লাইফ স্টাইল-নাতনির জন্মদিনের সুন্দর কিছু মুহূর্ত পর্ব (১)।
আসসালামু আলাইকুম
আমি @maria47 বাংলাদেশ থেকে। আপনারা সবাই কেমন আছেন? আশা করি সকলেই অনেক ভাল আছেন। আল্লাহর রহমতে ও আপনাদের দোয়া আমিও অনেক ভালো আছি।আজকে আমি ভিন্ন ধরনের একটি পোস্ট আপনাদের মাঝে শেয়ার করতে চলে এসেছি।আজকে আমি আপনাদের মাঝে নাতনির জন্মদিনের সুন্দর কিছু মুহূর্ত পর্ব (১) শেয়ার করতে যাচ্ছি।আশা করি সকলের কাছে ভালো লাগবে।
নাতনির জন্মদিনের সুন্দর কিছু মুহূর্ত পর্ব (১)
Device-XANON-X20
নাতনির জন্মদিন কথাটা শুনে নিশ্চয়ই সবাই অনেক অবাক হচ্ছেন। হ্যাঁ এটাই সত্যি আমারও একটা নাতনি রয়েছে। এই বয়সে দাদী হয়েছি ভাবা যায়। দাদী হওয়া কি চাট্টিখানি কথা। এই অল্প বয়সে দাদী হয়েছি।যেখানে এখনো মেয়ের বিয়ে দিতে পারলাম না সেখানে আমরা দাদা দাদী হয়েছি। আর আমার মেয়ে হয়েছে ফুপি। যদিও আমার ভাগিনার মেয়ে সেই হিসেবে আমরা হয়েছি দাদা দাদী। নামটা শুনতেই কেমন লাগছে না।বড় অদ্ভুত সম্পর্ক।
বয়স না বাড়লেও যে দাদা দাদী হওয়া যায় তা আগে জানতাম না। এই নাতনি হওয়ার পর থেকে নিজেকে বেশ বড় বড় লাগে। খুবই ভালো লাগে এখন দাদী হতে পেরে। সত্যি ভাগ্য করে এমন একটা নাতি পেয়েছি। যদিও সে সব সময় আমাকে দেখেনা।তবুও যখন সামনে পায় তখন বেশ আঁকড়ে ধরে আমায়। খুবই ভালোবাসে আমাদেরকে।যদিও সে অনেকটা ছোট তবুও সবকিছুই বোঝে। আসলে বাচ্চারা বড়দের থেকে বেশি মায়াবী হয়।তারা সবকিছুর মায়ায় সহজে জড়িয়ে যায়।
Device-XANON-X20
সেই নাতনির জন্মদিন ছিল কিছুদিন আগে। জন্মদিনে বেশ জাঁকজমক আয়োজন করা হয়েছিল। মনে হচ্ছিল ছোটখাটো একটা বিয়ে বাড়ি। অনেক কিছু রান্নাবান্না করা হয়েছিল। আর সবকিছু রান্না করেছিল আমার হাজব্যান্ড। মানে আমার নাতনির দাদা। আসলে তার দাদার সব সময় বাড়ির যে কোন অনুষ্ঠানে রান্নাবান্না করে।তার হাতের রান্না খেতে সকলেই ভালোবাসে। বলতে গেলে একটা পাক্কা রাধুনী পেয়েছি এই জীবনে।
Device-XANON-X20
তার হাতের রান্না যেই খায় সেই মুগ্ধ হয়। সবাই ভাবে কোন খাবারের দোকান থেকে খাবারগুলো কিনে আনা হয়েছে। এতটা মজা হয় তার হাতের রান্না।নাতনির জন্য তো আরো বেশি মজা করে রান্না করেছিল। সকলে তো বেশ প্রশংসা করেছিল। এদিকে আমার ছোট নাতি কিছুই খেতে পারে না। বয়স তার সবে মাত্র এক বছর পূর্ণ হয়েছিল সেদিন।তার প্রথম জন্মদিন সবাই খুবই খুশি ছিল।বেশ হাসি খুশি নাতনি আমার।এমন হাসি মাখা মুখ দেখলে যে কেউ তার মায়ায় পড়ে যাবে।
তার মুখটি দেখলে সব কষ্টগুলো দূর হয়ে যাবে।কি সুন্দর ভাবে হাসে সে।যতই অসুস্থ থাকুক না কেন তার মুখ থেকে হাসি কিছুতেই সরে না। জন্মদিন নিয়ে সেও যেন খুবই ব্যস্ত।একবার যাচ্ছে মামার কোলে একবার যাচ্ছে চাচার কোলে। আবার কখনো দাদা দাদি কখনো বা নানা নানি কোলে। কি যে আনন্দের দিন ছিল সেদিন। নাতনির জন্মদিনের আরো অনেক সুন্দর কিছু মুহূর্ত রয়েছে যেগুলো দেখতে হলে অবশ্যই পরের পর্বের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।আজ এই পর্যন্তই।ধন্যবাদ সবাইকে।
আমি মারিয়া মুক্তি। আমার স্টিমিট আইডির নাম @maria47। আমি রান্না করতে ভালোবাসি। নতুন নতুন রেসিপি তৈরি করতে আমার ভালো লাগে। আমি ঘুরতে যেতে অনেক পছন্দ করি। এছাড়াও ছবি তুলতে আমার ভীষণ ভালো লাগে। কোন ভিন্ন ধরনের কিছু দেখলেই আমি সেটির ছবি তুলে রাখি। নিত্য নতুন জিনিস বানাতেও ভীষণ ভালো লাগে। এছাড়াও নিত্য নতুন আর্ট করতে আমার খুবই ভালো লাগে।
ডেইলি টাস্ক:

https://x.com/Maria182143171/status/1964715072099647871?t=aOYNWXFwnWJWcncyWZwxyA&s=19
https://x.com/Maria182143171/status/1964715375045804234?t=1uJ0Y1pP4zDFdTVAraIeXw&s=19
https://x.com/Maria182143171/status/1964718546258370563?t=yY0-C2EmeI-GsrspWeYYlw&s=19