এলোমেলো আলোকচিত্র
নমস্কার,
বন্ধুরা আপনারা সবাই কেমন আছেন? আশা করছি সকলেই ভালো আছেন। ঈশ্বরের কৃপায় আমি বেশ ভালো আছি। আজ আপনাদের সামনে আমি আরো একটি ফটোগ্রাফি ব্লগ নিয়ে হাজির হয়ে গেলাম।
সময় পেলে একসাথে বেশ কিছু ছবি তুলতে আমার ভালো লাগে। আর গুচ্ছের ছবির মধ্যে ঘাটাঘাটি করলে কিছু তো ভালো ছবি বেরিয়েই আসে, তাই নয় কি? সেই সব ছবি নিয়েই আমার আজকের উপস্থাপনা। তার মধ্যে কিছু পুরোনো ছবি আছে তেমনি কিছু নতুন। জনিনা আপনাদের কেমন লাগবে। চলুন শুরু করা যাক।
যেকোনো মেলার সবচেয়ে আকর্ষণীয় বস্তু, তবে বিশেষ কিছু মানুষের জন্যই। নাগরদোলা নিয়ে বাচ্চা থেকে বুড়ো সবার মধ্যেই অমোঘ আকর্ষণ। চড়ার জন্য সবার মন উসখুস করে। আমি আবার না চড়ে দূর থেকে উপভোগ করি। আসলে নীচে দাড়িয়ে দেখতেই আমার বেশি ভালো লাগে। রঙ বেরঙের আলোকে মনে হলো নাগরদোলা যেন নিজেই নিজের আনন্দের বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছে।
বর্ষায় প্রান্তরের যেদিকেই চোখ যায় না কেন সবই সবুজ ময়। সূর্য অস্ত যাওয়ার পরেও যেন অন্ধকার প্রকৃতির সবুজকে ঢেকে রাখতে পারেনি। আর সবুজের মাধুর্য্য হয়তো সেখানেই। সবকিছু ছাপিয়ে বেরিয়ে আসতে পারে এমনকি অন্ধকার ছাপিয়েও।
বসে রয়েছি সেসময় হঠাৎ বেগুনি রং ঝলকানি আমার চোখ টানে। কেন যেন আমার ছোটবেলা থেকেই বেগুনি রঙের প্রতি ভালোবাসা রয়েছে। ভালোবাসা শব্দ হয়তো ঠিক না বেগুনি রঙের প্রতি আমার টান রয়েছে। যেমন বেগুন আঁকতে খুব ভালবাসতাম। বেগুনি রঙের কাছে গিয়ে দেখিয়ে একটা খুব সুন্দর খাসের মধ্যে ফুল ফুটে আছে। দূর থেকে বোঝার উপায় নেই। বেগুনি রঙের ফুল দেখেই আমি ছবি তুলে নিলাম।
প্রজাপতির ডানার নকশা খুবই সুন্দর দেখতে হয়। আর ডানা সুন্দর লাগে বলেই হয়তো প্রজাপতিরা আমাদের কাছে আসে না। কারণ কাছে আসলেই তাদের প্রাণ যাওয়ার প্রবল সম্ভবনা। আর মানুষ হয়তো জীব জগতে নিজের অবস্থান সেরকমই তৈরি করে ফেলেছে।
পিকনিক শেষ হওয়ার পর খুব ঠান্ডায় আমরা জড়োসড়ো হয়ে গেছিলাম। আসলে পিকনিক শেষ হতে বেশ খানিকটা রাত হয়েই গেছিলো তার সাথে তখন বছরের শীতলতম সময় চলছিলো। রীতিমতো হাড় কাঁপানো ঠান্ডা। তাই পিকনিক শেষ করেই সবাই মিলে দাঁড়ালাম উনুনের পাশে। গুনগুনে আগুনের কাছে দাঁড়িয়ে কিছুটা উষ্ণতা ফিরিয়ে আনার জন্য। কাঠের আগুনে একটা অদ্ভুত সৌন্দর্য আছে সেটা উনুনের পাশে থেকে আরো ভালোভাবে বুঝতে পারলাম।
কৃষকরা সকলে মোটামুটি জানেন যে ভালো পরিমাণে ঠান্ডা না পড়লে সর্ষের ফুল ফোটে না। আবার অনেক সময় সর্ষের ফুল ফুটলেও পর্যাপ্ত ঠান্ডার অভাবে সর্ষের দানা হয় না। সেজন্য ভালো শীত কৃষকের কাছে অনেকটা বরদানের মত। কুয়াশাচ্ছন্ন দিনের সূর্যাস্ত তাই হয়তো আসন্ন ফসলের কিছুটা আগাম আভাস কৃষকদের দিয়ে যায়।
Device: LGE LM-G850
Location: West Bengal, India
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
ঠিকই বলেছেন ভাইয়া ফটো তুলতে তুলতে যখন অনেক ফটো হয়ে যায় তার মধ্যে থেকে ভালো ফটো বের করে নেওয়া খুবই সহজ হয়।।
অসাধারণ কিছু ফটোগ্রাফি আমাদের মাথায় তুলে ধরেছেন খুবই ভালো লাগলো। এটা ঠিক যে একটি মেলার আকর্ষণীয় তা নির্ভর করে নাগরদোলার উপর। নাগরদোলা উঠে আমার খুবই ভালো লাগে। প্রজাপতি এবং সবুজ প্রকৃতির ফটোগ্রাফি কিন্তু অসাধারণ ছিল।।
দাদা ভালো কিছু ফটোদেখলে অবশ্যই ভালো লাগে।আপনার ফটোগ্রাফি গুলো চমৎকার হয়েছে। আপনি ঠিক বলেছেন প্রজাপতির ডানার নকশা অনেক সুন্দর হয়। আর শীতের সময় উনুনে আগুন পোহানো অনেক ভালো লাগে। কুয়াশাচ্ছন্ন দিনের সূর্যাস্ত সত্যি কৃষকদের সূর্যের আভাস দিয়ে যায়। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করার জন্য।
আমার কিন্তু বেগুনি রং খুব বেশি একটা পছন্দ হয় না। জামা কাপড়ের ক্ষেত্রে তো একেবারেই না। যাই হোক তোমার সবগুলো ফটোগ্রাফি খুব সুন্দর হয়েছে। তার ভিতরে নাগরদোলা এবং বেগুনি রঙের ফুলটা দেখতে অনেক বেশি সুন্দর লাগছে তবে বাকিগুলোও বেশ ভালো ছিল।
তবে কি জানো তো নির্মাল্য দা, নাগরদোলা মেলার সবথেকে আকর্ষণীয় জিনিস হলেও আমার কাছে ভয়ের বস্তু। নাগরদোলা দেখলে আমি তার ধারে কাছেও যাই না।
বর্ষার প্রান্তরের সবুজময় দৃশ্যের ফটোগ্রাফিটি দেখে আমি মুগ্ধ হয়ে গেছি দাদা। বিশেষ করে এই ফটোগ্রাফিটির জন্য ফটোগ্রাফার অফ দা উইক অ্যাওয়ার্ড দিতে ইচ্ছা করছে তোমাকে। অন্যান্য শেয়ার করা এলোমেলো ফটোগ্রাফি গুলোও যথেষ্ট ভালো হয়েছে । কিছুদিন আগে মেলায় গিয়ে আমিও নাগরদোলার ফটোগ্রাফি করেছিলাম দাদা। নাগরদোলার অতিরিক্ত আলোর কারণে ফটো কিছুটা ঘোলা আসে এক্ষেত্রে ব্রাইটনেস কমিয়ে ফটো তুললে বেশি ভালো আসে।