ড্রাগন ফলের বাগান পরিদর্শনে
নমস্কার বন্ধুরা,
জুলাই মাসে রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোটের সময় যখন বাড়িতে ছিলাম তখন পরপর দুদিনে সকাল গিয়েছিলাম ড্রাগন ফ্রুটের বাগানে দেখতে। আসলে আমাদের নিজেদের ড্রাগন ফ্রুটের চাষ করা হবে সে নিয়ে বেশ কিছু সময় ধরে পরিকল্পনা করা হচ্ছে। আর সে জন্যই আশেপাশের ড্রাগন ফলের বাগান গুলো আমরা অনুসন্ধান করে ফেলছি। বিশেষ করে যারা একটু মাঝারি কিংবা বড়ো মাপের বাগান করেছে সেগুলোই মূলত আমাদের লক্ষ্য। সেই সূত্র ধরে প্রথম যে বাগানটিতে আমরা গিয়েছিলাম সেটা ছিল মোটামুটি মাঝারি আকারের একটি বাগান। বাড়ির খুব কাছেই কিলোমিটার পাঁচেকের মধ্যে মাত্র এক একর জমির উপরে ড্রাগন ফলের বাগানটি।
আগে সবসময় ড্রাগন ফল কিনে খেয়েছি তবে ড্রাগন ফল সহ গাছ যে এত কাছ থেকে দেখব সেটা কখনো ভাবিনি। নিজের চোখের বাগানে এতো দামি একটি ফল গাছে ঝুলতে দেখার মধ্যে এক আলাদা অনুভূতি আছে। তাছাড়াও যেহেতু ড্রাগন ফল একটি ক্যাকটাস জাতীয় গাছে পাওয়া যায় সেই জন্য কাটার মধ্যে কিভাবে ফল সম্ভব সেটাও জানবার ছিলো।
সকালে উঠেই বাগানে উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে গিয়েছিলাম। যেহেতু ভোটের সময় তাই সওয়ারী পেতে বেশ বেগ পেতেই হয়েছিল। অনেক ক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার পর শেষমেষ একখানা টোটো ভাড়া করে বেলা এগারোটার দিকে বাগানটিতে পৌঁছালাম। ভোটের জন্য গ্রাম পাড়াগা খুবই শান্ত ছিল। তবে গিয়ে বাগানিকে আর পাওয়া গেল না। জানতে পারা গেল সে ভোটের প্রচারে বেরিয়েছে। আমাদের নিজেদের মতো করেই বাগান দেখে নিতে হবে।
অনেকটা ইংরেজি অক্ষর "L" অকৃতির বাগানটার প্রথম অংশটা বছর তিনেক পুরনো। তাতে চারিদিকে ফল ময়। এবং তার ঠিক পাশে আরেকটু জায়গা নতুন বাগান তৈরি হচ্ছে সেটাওতে এ বছরই গাছ লাগানো হয়েছে।লম্বা লম্বা সারি সারি পোলের মাঝে চার-পাঁচখানা ড্রাগন ঠোঁটের গাছগুলো। সেগুলোকে আবার পেঁচিয়ে উপর দিক পর্যন্ত তোলা। তারই মধ্যে ড্রাগনের ফুল ও ফল ধরে আছে। বাগানের সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যদিও গেলো না তবে নিজের চোখে ড্রাগন ফল দেখলাম সেটাই বা কম কিসের।
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
আপনি জুলাই মাসে বাড়িতে থাকার সময় ড্রাগন ফলের বাগান পরিদর্শন করার জন্য প্রথমে আপনাকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা। আমি কখনো ড্রাগন ফলের গাছ দেখিনি। আর বাগানেও যাইনি। বাজারে শুধু ড্রাগন ফলই দেখেছি। আর কখনো ড্রাগন ফলের গাছগুলোকে খুব একটা বেশি সময় দেখতে পারিনি। আপনার এই বাগান পরিদর্শনের মধ্য দিয়ে আমি এই প্রথম ড্রাগন ফলের গাছকে দেখতে পাই এবং ড্রাগন ফল এই গাছের মধ্যে যেভাবে অবস্থান করছে সে বিষয়টিও আমি দেখতে পেলাম। একই সাথে এখানে অনেকগুলো গাছ রয়েছে যা একটি বাগান এর সৌন্দর্য এবং ড্রাগন ফলের চাষকে অনেক বেশি পরিমাণে বৃদ্ধি করে দেয়।
ক্যাকটাস জাতীয় গাছ। গায়ে অনেক কাঁটাও আছে সেজন্য চুরি করতেও পারলাম না। 😭
সমস্যা হতো না। একটা ছুরি নিয়ে যেতেন, তাহলে কাঁটাও লাগতো না। আর চুরিও করতে পারতেন।
ড্রাগন ফলের বাগান আমারও সামনাসামনি কখনো দেখা হয়নি। তবে এক দুইটা গাছ দেখেছি। ড্রাগন ফল গাছগুলো কিভাবে ফল ধরে আজকেই প্রথম দেখলাম। আপনারা ড্রাগন ফলের বাগান করলে তো ভালই হবে ফ্রি ফ্রি ফল খাওয়া যাবে। কিন্তু খাওয়ার জন্য তো আবার কলকাতা যেতে হবে। যাই হোক ভাইয়া পরবর্তীতে আপনাদের বাগানের ছবি দেখার অপেক্ষায় রইলাম।
আমার বাংলা ব্লগের সমস্ত সদস্যদের জন্য ফ্রি ফ্রি ফ্রি। 😆
দাদা ড্রাগন ফল কিন্তু বেশ সুস্বাদু হয়। আর আমিও এর আগে যখন যশোর গিয়েছিলাম তখন ড্রাগন ফলের বাগান দেখার সৌভাগ্য আমার হয়েছিল। যেহেতু ড্রাগন ফল আমার কাছে বেশ প্রিয় তাই ড্রাগন ফলের বাগান দেখলে কিন্তু মনটা ভরে যায়। সেই সাথে বেশ একটা ভালো লাগাও কাজ করে। আমি কিন্তু খারাপ করেন নি এমন সুন্দর বাগান গুলো পরিদর্শন করে।
আমার কেমন যেন ফ্যাকাসে লাগে। 😅
ড্রাগন ফলের বাগান পরিদর্শন করে বেশ ভালো একটা অনুভূতি অর্জন করেছেন।ড্রাগন ফলের গাছ আমি দেখেছি তবে বাগানে কখনো যাওয়া হয়নি।ড্রাগন ফলের বাগান পরিদর্শন করতে গিয়ে অনেক সুন্দর সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফি করেছেন।আপনার অনুভূতি ও ফটোগ্রাফি গুলো আমাদের মাঝে শেয়ার করেআমাদের সকলকে উপভোগ করার সুযোগ করে দেয়ার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ দাদা।
পরের যে বাগানে গিয়েছিলাম সেটার ফলের ছবি আর সুন্দর 😁
বাহ! বেশ সুন্দর একটি পরিকল্পনা দাদা। বর্তমান সময়ে ড্রাগন ফ্রুটস অনেক বেশি জনপ্রিয়তা পেয়েছে। খেতেও অনেক মজার ড্রাগন ফল। তবে বাজারেও ড্রাগন ফলের অনেক বেশি দাম। তবে ড্রাগন ফ্রুটসের চাষ করতে পারলে অনেক ভালো হবে। আপনারা ড্রাগন ফলের বাগান দেখতে গেলেন। সেই সাথে সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি নিলেন। আপনার মাধ্যমে ড্রাগন ফ্রুটস এর বাগান দেখে অনেক বেশি ভালো লাগলো।
আমি ড্রাগন ফলের গাছ এর আগে দেখেছি। কিন্তু সে গাছে কোন ফল ছিলনা। ফল ছাড়া ছোট্ট একটা ড্রাগন গাছ দেখেছিলাম। ড্রাগন গাছে কিভাবে ফল ধরে এটাই আমি আপনার ছবির মাধ্যমে প্রথম দেখলাম। ফল গুলো দেখতে খুবই সুন্দর এবং আকর্ষণীয়। কিন্তু খেতে তেমন একটা ভালো লাগে না আমার কাছে। ড্রাগন ফলের বাগান পরিদর্শন করে খুব ভালো একটি সময় কাটিয়েছেন এরপরে আপনাদের ড্রাগন ফল চাষের বাগানের ছবি দেখতে চাই দাদা।
ভাই আপনি ড্রাগন ফলের বাগান পরিদর্শন করেছেন জেনে খুবই ভালো লাগলো। আসলে আমাদের মেহেরপুর জেলায় ও একটা ড্রাগন ফলের বাগান করা হয়েছে। আমি একদিন মেহেরপুরে যাওয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করি । রাস্তার পাশে দেখি সেই বাগানটি দেখে খুবই ভালো লাগছিল। আর আজকে আপনার পোস্ট দেখে কথাটি মনে পড়ে গেল। তবে আরও একটা বিষয় যেনে ভালো লাগলো আপনিও ড্রাগন ফলের বাগান করার পরিকল্পনা করছেন। আপনার কল্পনা পরিপূর্ণভাবে বাস্তবে রূপ নেয় সে প্রত্যাশায় করি। আপনার জন্য অনেক শুভকামনা রইল।
বর্তমানের ড্রাগন চাষ খুবই জনপ্রিয়। সারা পৃথিবীতে এই ড্রাগন চাষ হচ্ছে। ড্রাগন ফল খেতে অনেক সুস্বাদ। তবে সাদা এবং লাল ড্রাগনের মধ্যে লাল ড্রাগনটা খেতে বেশি ভালো লাগে। ভোটের সময় বলে বাগানের মালিক কে না পেলেও আপনাদের নিজের মতো করে তো বাগানটি দেখতে পেরেছেন এটা জেনে ভালো লাগলো ধন্যবাদ আপনাকে।
ড্রাগন ফলের গাছ কখনো দেখা হয়নি আমার।ধন্যবাদ এত সুন্দর একটা বিষয় নিয়ে লেখার জন্য।
ভালো থাকবেন সবসময় এই শুভকামনা রইলো আপনার জন্য।
নিজেরা ড্রাগন ফলের চাষ করবেন,তাই কিছু বাগান পরিদর্শন করেছেন।এতে অনেক বিষয়ে অভিজ্ঞতা লাভ করেছেন নিশ্চয়।ড্রাগন ফল আমি শুনেছিলাম ক্যাকটাস জাতীয় কাটার মধ্যে থাকে।আজকে আপনার পোস্টের মাধ্যমে দেখতে পেলাম।এসকল ফলের বাগান বেশিরভাগ দেখি ইংরেজি হাতের এল আকৃতির ।পোস্টটি ভালো লেগেছে ।ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।