আমার প্রিয় বাদাম ভর্তা রেসিপি
আমার প্রিয় বাংলা ব্লগ এর ভাই ও বোনেরা, মুসলিম ভাই ও বোনদের জানাই আসসালামু আলাইকুম। সনাতন ধর্মালম্বী ভাই ও বোনদের জানাই আদাব এবং অন্যান্য ধর্ম অবলম্বনকারী ভাই ও বোনদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আশা করি মহান সৃষ্টিকর্তার কৃপায় সবাই বাড়ির সকল সদস্যকে নিয়ে ভালো আছেন সুস্থ আছেন। আমিও আল্লাহর অশেষ রহমতে এবং আপনাদের সকলের দোয়ায় ভালো আছি, সুস্থ আছি।
আজ আবারো ফিরে আসলাম আপনাদের মাঝে নতুন একটি রেসিপি পোষ্ট নিয়ে। আর আজকের রেসিপি হচ্ছে সুস্বাদু ও মজাদার বাদাম ভর্তা রেসিপি। আর এই বাদাম ভর্তা খেতে আমি ভীষণ পছন্দ করি। শুধু আমি বললে ভুল হবে আমার পরিবারের সকলে সুস্বাদু এই বাদাম ভর্তা রেসিপি খুবই মজা করে খায়। তাই আমি প্রায় সময় চেষ্টা করি বাজার থেকে বাদাম কিনে নিয়ে আসার জন্য। এছাড়া বাদামের উপকারিতা অনেক অনেক বেশি। যা হয়তো বলে শেষ করতে পারবো না। এক কথায় বাদাম হচ্ছে পুষ্টিগুণে ভরপুর এমন এক খাবার যা খেলে মানুষের শারীরিক গঠন, শারীরিক বৃদ্ধি, বুদ্ধির বিকাশ এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বাড়িয়ে তুলতে সহায়তা করে।
আমার মা একজন ডায়াবেটিসের রোগী। তাই তাকে নিয়ে যখন একবার ডায়াবেটিস হাসপাতালে গিয়েছিলাম তখন ডাক্তার পরামর্শ দিয়েছিলেন প্রতিদিন এক মুঠ করে বাদাম খাওয়ার জন্য। কেননা বাদাম খেলে নাকি ডায়াবেটিস রোগের ঝুঁকি অনেকটাই কম হয়। তাই আমার মা ও চেষ্টা করে প্রায় প্রতিদিন না হলেও মাঝে মাঝে বাদাম খাবার। তাই নিঃসন্দেহে বাদাম হচ্ছে একটি স্বাস্থ্যকর খাবার। যা আমাদের খাবারের তালিকায় রাখা বিশেষ প্রয়োজন।
যাইহোক আজ আমি খুব মজার ও সুস্বাদু বাদাম ভর্তা রেসিপি নিয়ে হাজির হয়েছি। আমাদের এই কমিউনিটির প্রিয় ভাই ও বোনদের মাঝে অনেকেই বাদাম ভর্তা করে খাওয়া যায় এ কথাটি জানেনা। তবে আমার বিশ্বাস যারা বাদাম ভর্তা এখনো খাইনি তারা এই ভর্তার স্বাদ বড্ড মিস করে গেছেন। তাই যারা এখনো বাদাম ভর্তা খেয়ে দেখেননি তারা চট জলদি বাদাম ভর্তা তৈরি করে খেয়ে দেখুন এই ভর্তার স্বাদ কতটুকু। তো বন্ধুরা আর কথা না বাড়িয়ে চলুন আমার তৈরি বাদাম ভর্তা রেসিপির ধাপগুলো দেখে নেয়া যাক।
| ক্রমিক নং | উপকরণ | পরিমাণ |
|---|---|---|
| ১ | বাদাম | ১০০ গ্রাম |
| ২ | পেঁয়াজ | ২-৩ টি |
| ৩ | কাঁচামরিচ | ৫-৬ টি |
| ৪ | সরিষার তেল | পরিমাণ মতো |
| ৫ | সয়াবিন তেল | পরিমাণ মতো |
| ৬ | লবণ | স্বাদমতো |
| ৭ | ব্লেন্ডার | ১টি |
" ধাপ : ১ "
" ধাপ : ২ "
" ধাপ : ৩ "
" ধাপ : ৪ "
" ধাপ : ৫ "
" ধাপ : ৬ "
এবার পরিষ্কার একটি পাত্রে ঢেলে নিয়ে, মনের মতো সাজিয়ে গরম গরম ভাতের সাথে পরিবেশন করুন।
আশা করি আমার রেসিপি পোস্টটি আপনাদের কাছে অনেক অনেক ভালো লেগেছে। ভালো লেগে থাকলে অবশ্যই অবশ্যই আপনাদের মূল্যবান মন্তব্যের মাধ্যমে জানাবেন। আজ আর নয়, দেখা হবে আগামীতে নতুন কোন পোস্ট নিয়ে।
আমি মোঃ মাহবুবুল ইসলাম লিমন। বাংলাদেশ আমার জন্মভূমি। বাংলা ভাষা আমার মাতৃভাষা। আমি এই অপরূপ বাংলার কোলে জন্ম নিয়ে নিজেকে অনেক অনেক গর্বিত মনে করি। এই বাংলায় আমার ভালো লাগে, বাংলায় চলতে, বাংলায় বলতে, বাংলায় হাসতে, বাংলায় গাইতে, বাংলায় শুনতে, আরো ভালো লাগে এই অপরুপ বাংলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মাঝে নিজেকে হারিয়ে যেতে দিতে। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন এবং আমাকে সহযোগিতা করবেন। আমি যেন আগামীতেও আরো অনেক সুন্দর সুন্দর পোস্ট নিয়ে আপনাদের সামনে উপস্থিত হতে পারি। সবাই পরিবারের সকল সদস্যকে নিয়ে ভাল থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। এই প্রত্যাশাই সর্বদা।
ভাই আপনি আজকে আমাদের মাঝে ইউনিক পদ্ধতিতে বাদাম ভর্তা রেসিপি তৈরি করে শেয়ার করেছেন। আসলে আগে কখনো বাদাম ভর্তা করে খাওয়া হয়নি। তবে আপনার তৈরি দেখে মনে হচ্ছে খেতে বেশ সুস্বাদু হবে। চেষ্টা করব ভাই খুব অল্প সময়ের মধ্যে এভাবে ভর্তা করে খাওয়ার জন্য। ধন্যবাদ এত সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য।
ভাই অনেকেই দেখছি বাদাম ভর্তা করে খাওয়া যায় এ কথা জানেনা। তাই আমি বলব একদিন বাসায় বাদাম ভর্তা তৈরি করে খেয়ে দেখুন ইনশাআল্লাহ অবশ্যই ভালো লাগবে। আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
বাদাম আমাদের শরীরের জন্য খুবই উপকারী বাদাম খেতে আমার কাছে ভালই লাগে। যেকোনো ধরনের ভর্তাই আমার কাছে খেতে খুবই ভালো লাগে। তবে বাদাম ভর্তা তৈরি করে কখনো খাওয়া হয়নি। তৈরি করার দাপ গুলো খুব সুন্দর ভাবে আমাদের মাঝে দেখিয়েছেন। দেখে বোঝা যাচ্ছে খেতে খুবই মজা হয়েছে। একদিন তৈরি করে খেয়ে দেখব। সুস্বাদু একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
আপু বড্ড মিস করে গেছেন, বাদাম ভর্তা না খেয়ে। তাই চটজলদি আমার রেসিপি অনুসরণ করে বাদাম ভর্তার স্বাদ গ্রহণ করুন। আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
আমি প্রথমে ভেবেছি গাছে যে বাদাম হয় সেটা ঝাল পেয়াজ দিয়ে মাখানো হবে পরে দেখি না।আমাদের সবার প্রিয় বাদাম ভর্তা করেছেন আমি প্রথম এটা দেখলাম মনে হচ্ছে খুব সুস্বাদু ছিল।ধন্যবাদ আপনাকে।
হ্যাঁ ভাই বাদাম ভর্তা খেতে অবশ্যই ভিশন সুস্বাদু ও মজার হয়। তাই একদিন বাসায় ট্রাই করে দেখবেন। ধন্যবাদ
বাদামের ভর্তা, ওয়াও!! খেতে খুবই সুস্বাদু হয়েছে তা দেখেই বোঝা যাচ্ছে। সত্যিই ভাই ,বাদামের অনেক উপকারিতা রয়েছে যা বলে শেষ করা যাবে না। তবে ডায়বেটিসের জন্যে যে এটি অনেক উপকারি তা জানা ছিল না, গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় জানলাম।
ঠিক বলেছেন আপু, বাদামের উপকারিতা বলে শেষ করা যাবে না।আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
বাদাম ভর্তা খেতে আমার অনেক ভালো লাগে। রেসিপিটা দেখতে অনেক লোভনীয় হয়েছে। রেসিপিটা দেখে একটু টেস্ট করতে ইচ্ছা করছে। সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা রইল।
হ্যাঁ আপু আমার তৈরি বাদাম ভর্তা রেসিপি দেখতে লোভনীয় হয়েছিল সেই সাথে খেতে খুবই স্বাদ পাওয়া গিয়েছিল। আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
আপনার বাদাম ভর্তা রেসিপি দেখে খুব ভালো লাগলো। আপনি খুবই চমৎকার ইউনিট ভর্তা রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। আসলে বাদাম দিয়ে ভর্তা তৈরি করা যায় তা কখনো ভেবে দেখে নি। আপনার পোস্টের মাধ্যমে ইউনিক ভর্তার এই রেসিপি দেখে সত্যি খুব ভালো লাগলো। আপনার ভর্তা তৈরি করার প্রক্রিয়া খুবই দুর্দান্ত হইছে। দেখে মনে হচ্ছে মজাদার ও সুস্বাদু হয়েছে। এত চমৎকার বাদামের ভর্তা রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই।
বাদাম দিয়ে ভর্তা তৈরি করা যায় এই কথা দেখছি অনেকেই জানে না। তাই খুব শীঘ্রই আমার এই রেসিপি তৈরি করে খেয়ে দেখুন। আমার বিশ্বাস খেতে খুবই ভালো লাগবে। আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
যেসব জিনিসগুলো দিয়ে ভোটটা তৈরি করা হয়ে থাকে ওই ভর্তাগুলো খেতে এমনিতেই অনেক ভালো লাগে। আপনি আজকে বাদাম দিয়ে ভর্তা রেসিপি তৈরি করেছেন। যদিও আমি কখনোই বাদাম দিয়ে ভর্তা রেসিপি তৈরি করে খাওয়া হয় নি। তবে আপনি খুব সুন্দর করে এই রেসিপিটি তৈরি করেছেন। রেসিপি তৈরি প্রতিটা ধাপ খুব চমৎকার ভাবে আমাদের মাঝে তুলে ধরেছেন ধন্যবাদ আপনাকে শেয়ার করার জন্য।
ভাই যদি কখনো বাদাম ভর্তা রেসিপি না খেয়ে থাকেন তাহলে খুব শীঘ্রই বাসায় একদিন ট্রাই করে দেখবেন। আমার বিশ্বাস একবার এই বাদাম ভর্তা খেলে আপনি বারবার খেতে চাইবেন। আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
বাদাম দিয়েছে ভর্তা রেসিপি করা যায় এটা আমার জীবনের প্রথম শুনলাম। তবে ভাই এই রেসিপিটি আমার কাছে পুরোটা ইউনিক লেগেছে। আপনার পরিবারের সবাই এই রেসিপিটি অনেক ভালবাসে কারণটা এই রেসিপিটা অনেক সুস্বাদু হয় তাই। খুবই সুন্দর ভাবে বাদাম ভর্তা রেসিপি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই।
ভাই জীবনে প্রথম শুনলেন বাদাম ভর্তা করে খাওয়া যায়। তাই আমি বলব খুব শীঘ্রই এই সুস্বাদু ও মজার ভর্তাটি তৈরি করে খেয়ে ফেলুন। আমার বিশ্বাস অবশ্যই ভালো লাগবে।ধন্যবাদ
হ্যাঁ ভাই অবশ্যই আমি বাদাম ভর্তা করে খেয়ে দেখবো। আমার মন্তব্য সুন্দর ফিডব্যাক দেয়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই।
আসলে এভাবে যে বাদাম ভর্তা করে খাওয়া যায় আমি সত্যিই জানতাম না। বেশ লোভনীয় স্বাদের একটি ভর্তা রেসিপি নিয়ে হাজির হয়েছেন ভাই। রেসিপি তৈরির ধাপগুলো দেখে নিলাম ভাই, ইনশাআল্লাহ তৈরি করতে পারবো। অনেক ধন্যবাদ ভাই চমৎকার রেসিপি আমাদের সাথে ভাগ করে নেয়ার জন্য।
ভাই বাদাম ভর্তা খেতে খুবই স্বাদের হয়। তাই যদি কখনো এই বাদাম ভর্তা রেসিপি না খেয়ে থাকেন, তাহলে খুব শীঘ্রই আমার রেসিপি অনুসরণ করে তৈরি করে খেয়ে ফেলুন। ইনশাআল্লাহ অবশ্যই ভালো লাগবে। আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
খুবই মজাদার ও ইউনিকে একটি রেসিপি আমাদের সাথে শেয়ার করলেন। এই বাদাম ভর্তা রেসিপি কখনো খাওয়া হয়নি। তাই আপনার রেসিপি দেখে শিখে নিলাম পরবর্তীতে তৈরি করব ইনশাল্লাহ।
ভাই বাদাম ভর্তা না খেয়ে থাকলে খুব দ্রুত আমার রেসিপি অনুসরণ করে বাদাম ভর্তা তৈরি করে খেয়ে ফেলুন। আর খেয়ে দেখুন এ রেসিপির স্বাদ কতটুকু। আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।