বড়দিনের বিশেষ মুহূর্ত
নমস্কার বন্ধুরা,
আজ বড়দিন। আজ থেকেই বেলা ধীরে ধীরে কমে দিন বড়ো হতে থাকবে তার পাশাপাশি রাত ছোটো হবে। সেই সাথে শীতের প্রকোপও অল্প অল্প করে কমতে শুরু করবে। আজ আবার ক্রিসমাসও। সারা পৃথিবীর খ্রিস্টান ধর্মালম্বী মানুষরা আজকের দিনেই যীশু খ্রীষ্টের জন্মদিন হিসেবে পালন করে থাকেন। যদিও পুরাতন পন্থীরা ২৫ শে ডিসেম্বরের পরিবর্তে ৭ ই জানুয়ারি তারিখকেই যীশু খ্রীষ্টের জন্মদিন বলে মনে করেন। সেসব কথা না থাক।
আজকের বিশেষ দিনে বেশি ইতিহাস না কপচিয়ে আমি গেছিলাম ক্রিসমাস পালন করতে আমাদের পাশেরই এক ব্যাপটিস্ট চার্চে। বলাই বাহুল্য ক্রিসমাস পালন করার থেকে চার্চের কেকের প্রতি আমার বেশি লোভ থাকে 😁।
সকালে অতিরিক্ত কুয়াশা ছিলো তাই তখন বাড়ি থেকে বেরোনোর কথা মাথাতেও আনিনি। বিগত কদিন ধরে জাঁকিয়ে শীত পড়ছে। জানিনা শীতের মাঝামাঝি এসে হঠাৎ করে শীতের গতি প্রকৃতি বদলে হঠাৎ করে ঠান্ডা পড়তে শুরু করলে কি করে। দুদিন আগেও যেখানে দুপুরে ২২-২৪ ডিগ্রি তাপমাত্রা চলছিলো আজ কদিন হলো সেখানে রোদের ঝলকানি মাত্র নেই। শীতের জন্য সকাল সকাল আর বেরোতে পারিনি তাই দুপুরে ঠান্ডা অল্প কমতেই বেরিয়ে পড়লাম। চার্চ আবার অনেকটা দূরে। দুপুর দুপুর বেরিয়েও পৌছাতে সেই বিকেল হয়ে গেলো।
যখন পৌঁছলাম তখন চার্চে ভীড় বলতে গেলে মোটেই ছিল না। আজকের অনুষ্ঠানের জন্য চার্চের বাইরেটা বেশ সুন্দর ভাবে বেলুন দিয়ে সাজানো হয়েছে। ভীড় তুলনামূলক কম থাকায় জুতো খুলে সোজা চার্চে ঢুকে পড়লাম।
চার্চের বাইরেটা যেমন সুন্দর ভাবে সাজানো হয়েছিল চার্চের ভেতরটাও তেমনি খুব সুন্দর ভাবে সাজানো ছিলো। চারিদিকে খুব সুন্দর টুনি লাইট লাগানো। আর তার পাশাপাশি পুরো সিলিং জুড়ে ক্রিসমাসের ডেকোরেশন। সবটা মিলিয়ে ক্রিসমাসের উৎসবমুখর আবহকে অন্য মাত্রা জুড়ে দিয়েছিল।
কিছুক্ষণ চার্চ এর মধ্যেই বসে রইলাম। বসে বসে বাইবেলের বিশেষ উক্তি দেওয়ালে লেখা ছিল সেগুলো পড়তে থাকলাম। তারপর সময় এলো বেরিয়ে যাওয়ার। বেরিয়ে যাওয়ার মুহূর্তে চার্চে থাকা এক কাকু হাতের সামনে কেকের একটা ছোট্ট প্লেট নিয়ে দাঁড়িয়ে পড়লেন।
আমিও সুন্দর দেখে প্লাম কেকের টুকরো হাতে তুলে নিয়ে চার্চ থেকে বেরিয়ে পড়লাম। তারপর হাঁটতে হাঁটতে প্লাম কেকের টুকরো মুখে পুড়ে দিলাম। আহা। মেরি ক্রিসমাস।
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
আমি তো জানি ২২ শে ডিসেম্বর এর পর থেকে আস্তে আস্তে দিন বড় হতে থাকে।যাই হোক চার্চের কেক খাওয়ার জন্য বড়দিন উদযাপন করতে যাওয়া তাই না😜😜।কেক দেখে তো আমারই খেতে ইচ্ছে করছে। আসলেই চার্চের ভিতরে এবং বাহিরে সুন্দর করে সাজানো,আচ্ছা ভিড় নাই কেন😜।
২২ তারিখ থেকেই দিন বড়ো হওয়া শুরু হয় আমাদের।
আমরা বেরিয়ে আসার পরেই লোকের ভীড় হওয়া শুরু হলো। হাঃ হাঃ
আপনি ঠিক বলছেন দাদা আস্তে আস্তে দিন বড় হতে থাকবে এবং রাত ছোট হবে।আর শীতের প্রকোপটাও ধীরে ধীরে কমতে থাকবে।আপনি বড়দিন উপলক্ষে তো বড় দিন পালন করতে গেছেন সেটা ভালো কথা কিন্তু আপনার মেইন টার্গেট তো কেক দেখতেছি।আপনিতো বড়দিন উপলক্ষে অনকে মজা করেছেন অসংখ্য ধন্যবাদ দাদা শেয়ার করার জন্য।
বড়দিনের কেক আমার কাছে দারুন লাগে। 😛
কেকের লোভে এতদূর। যাইহোক শেষমেষ কেক তাহলে পেয়েছিলেন। ভিতরের সাজানোটা খুব সুন্দর লাগছিলো দেখতে। বড়দিনের শুভেচ্ছা রইল দাদা।
দিদি, খাওয়ার জন্য আমি অনেকদূর পর্যন্ত যেতে পারি। খিক খিক।
জি ভাইয়া আমিও শুনেছি আজ থেকে দিন বড় হবে আর রাত ছোট হয়ে আসবে। আমাদের এদিকেও গত দুদিন থেকে অনেক কুয়াশা পড়েছে। সকালের এদিকে অনেক বেশি কুয়াশা পড়ে ঘর থেকে বের হওয়া যায় না। বড়দিন উপলক্ষে অনেক সুন্দর সময় কাটিয়েছেন। তা আমাদের মাঝে শেয়ার করে নেওয়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
কুয়াশার কথা কি আর বলি দিদি। জমে গেছি।
বাহ্ আপনি তো বেশ ভালোভাবেই বড়দিন পালন করেছেন। দেখে বেশ ভালোই লাগছে। এই ভাবেই তো সর্বধর্ম সমন্বয় ঘটে। তাই না? আবার চার্চের থেকে সুন্দর কেকও দিয়েছে সবাইকে খেতে। এই কেক গুলো বোধ হয় ওয়াইনকেক থাকে। কারণ ওই দিন ওয়াইন কেকই জেসাস কে অর্পণ করা হয়। জানি না লোকাল চার্চ গুলো সেটাই করে কিনা। আমার যদিও চার্চে যাওয়ার অভিজ্ঞতা বিশেষ নেই। বড়দিনে কি হয় না হয় কিছুই জানিনা। আপনার এখানে দেখে বেশ ভালো লাগলো।কালকের দিনটা আমিও বেশ ঘুরেফিরে কাটিয়েছি বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে। তার আপডেট কিছুদিনের মধ্যেই দেব।
আমি তো চার্চে কেক খেতেই যাই।
মেরি ক্রিসমাস দাদা।আসলেই ধর্ম যার যার উৎসব সবার।শুনেছি চার্চের এই বড় দিনের কেক নাকি খেতে ভারি মজার।আমার খুব ইচ্ছে আছে একবার চার্চে যাওয়ার। আপনাকে ধন্যবাদ আমাদের সাথে আপনার সুন্দর মুহূর্ত শেয়ার করার জন্য।
প্লাম কেক গুলো আমার তো বেশ মজার লাগে। আহা।
দাদা আমাদের এইখানে তো উল্টো ব্যাপার শীতের প্রকোপ তেমন একটা দেখা যাচ্ছে না। শহরের দিকে শীত একটু কমই মনে হচ্ছে। বড়দিনের দিন আমিও চার্চে গেছিলাম দাদা কিন্তু কেকের টুকরো পাই নি কারণ সন্ধ্যার সময় গেছিলাম তাই বাইরে থেকেই কিনে খেয়েছিলাম।
ইসস। সেড লাইপ। আরেকটু পরে গেলে আমিও হয়তো পেতাম না। কিনে খেয়ে আরো বেশি ভালো হয়েছে।
দাদা আপনি তো ক্রিসমাস পালন করতে গেছেন কেকের লোভে পড়ে,হা হা হা। দাদা ২৫ শে ডিসেম্বরের পরিবর্তে ৭ ই জানুয়ারি তারিখকে যীশু খ্রীষ্টের জন্মদিন পালন করলে আপনার তো লাভ। দুই বারই কেক খেতে পারবেন,হা হাহা। ধন্যবাদ দাদা।
চার্চের কেকের স্বাদ আলাদা 😁