৩শ্রাবণ , ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
১৮জুলাই, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
১৮জিলহজ, ১৪৪৩ হিজরী
সোমবার ❤️
বর্ষাকাল ।
আসসালামু আলাইকুম,আমি মোঃআলী, আমার ইউজার নাম @litonali।আমি বাংলাদেশ থেকে। আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আমি আপনাদের দোয়ায় ভালো আছি। মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি [আমার বাংলা ব্লগ] এর সবাইকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দনজানিয়ে আমার আজকের পোস্ট শুরু করছি
📸

সম্মানিত আমার বাংলা ব্লগ-বাসী ভাই ও বোনেরা আশা করছি আপনারা সবাই ভাল আছেন। আমিও আপনাদের দোয়ায় ভালো আছি। প্রতিনিয়তই ঘুরতে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে, নতুন নতুন রেসিপি প্রস্তুত করতে, নতুন নতুন ডাই পোস্ট করতে আমার খুবই ভালো লাগে, ঈদের ছুটিতে বাড়ি গিয়েছিলাম বন্ধুদের সাথে খুব করে ঘুরাঘুরি করেছি। প্রায় সারাদিন এবং রাত বারোটা পর্যন্তই সবাই মিলে আড্ডা দিয়েছি বাহিরে বাহিরে ঘুরেছি বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে খেয়েছি অজানার উদ্দেশ্যে ভ্রমন করেছি। |

প্রাকৃতিক পরিবেশ আগে যেমনটি ছিল দেখেছি আষাঢ় মাসে ভরপুর বৃষ্টি। এবং শরৎকালে নীল আকাশ ভেসে বেড়ানো তার বুকে তুলার মত সাদা মেঘের ভেলা। এই বর্ষাকালে আপনি আকাশের দিকে তাকালে ঠিক সেম দৃশ্যই দেখতে পাবেন। আপনার কাছে মনে হবে আপনি যেন শরৎকালে অবস্থান করছেন। |

এত পরিমান গরম পরছে যা এর আগে কখনো দেখিনি আষাঢ় শ্রাবণ মাসের অবস্থায়। আর বিদ্যুতের লোডশেডিং তো লেগেই রয়েছে। জ্বালানির দাম বেশি লোডশেডিং পড়বেই। |

যাহোক ঈদের ছুটি সীমিত সবার সাথে দেখা সাক্ষাৎ করতে হবে। বন্ধুদের সাথে সময় দিতে হবে। পরিবার পরিজন তো রয়েছেই। তবে সব থেকে বেশি সময়ই অতিবাহিত করেছি আমার বন্ধুদের সাথে। ঈদের দুদিন পরে চারটা বাইক নিয়ে বের হয়েছিলাম 12 জন বন্ধু। কোথায় যাব কি করব সবই অজানা। তাইতো ছুটেছিলাম অজানা গন্তব্য স্থানে নতুন কিছু দেখার জন্য। |

আমাদের বাড়ি থেকে প্রায় 80 কিলোমিটার দূরে রাজবাড়ী পদ্মার চরে মেঠো পথ পাড়ি দিয়ে জেতে ছিলাম। হঠাৎ করে পথ এতটাই বন্ধুর যে বাইক নিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছিল না। অত্যন্ত ধুলা এবং উঁচু নিচু মধ্যিপথে আমরা এক জায়গায় দাঁড়িয়ে পরামর্শ করি যে আমরা সেখানে যাব কি যাব না। |


উপরের ফটোতে লক্ষ্য করলে আপনারা দেখতে পাবেন মেঠো পথের অবস্থা। যেমন ধুলা তেমন উঁচু-নিচু ভাঙা অথচ প্রতি আষাঢ় মাসেই এখানে জলাবদ্ধতা লেগেই থাকে। যে পাশ দিয়ে চলতো নৌকা সেখানে এখন শুকনো হাহাকার সবই প্রকৃতির খেলা নেই বৃষ্টি তাই এরকম অবস্থা। |


আমরা যখন পরামর্শ করছিলাম যে পদ্মার পাড় পর্যন্ত যাব নাকি আমরা আবার বাড়ির দিকে ফেরত যাব। তখন দেখি আমার এক বন্ধু পাশে থাকা দুবড়া ঘাস গোল করে তার উপরে কিসের যেন কস দিয়ে বেলুন প্রস্তুত করছে। এটা দেখে আমারও খুব ভালো লাগলো এজন্যই তার দৃশ্যটি ক্যামেরাবন্দী করে আপনাদের মাঝে শেয়ার করলাম। আসলে এই দৃশ্য সাথে আমাদের সবারই কমবেশি ছোটবেলার স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে। |

এরপরে আমরা ওখান থেকে সিদ্ধান্ত নিলাম যে আমরা আর সামনের দিকে এগোবো না পথের যে অবস্থা এমনও হতে পারে মেঘ ধরেছে বৃষ্টি হবে। আর বৃষ্টি হলে বাইক নিয়ে ফিরতে পারবো না। এজন্যই আমরা একটু পিছনে ফিরে আসি এবং ওখানে একটি ব্রিজ ছিল সেখানে দাঁড়িয়ে ফটোগ্রাফি করতে থাকি। ফটোতে আপনারা লক্ষ্য করলে দেখতে পাবেন আমাদের সবার চেহারায় লাল দেখাচ্ছে কারণ সময়টা ছিল গোধূলি লগ্ন। যদিও অত্যন্ত গরম ছিল তারপরে ফাঁকা প্রান্তর হওয়াতে মোটামুটি বাতাসও ছিল। |

আমাদের ওখানে কিছু সময় অতিবাহিত করি এবং কিছু ফটোগ্রাফি করার পরে ওখান থেকে যখন আমরা বাড়ির দিকে রওনা হব আমি তখন আমার বাইক ঘোরাচ্ছিলাম এমন অবস্থায় আমার বন্ধু মনির এই ছবিটি ক্যামেরাবন্দি করে। এবং রাতে আমাকে হোয়াটসঅ্যাপ করে এই ছবিটি আপনাদের মাঝে তুলে ধরেছি। আসলে বন্ধুদের সাথে যতদূর এবং যেখানেই ঘুরতে যাই না কেন মনে আত্মবিশ্বাস এবং আনন্দটাই থাকে আলাদা। যে আমার বা আমার বন্ধুর কিছু হবে না কোন বিপদ আসলে আমরা সবাই মিলে সেটা প্রতিহত করতে পারব। আসলে বন্ধুদের সাথে কাটানোর সময় এবং কথাগুলো কখনোই ভোলার নয়। এর পরে সন্ধা নেমে আসে আমরা সেখান থেকে আবার বাড়ির দিকে রওনা হই। যাহোক এই ছিল আমার আজকের সংক্ষিপ্ত অজানার উদ্দেশ্যে ঘোরার কিছু কথা। আশা করছি আপনাদের কাছে ভালো লাগবে। |
ডিভাইসঃ Redmi Note 5
অজানা গন্তব্য স্থানে প্রকৃতির কিছু সুন্দর ফটোগ্রাফি আপনি তুলে ধরেছেন আমাদের মাঝে খুবই ভালো লাগলো আপনার প্রত্যেকটি ফটোগ্রাফি। আপনি অনেক সুন্দর উপস্থাপনার মাধ্যমে আমাদের মাঝে সবগুলো কথা শেয়ার করেছেন খুবই ভালো লাগলো পড়ে।
ধন্যবাদ আপনাকে পোস্টটি পড়ে খুব সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য আসলে বন্ধুদের সাথে ঘোরার মজাটাই অন্যরকম
বন্ধুবান্ধবসহ ঘুরতে বের হলে গন্তব্য নির্ধারণ করাটা অনেক কষ্টকর হয়ে পড়ে, কেননা তখন ঘুরতে ঘুরতে দুচোখ যেদিকে যায় ওই দিকেই যেতে মন চায়। ধন্যবাদ আপনাকে অনেক সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফি সহ নিজেদের ঘুরাঘুরির অনুভূতি শেয়ার করার জন্য।
একদম ঠিক কথা বলেছেন ভাইয়া বন্ধুদের সাথে ঘুরতে বেরোলে দিকনির্দেশন করা খুবই কষ্টকর হয়ে যায় কারণ দুচোখ যতদূর যায় মন যত দিকে চায় ততদিকেই ঘোরা হয়
ঠিক বলেছেন আমরা ও এই রকম করতাম ধন্যবাদ আপনাকে ফিডব্যাক দেওয়ার জন্য
আমিও আপনার মতই একজন ভ্রমণ বিলাসী মানুষ কিন্তু অসুস্থ থাকার কারণে খুব একটা ঘোরাঘুরি করা হচ্ছে না তবে মনটা চাইছে দূরে কোথাও হারিয়ে যেতে। আপনার এই পোস্ট দেখে ঘোরাঘুরি করার প্রতি আগ্রহ আরো বেড়ে গেল। সাবধানে থাকবেন সাবধানে ঘোরাঘুরি করবেন অনেক শুভকামনা রইল ভাইয়া।
আপনি অনেক ভ্রমণ প্রিয়শী জানতে পেরে খুবই ভালো লাগলো ধন্যবাদ আপনাকে আমার পোস্টটি সুন্দরভাবে পর্যবেক্ষণ করে সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য
বাহ আপনি খুব চমৎকার কিছু ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন। আসলে আপনার প্রত্যেকটি ফটোগ্রাফি দেখে আমি খুব মুগ্ধ হলাম। বন্ধুদের সাথে ঘুরতে বের হওয়া মুহূর্তগুলো আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই।
অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে ফটোগ্রাফি গুলা দেখে সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য আসলে বন্ধুদের সাথে ঘুরতে বেরিয়েছিলাম সেই সময় পথে মধ্যে ফটোগ্রাফি গুলা করেছিলাম এবং তার সাথে অনুভূতিগুলো আপনাদের মাঝে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি