বড় ভাইয়ের জীবনের একটি ঘটনা(লাজুক খ্যাকের জন্য ১০% এবং এবিবি স্কুলের জন্য ৫% পে আউট)
৩০ ই জ্যৈষ্ঠ
আজ মঙ্গলবার।
হ্যালো বন্ধুরা
কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই ভাল এবং সুস্থ আছেন।আলহামদুলিল্লাহ আমিও আপনাদের সকলের দোয়ায় ভাল এবং সুস্থ আছি। আমার বাংলা ব্লগ পরিবারের সকল মেম্বার ও সদস্য তাদের ক্রিয়েটিভিটির মাধ্যমে আমাদেরকে বেস্ট ও সুন্দর সুন্দর পোষ্ট উপহার দিয়ে আসছেন প্রতিনিয়ত।খাবার খাওয়ার সময় একই তরকারি প্রতিদিন যেমন ভালো লাগে না।ভিন্ন রকমের সবজি ও রান্নার প্রক্রিয়া গুলো পরিবর্তন করতে হয় রুচি সমৃদ্ধ খাবার তৈরীর জন্য। ঠিক একইভাবে কমিউনিটির মান উন্নয়নে ভিন্ন রকমের পোস্ট করাটাই ভালো।আজকে পোষ্টের মাধ্যমে আমি একজন ব্যক্তির জীবনের কিছু গল্প আপনাদের মাঝে শেয়ার করবো।
বিকাল বেলা বন্ধুদের সাথে হাটতেগিয়ে অনেক মজার ও আনন্দে সময় অতিবাহিত করি।আমি ও আমার দুইটা ফ্রেন্ড মিলে একটু হাঁটাহাঁটি করতে বেড়িয়েছিলাম।বেশ কিছু সময় আনন্দে কাটানোর পর যখন বাসার দিকে ফেরার পথে রাস্তার পাশে একটি দোকান দেখতে পেলাম। দোকানটি নতুন ও ছোট্ট একটি দোকান।দোকানের ভেতরে পরিবেশটা বেশ সুন্দর ছিল এবং দেখতে পেলাম দোকানদার ছিলেন একজন মহিলা।আমরা রাস্তায় বেশ কিছুক্ষণ হেঁটেছি তাই ভাবলাম এখান থেকে কিছু নাস্তা করে রওনা দেয়া যাক।বসে নুডুলস খেতে শুরু করলাম।বেশ কিছুক্ষন পর দেখলাম একটি লোক দোকানের ভেতরে ঢুকেছে সাথে সাথে আমি দাঁড়িয়ে সালাম দিলাম এবং জিজ্ঞাসা করলাম ভাইয়া কেমন আছেন।আসলে উনি এই দোকানের মালিক আর মহিলাটি উনার স্ত্রী তাছাড়া উনাকে সালাম দেয়ার কারণ হচ্ছে উনি আমার শিক্ষক গত তিনটা বছর ওনার কাছে আমি কোচিং করেছি।কোচিং করার সময় আমি ভাইয়া বলেই ডাকতাম তিনি অনেক মেধাবী একজন স্টুডেন্ট ছিল।ভাইয়া লেখাপড়ার পাশাপাশি আমাদেরকে কোচিং কড়াতেন।
ভাইয়ার সাথে কথা বলে বিস্তারিত জানতে পারলাম দোকান দেয়ার কারণটা কী।ভায়ের দুলাভাই এক দালালের মাধ্যমে বিদেশ পাঠানোর জন্য ৪ লাখ টাকা নেন এবং কিছুদিন পর টাকাটা দালাল ও দুলাভাই মিলে খেয়ে ফেলে বাড়িতে তেমন পুজি ছিলোনা ঋণ করে টাকা দিয়েছিলো। তার কিছুদিন পর তার বাবা মারা জান।সে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন।তারপর বাসার সামনে ছোট্ট একটি দোকান চালু করেন।এখনকার যুগে কাউকেই বিশ্বাস করার যোগ্য নয়।মধ্যবিত্ত পরিবারের স্বপ্নগুলো এভাবে ভেঙে যায়।ভাইয়া সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ কথা বললাম এবং বেশ কিছু খাবার খেয়ে অনেক টাকায় বিল করলাম।এরপর বন্ধুরা মিলে সবাই চলে আসলাম আর ভাবলাম কমবেশি সবাই পরিস্থিতির শিকার হয়ে আছে।
বন্ধুরা আজ এ পর্যন্তই ছিল আমার আজকের পোষ্ট।আমার বাংলা ব্লগ সকল মেম্বারের জন্য রইল শুভ কামনা।আমার পোস্টটি আপনাদের মূল্যবান সময় ব্যয় করে ভিজিট করার জন্য ধন্যবাদ।
| সমস্ত ছবির | তথ্য |
|---|---|
| লোকেশন | কুষ্টিয়া,বাংলা দেশ 🇧🇩 |
| ডিভাইস | স্যামস্যাং এম ২১ |
| ফটোগ্রাফার | মোঃ তৌফিক ইসলাম(@kosto) |