ঘুরে এলাম অমর একুশে বইমেলা থেকে।
আমার প্রিয় বন্ধুরা,
আমি@md-razu বাংলাদেশের নাগরিক।
আজ -৪ ঠা,ফাল্গুন |১৪৩০ বঙ্গাব্দ|শনিবার|বসন্তকাল |
আমি রাজু আহমেদ।আমার ইউজার নাম @md-razu।আমি বাংলাদেশ থেকে। আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন।
তাহলে চলুন শুরু করি
ফটো এডিটর দিয়ে বানানো।
অমর একুশে বইমেলা ২০২৪ ।
device:redmi note 10
আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করব অমর একুশে বই মেলায় ঘোরাঘুরি ও বই কেনার মুহূর্ত। আমি এর আগে কোন সময় বইমেলায় যায়নি এটাই আমার প্রথম। আগের দিন প্লান করে রাখি এবং বন্ধু ও বড় ভাইয়ের সাথে বইমেলায় যাওয়ার জন্য মোহাম্মদপুর থেকে বের হই। মোহাম্মদপুর বাস স্ট্যান্ড থেকে একটা বাসে উঠি সবাই। রাস্তায় জ্যাম থাকার কারণে আমাদের যেতে প্রায় দুই ঘন্টা সময় লাগে। যারা ঢাকা শহরে থাকেন তাদের জ্যাম সম্পর্কে অবশ্যই অবগত আছেন। যেখানে যেতে আমাদের ৩০ থেকে ৪০ মিনিট সময় লাগবে। জ্যাম থাকার কারণে আমাদের প্রায় দুই ঘন্টা সময় লাগলো যেতে। যদিও আমরা বিকেল চারটার সময় বের হই মেলায় পৌঁছাতে আমাদের ছয়টা বেজে যায়।
প্রথমে আমরা গেট দিয়ে যাওয়ার সময় ওখানে পুলিশ ও আনসার সবার বডি চেকিং করতেছিল কারণ মেলার মধ্যে দাহ্য পদার্থ নিয়ে যাওয়া নিষেধ। এভাবে চেকিং দেখে আমি ভাবছি টিকিট লাগবে হয়তো। তারপর আমার বন্ধু বলল আরে না টিকিট না এমনিতেই চেকিং দিচ্ছে। তারপর মেলার মধ্যে যেতেই অনেক কোলাহল অনেক মানুষের সমাগম উপভোগ করতে শুরু করলাম। মেলাতে প্রচুর পরিমাণ বই উঠেছে অনেক দোকান যা দেখে খুবই ভালো লাগতেছিল। কিন্তু একটা বিষয় জেনে খুবই হাসি পেল সবাই যদি একটা করে বই ও ক্রয় করে তাহলে অনেক বই প্রতিদিন সেল হবে। কিন্তু কিছু মানুষ মেলা দেখতে এসেছে আর কিছু মানুষ বই ক্রয় করবে পছন্দ মতো।
এরপর কিছু দোকানে বইয়ের খোঁজ করতে লাগলাম। হুমায়ূন আহমেদের বইগুলো আমার কাছে খুবই ভালো লাগে পড়তে। বইয়ের খোঁজ করতে শুরু করার পর আমার একটা বন্ধুর সাথে দেখা হল। বন্ধুর সাথে কিছু সময় আড্ডা দিলাম এবং সেও কিছু বই ক্রয় করল। এভাবে অনেক সময়ে মেলার মধ্যে ঘোরাঘুরির পর ের অনেক ক্ষুধা লেগে গেল।
তারপর সবাই মিলে একটা খাবারের দোকানে গিয়ে পাটিসাপটা পিঠা খাই। যদিও এখানে পিঠার অনেক মূল্য। ভেবেছিলাম হয়তো অনেক টেস্ট হবে পিঠার। কিন্তু খাওয়ার পর এত বাজে পিঠা আমার লাইফে আমি কোনদিন খাইনি। বন্ধু অংকন তো রেগে ফায়ার সেও অনেক ইচ্ছা ছিল পিঠা খাবে কিন্তু খাওয়ার পর আমার উপর অনেক রাগ করল। কিছুতো আর করার নেই যেহেতু পিঠা খেতে আসছি এজন্য খারাপ হোক আর ভালো হোক খেতে হবে। পিঠা খাওয়ার পর কিছু সময় মেলার মধ্যে আবার ঘোরাঘুরি করলাম।
এরপর অবসর বুক শপ থেকে থেকো হৃদয়েই বইটা ক্রয় করলাম। বউয়ের সূচিপত্র দেখে খুবই ভালো লাগলো মনে হল বইটা পড়ে মজা পাবো। এজন্য বইটা নেওয়া। বড় ভাই সুজন বলল এটা তোমার গার্লফ্রেন্ডকে গিফট করবা। আমি বললাম ভাই আমার কোন গার্লফ্রেন্ড নাই আমি সিঙ্গেল এভাবেই ভালো আছি। এরপর কিছু সময় ঘোরাঘুরির পর কোলাহল থেকে বেরিয়ে বাসার উদ্দেশ্যে রওনা হয়।
লোকেশন:https://w3w.co/furniture.microchip.targeted
ধন্যবাদ সবাইকে
>>>>>|| এখানে ক্লিক করেন ডিসকর্ড চ্যানেলে জয়েন করার জন্য ||<<<<<
💞 আল্লাহ হাফেজ 💞
VOTE @bangla.witness as witness

OR
তাহলে চলুন শুরু করি
ফটো এডিটর দিয়ে বানানো।
device:redmi note 10
আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করব অমর একুশে বই মেলায় ঘোরাঘুরি ও বই কেনার মুহূর্ত। আমি এর আগে কোন সময় বইমেলায় যায়নি এটাই আমার প্রথম। আগের দিন প্লান করে রাখি এবং বন্ধু ও বড় ভাইয়ের সাথে বইমেলায় যাওয়ার জন্য মোহাম্মদপুর থেকে বের হই। মোহাম্মদপুর বাস স্ট্যান্ড থেকে একটা বাসে উঠি সবাই। রাস্তায় জ্যাম থাকার কারণে আমাদের যেতে প্রায় দুই ঘন্টা সময় লাগে। যারা ঢাকা শহরে থাকেন তাদের জ্যাম সম্পর্কে অবশ্যই অবগত আছেন। যেখানে যেতে আমাদের ৩০ থেকে ৪০ মিনিট সময় লাগবে। জ্যাম থাকার কারণে আমাদের প্রায় দুই ঘন্টা সময় লাগলো যেতে। যদিও আমরা বিকেল চারটার সময় বের হই মেলায় পৌঁছাতে আমাদের ছয়টা বেজে যায়।
প্রথমে আমরা গেট দিয়ে যাওয়ার সময় ওখানে পুলিশ ও আনসার সবার বডি চেকিং করতেছিল কারণ মেলার মধ্যে দাহ্য পদার্থ নিয়ে যাওয়া নিষেধ। এভাবে চেকিং দেখে আমি ভাবছি টিকিট লাগবে হয়তো। তারপর আমার বন্ধু বলল আরে না টিকিট না এমনিতেই চেকিং দিচ্ছে। তারপর মেলার মধ্যে যেতেই অনেক কোলাহল অনেক মানুষের সমাগম উপভোগ করতে শুরু করলাম। মেলাতে প্রচুর পরিমাণ বই উঠেছে অনেক দোকান যা দেখে খুবই ভালো লাগতেছিল। কিন্তু একটা বিষয় জেনে খুবই হাসি পেল সবাই যদি একটা করে বই ও ক্রয় করে তাহলে অনেক বই প্রতিদিন সেল হবে। কিন্তু কিছু মানুষ মেলা দেখতে এসেছে আর কিছু মানুষ বই ক্রয় করবে পছন্দ মতো।
এরপর কিছু দোকানে বইয়ের খোঁজ করতে লাগলাম। হুমায়ূন আহমেদের বইগুলো আমার কাছে খুবই ভালো লাগে পড়তে। বইয়ের খোঁজ করতে শুরু করার পর আমার একটা বন্ধুর সাথে দেখা হল। বন্ধুর সাথে কিছু সময় আড্ডা দিলাম এবং সেও কিছু বই ক্রয় করল। এভাবে অনেক সময়ে মেলার মধ্যে ঘোরাঘুরির পর ের অনেক ক্ষুধা লেগে গেল।
তারপর সবাই মিলে একটা খাবারের দোকানে গিয়ে পাটিসাপটা পিঠা খাই। যদিও এখানে পিঠার অনেক মূল্য। ভেবেছিলাম হয়তো অনেক টেস্ট হবে পিঠার। কিন্তু খাওয়ার পর এত বাজে পিঠা আমার লাইফে আমি কোনদিন খাইনি। বন্ধু অংকন তো রেগে ফায়ার সেও অনেক ইচ্ছা ছিল পিঠা খাবে কিন্তু খাওয়ার পর আমার উপর অনেক রাগ করল। কিছুতো আর করার নেই যেহেতু পিঠা খেতে আসছি এজন্য খারাপ হোক আর ভালো হোক খেতে হবে। পিঠা খাওয়ার পর কিছু সময় মেলার মধ্যে আবার ঘোরাঘুরি করলাম।
এরপর অবসর বুক শপ থেকে থেকো হৃদয়েই বইটা ক্রয় করলাম। বউয়ের সূচিপত্র দেখে খুবই ভালো লাগলো মনে হল বইটা পড়ে মজা পাবো। এজন্য বইটা নেওয়া। বড় ভাই সুজন বলল এটা তোমার গার্লফ্রেন্ডকে গিফট করবা। আমি বললাম ভাই আমার কোন গার্লফ্রেন্ড নাই আমি সিঙ্গেল এভাবেই ভালো আছি। এরপর কিছু সময় ঘোরাঘুরির পর কোলাহল থেকে বেরিয়ে বাসার উদ্দেশ্যে রওনা হয়।
লোকেশন:https://w3w.co/furniture.microchip.targeted
ধন্যবাদ সবাইকে
VOTE @bangla.witness as witness OR
একুশে বইমেলাতে গিয়ে সবাই মিলে অনেক মজা করেছিলাম। তুমি এই পোস্টটি অনেক সুন্দর ভাবে আমাদের সাথে শেয়ার করেছ দেখে বেশ ভালো লাগলো বন্ধু।
বোঝাই যাচ্ছে একুশের বইমেলায় গিয়ে খুবই সুন্দর একটা মুহূর্ত অতিবাহিত করেছেন আসলে বইমেলায় গিয়ে বই এর থেকে মানুষ বেশি মনে হয়েছে। তবে আপনার বন্ধু অংকন পাটিসাপটা পিঠা খেয়ে রেগে মেগে আগুন হয়ে গিয়েছিল জেনে বোঝাই যাচ্ছে পিঠা খুব একটা বেশি সুস্বাদু ছিল না। যাইহোক তারপরও বোঝা যাচ্ছে ভালো একটা মুহূর্ত অতিবাহিত করেছিলেন সুন্দর মুহূর্ত আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
এই দিনটি সত্যিই সবার জন্য আনন্দের ছিল। সবাই মিলে দারুন সময় উপভোগ করেছি। বইমেলাতে অনেক লোক সত্যিই চারিদিকে মানুষে পরিপূর্ণ । আমার কাছ মনে হয়েছে বইয়ের থেকে মানুষের সংখ্যা বেশি হবে। একদিকে মানুষ বইমেলাতে যাচ্ছে অন্য দিকে বইমেলা থেকে ফিরছে তবুও অনেক সুন্দর মুহূর্ত কেটেছিল।
আপনি মোহাম্মদ পুর বাস স্ট্যান্ড থেকে একটি ব ই মেলা দেখতে গিয়েছিলেন। আপনার সাথে আপনার বন্ধু এবং কয়েকজন বড় ভাই ছিল। আপনারা মেলার মধ্যে গিয়ে দেখতে সকল দর্শনার্থীরা ব ই কিনছেন না, কিছু কিছু মানুষ শুধু পড়তেছেন , আবার পড়া শেষ হয়ে গেলে আবার রেখে যাচ্ছে । তারপর আপনারা একটি খাবার দোকানে গিয়ে বিভিন্ন ধরনের খাবার খেয়েছেন। অসাধারণ একটি মুহূর্ত আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন।
এইজন্যই আমার কাছে ঢাকা শহর ভালো লাগে না কারণ আধা ঘন্টার পথ যেতে যদি দুই ঘন্টা লাগে তাহলে মুড নষ্ট হয়ে যায়। তবে তারপরেও দারুন সময় পার করেছো সবাই, সেই সাথে পিঠার দোকানে গিয়ে পাটিসাপটা খাওয়া। তবে কষ্ট লাগলো একটা গার্লফ্রেন্ড এর অভাবে গিফটটা নিতে পারলে না হা হা হা।
বইমেলায় ঘোরাঘুরি করা এবং নতুন নতুন বই দেখতেও কিনতে দুটোই আমার কাছে ভীষণ ভালো লাগে। সামনে বছর বই মেলায় গিয়েছিলাম কিন্তু এই বছর যাওয়া হয়নি। আপনি বইমেলায় গিয়ে অনেক সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি করেছেন। অমর একুশে বইমেলায় ঘুরতে গিয়ে পাটিসাপটা পিঠা খেয়েছেন জেনে ভালো লাগলো কিন্তু পিঠা স্বাদ অনেক খারাপ এটা শুনে খারাপ লাগলো। যাই হোক পোস্ট পড়ে বেশ ভালো লাগলো ধন্যবাদ ভাইয়া।