আদি ঢাকেশ্বরী বস্ত্রালয়ে
নমস্কার বন্ধুরা,
দূর্গা পুজোর সপ্তাহ খানেক আমি আমার পুজোর জামা কাপড় কিনি। অথচ মহিলাদের দেখি তারা পুজোর তিন মাস আগে থেকে বাজার করা শুরু করেন। যেগুলো থেকে আমি একদমই দূরত্ব বজায় রাখি কারণ আমি যতবার মহিলাদের সাথে জামা কাপড়ের বাজার করতে গিয়েছি ততবারই বসে বসে বোর হওয়া ছাড়া আর কিছু হয়নি। জামা পছন্দ হলে পায়জামাটা পছন্দ হয় না শাড়ি পছন্দ হলে শাড়ির আঁচল পছন্দ হয় না, সে মহা কান্ড দেখি। সেই জন্য আমি যখনই দেখি দিদি বা মা তাদের সাথে জামাকাপড় কিনতে যেতে বলছে আমি সব সময় সেখান থেকে বেরিয়ে আসার উপায় খুঁজি। কিন্তু বারবার তো আর সেটা হয় না।
আমার এক পরিচিতর কাপড় কিনে পছন্দ হয়নি তারপর সেগুলো বদলানোর জন্য অন্য কাউকে না পেয়ে শেষে আমাকেই বললো। আমাকেও বাধ্য হয়ে যেতে হলো তাও আবার কলকাতার নামকরা কাপড়ের দোকান ট্রাইঙ্গুলের পার্কের আদি ঢাকেশ্বরী বস্ত্রালয়ে। দোকানটিতে আমি কখনো যায়নি কারণ পুরো দোকানটাই মহিলাদের শাড়ি, তাছাড়া সেখানে আমার খুব একটা যাওয়ার প্রয়োজন হয় না। বিকেল বিকেল চলে গেলাম। আর দোকানটা খুঁজে পেতে সমস্যা হলো না। রাস্তার পাশে বিশাল বড় দোতলা দোকান।
ঢুকেই আমি বললাম কিছু জামাকাপড় রদবদল করাবো। সেই শুনে দোকানের স্টাফ অল্প একটু ভুরু কুঁচকালো বটে কিন্তু কাচু মাচু করে সে আমার হাত থেকে জামা কাপড় গুলো নিয়েই নিলো। তারপর শুরু হলো আসল খেলা, নতুন জামা কাপড় দেখানো। আমি ভিডিও কল ক্রেতাকে নিলাম, একটা একটা সেই শুরু হলো মাত্র দুখানা জামা পছন্দের পালা।
নানান কাপড় দেখতে দেখতে ঘন্টা খানেকের উপর লেগে গেল পছন্দের পালা। পছন্দ করে দাম মিটিয়ে যখন আদি ঢাকেশ্বরী থেকে বেরোলাম তখন ঘড়িতে বাজে ছটা কুড়ি মিনিট। ততক্ষণে মোবাইলের চার্জ তলানিতে। জানিনা শুধুমাত্র ভিডিও কলিংয়ে পছন্দ করার জন্য সময়টা বেশি লাগলো কিনা। কিন্তু অনেক বাঁচা বেঁচে গেলাম শেষ পর্যন্ত পছন্দটা হয়ে গেল। নইলে আরো একদিন আসা।
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
দাদা মহিলাদের সাথে শপিংয়ে গেলে আসলেই বিরক্ত লাগে। এতো ঘুরাঘুরি করেও যেন পছন্দ হয় না। আবার দুই দিন পরপরই যেন মেয়েদের শপিং করতে হয়। তবুও নাকি জামা কাপড় নেই। তো এতো জামাকাপড় কেনার পর সেগুলো কোথায় যায় সেটাই বুঝি না 😂। যাইহোক অবশেষে কাপড় পরিবর্তন করতে পেরেছেন, এটা জেনে বেশ ভালো লাগলো। পোস্টটি শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।