে।
ভাই আপনি আজকে আমাদের মাঝে খুবই সুস্বাদু একটি রেসিপি শেয়ার করেছেন। আজকে আপনার শেয়ার করা রেসিপি ছিলপেঁয়াজের ফুল দিয়ে মসুরি ডালের ভুনা। দেখে মনে হচ্ছে খেতে খুবই স্বাদ হয়েছে ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য।
পেঁয়াজের ফুল এবং মুশুরের ডাল একত্রিত করে ভুনা করার দারুন একটা পদ্ধতি আপনি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন ভাইয়া। এমন রেসিপি এর আগে আমি কোনদিন দেখেছিলাম না। আমার কাছে আপনার তৈরি করার রেসিপিটা ভিন্ন ধরনের রেসিপি বলে মনে হয়েছে।
পেঁয়াজের কোলে আমি খুবই পছন্দ করি ভাইয়া। আজকে আপনি পেঁয়াজের কলি আমাদের মাঝে ডালের সাথে রান্না করে দেখানোর চেষ্টা করেছেন। জানিনা এভাবে কতটা সুস্বাদু হয়েছে তবে আমি বেশি পছন্দ করি পাকা টমেটো দিয়ে রান্না করে খেতে। তবে আপনার রেসিপি প্রস্তুতি ধরণ দেখে বুঝতে পারলাম সত্যিই অনেক সুস্বাদু হয়েছে।
পেঁয়াজের ফুলের সাথে মসুরের ডালের ইউনিক একটা রেসিপি দেখলাম। দেখতে বেশ লোভনীয় লাগছে ভাই খেতে নিশ্চয়ই অনেক মজা হয়েছিল। তৈরি করে একদিন দাওয়াত দিয়েন গিয়ে খেয়ে আসবো।
পেঁয়াজ কলি শীতকালে অনেক পাওয়া যায় এবং খেতে ভীষণ ভালো লাগে।আপনি খুব সুন্দর করে পেঁয়াজ কলি রেসিপিটি করেছেন।এভাবে কোনদিন খাওয়া হয়নি পেঁয়াজ কলি দিয়ে মসুর ডাল।ধাপে ধাপে খুব সুন্দর করে তুলে ধরেছেন রেসিপিটি। ধন্যবাদ সুন্দর লোভনীয় রেসিপিটি শেয়ার করার জন্য।