পায়ে পায়ে কলকাতা: পর্ব ৩
নমস্কার বন্ধুরা,
আমি আগে বার দুয়েক ভিক্টরিয়া মেমোরিয়ালের সামনে এলেও ভেতরে কখন ঢুকিনি। আর প্রথম বারের জন্য চারজন মিলে ঢুকেই পড়লাম। বছর দুয়েক আগে ২০২১ সালে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল কিছু পরিবর্তন এসেছে যেখানে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের অন্দরে এখন নেতাজী সুভাষচন্দ্র সংগ্রহশালায় রূপান্তরিত করা হয়েছে। যদিও সেটা ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের স্থাপত্যের কোনো পরিবর্তন ছাড়াই। ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল প্রায় ৬৪ একর জায়গার উপর অবস্থান করছে। মূল গেট থেকে পুরো মেমোরিয়াল পার্কে অনেকগুলো বাগান একটা পুকুর এবং ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের মূল স্থাপত্য রয়েছে, যেটা ঠিক মধ্যখানে অবস্থান করছে। ঢুকেই বাগানের মাঝখান মাঝখান দিয়ে ছোট ছোট পাথরের রাস্তার উপর দিয়ে হেটে পৌঁছে গেলাম একদম মাঝে থাকা ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল এর কাছে।
হেঁটে হেঁটে পাথরের রাস্তার উপরেই অনেক ছবি তোলার পরে শেষ পর্যন্ত যখন মূল স্থাপত্যের সামনে পৌঁছালাম তখন জানতে পারলাম যে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালে ঢোকার জন্য পেছনের একটি রাস্তা রয়েছে সেখান দিয়ে যেতে হবে। রোদে ততক্ষণে আমাদের অবস্থা যথেষ্টই করুন কিন্তু ঠান্ডা জল হাতে থাকায় কিছুটা স্বস্তি পেলাম। অস্বস্তি এতটাই লাগছিল যে কিছুটা দূর হেঁটে গিয়ে আমি এবং সুমনদা একটা গাছের ছায়াতে বসে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালে সৌন্দর্য উপভোগ করছিলাম।
হাতে সময় বিশেষ নেই তাই গাছের ছায়ার মায়া ত্যাগ করে হাঁটতে হাঁটতে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল এর ঠিক পেছন দিকটাই পৌঁছে গেলাম। ভিক্টরিয়া মেমোরিয়ালের ঠিক পেছনদিকে মূলত বিশাল বড় বাগান ও একটি পুকুর রয়েছে। মূলত যারা জুটি আসেন তারা ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের এই পেছন দিকের ফাঁকটাতেই কোন এক গাছের ছায়া তলায় বেঞ্চে বসে থাকে। আমাদের বসবার উপায় নেই আমরা তাই হেঁটে হেঁটে মেমোরিয়ালের পেছন দিয়ে গেটের দিকে এগিয়ে গেলাম।
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
ইস্ কি আফসোস রে । চারজনে চারটে ঝুটি নিয়ে গেলেই তো হয়ে যেত। তাহলে তো গাছের চিপায় বসে কিছুটা বিশ্রাম ও নেওয়া যেত আবার কিছুটা মনও ভরে যেত। কি যন্ত্রণা দাদা বলেন তো এতটা রোদের মধ্যে আবার পিছনের গেইট দিয়ে যাওয়া। কিন্তু যত যাই বলেন ভিকোটারিয়া ম্যামোরিয়াল টি কিন্তু বেশ সুন্দর।
তা তোমরা সিঙ্গেল সিঙ্গেল গেছো কেন...😂 ওখানে তো চারটে জুটি নিয়ে গেলে বেশ ভালোই হতো। তাহলে তোমাদের যা আফসোস ওটা আর থাকত না। আসলে গরমকালে কলকাতা ঘুরে তেমন একটা মজা লাগে না, এজন্য আমি বেরোয় না। শীতকালের দিকে গেলে আমার বেশ ভালো লাগে।
আমরা চারজন গেলাম যে! দল বেঁধে পুরো 😎
কিছু বছর আগে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল এর ভিতরে অনেক কিছু ছিল। তবে বর্তমানে সেটা নেতাজী সুভাষচন্দ্র সংগ্রহশালা হয়ে গেছে এটা আমি কিছুদিন আগে গিয়ে দেখে অবাক হয়েছিলাম। তবে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালে গরমকালে ঘুরতে কেমন জানি কষ্ট হয়। আর নিচে থাকা পাথরগুলোর উপর হাঁটতেও যথেষ্ট কষ্ট। এজন্য শীতকালে এবং অনেক সময় বর্ষাকালে গেলেও ভালো হয় ওখানে।
বেশি রোদের সময় হাঁটাহাঁটি করতে আসলেই খুব খারাপ লাগে। জুটি তো পিছনের দিকেই বসবে দাদা। সামনে বসলে তো কারো কাছে ধরা খাওয়ার সম্ভাবনা থাকে এবং লজ্জাও লাগতে পারে 😂। ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল এর সৌন্দর্য বেশ ভালোই উপভোগ করেছেন। তবে শীতকালে এমন জায়গায় ঘুরতে বেশি ভালো লাগে। যাইহোক পোস্টটি শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ দাদা।