জেনারেল রাইটিং-বিবাহ বার্ষিকীতে মন ভেঙ্গে হঠাৎ করে সারপ্রাইজ গিফট পাওয়ার গল্প
আসসালামু আলাইকুম
আমি @maria47।আমি একজন বাংলাদেশী। আশা করি আপনারা সবাই ভাল আছেন।আমিও আল্লাহর রহমতে ও আপনাদের দোয়ায় ভালো আছি।আমি আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটির একজন সদস্য। আজকে আমি ভিন্ন ধরনের একটি পোস্ট আপনাদের মাঝে শেয়ার করতে চলে এসেছি। আজকে আমি বিবাহ বার্ষিকীতে মন ভেঙ্গে রাত্রি বেলায় বিবাহ বার্ষিকীতে মন ভেঙ্গে হঠাৎ করে সারপ্রাইজ গিফট পাওয়ার গল্প আপনাদের সাথে আলোচনা করতে যাচ্ছি।আশা করি সকলের কাছে ভালো লাগবে।
বিবাহ বার্ষিকীতে মন ভেঙ্গে হঠাৎ করে সারপ্রাইজ গিফট পাওয়ার গল্প:
গত ২৭ শে এপ্রিল ছিল আমাদের বিবাহ বার্ষিকী। যখন ২৬ শে এপ্রিল রাত বারোটা প্রায় বাজে তখন আমি অপেক্ষা করছিলাম কখন আমার হাজব্যান্ড উইশ করবে। কিন্তু কিছুক্ষণ পর যখন দেখি রাত বারোটা বেজে গেছে তখন আমার হাজব্যান্ড দেখি ঘুমিয়ে পড়েছে। আমি ভেবেছিলাম আজকের দিনটা তার মনে আছে। কিন্তু সে অফিসের কাজে খুবই চিন্তিত ছিল। এজন্য আমিও তাকে আর রাতে কিছু বলিনি।ভাবলাম পরের দিন হয়তো বা সকাল বেলায় তার মনে পড়বে এবং সে আমাকে উইশ করবে। কিন্তু দেখি না সে শুধু অফিসের কাজ নিয়েই ব্যস্ত ছিল। সকাল থেকে সে বিকাল পর্যন্ত বাহিরেই ছিল। তার কাজের চাপটা সেদিন হয়তো বেশি ছিল।
আর সেই চাপে কিছুই সে মনে রাখেনি। আমি ভীষণ রেগে ছিলাম মনে মনে ভেবেছিলাম তার সাথে আর কথাই বলবো না। এমন একটা দিন যদি মনে না থাকে তাহলে তো যে কেউ রেগে যাবে।তেমন আমিও আমিও ভীষণ রেগে গিয়েছিলাম। সে বাসায় সারাদিন আসলো না এমনকি দুপুরেও সেদিন খেতে আসেনি।সকাল আটটায় বাসা থেকে বের হয়েছিল তার অফিসের একটি কাজে।এরপর সন্ধ্যায় গড়িয়ে রাত হতে চলেছে তবুও সে আসছে না। এরপর হঠাৎ করেই রাত ৯ টার দিকে কলিং বেল বাজে। আমি তো গিয়ে দরজা খুলেই ভিতরে চলে আসি।
সে তবু কিছু বলছিল না।এরপর দেখি সে হাতে করে গিফট এনেছে সাথে আমার পছন্দের খাবার এনেছে। আমি তো রাগ করে তাকে রেখেই রাতের খাবার খেয়েছিলাম। খুবই রাগ হচ্ছিল আমার তার উপরে।কেন সে এরকম একটা দিন ভুলে গেল। কিভাবে ভুলে গেল হাজার ব্যস্ততার মাঝেও তার মনে রাখা উচিত ছিল।এরপর আমি কিছু বলার আগেই আমাকে উইশ করে। আমি ভেবেছিলাম রাত বারোটা পর থেকে তার সাথে আর কথাই বলবো না। কিন্তু সেটা আর করা হলো না। ঠিকই মনে করে এসব করেছে।আসলে সে আমকে সারপ্রাইজ দিতে চেয়েছিল।
এরপর জোর করে আবারও খেতে হয়েছে।কারণ সে ছাড়ছিলন না খাওয়া পর্যন্ত।যেহেতু সবগুলো খাবারই আমার পছন্দের ছিল তাই একটু করে খেয়েছিলাম তিনজনে মিলে।সত্যি প্রিয়জন যখন এভাবে দিনগুলো মনে রাখে তখন ভীষণ ভালো লাগে। কিন্তু প্রিয় মানুষটির থেকে যখন কিছু আশা করে না পায় তখন খুবই কষ্ট হয়। অবশেষে যে আমি হতাশ হয়নি এটাই আমার কাছে অনেক। ধন্যবাদ তাকে আমার পছন্দের খাবার এবং সাথে উপহার নিয়ে আসার জন্য।জীবনের এমন সুন্দর অনুভূতি শেয়ার করতে পেরে আমার খুবই ভালো লাগছে।আশা করি সকলের ভালো লাগবে।আজ এই পর্যন্ত। ধন্যবাদ সবাইকে।
আমি মারিয়া মুক্তি। আমার স্টিমিট আইডির নাম @maria47। আমি রান্না করতে ভালোবাসি। নতুন নতুন রেসিপি তৈরি করতে আমার ভালো লাগে। আমি ঘুরতে যেতে অনেক পছন্দ করি। এছাড়াও ছবি তুলতে আমার ভীষণ ভালো লাগে। কোন ভিন্ন ধরনের কিছু দেখলেই আমি সেটির ছবি তুলে রাখি। নিত্য নতুন জিনিস বানাতেও ভীষণ ভালো লাগে। এছাড়াও নিত্য নতুন আর্ট করতে আমার খুবই ভালো লাগে।
https://x.com/Maria182143171/status/1918946214042542574?t=Mh-nXYF1fCgF0oGLyvbTqQ&s=19
https://x.com/Maria182143171/status/1919036676711817318?t=4YjMZZLrIaqIqeGBN-fVDw&s=19
আপনার বিবাহ বার্ষিকীতে আপনার দিনটি ভালোই কেটেছে তাহলে। শেষ পর্যন্ত ভালোই সারপ্রাইজ দিয়েছে। অনেক ভালো লাগলো আপনার অনুভূতি সম্পর্কে জানতে পেরে।
আপু বিবাহ বার্ষিকীতে বেশ ভালই কেটেছিল। আর এমন সারপ্রাইজ পেতে কার না ভালো লাগে।ধন্যবাদ আপু সুন্দর মন্তব্যের জন্য।