পায়ে পায়ে কলকাতা: পর্ব ১০
নমস্কার বন্ধুরা,
ক্লোরাইটের অবলোকিতেশ্বর মূর্তি দেখবার পরে সামনে এগিয়ে যেতে পেয়ে গেলাম একবিংশ শতাব্দীর আরো কিছু ব্যাসল্ট পাথরের তৈরি মূর্তি। যে মূর্তিগুলোর মধ্যে অন্যতম যে দুটো মূর্তি ছিল তা হল মৈত্রী এবং তারার মূর্তি। একবিংশ শতাব্দীতে ভারতীয় পুরাতত্ত্ব যে কতটা উৎকর্ষ ছিলো সেটা যেন ভারতীয় জাদুঘরের এই অংশগুলোয় প্রকৃষ্ট উদাহরণস্বরূপ। যত এগিয়ে যাচ্ছি ততই যেন বিভিন্ন ধরনের পাথরের তৈরি মূর্তি দেখে আশ্চর্য হতে হচ্ছে।
প্রথমে যে মূর্তিটি আমরা দেখে নেব তা হল মৈত্রেয়ীর। মৈত্রেয়ী ছিলেন প্রাচীন ভারতের বৈদিক যুগের একজন প্রসিদ্ধ দার্শনিক। তিনি ছিলেন সনাতন ধর্মের অন্যতম ধর্মগ্রন্থ বেদের সংস্কৃত ব্যাখ্যাকর্ত্রী। সেজন্য বৈদিক যুগে তার স্থান ছিল অনেক উচ্চস্তরে। সেই মহিয়সীর মূর্তি আমি কলকাতা জাদুঘরে দেখতে পাব সেটা কল্পনাও করিনি। তা দেখে আমি যেমন আশ্চর্য হয়েছিলাম তেমনি ভালো লেগেছিল। বিহারের কুরকিহারে পাওয়া একাদশ শতাব্দীর এই মূর্তিটিতে যেন ভারতীয় বৈদিক যুগের এক অদ্ভুত ছোঁয়া লেগেছিল।
আশ্চর্য হওয়ার পালা যেন শেষ হয়নি। বৈদিক যুগের আরো এক নিদর্শন পেলাম তার পরের মূর্তিটিতে যেটি ছিল দন্ডায়মান তারার। একাদশ শতাব্দীর পাওয়া এই মূর্তিটিও ব্যাসলট পাথরেই তৈরি।
তারপরে পেয়ে গেলাম একবিংশ শতাব্দীতে বিহারে পাওয়া আরও একটি অবলোকিতেশ্বরের মূর্তি। যদিও অন্যান্য অবলোকিতেশ্বর মূর্তি থেকে এটা ছিল একটু ভিন্ন। কারণ এতক্ষণ যেসব অবলোকিতেশ্বর মূর্তি দেখেছিলাম তার সবই ছিলো দন্ডায়মান রূপে কিন্তু এখানে অবলোকিতেশ্বর ছিলেন বসায়মান।
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |