এলোমেলো আলোকচিত্র
নমস্কার,
বন্ধুরা আপনারা সবাই কেমন আছেন? আশা করছি সকলেই ভালো আছেন। ঈশ্বরের কৃপায় আমি বেশ ভালো আছি। আজ আপনাদের সামনে আমি আরো একটি ফটোগ্রাফি ব্লগ নিয়ে হাজির হয়ে গেলাম।
পাতাবাহার, নামটা যেমন সুন্দর দেখতেও তেমন সুন্দর হয়। বর্তমানে সচরাচর দেখা মেলে না। হঠাৎ নজরে আসতেই তাই মন মুগ্ধের মতো দেখতে থাকলাম। ঈশ্বর কতো যত্নেই সৃষ্টি করেছেন, একটুও খুঁত নেই। অনেকদিন পরে পাতাবাহার নজরে আসতেই ছবি না তুলে থাকতে পারলাম না। সুন্দরের সাথে সবার পরিচয় করিয়ে দেওয়ার ইচ্ছেতেই পট করে ছবি তুলে নিলাম।
ইট বালি পাথরের শহরে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে। মাটিতে জায়গা পায়নি তাতে কি হয়েছে ইঁটের গায়ে গজিয়ে উঠেছে। হয়তো পুরনো বাড়ি বলেই এতোদিন ঠাঁই পেয়ে আছে নতুন বাড়ি হলে কবেই উপরে দেওয়া হতো। তথাকথিত সভ্যতার সাথে প্রকৃতির এক অদ্ভুত লড়াই।
জিলিপি ময় দুনিয়া। এক্সপো মেলায় জিলিপির থালা এতো সুন্দর ভাবে সাজিয়ে রাখা ছিলো যে লোভ না লেগে উপায় নেই। যদিও আমি মাত্র দুটো খেয়েছিলাম তবে ভালো জিনিসের গুণ করতেই হয়। জিলিপি গুলো মূলত দুটো গুণ ছিলো। খুবই সরু আর তার সাথে যে মিষ্টির সিরার মধ্যে জিলিপি ভেজে চুবিয়েছিলো তা ছিলো একদম পাতলা। দুইয়ের মিশেলে অনবদ্য।
প্লাস্টিকের সূর্যমুখী ফুল। ফুলটা যে প্লাস্টিকের অথচ সেটা দূর থেকে বোঝবার কোনো উপায় নেই। মেলায় গিয়ে আমার নজরে ফুলটা আসে। আসলে প্লাস্টিকের ঘর সাজানোর এক দোকানে ফুলটা দেখে ঢুকি। প্রথম নজরে ভেবেছিলাম আসল ফুল হবে, কাছে যেতেই ভুলটা ভাঙলো। দেখতে বেশ সুন্দর লাগছিলো তাই ছবি তুলেই নিলাম।
কোলকাতার আকাশে উড়োজাহাজ খুব একটা নতুন জিনিস নয়। যেকোনো ছাদে উঠলে বোঝা যায়, প্রতি পাঁচ মিনিট অন্তর একটা করে উড়োজাহাজ বিমানবন্দরে নামছে। এক দুপুরে ছাদে বসেছিলাম, উদ্দেশ্যে অপূর্ব নীল আকাশ দেখতে। সে সময়েই একটা উড়োজাহাজ যাওয়া দেখলাম, যেটা দূরে আকাশে পাখির মতো লাগছিলো। নীল আকাশে দুইয়ের মিশেলে অপূর্ব লাগছিলো।
সূর্যের আলো পেলেই নিজেকে মেলে ধরা আবার সূর্য্য অস্ত যেতে নিজেকে গুটিয়ে ফেলা। সূর্য্য দেবের সাথে আমাদের জীবনের সংযোগ টাও সেরমই। তার দৌলতেই আমাদের খাবারের যোগান হয়। আমি জীবনের মাহেন্দ্রক্ষণ ছবিটার মাধ্যমে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।
Device: LGE LM-G850
Location: West Bengal, India
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
ভাইয়া আপনার ফটোগ্রাফি গুলো চমৎকার হয়েছে। আসলে ভাইয়া পাতাবাহার গুলো দেখতে অনেক সুন্দর লাগে। তাদের পাতার সৌন্দর্য মানুষকে মুগ্ধ করে দেয়। দাদা জিলাপি গুলো দেখে লোভ লেগে গেল। আসলে নীল আকাশে উড়োজাহাজটিকে পাখির মতো লাগছে। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ দাদা, সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
দাদা, এলোমেলো আলোকচিত্রগুলো দেখে তো মুগ্ধ হয়ে গেলাম। কত যত্ন সহকারে ফটোগ্রাফি করেছেন, যার কারণে প্রতিটি ফটোগ্রাফি অসাধারণ হয়েছে। আর হ্যাঁ দাদা, আপনার পোষ্টে থাকা জিলাপি গুলো দেখে আমারও ভীষণ লোভ হচ্ছে। এত সুন্দর করে জিলাপি গুলো সাজিয়ে রেখেছে শুধু আপনি কিংবা আমি নই, সকলেরই লোভ লেগে যাবে। যাইহোক দাদা, খুবই পারদর্শিতার সাথে, দক্ষ হাতে অসাধারণ কিছু এলোমেলো আলোকচিত্র আমাদের মাঝে তুলে ধরার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
সত্যি দাদা মাটিতে দাঁড়িয়ে থাকার জায়গা হয়তো উদ্ভিদগুলোর হয়নি। তাই তো উঁচু উঁচু দালানকোঠায় নিজের জায়গা করে নিয়েছে। সৃষ্টিকর্তার অপরূপ সৃষ্টি সবসময় সুন্দর এবং নিখুঁত ভাবে তৈরি করা। দাদা আপনার শেয়ার করা ফটোগ্রাফি গুলো অসাধারণ হয়েছে। প্রত্যেকটি ফটোগ্রাফি আমার কাছে ভালো লেগেছে।
দাদা ভাই তো দেখি দারুন কিছু ফটোগ্রাফি করেছেন ৷ প্রতিটি ছবি অস্থির লাগছে ৷ ঠিকি বলেছেন ইট বালির শহরে এখন গাছ হচ্ছে দেয়ালের সাথে ৷ যা হোক প্লাস্টিক সূর্য মুখী ফুল আর শেষ ফুলটি সূর্য্য দেবের সাথে আমাদের জীবনের সংযোগ রেখার ফুলটি দারন ছিল ৷
ভাইয়া প্রতিটি ফটোগ্রাফি চমৎকার হয়েছে। আমার কাছে বিশেষ করে পাতাবাহার এবং কলকাতার আকাশে উড়োজাহাজের ফটোগ্রাফিটি সব থেকে বেশি ভালো লেগেছে। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে দারুন দারুন কিছু ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে উপহার দেওয়ার জন্য। শুভকামনা রইল আপনার জন্য।
ফটোগ্রাফির সাথে বর্ণনাগুলো খুব চমৎকার করে লেখ দাদা, পড়ে একটা আলাদা ভালোলাগা কাজ করে। শেয়ার করা ফটোগ্রাফিগুলো বেশ চমৎকার হয়েছে। পাতাবাহার এর সৌন্দর্য দেখে সত্যিই মুগ্ধ হয়ে গেলাম আর জিলাপি গুলো দেখে খেতে ইচ্ছা করছে। উড়োজাহাজের ছবি দেখে মনে পড়ল দাদা আমাদের বাড়ির ছাদে দাঁড়ালে ৫ মিনিট পরপর এই উড়োজাহাজ গুলো উড়ে যেতে দেখা যায়, বেশ শব্দ করে যায় এইগুলো।