সল্ট এন্ড পেপার রেস্টুরেন্টে বন্ধুর সঙ্গে কাটানো মুহূর্ত
সুন্দর সুন্দর লোকেশনে ঘোরাঘুরি করতে এবং বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে খাবার খেতে বেশ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। আর সঙ্গে যদি কোন বন্ধু বান্ধব থাকে তাহলে তো কোনো কথাই নেই। দ্বিতীয় লকডাউন এর সময়েও বেশকিছুদিন বগুড়ায় ছিলাম। বগুড়া শহরে দীর্ঘদিন অবস্থান করায় এবং সব কিছু চেনাজানা হাওয়ায় সেখানে গেলেই বাসার মধ্যে না থেকে বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাঘুরি করার চেষ্টা করি। লকডাউন এর সময় আমি আমার বন্ধুর সঙ্গে একটি রেস্টুরেন্টে খেতে গিয়েছিলাম। আজকে আমি আপনাদের সঙ্গে রেস্টুরেন্টের রিভিউ এবং বন্ধুর সঙ্গে কাটানো সুন্দর মুহূর্ত শেয়ার করব।
আজকে আমি যে রেস্টুরেন্টে রিভিউ আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করতে যাচ্ছি ওই রেস্টুরেন্টের নাম সল্ট এন্ড পেপার। আমার বন্ধু শাকিল এর সঙ্গে সেখানে খেতে গিয়েছিলাম। যদিও রেষ্টুরেন্টটিতে সন্ধ্যায় যাওয়ার কথা ছিল; কিন্তু অন্য একটি প্রোগ্রামের কারণে ওই দিন রেস্টুরেন্টে যেতে প্রায় রাত হয়ে গিয়েছিল। সল্ট এন্ড পেপার রেস্টুরেন্টে অনেক আগের। যখন জলেশ্বরীতলায় কেবল ফাস্টফুড রেস্টুরেন্টের প্রচলন শুরু হয় ঠিক সে সময়কার। যার ফলে এখনকার নতুন রেস্টুরেন্ট গুলোর মত সেখানকার ডেকোরেশন ততটা চাকচিক্যময় এবং আধুনিকমানের নয়। কিন্তু খাবারের মান অনেক উন্নত। যার ফলে লোকজনের ভিড় সব সময় লেগে থাকে। আমাদের সন্ধ্যা ছয়টায় যাওয়ার কথা থাকলেও আমাদের যেতে যেতে ৯ টা বেজে গিয়েছিলো।আর ওই সময় রেস্টুরেন্টে খুব একটা বেশি লোকজনও ছিল না। রেষ্টুরেন্টটিতে আমরা মূলত সেট মেনু খাওয়ার জন্য গিয়েছিলাম। কিন্তু ওই সময় সেট মানুষ তৈরীর উপকরণ গুলো ছিলনা। এরপর পিজ্জা অর্ডার করলাম। ওয়েটাররা বললো এ খাবারটিও দেয়া সম্ভব নয়। এরপর আমরা শুনে নিলাম এখন কোন কোন খাবার পাওয়া যাবে। তার আবার কার সহ আরো বেশ কয়েকটি খাবারের নাম বললো। তবে শেষমেষ বার্গার অর্ডার করলাম। খাবার অর্ডার করার পর রেস্টুরেন্টের বেশ কয়েকটি ছবি উঠিয়ে নিলাম। দুই বন্ধু মিলে বেশ খানিকটা সময় গল্পগুজবও করলাম।
কিছুক্ষণ পর ওয়েটার খাবার পরিবেশন করলো। এরপর খাবার সহ আমার ছবি এবং দু'বন্ধু খাবার নিয়ে একত্রে ছবি উঠালাম। অল্প দামের মধ্যে বার্গারটি বেশ সুস্বাদু ছিল।অবশ্য রেস্টুরেন্টের বার্গার আমি একটি কারণে বেশি খেতে পছন্দ করি। তা হল বার্গার এ ব্যবহৃত মিউনিস এর জন্য।মিউনিস বেশি খাওয়া যদিও স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর, তবু এর স্বাদের জন্য প্রায় সময় মিউনিস মিশ্রিত ফাস্টফুড খাবার গুলো কে থাকে। খাওয়া-দাওয়া শেষ করে দুই বন্ধু মিলে খাওয়ার বিল পরিশোধ করে রেস্টুরেন্ট থেকে বেরিয়ে আসলাম। যাই হোক বন্ধুর সঙ্গে খানিকটা সময় কাটিয়ে বেশ কিছুক্ষন গল্প করার সুযোগ পেলাম।যার ফলে দিনটি বেশ ভালই কেটেছিল।
ধন্যবাদ সবাইকে।
@mahamuddipu
| Photography | @mahamuddipu |
|---|---|
| Device | Redmi Note 10 Pro |
| Location | Link |
সল্ট এন্ড পেপার রেস্টুরেন্ট আপনি আপনার বন্ধুর সঙ্গে অনেক সুন্দর মুহূর্ত কাটিয়েছেন ভাই। সেইসঙ্গে রেস্টুরেন্টের ও বেশ ভালোই বর্ণনা করেছেন। আপনাদের সুন্দর মুহুর্ত শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই।
সুন্দর মন্তব্য করেছেন। ধন্যবাদ আপনাকে।
বন্ধু মানেই হচ্ছে আনন্দ, আর সে বন্ধুকে নিয়ে আপনি রেস্টুরেন্টে গিয়েছেন, খুবই সুন্দর নির্জন একটা পরিবেশ দেখতে খুব দারুণ লাগছিল। আর আপনার ফটোগ্রাফি গুলো খুবই দারুন লাগছিল। এবং আপনি অনেক সুন্দর করে গুছিয়ে লিখেছেন। আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই আপনার মূল্যবান মন্তব্যের জন্য।
অসম্ভব সুন্দর একটি রিভিউ দিয়েছেন। আসলে সবাই একটি স্বচ্ছ পরিবেশে খাবার পরিবেশন করতে খুব পছন্দ করেন। আর খুব কম মানুষ আছে যারা কিনা একটু ঘোরাঘুরি করতে অপছন্দ করে। মাঝে মাঝে রেস্টুরেন্টে মন ভালো থাকে। শর্ট এন্ড পেপার রেস্টুরেন্ট এর রিভিউটা আপনি খুব সুন্দর ভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই আপনার সুন্দর মন্তব্য শেয়ার করার জন্য।
দেখে মনে হচ্ছে রেস্টুরেন্টে গিয়ে বন্ধুর সঙ্গে অনেক মজা করেছেন।সল্ট এন্ড পেপার রেস্টুরেন্টে বন্ধুর সঙ্গে অনেক সময় কাটিয়েছেন। বন্ধুদের সঙ্গে রেস্টুরেন্টে যাওয়ার মজাটাই আলাদা। আমিতো আমার পরিবারের সঙ্গে কিছুদিন আগে রেস্টুরেন্টে গিয়ে ছিলাম। সবাই একসাথে খাওয়ার মজাটাই আলাদা। আমরা সবাই অনেক মজা করেছিলাম। এত সুন্দর একটি পোষ্ট আমাদের সঙ্গে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল 😍 😍
অনেক সুন্দর এবং গঠনমূলক মন্তব্য শেয়ার করেছেন।আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।
বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটাতে খুবই ভালো লাগে তাও যদি হয় রেস্টুরেন্টে খেতে খেতে তাহলে তো কোন কথাই নেই। আর আপনিও ঠিক সেই কাজটি করেছেন, বন্ধুর সঙ্গে রেস্টুরেন্টে গিয়ে বিশেষ কিছু মুহূর্ত উপভোগ করেছেন। দুই বন্ধু মিলে রেস্টুরেন্টে গিয়ে খেয়ে দেয়ে খুবই ভালো সময় পার করেছেন তা আপনার ফটোগ্রাফি তেই প্রকাশ পাচ্ছে। এত সুন্দর মুহূর্ত গুলো আমাদের মাঝে ভাগাভাগি করে নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আপনার জন্য শুভকামনা রইল।
আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই।ভালোবাসা রইলো সব সময়।
আপনার বন্ধুর সাথে কাটানো অনুভূতি জানতে পেরে অনেক ভালো লাগলো ভাই। খুব সুন্দর করে সব কিছুর বর্ননা করেছেন। তাই বেশি ভালো লেগেছে। সাথে কিছু সুন্দর সুন্দর ছবি দিয়েছেন এতে পড়তে অনেক মজা লেগেছে। শুভেচ্ছা রইলো আপনার জন্য ভাই। এভাবেই এগিয়ে যান।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই আপনার সুন্দর মতামতের জন্য।