হঠাৎ সন্ধ্যাবেলায় দমকা হওয়া
হ্যালো আমার বাংলা ব্লগের বন্ধুরা আসসালামু আলাইকুম/আদাব। সবাই ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন আশা করছি। আমিও ভালো আছি আলহামদুলিল্লাহ। সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে আমার ব্লগ লেখা শুরু করছি।
এখন আমার আজকের পোষ্টের বিষয়বস্তুতে চলে আসি। আজ সকাল বেলা আবহাওয়া অনেকটা ভালো দেখেই বাসা থেকে বের হয়েছিলাম। রোদের আসা যাওয়া ছিল, তীব্রতা কম কিন্তু প্রচণ্ড ভ্যাপসা গরম। বেলা বাড়ার সাথে সাথে গরমের মাত্রা ক্রমেই বেড়ে যাচ্ছে। দুপুর গড়িয়ে যাওয়ার পর গরম থেকে কিছুটা প্রশান্তি দেয়ার জন্য আকাশ আস্তে আস্তে মেঘলা হতে শুরু করলো। যত সময় এগিয়ে যাচ্ছে পুরো আকাশ কালো মেঘে ঢেকে গেল। এভাবেই কিছুক্ষণ মেঘের লুকোচুরি খেলা দেখতে লাগলাম। তারপর সন্ধ্যার কিছুক্ষণ আগে আকাশ একটু পরিষ্কার হয়ে চাঁদের দেখা মিলল। আবারও প্রচন্ড গরমে ঘেমে অস্থির হয়ে গেলাম। কি আশ্চর্য মুহূর্তের মধ্যে দমকা হাওয়ায় এসে সবকিছু বরফ শীতল করে দিয়ে গেল।
হঠাৎ দুপুরের পর সন্ধ্যা বেলা আকাশ কালো মেঘে ঢেকে গেল। দেখে বোঝার উপায় নাই এটা শরতের আকাশ। মনে হচ্ছিল যেন বর্ষাকালের মেঘলা আকাশ। তবে আমার কাছে আকাশের এই রূপটা বেশ ভালোই লেগেছিল।
কি মনে হচ্ছে, সেতুটা একদম মেঘের কাছে পৌঁছে গিয়েছে তাই না। আমার কাছেও কিন্তু ওই মুহূর্তে সেরকমটাই মনে হয়েছিল। গাড়ি থেকে নেমে গিয়েছিলাম সেতুর উপরে। অনেকক্ষণ এই দৃশ্য উপভোগ করেছি।
কিছুক্ষণ পরে যখন ঘন কালো মেঘ সরে গেল তখন শেষ বিকালে আকাশে চাঁদের দেখা পেলাম। এই সময়ে চাঁদ দেখতে পারব এটা আসলে অপ্রত্যাশিত ছিল। আমার কাছে ওই মুহূর্তটা অবাক করার মতই ছিল।
ঠিক সূর্য অস্ত যাওয়ার আগ মুহূর্তের দৃশ্য। গোধূলি লগ্নের এই দৃশ্য সব সময় আমাকে মুগ্ধ করে। এই সময় সূর্যের লাল আভায় প্রকৃতি অন্যরকম এক সৌন্দর্যে সজ্জিত হয়। মাগরিবের নামাজ আদায় করার সময় বিদ্যুৎ চলে গিয়েছিল। তাই প্রচন্ড গরমে ঘামতে ঘামতে কাপড় ভিজে যাওয়ার উপক্রম। নামাজ শেষ করে ক্লান্ত শরীর নিয়ে বারান্দায় এসে একটু বসলাম। ঠিক তখনই আচমকা মেঘাচ্ছন্ন আকাশ দেখতে পেলাম। মুহূর্তের মধ্যে দক্ষিণ দিক থেকে একরাশ কালো মেঘে সে মাথার উপর পুরো আকাশকে ঢেকে দিল। দমকা হাওয়া শুরু হলো আমার ঘেমে যাওয়া ক্লান্ত শরীর বরফ শীতল হয়ে গেল। সর্বোচ্চ ১০ মিনিট হবে, গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি ও বাতাসে আমার শরীর-মন অন্যরকম প্রশান্তি পেলো।
বন্ধুরা আজ আর লিখছিনা। অন্য কোনদিন অন্যকিছু অভিজ্ঞতা আপনাদের মাঝে শেয়ার করতে চলে আসবো। আজকের জন্য বিদায় নিচ্ছি। সবার জন্য শুভকামনা। আল্লাহ হাফেজ।
| ডিভাইস | স্যামসাং গ্যালাক্সি A-10 |
|---|---|
| ফটো | @mayedul |
| লোকেশন | w3w location |
আমাদের সারাদিন বেশ গরম ছিল, রোদের তাপ ছিল অনেক। সন্ধ্যার পর একটু স্বাভাবিক হলে রাতের বেলা একটু বৃষ্টি হচ্ছিল।
কোন একজনকে একাধিকবার পোস্টে মেনশন করা ঠিক নয় , মেনশনের সংখ্যা বেশি হলেও এটি অ্যাবিউজ হয়ে যেতে পারে, তাই একবার মেনশন করার চেষ্টা করুন।
আকাশে মেঘের খেলা আমারও বেশ ভালো লাগে, এই সময়টা পরিবেশের অন্যরকম একটি রূপ দেখা যায় যা প্রত্যেকের মনেই দাগ কাটে।
ধন্যবাদ ভাই সুপরামর্শ দেয়ার জন্য।
ঠিকই বলেছেন কিছু সুবিধা বাদী ইউজারদের জন্য ভালো মানের কনটেন্ট রাইটার্সদের বেশ বেগ পেতে হচ্ছে। যাই হোক একদিকে গরম অন্যদিকে বিদুৎ বিভ্রাট সব মিলিয়ে একবারে অস্তিত্বকর অবস্থা। আমাদের এখানে কোন বৃষ্টির দেখা নেই। ছবিগুলো বেশ সুন্দর। ধন্যবাদ
আমাদের এদিকেও সন্ধ্যার দিকে খুব ঝড় বৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টি হওয়ার পূর্বে মুহূর্তে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য খুব সুন্দর ভাবে উপভোগ করেছেন। এবং ফটোগ্রাফি করে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন দেখি সত্যি খুব ভালো লাগলো। এত সুন্দর পোস্ট শেয়ার করার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাই।
আমাদের এখানে সকালবেলা অনেক গরম পড়লো। সন্ধ্যাবেলায় একটু আকাশটা মেঘলা ছিল। মাগরিবের আজান পড়ে হালকা মেঘ থেকে বৃষ্টি পড়লো। তবে আপনার ফটোগ্রাফি থেকে বোঝাই যাচ্ছে। হালকা বৃষ্টি হওয়াতে আপনার ক্লান্তি একটু হলো দূর হলো। সুন্দর করে আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
হুম ভাই৷ এবিউজার দের জন্যই স্টিম এর ভ্যালু কমে যাচ্ছে অনেক। আপনার তোলা সন্ধ্যা বেলার ছবি গুলো খুবই ভালো লেগেছে। শুভেচ্ছা নিয়েন।
বিকেল বেলায় দমকা হাওয়া হলে অনেকটাই ভালো লাগে। তবে যদি সারাদিন অনেক গরম থাকে এবং হঠাৎ করে বিকেল বেলা হালকা বাতাস উঠে তখন অন্যরকম একটা অনুভূতি আসে। আর আপনি আপনার সেই অনুভূতি প্রকাশ করার পাশাপাশি কিছু সুন্দর ফটোগ্রাফি আমাদের সাথে শেয়ার করেছেন।
আপনার জন্য শুভকামনা রইল