ফটোগ্রাফি // ৬ টি দামি ফলের ফটোগ্রাফি নিয়ে একটি অ্যালবাম ।।
আস্সালামু আলাইকুম /আদাব 🤝
আমার প্রাণ প্রিয় বন্ধুরা, কেমন আছেন আপনারা সবাই। আশা এবং বিশ্বাস করি আপনারা সবাই আল্লাহর অশেষ রহমতে ভালো এবং সুস্থ আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আমিও আপনাদের দোয়ায় এবং আল্লাহর অশেষ রহমতে ভালো ও সুস্থ আছি ।আমি @mahfuzur888, বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগ থেকে আপনাদের সাথে আছি ।
আমার বাংলা ব্লগের প্রাণপ্রিয় বন্ধুরা, প্রতিদিনের মতো আজকে নতুন আরো একটি পোস্ট নিয়ে হাজির হলাম আপনাদের সবার মাঝে। আজকের এই পোস্টটি সাজিয়েছিলাম বেশ কিছু দামি ফলের ফটোগ্রাফি নিয়ে। যদিও এই সমস্ত ফল কখনো খাওয়া হয়নি। কিন্তুু ফলগুলো দেখতে আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছিল। আসলে আমার এক চাচার রোড এক্সিডেন্টে ডান পায়ের একটি হাড় ভেঙে গিয়েছিল। আর সেই পায়ের অপারেশন করেছিল হাইটেক জেনারেল হসপিটালে। আর সেই চাচাকে দেখতে যাওয়ার সময় বেশ কিছু ফল কিনে নিয়েছিলাম। আর সেই ফল কেনার সময় দেখতে পেলাম অনেকগুলো দামি দামি ফল টাল্ক পেপার দিয়ে মুড়িয়ে রেখেছে। টাল্ক পেপার খুবই সচ্ছ হওয়ার কারণে যখন সূর্যের আলো পড়ছিল তখন ফলগুলো দেখতে খুবই সুন্দর দেখাচ্ছিল। তখন ভাবলাম এত দামি ফল এত সুন্দর দৃশ্য আপনাদের মাঝে শেয়ার না করলে কি হয়? তাই সাথে সাথে মোবাইলটা বের করে ফটোগ্রাফি করে মোবাইলে ক্যাপচার করে নিয়ে নিলাম। আর সেই ফটোগ্রাফিগুলোই এখন আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করতে চলেছি । তো বন্ধুরা আর কথা না বাড়িয়ে চলুন তাহলে দেখে নেয়া যাক বাংলাদেশের মধ্যে সবচেয়ে দামি ফলের ফটোগ্রাফি গুলো।
আপনারা এখন যে ফলের ফটোগ্রাফি টা দেখতে পারছেন এই ফটোগ্রাফিটা দেখে হয়তো ভাবছেন এটা কমলালেবুর ফটোগ্রাফি। আসলে কিন্তুু তা নয় দেখতে কমলা লেবুর মত হলেও এই ফলটির নাম হচ্ছে পার্সিমন ফল। যে ফলের উৎপত্তিস্থল হচ্ছে জাপানে। আর এই ফলটা জাপানের জাতীয় ফল হিসাবে পরিচিত। এই ফলটি দেখতে কিন্তু আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছিল। আর এই ফলটির দাম চেয়েছিল আমার কাছ থেকে ১৩০০ টাকা কেজি। আমি কিন্তু এই ফলটি ক্রয় করিনি শুধু এটার সৌন্দর্য্য আপনাদের মাঝে শেয়ার করার জন্যই ফটোগ্রাফিটা করেছিলাম। ।
আপনারা এখন যে ফলের ফটোগ্রাফিটা দেখতে পারছেন এই ফটোগ্রাফিটা হচ্ছে অ্যাভোকাড ফলের ফটোগ্রাফি। তবে এটা ফল হিসাবে পরিচিত হলেও এটা সালাত হিসাবেও খাওয়া যায়। আমি যখন আইভরিকষ্টে মিশনে গিয়েছিলাম তখন এই অ্যাভোকাড ফল অনেক খেয়েছিলাম। তবে আমাদের বাংলাদেশের বাজার অনুপাতে তখন আইভরিকষ্টে অনেক কম মূল্যেই খেয়েছিলাম। আর এই ফলটির দাম চেয়েছিল ১২০০ টাকা কেজি। তবে আরেকটি বিষয় হচ্ছে এই ফলটি ইদানিং বাংলাদেশেও চাষ হচ্ছে।
আপনারা এখন যে ফলের ফটোগ্রাফিটা দেখতে পারছেন এই ফটোগ্রাফিটা অনেকটা সবেদা ফলের মত হলেও এইটা কিন্তু সবেদা ফলের ফটোগ্রাফি নয় এটি হচ্ছে কিউই ফল। এই ফলটিও আমি কখনো খাইনি তবে এই ফলটির দাম চেয়েছিল ১৪০০ টাকা কেজি।
আপনারা এখন যে ফলের ফটোগ্রাফিটা দেখতে পারছেন এই ফলটি হচ্ছে প্লাম ফল। এই ফলটিও দূর থেকে দেখতে অনেক সুন্দর দেখাচ্ছিল কিন্তুু ভিতরে কেমন তা আমি এখনো দেখতে পাইনি। বা কখনো খাওয়া হয়নি। তবে এই প্লাম ফলের দাম চেয়েছিল ১২০০ টাকা কেজি।
আপনারা এখন যে ফলের ফটোগ্রাফিটা দেখতে পাচ্ছেন এটা অনেকে অনেক নামেই ডাকে তবে আমাদের বাংলাদেশ এটাকে কাঠ লিচু বলে থাকে। এই ফলটি আমি খেয়েছিলাম আমি যখন মিরপুর ১২ তে স্টাফ কলেজে চাকুরিরতো ছিলাম। এই কাট লিচু খেতে কিন্তুু ভীষণ মিষ্টি। আর এই লিচুর দাম চেয়েছিল প্রতি কেজি ১২০০ টাকা।
আপনারা এখন যে ফলের ফটোগ্রাফিটা দেখতে পারছেন এটি হচ্ছে রামবুটান ফলের ফটোগ্রাফি। এই ফলটির চারিদিকে লোম দিয়ে ঢাকা থাকে। তবে এটি খেতে কি রকম তা আমি জানিনা কারণ এখনো এই ফলটি খাওয়া হয়নি। আর একটা বিষয় হচ্ছে এই রামবুটান ফল কিন্তুু বাংলাদেশেও চাষ হচ্ছে । আর এই রামবুটান ফলের দাম চেয়েছিল ২১০০ টাকা প্রতি কেজি।
আমার প্রত্যেকটা ছবি তোলার লোকেশন এবং ডিভাইসের নামঃ
স্যামসাং গ্যালাক্সি এম ৬২
অবশেষে এই দামি ফলগুলোর ফটোগ্রাফি আপনাদের মাঝে শেয়ার করতে পেরে আমার খুবই ভালো লাগছে। সেই সাথে এই ফলের দাম গুলো আপনাদেরকে জানিয়ে দিতে পেরেছি। তবে যেহেতু এগুলো কাঁচা দ্রব্য সেহেতু দাম অনেকটাই ওঠানামা করতে পারে। যাইহোক আমি আশা করি এই ফলের ফটোগ্রাফিগুলো দেখে আপনাদের কাছেও অনেক ভালো লাগবে। তো বন্ধুরা আজ তাহলে এ পর্য্যন্ত্যই, পরবর্তীতে যে কোন একটা নতুন পোস্ট নিয়ে হাজির হবো আপনাদের সবার মাঝে। সে পর্য্যন্ত্য আপনারা পরিবারের সবাইকে নিয়ে ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন, নিরাপদে থাকুন আল্লাহ হাফেজ ।
ফোনের বিবরণ
| ক্যামেরা | স্যামসাং গ্যালাক্সি |
|---|---|
| ধরণ | ফটোগ্রাফি। |
| মডেল | এম ৬২ |
| ক্যাপচার | @mahfuzur888 |
| অবস্থান | রাজশাহী- বাংলাদেশ |
আমার পরিচয়
আমার নাম মোঃমাহফুজুর রহমান।আমি বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগে সিরাজগঞ্জ জেলায় বসবাস করি। আমি বাংলাদেশের একজন সুনাগরিক। সর্বদাই নিজেকে দেশের মঙ্গল কামনায় ব্যস্ত রাখি। আমার জন্মভূমিকে আমি মায়ের মতো ভালোবাসি।আমি ভ্রমণ করতে খুবি ভালোবাসি।তাছাড়া ফটোগ্রাফি করতে আমার ভালো লাগে,আর রান্না করা আমার নেশা, এবং সৃজনশীলতার মাধ্যমে নতুন কিছু তৈরি করতে আমার খুবই ভালো লাগে। তাই আমি আমার সৃজনশীলতা ও দক্ষতা কাজে লাগিয়ে আমার বাংলা ব্লগের মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলতে চাই। এই ছিল আমার সংক্ষিপ্ত পরিচয়,ধন্যবাদ সবাইকে।🌹💖🌹।

বেশি দামি দামি ফলের ফটোগ্রাফি নিয়ে আজকে আপনি আমাদের মাঝে উপস্থিত হয়েছেন ভাইয়া। আপনি যে সমস্ত ফলের ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন এই সমস্ত ফলগুলো আমি দেখেছি বলে মনে হয় না। খুব ভালো লাগলো অচেনা ফলের সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন দেখে।
দামি ফলের ফটোগ্রাফিগুলো দেখে আপনি ফলের নাম সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। আর এটাই আমার ফটোগ্রাফি পোস্ট করার সার্থকতা। আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ আপু আমার সম্পূর্ণ্য পোস্টটি দেখে অত্যন্ত সাবলীল ভাষায় একটি গঠনমূলক মন্তব্য করে আমার পাশে থেকে আমাকে উৎসাহ দেওয়ার জন্য।
https://x.com/mahfuzur888/status/1856620113522536695?t=Z6CmBjtgmjmlIhXb9aabcw&s=19
বর্তমান সময়ে সব ধরনের ফলের দাম এই অনেক বেশি। তার মধ্যে এই ফলগুলোর দাম যেন একটু অতিরিক্ত বেশি। যাই হোক অনেক দামী দামী ফল আপনার এই পোষ্টের মাধ্যমে দেখতে পেরে খুবই ভালো লাগলো।
আপনি একদম ঠিক বলেছেন ভাই এই ফলগুলো আসলে সচরাচর আমাদের নিম্ন মধ্যবিত্ত এবং মধ্যবিত্ত পরিবারের কেউ খায় না। এগুলোর দাম যেন আকাশচুম্বী। যাইহোক ভাই আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। আমার সম্পূর্ণ্য পোস্টটি পড়ে অত্যন্ত সাবলীল ভাষায় একটি গঠনমূলক মন্তব্য করে আমার পাশে থেকে আমাকে উৎসাহ দেয়ার জন্য।
আপনার এই এতগুলো দামি দামি ফলের মধ্যে আমার খেতে সবথেকে বেশি ভালো লাগে আঁশফল মানে যেটাকে লিচু বলছেন। জানেন এক সময় আমাদের ওখানে বনে জঙ্গলে হয়ে থাকতো। তখন আমরা কেউ খেতে জানতাম না। কিন্তু এখন বাজারে দেখি কি মারাত্মক দাম। রামবুটান খেতেও দারুন। পাম মিষ্টি না হলে খুব একটা ভালো লাগে না। অ্যাভোকাডো টক এর উপর স্যান্ডউইচ বানাতেই ভালো লাগে। আর প্রথমের ফলটা দেখেছি দোকানে খাইনি কোনদিন। আমি মহারাষ্ট্রে কখনো রামবুটান দেখিনি। হয়তো বড় মার্কেটগুলোতে পাওয়া যায়।
যাইহোক ছবি দেখে অনেক কিছু বলে ফেললুম৷
আমার সম্পূর্ণ্য পোস্টটি পড়ে অত্যন্ত সাবলীল ভাষায় একটি গঠনমূলক মন্তব্য করে আমার পাশে থেকে আমাকে উৎসাহ দেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ আপু।
ভাইয়া দামি ফলের অসাধারণ ফটোগ্রাফি করেছেন। ফলের ফটোগ্রাফি দেখে বেশ ভালই লাগলো। তবে বাজারে গেলে অনেক ফলকে এভাবে প্লাস্টিক দিয়ে রাখে। আর বর্তমান সময়ে ফল কিনলে বোঝা যায় দাম কতটুকু। দামি দামি ফলের ফটোগ্রাফি করে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন।
আমার মোবাইলে ক্যাপচার করা দামি ফলের ফটোগ্রাফি দেখে আপনার ভালো লেগেছে জেনে আমার অনেক ভালো লাগলো। আর এটাই আমার ফটোগ্রাফি করার সার্থকতা। আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ আপু অত্যন্ত সাবলীল ভাষায় একটি গঠনমূলক মন্তব্য করে আমার পাশে থেকে আমাকে উৎসাহ দেওয়ার জন্য।
ভীষণ ভালো লাগলো ভাইয়া আপনার কাছ থেকে ভিন্ন ধরনের ফলের ফটোগ্রাফি গুলো দেখতে পেয়ে। তাছাড়াও ফলের নাম হলো আমার জানা হয়ে গেছে এবং ফলের সাথে পরিচিত হয়ে গেছি। আপনার চাচাকে দেখতে যাওয়ার সময় খুব সুন্দর সুন্দর ফলের ফটোগ্রাফি গুলো নিয়েছিলেন এবং আমাদের সাথে শেয়ার করলেন আজকে। অনেক ধন্যবাদ।
আমার সম্পূর্ণ্য পোস্টটা পড়ে অত্যন্ত সাবলীল ভাষায় একটি গঠনমূলক মন্তব্য করে আমার পাশে থেকে আমাকে উৎসাহ দেয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ আপু।
আপনার চাচার রোড এক্সিডেন্টে ডান পায়ের একটি হাড় ভেঙে গিয়েছিল,জেনে খুব খারাপ লাগলো ভাই। ফলের ফটোগ্রাফি গুলো দারুণ হয়েছে। কিউই ফল আমি সাউথ কোরিয়াতে অনেক বার খেয়েছি। টক মিষ্টির কম্বিনেশনটা দারুণ লাগে আমার কাছে। যাইহোক বিভিন্ন ধরনের ফলের ফটোগ্রাফি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
যাক আপনার মাধ্যমে তাহলে কিউই ফলের টেস্ট সম্পর্কে জানা গেল। আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাই আমার সম্পূর্ণ্য পোস্টটি দেখে অত্যন্ত সাবলীল ভাষায় একটি গঠনমূলক মন্তব্য করে আমার পাশে থেকে আমাকে উৎসাহ দেওয়ার জন্য।
বাহহ বেশ কিছু দামি ফটোগ্রাফি আপনার পোস্টের মাধ্যমে দেখতে পেলাম বেশ ভালো লাগলো খুব চমৎকার ভাবে উপস্থাপন করেছেন ধন্যবাদ আপনাকে ভাই।
আমার সম্পূর্ণ্য পোস্টটি দেখে অত্যন্ত সাবলীল ভাষায় একটি গঠনমূলক মন্তব্য করে আমার পাশে থেকে আমাকে উৎসাহ দেয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ভাই।
আসলে সত্যি বলতে কি এই ধরনের দামি ফলের দাম দেখলে সেই ফল আর খেতে ইচ্ছা করে না। আপনাদের বাংলাদেশের মতই আমাদের ভারতবর্ষে এই ফলগুলোর দাম অত্যাধিক বেশি। এত সুন্দর সুন্দর ফলের ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
জি দাদা আমাদের দুটি দেশি পাশাপাশি কাজেই একই দাম থাকা এটাই স্বাভাবিক। যাইহোক দাদা আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ অত্যন্ত সাবলীল ভাষায় একটি গঠনমূলক মন্তব্য করে আমার পাশে থেকে আমাকে উৎসাহ দেয়ার জন্য।
বিভিন্ন অজানা সব ফলের ছবি তুলে পোস্ট করলেন ভাই। আমি তো এসব ফল কোনদিন দেখিনি। শুধু সবেদা ছাড়া বাকি সমস্ত নাম আজই জানলাম আপনার পোস্ট থেকে। দারুন সুন্দর একটি অজানা পোস্ট আমাদের সঙ্গে শেয়ার করলেন।
যাক, আমার পোস্টটা তাহলে সার্থক হয়েছে দাদা আপনাকে নতুন কিছু ফলের নাম সম্পর্কে জানাতে পেরে। আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ দাদা অত্যন্ত সাবলীল ভাষায় একটি গঠনমূলক মন্তব্য করে আমার পাশে থেকে আমাকে উৎসাহ দেয়ার জন্য।