রেসিপি:পেঁয়াজ কালি ও ডিম ভাজি।
আমার প্রিয় বন্ধুরা,
আমি@md-razu বাংলাদেশের নাগরিক।
আজ --১৯ অগ্রহায়ন| ১৪৩০বঙ্গাব্দ |সোমবার|হেমন্তকাল|
আমি রাজু আহমেদ।আমার ইউজার নাম @md-razu।আমি বাংলাদেশ থেকে। আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন।মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি [আমার বাংলা ব্লগ] ভারতীয় এবং বাংলাদেশী সদস্যগণ, সবাইকে অভিনন্দন।
তাহলে চলুন শুরু করি
আমি মনে করি নিজের চেষ্টার দ্বারা সফলতা সম্ভব।ট্যালেন্ট বা যোগ্যতা দিয়ে জীবনে কিছু একটা করে ফেলবো- এমনটা আশা করে কোন লাভ নাই। কারণ দুনিয়াতে ট্যালেন্ট বা যোগ্যতা দিয়ে কাউকে বিচার করা হয় না। বিচার করা হয় অর্জন দিয়ে।
চলুন আজ একটা সহজ এবং মজাদার রান্নার রেসিপি আপনাদের দেখাই। । আশা করি, এই রান্নাটা প্রায় সকল দেশের মানুষই খেতে পারবে। হা হা হা। তবে মজার ব্যাপার হচ্ছে, খাবার না পেলে একজন মানুষকে যে খাবার দেবেন সেই খাবারি সে খেতে বাধ্য।
ফটো-এডিটর দিয়ে বানানো।
ডিম দিয়ে পেঁয়াজের কালি ভাজি।
device:redmi note 10
প্রয়োজনীয় উপকরণ
– পেঁয়াজ কলি,
– ডিম,
– পেঁয়াজ কুঁচি,
–হলুদ গুড়া
– সামান্য চিনি,
– কাঁচা মরিচ ফালি,
– লবন, পরিমান মত,
– তেল,
রন্ধন প্রণালী
ধাপ:-১:প্রথমে পেঁয়াজের কালি ছোট ছোট করে কেটে নিতে হবে।কাটতে আমার কাছে বেশ ভালো লাগছিলো কারন এটা অনেক নরম হয়ে থাকে।
ধাপ:-২:ভাল করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন।
ধাপ:-৩:কড়াইতে সামান্য তেল গরম করে তাতে পেঁয়াজ কুঁচি, কাঁচা মরিচ ফালি ও সামান্য লবন দিয়ে ভাঁজুন।
ধাপ:-৪:পেয়াজের রঙ হলদে হয়ে এলে দুই চিমটি হলুদ দিন এবং মিশিয়ে আবারো ভাঁজুন।
ধাপ:-৫:এবার ধুয়ে রাখা পেঁয়াজ কলি দিন।
ধাপ:-৬:নাড়িয়ে মিশিয়ে নিন।
ধাপ:-৭:এবার আগুন কমিয়ে ধাকনা দিয়ে মিনিট ১০ রাখুন। চুলার ধার ছেড়ে যাবেন না, আগুন বাড়ালে বা ভুলে গেলে পুড়ে যেতে পারে।
ধাপ:-৮:পেঁয়াজ কলি নরম হয়ে গেলে ঢাকনা সরিয়ে নিন।
ধাপ:-৯:মাঝে ফাকা করে ডিম ভেঙ্গে দিন। পরিমান বুঝে ডিম দিতে হবে, ডিম বেশী হলে স্বাদ বেশী নিশ্চিত।
ধাপ:-১০:ডিম নাড়িয়ে ভেঙ্গে দিন।
ধাপ:-১১:এবার মিশিয়ে আগুন বাড়িয়ে ভাল করে ভেঁজে নিন।ফাইন্যাল লবন দেখুন, লাগলে দিন।
ধাপ:-১২:পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত।স্বাদ কি আর বলবো, অসম। এমন একটা ভাঁজি দিয়েই তো এক বেলা চালিয়ে দেয়া যায়।
💞 ধন্যবাদ 💞
💞 আল্লাহ হাফেজ 💞
--
তাহলে চলুন শুরু করি
আমি মনে করি নিজের চেষ্টার দ্বারা সফলতা সম্ভব।ট্যালেন্ট বা যোগ্যতা দিয়ে জীবনে কিছু একটা করে ফেলবো- এমনটা আশা করে কোন লাভ নাই। কারণ দুনিয়াতে ট্যালেন্ট বা যোগ্যতা দিয়ে কাউকে বিচার করা হয় না। বিচার করা হয় অর্জন দিয়ে।
চলুন আজ একটা সহজ এবং মজাদার রান্নার রেসিপি আপনাদের দেখাই। । আশা করি, এই রান্নাটা প্রায় সকল দেশের মানুষই খেতে পারবে। হা হা হা। তবে মজার ব্যাপার হচ্ছে, খাবার না পেলে একজন মানুষকে যে খাবার দেবেন সেই খাবারি সে খেতে বাধ্য।
ফটো-এডিটর দিয়ে বানানো।
device:redmi note 10
প্রয়োজনীয় উপকরণ
– পেঁয়াজ কলি,
– ডিম,
– পেঁয়াজ কুঁচি,
–হলুদ গুড়া
– সামান্য চিনি,
– কাঁচা মরিচ ফালি,
– লবন, পরিমান মত,
– তেল,
রন্ধন প্রণালী
ধাপ:-১:প্রথমে পেঁয়াজের কালি ছোট ছোট করে কেটে নিতে হবে।কাটতে আমার কাছে বেশ ভালো লাগছিলো কারন এটা অনেক নরম হয়ে থাকে।
ধাপ:-২:ভাল করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন।
ধাপ:-৩:কড়াইতে সামান্য তেল গরম করে তাতে পেঁয়াজ কুঁচি, কাঁচা মরিচ ফালি ও সামান্য লবন দিয়ে ভাঁজুন।
ধাপ:-৪:পেয়াজের রঙ হলদে হয়ে এলে দুই চিমটি হলুদ দিন এবং মিশিয়ে আবারো ভাঁজুন।
ধাপ:-৫:এবার ধুয়ে রাখা পেঁয়াজ কলি দিন।
ধাপ:-৬:নাড়িয়ে মিশিয়ে নিন।
ধাপ:-৭:এবার আগুন কমিয়ে ধাকনা দিয়ে মিনিট ১০ রাখুন। চুলার ধার ছেড়ে যাবেন না, আগুন বাড়ালে বা ভুলে গেলে পুড়ে যেতে পারে।
ধাপ:-৮:পেঁয়াজ কলি নরম হয়ে গেলে ঢাকনা সরিয়ে নিন।
ধাপ:-৯:মাঝে ফাকা করে ডিম ভেঙ্গে দিন। পরিমান বুঝে ডিম দিতে হবে, ডিম বেশী হলে স্বাদ বেশী নিশ্চিত।
ধাপ:-১০:ডিম নাড়িয়ে ভেঙ্গে দিন।
ধাপ:-১১:এবার মিশিয়ে আগুন বাড়িয়ে ভাল করে ভেঁজে নিন।ফাইন্যাল লবন দেখুন, লাগলে দিন।
ধাপ:-১২:পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত।স্বাদ কি আর বলবো, অসম। এমন একটা ভাঁজি দিয়েই তো এক বেলা চালিয়ে দেয়া যায়।
| -- |
বাহ খুব সহজে ঝটপট রেসিপি তো, তারপর আবার ডিমের সমন্বয়ে তৈরি রেসিপি তাই নিঃসন্দেহে খেতেও অনেক সুস্বাদু হবে। এখানে তো ট্রাই করতে পারতেছি না বাসায় ট্রাই করে দেখতে হবে আসলে কতটা সুস্বাদু হয়। যাইহোক ভিন্ন ধরনের রেসিপিটি তুলে ধরার জন্য ধন্যবাদ ভাই।
বন্ধু এখন তো পেঁয়াজের ফুল অনেক পাওয়া যায় তুমি করায় করে নিয়ে এসে এভাবে রান্না করো আশা করি হতাশ হবে না খেয়ে। তুমি ঢাকায় চলে আসো তোমার প্রতিদিন পেঁয়াজের ফুল ও ডিম ভাজি করে খাওয়াবো?
এভাবে ডিম দিয়ে বেশ কয়েকটি সবজি রান্নায় খেয়েছি,তবে পেঁয়াজের কালি ও ডিম দিয়ে এভাবে ভাজি কখনই খাওয়া হয়নি। ডিম দিয়ে অন্যান্য সবজি ভাজি গুলো খেতে আমার কাছে বেশ সুস্বাদু লেগেছিল। আশা করি এটাও খেতে বেশ সুস্বাদু হয়েছিল। যাই হোক ধন্যবাদ ভাই আপনাকে এই সুন্দর রেসিপিটা আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
ডিম এমন একটি খাবার যা সব জিনিসের সাথে রান্না করা যায়। ডিমের সাথে পেঁয়াজের কালি ভাজি করলে খেতে আমার কাছে খুব ভালো লাগে। ধন্যবাদ ভাইয়া মতামতের জন্য।
আমরা এটাকে পেঁয়াজের ফুল বলি। সচরাচর বিভিন্ন তরকারি এবং ভাজির সাথে খেয়ে থাকি। তবে এভাবে ডিম দিয়ে পেঁয়াজের ফুল ভাজি আমি কখনো খাইনি। তবে আপনার রেসিপি দেখে মনে হচ্ছে এটা খেতে সুস্বাদু হবে। ইনশাল্লাহ খুব তাড়াতাড়ি এই রেসিপিটি আমি তৈরি করব এবং খেয়ে দেখব সত্যিই কেমন লাগে। অনেক ধন্যবাদ ভাই চমৎকার বেশি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
পেঁয়াজের ফুল খিচুড়ি ভাতের সাথে খেতে খুবই দারুণ লাগে কিন্তু। অবশ্যই ভাইয়া এই রেসিপিটা তৈরি করবেন আশা করি খেতে খুবই সুস্বাদু লাগবে। গরম ভাতের সাথে খেতে আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছিল।
ভাইয়া আপনি কিন্তু মজাদার একটি রেসিপি শেয়ার করেছেন। পেঁয়াজ কালি ও ডিম ভাজি সত্যি মজাদার খাবার। এভাবে অনেক বার খাওয়া হয়েছে। তবে অনেক দিন হলো খাওয়া হয়নি। তবে খুব শিগগিরই খাওয়া হবে। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে ভাইয়া।
এ ধরনের রেসিপি তৈরি করতে আমার কাছে বেশ ভালো লাগে। বেশি প্রোডাক্ট এর প্রয়োজন হয় না। খেতেও অনেক সুস্বাদু হয়ে থাকে। মতামতের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
পেঁয়াজের কুলি এভাবে বাজি করলে রুটি দিয়ে ও গরম ভাতের সাথে মজা করে খাওয়া যায়। টাইটেলে কালি লেগে ফেলেছেন। দেখে নিবেন। রেসিপিটি খুব ভালো উপস্থাপন করেছেন ভাইয়া।
আপনাদের দিকে হয়তো এটার নাম অন্যরকম। তবে আমাদের দিকে এটা কালী হিসেবে চিনে থাকি আমরা। আর আপনি ঠিকই বলেছেন পেঁয়াজের কালি ভাজি রুটি দিয়ে খেতে খুবই ভালো লাগে।
ওয়াও বন্ধু তুমি দেখছি বেশ দারুণ একটি রেসিপি আমাদের সাথে শেয়ার করেছ। পেঁয়াজ কালি ভাজি ও ডিম ভাজি ভীষণ পছন্দের খাবার আমার।তোমার এই রেসিপিটি অনেক লোভনীয় লাগছে। অনেক সুন্দর ভাবে এই রেসিপি রন্ধন প্রক্রিয়া আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য তোমাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
বন্ধু আমার রান্না তো সবসময় ভালো হয়ে থাকে। গতরাতে হাসির মাংস কেমন টেস্ট হয়েছিল তাহলে বুঝো আমি কি রাধুনী। তোমাকে অসংখ্য ধন্যবাদ সুন্দর মতামত দিয়ে পাশে থাকার জন্য।
এখনকার সময়ে পেঁয়াজ পাতাগুলো অনেক বেশি পরিমাণে পাওয়া যায়৷ আর আজকে আপনার কাছ থেকে পেঁয়াজ কালি ও ডিম ভাজি দিয়ে এরকম একটি রেসিপি দেখতে পেরে খুবই ভালো লাগলো৷ খুবই ভালো হবে আপনি এটি তৈরি করেছেন৷ এটি একদমই অসাধারণ ও সুস্বাদু দেখা যাচ্ছে৷
এখন পেঁয়াজের সময় আর পেঁয়াজের ফুল বেশি পরিমাণে বাজারে দেখা যায়। পেঁয়াজের ফুল দিয়ে বিভিন্ন ধরনের ভাজি করে খেতে আমার কাছে বেশ ভালো লাগে। সুন্দর মতামত প্রকাশের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
আপনি একদম সত্য কথা বলেছেন যোগ্যতা দিয়ে কাউকে বিচার করা হয় না বিচার করা হয় অর্জনে এ কথাটা আমার খুবই ভালো লেগেছে। যাইহোক পেঁয়াজের কালির কথা শুনলেই ছোটবেলার কথা মনে পড়ে যায় ছোটবেলায় পিয়াজের কালি ভাঙতে যেতাম মাঠে এখন যদিও তেমন একটা যাওয়া হয় না। পেঁয়াজের কালি ও ডিম ভাজির অনেক মজাদার একটি রেসিপি আপনি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন, দেখেই বোঝা যাচ্ছে অনেক বেশি সুস্বাদু ছিল। শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
কথাগুলো আপনার কাছে ভালো লেগেছে জেনে অনেক খুশি হলাম। আমার রেসিপি সব সময় দেখে অথবা খেয়ে মানুষ বুঝতে পারে কি রকম স্বাদ হয়েছিল। আমি তো একজন প্রফেশনাল রাধুনি হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
বাহ আপনি তো অনেক সুন্দর করে কলি এবং ডিম দিয়ে চমৎকার ভাজি রেসিপি করেছেন। তবে পেঁয়াজ কলি ভাজি করলে খেতে এমনিতে অনেক মজা লাগে। তবে এ ধরনের রেসিপিগুলো খাবার মজাই আলাদা। বিশেষ করে গরম ভাত এবং রুটি খেতে অনেক মজা লাগে। চমৎকার ভাবে রেসিপিটি আমাদের মাঝে উপস্থাপনা করেছেন তাই ধন্যবাদ আপনাকে।
আপনি ঠিকই বলেছেন আপু গরম ভাত অথবা রুটির সাথে খেতে খুবই সুস্বাদু লাগে। সকাল অথবা বিকেলের নাস্তায় খুবই উপকারী একটা সবজি।