শিবনিবাস শিবমন্দির
নমস্কার বন্ধুরা,
সুদূর নদীয়া জেলার মাজদিয়া শহর থেকে গুড় কিনে আশেপাশের জিজ্ঞেস করে জানতে পারলাম পাশে থাকা এক ঐতিহাসিক জায়গার কথা। সেই কথা অনুযায়ী কোলকাতার ফিরতি পথে পৌঁছে গেলাম কাছে থাকা এক ৪৫০ বছরের পুরোনো ইতিহাস বিজড়িত মন্দির দেখতে। মাজদিয়ার একদম কাছে রয়েছে কৃষ্ণগঞ্জের শিবনিবাস গ্রাম। সড়ক যোজনার পথ ধরে সেখানে পৌঁছে গেলাম। এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ শিবলিঙ্গের ইতিহাস জড়িয়ে এই জনপদের সাথে। গুড়ের হাঁড়ি ভালো ভাবে বেঁধে নিয়ে চললাম। গ্রামে ঢুকেই মূল মন্দির চত্বরে পৌঁছে গেলাম। চুর্ণী নদীর তীরে অবস্থিত এই শিবনিবাস একসময় মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্রের রাজত্বকালে সাময়িক রাজধানী হিসেবে গড়ে উঠেছিল। রাজবাড়ি না থাকলেও কালের নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে সগৌরবে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে এখানকার প্রাচীন শিবমন্দিরটি। বাইরে থেকে সুবিশাল মন্দির দেখতে পাওয়া যায়। ১৬৮৪ সালে নির্মিত মন্দিরটি চার চালা স্থাপত্যশৈলীর অপূর্ব নিদর্শন, নাম রাজরাজেশ্বর মন্দির।
মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রবেশ করতে দেখতে পেলাম বিশালা দেবাদিদেব মহাদেব। এখানকার শিবলিঙ্গটি সাধারণ কোনো অবয়ব নয়, প্রায় ১৫ ফুট উঁচু এই কষ্টিপাথরের তৈরি যা এশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম শিবলিঙ্গ। গর্ভগৃহে এক অদ্ভুত আধ্যাত্মিক পরিবেশ। এত বিশাল এবং নিখুঁত সেই যুগে কীভাবে প্রতিষ্ঠা করা হলো, তা ভাবলেই অবাক হতে হয়।
মন্দিরের চারপাশে প্রদক্ষিণ করে নিলাম। মহা সৌভাগ্য যে এখানে এসে দেবাদিদেব মহাদেবের আশীর্বাদ নিতে পেরেছি। সত্যি কথা বলতে যেহেতু আমি নিজে পুরোনো মন্দির খুবই পছন্দ করি তাই যেন আরো বেশি আপ্লুত হলাম। ঈশ্বর তার রূপ দেখবার সুযোগ দিলেন তাতে অনেকটা খুশি হলাম এবং পরের মন্দির দেখতে এগোলাম।
"আমার বাংলা ব্লগ" কমিউনিটির প্রথম MEME Token : $PUSS by RME দাদা
"আমার বাংলা ব্লগের" প্রথম FUN MEME টোকেন $PUSS এখন SUNSWAP -এ লিস্টেড by RME দাদা
X-প্রোমশনের ক্ষেত্রে যে ট্যাগ গুলো ব্যবহার করবেন,
@sunpumpmeme @trondao $PUSS