চলমান বসন্তের ফুলের ফটোগ্রাফিতে আমার অংশগ্রহণ ❤️১০% লাজুক শিয়ালের ❤️
১৬ফাল্গুন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
০১মার্চ , ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
২৭ রজব, ১৪৪৩ হিজরী
মঙ্গলবার
বসন্তকাল ।
আসসালামু আলাইকুম,আমি মোঃআলী, আমার ইউজার নাম @litonali।আমি বাংলাদেশ থেকে। আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আমি আপনাদের দোয়ায় ভালো আছি। মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি [আমার বাংলা ব্লগ] এর সবাইকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দনজানিয়ে আমার আজকের পোস্ট শুরু করছি
ফুটন্ত বসন্ত
ফুটন্ত বসন্ত
এলো বসন্ত কোকিল ডাকে মন বলে এসো বন্ধু হয়ে যায় রে❤️ বসন্ত মানে অন্যরকম একটি ফিলিংস। সজীবতা ফিরে পায় পুরো বাংলা। গাছে গাছে ফুটে নতুন নতুন ফুল। এবং চোখ মেললেই দেখা মেলে নতুন গজিয়ে ওঠা পাতা। ষড়ঋতুর মধ্যে বসন্তকাল আমার সবথেকে ভালো লাগে। গ্রাম অঞ্চলের গাছে-গাছে চারি দিকে তাকালেই মনে হয় কোন শিল্পীর আঁকা প্রতিচ্ছবি। আর সকাল হলেই কানে ভেসে আসে সু-মধুর কোকিলের কুহু কুহু সুর। এলো বসন্ত ডাকে কোকিল কি করে মনটা ধরে রাখি। সবার ফটোগ্রাফি পোস্ট গুলো আমি দেখেছি সবাই খুব সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি আমাদের সাথে শেয়ার করেছে। আমিও চেষ্টা করেছি বসন্তের কিছু ফুটন্ত ফুল নিয়ে আপনাদের সামনে উপস্থাপন করার। আশা করছি আমার পোস্টটি আপনাদের কাছে ভালো লাগবে। |
|---|
শিমুল ফুল
শিমুল ফুল
লোকেশন:
বসন্তের হাওয়া বইতে শুরু করলেই শিমুল গাছের দিকে তাকাইলে চোখে মিলবে লাল টুকটুকে অসংখ্য ফুল। গাছের দিকে তাকালে দেখে মনে হয় এ যেন এক শিল্পীর আঁকা দৃশ্য। মোটামুটি সুগন্ধযুক্ত 5 পাতাযুক্ত ফুলটি দেখতে খুবই সুন্দর লাগে। গাছের আকৃতি ছোট থেকে অনেক বড় হয় এবং প্রতিটা ডালে ফুল ফোটা অবস্থায় সাধারণত গাছে কোন পাতা দেখা যায় না। |
|---|
বুনোফুল
বুনোফুল
লোকেশন:
উপরের চিত্রে আপনারা দেখতে পাচ্ছেন একটি বুনোফুল। ঝোপেঝাড়ে পথের ধারে ফুটে থাকে এই ফুলগুলো। বিশেষ করে বসন্তের হাওয়া বইতে শুরু করলেই ফুলগুলো ফোটা শুরু করে। ৫ পাপড়ি যুক্ত ফুলের মাঝ দিয়ে থাকে একটি সিস। এবং সেন্টার পয়েন্টে থাকে লাল টুকটুকে। গাছের আকৃতি চার থেকে পাঁচ ফিট এবং চিকুন চিকুন হয়ে থাকে।এটি লতা জাতীয় উদ্ভিদ। |
|---|
ভাটি ফুল
ভাটি ফুল
লোকেশন:
গ্রাম অঞ্চলের ঝোপেঝাড়ে রাস্তার পাশে প্রায় জায়গাতেই চোখে মিলে এই ভাটির ফুল। শীতের শেষে বসন্তের হাওয়ায় ফুলগুলা ফুটে থাকে। বিশেষ করে সুন্দর সুগন্ধ পাঁচটা লম্বা লম্বা পাতা যুক্ত। এবং মাঝ দিয়ে অনেকগুলো শিষ যুক্ত। গাছের আকৃতি পাঁচ থেকে ছয় ফিট এর কম বেশি হয়ে থাকে। এবং গাছগুলো চিকুন চিকুন হয়ে থাকে। |
|---|
মটরশুঁটি
মটরশুঁটি
লোকেশন:
উপরের ফটোতে আপনি দেখতে পাচ্ছেন লাল টুকটুকে ঘন সবুজের মধ্যে ফুটে আছে মটরশুঁটির ফুল। এই ফুলগুলো বিশেষ করে শীতের মাঝামাঝি থেকে বসন্তের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত ফুটে। গাছ লতা জাতীয়। এবং দুই থেকে তিন ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে। পাতা গুলো ছোট ছোট ডিম্বাকৃতির। |
|---|
বুনো কাবাস
বুনো কাবাস
লোকেশন:
উপরের ফটোতে আপনাদেরকে দেখানোর চেষ্টা করেছি দুই জাতের বুনো কাবাস ফুলের দৃশ্য। এই ফুলগুলো সাধারণত শীতের মাঝামাঝি টাইমে ফোটে এবং বসন্তের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত ফুটে থাকে। যখন বসন্ত হাওয়ায় দুলতে থাকে তখন ফুলগুলো ফুটে হাওয়ায় উড়তে থাকে। শিমুল গাছের তোলার মতো। দূর থেকে দেখলে আপনি হয়তো ভাবতে পারেন এ কোন পোকা উড়ছে। এটি যখন আকাশে উড়ে দেখতে অনেকটা ছাতার মতো মনে হয় কাছ থেকে। গাছের আকৃতি দুই থেকে তিন ফিট এবং চিকন চিকন হয়ে থাকে। পাতাগুলো লম্বা বাঁশের পাতার মত ধার যুক্ত। |
|---|
মোরগ ঝুটি
মোরগ ঝুটি
লোকেশন:
মোরগঝুঁটি ফুল চিনে না এমন কেউ হয়তো বাংলায় খুঁজে পাওয়া যাবে না। এই ফুলগুলো শীতের মাঝামাঝি এবং বসন্তের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত গাছে ফুটে থাকে। গাছগুলো 6,7 ফিট পর্যন্ত লম্বা হয়। চিকুন ডোগা যুক্ত প্রতিটা বোটায় ফুল ফোটে। লম্বা লম্বা একটা ফুলের আবার অনেকগুলো শাখা-প্রশাখা থাকে। পাতাগুলো লম্বা লম্বা নরম সাদা টাইপের হয়ে থাকে। |
|---|
বসন্ত জবা
বসন্ত জবা
লোকেশন:
উপরের ফটোতে আপনাদেরকে দেখানোর চেষ্টা করেছি একটি বসন্ত জবা ফুলের দৃশ্য। এটি আজ সকালেই আমার বাগান থেকে আমি ফটোগ্রাফি করেছি। এই ফুলগুলো 12 মাস ফুটলেও বসন্তের সময় গাছ ভরে ফুল ফোটে। এমন গাছ ভর্তি ফুল অন্য কোন সময় দেখা মেলেনা। এ সময়ে গাছ অনেক সতেজ থাকে, ফুল ফোটে গাছ ভরে। পাতার আকৃতি বড় বড় পানের পাতার মতো। সবুজ এবং গাছ 6 থেকে 7 সিটের কমবেশি লম্বা হতে পারে। |
|---|
আম
আম
লোকেশন:
বসন্তের হাওয়া যখন দুলতে শুরু করে হাওয়ার সাথে গাছে গাছে বেরিয়ে পড়ে মুকুল। লম্বা লম্বা ছড়ায় অনেকগুলো শাখা-প্রশাখায় বিভক্ত। সুন্দর সুগন্ধযুক্ত হয়ে থাকে মুকুল গুলা। |
|---|
হাসনাহেনা
হাসনাহেনা
লোকেশন:
আমার বাগানে যে হাসনাহেনা ফুলের গাছটি আমি রোপণ করেছি এই ফুলটি বিশেষ করে শীতের শেষ থেকে ফোটা শুরু করে। এই ফুলের ছবিটি আমি আজ সকালে শিশির ভেজা অবস্থায় ফটোগ্রাফি করেছি। আশা করছি আপনাদের ভালো লাগবে। এই ফুলের গাছ গুল্ম উদ্ভিদ জাতীয়। 10 থেকে 12 ফুট পর্যন্ত লম্বা বা তারও বেশী হয়ে থাকে। পাতাগুলো ছোট ছোট সবুজ। ফুলের আকৃতি মাইকের মত এবং সুন্দর সুগন্ধ ছড়ায় থাকে। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর থেকে ভোর পর্যন্ত। |
|---|
বুনো বেগুন
বুনো বেগুন
লোকেশন:
উপরের ফটোতে আপনাদেরকে দেখানোর চেষ্টা করেছি একটি বুনো বেগুনের ফুল। এই ফুলগুলো সাধারণত ঝোপা ধরে ফুটে থাকে গাছের ডগা থেকে। সাদা পাপড়ি 5 থেকে 6 টা। এবং মাঝে একটি শিশ থাকে ফুল থেকে ছোট ছোট বেগুনের কুড়ি ও হয়ে থাকে। গাছের আকৃতি 3 থেকে 4 ফিট পাতা কাঁটাযুক্ত বড় বড় হয়ে থাকে। |
|---|
ডিভাইসঃ Canon d600
>>>>>|| এখানে ক্লিক করেন ডিসকর্ড চ্যানেলে জয়েন করার জন্য ||<<<<<
সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।
ধন্যবাদ
আমার বাংলা ব্লগ বসন্তের ফুলের ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতা উপলক্ষে আপনি খুবই সুন্দর সুন্দর কিছু ফুলের ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন ভাইয়া। আপনার শেয়ার করা প্রত্যেকটি ফুলের ফটোগ্রাফি আমার কাছে অনেক ভালো লেগেছে। বিশেষ করে হাসনাহেনা এবং মোরগ ফুলের ফটোগ্রাফিতে আমার কাছে সব থেকে বেশি ভালো লেগেছে। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া এমন সুন্দর কিছু ফুলের ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
আমার ফটোগ্রাফী আপনার ভালো লেগেছে জেনে খুবই খুশি হলাম আপনার মুখে ফুল চন্দন পড়ুক
চমৎকার ভাইয়া। আপনার তোলা প্রতিটি ছবি অনেক সুন্দর হয়েছে । হাসনাহেনা ফুলটির ছবি আমাকে এত ভাল লেগেছে যে তা বলে বোঝাতে পারবো না। বাকি ছবিগুলো কে ছোট করে দেখব না। কারণ সেগুলো ও অনেক সুন্দর হয়েছে । আমাদের এত সুন্দর ফটোগ্রাফি গুলো আমাদের উপহার দেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ
আমার করা বসন্তের ফুলের ফটোগ্রাফি গুলো আপনার ভালো লেগেছে জেনে খুবই খুশি হলাম আপনি সুন্দর মন্তব্য উপহার দিয়েছেন আমাকে একটি আপনার মুখে ফুল চন্দন পড়ুক ভাইয়া
অসাধারণ ভাই।আপনি খুব সুন্দর করে বসন্তের কিছু ফুলের ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। আপনার তোলা সবগুলো ছবি আমার কাছে অনেক ভালো লেগেছে। আর আপনার এই পোষ্টের মাধ্যমে আমি কিছু নতুন নতুন ফুলের নাম জানলাম। আপনি খুব সুন্দর করে প্রতিটা ফুলের নাম বর্ণনা করেছেন। আপনার উপস্থাপনা অনেক ভাল ছিল। এরকম সুন্দর সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।শুভকামনা রইল ভাই আপনার জন্য।
আপনার সুন্দর মন্তব্যটি পড়ে ফটোগ্রাফি করার প্রতি আরও উৎসাহ বোধ করছি আমার ফটোগ্রাফি গুলো আপনার ভালো লেগেছে জেনে খুবই খুশি হলাম আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা ও ভালোবাসা রইলো আপনার মুখে ফুল চন্দন পড়ুক
ভাই আপনি বসন্তের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছেন শুনে খুবই খুশি হলাম। আপনি আজকে গ্রাম বাংলার বেশ কিছু পরিচিত এবং সুন্দর কিছু ফুলের ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। আপনার ফটোগ্রাফি গুলো সত্যিই অসম্ভব সুন্দর হয়েছে। ধন্যবাদ আপনাকে আপনার অংশগ্রহণের ফটোগ্রাফির গুলো আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
আপনার কমেন্ট পড়ে আমার খুবই ভালো লাগলো জেনে যে আমার ফটোগ্রাফি গুলো আপনার খুব ভালো লেগেছে আপনার মুখে ফুল চন্দন পড়ুক ভাইয়া
বসন্তে চারিদিক ফুলের সুরভিতে মেতে আছে। গাছে গাছে কত ফুল ফুটে আছে। জানা অজানা ফুলে প্রকৃতি সেজেছে। আপনি খুব সুন্দর কিছু ফুলের ছবি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন ভাইয়া। আপনার অংশগ্রহণ এর মাধ্যমে আমরা এই ফুলের ছবিগুলো উপভোগ করতে পারলাম।
আপনার মুখে ফুল চন্দন পড়ুক আপনি আমার ফটোগ্রাফি গুলা দেখে খুশি হয়ে খুব সুন্দর একটি কমেন্ট উপহার দিয়েছেন আমাকে ধন্যবাদ
আপনার ফুলের ফটোগ্রাফি গুলো খুবই সুন্দর হয়েছে। তবে আমার কাছে সব থেকে বেশি ভালো লেগেছে শিমুল ফুলের ছবিটি। কেননা এই ফুলটি আমার অনেক পছন্দের। দেখতে বেশ চমৎকার লাগে। আর আপনি ফটোগ্রাফিও করেছেন অসাধারণ। ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি শেয়ার করার জন্য।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ সুন্দর একটি মন্তব্য আমাকে উপহার দেওয়ার জন্য আমার ফটোগ্রাফী আপনার ভালো লেগেছে জেনে খুবই খুশি হলাম আপনার মুখে ফুল চন্দন পড়ুক
যতগুলো প্রতিযোগিতার পোস্ট দেখেছি তার থেকে আপনার টা অনেক ভাল লেগেছে। কেননা এখানে সর্ব প্রথম স্থান পেয়েছে শিমুল ফুল।, তাছাড়াও বসন্তের জবা এবং বিভিন্ন ধরনের বনফুল। যেগুলো প্রধানত বসন্তকালে দেখা যায়।।
অনেক চমৎকারভাবে এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ
আপনার মুখে ফুল চন্দন পড়ুক ভাইয়া জেনে খুবই খুশি হলাম যে আমার ফটোগ্রাফি গুলো আপনার কাছে খুবই ভালো লেগেছে সত্যিই অনেক আনন্দ বোধ করছি
ধন্যবাদ ভাই আপনাকে। অবিরাম শুভকামনা এবং ভালোবাসা রইলো
ফুলের সব ফটোগ্রাফিগুলো দেখলে আসলে খুবই ভালো লাগে শিমুল ফুল গুলো দেখতে খুবই ভালো লাগে ছোটবেলায় অনেক দেখেছি ঢাকা শহরে গাছগুলো দেখাই যায় না। বুনো কাবাস নাম কোনদিনও শুনিনি তবে এগুলো অনেক দেখেছি। ভাটি ফুলের নামও প্রথম শুনলাম। খুব ভালো লাগলো আপনার ছবিগুলো দেখে অনেক ভালো তুলেছেন ফুলের ফটোগ্রাফি গুলো।
বুনোবাস টা সাধারণত ফসলের মাঠে গা-ছাড়া হিসেবে জন্মায় এবং ভাটি ফুলটি গ্রামের রাস্তার ধারে বাড়ির আনাচে-কানাচে ফুটে থাকে ধন্যবাদ আপু আপনার মুখে ফুল চন্দন এর শুভেচ্ছা রইল যে আপনি আমার ফটোগ্রাফি গুলা পছন্দ করেছেন
এত সুন্দর ফটোগ্রাফি আপনি কিভাবে করেন? আমি তো সারাদিন মোবাইল নিয়ে দৌড়ে বেড়াই ফুলের সন্ধানে কিন্তু ভালো কিছুই তুলতে পারিনা। শুভকামনা রইল প্রতিযোগিতায় যেন সফলতা অর্জন করতে পারেন।
আপনার মুখে ফুল চন্দন পড়ুক ভাইয়া যে আপনি আমার ফটোগ্রাফি গুলো পছন্দ করেছেন গ্রামগঞ্জে রাস্তার ধারে আনাচে-কানাচে অনেক ফুলের সমারোহ দেখা মিলে বিশেষ করে গা ছাড়া এবং বনফুল চেষ্টা করতে থাকেন ভাইয়া আমার চেয়েও ভালো ফটোগ্রাফি আপনি করতে পারবেন