লাইফ স্টাইল // বিকেলে পুকুরে মাছের খাবার দেওয়ার অনুভূতি
আসসালামু আলাইকুম/আদাব আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধু গন আমি @kibreay001 বাংলাদেশ থেকে বলছি আজ (০৫-১২-২০২৩)
আসসালামু আলাইকুম আমার স্টিম বন্ধু গন আশা করি আপনারা অনেক ভালো আছেন । আপনাদের দোয়ায় আমিও অনেক ভালো আছি। আমি @kibreay001 আমি আজকে আপনাদের মাঝে শেয়ার করতে যাচ্ছি বিকেলে পুকুরে মাছের খাবার দেওয়ার অনুভূতি । আসলে আজকে সকাল থেকে সারাদিন বেশ ব্যস্ত সময় পার করতেছি তাই আপনাদের মাঝে এখনো পোস্ট শেয়ার করতে পারিনি। সকাল বেলায় ঘুম থেকে উঠে প্রথমে বাড়ির কাজের জন্য একটু বাইরে বের হয়েছিলাম। তারপরে বাসায় ফিরে আবারো প্রাইভেটের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলাম। প্রাইভেট শেষ করে আবারও সেখান থেকে কলেজের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলাম। বাড়ি ফেরার পথে আপনাদের মাঝে কিছু সময় যুক্ত হয়েছিলাম। বাড়িতে এসে গোসল শেষ করে খাওয়া-দাওয়া শেষ করে আবারো পুকুরে মাছের খাবার দেওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলাম। বাসায় ফিরতে আবারও প্রায় সন্ধ্যা হয়ে গিয়েছিল। সন্ধ্যায় এসে লেখাপড়া শুরু করেছিলাম তারপরে খাওয়া-দাওয়া শেষ করে কিছুক্ষণ লেখাপড়া করে আবারো আপনাদের মাঝে পোস্ট শেয়ার করার জন্য চলে আসলাম। তবে চলুন আজকের পোস্ট আপনাদের মাঝে শেয়ার করা যাক.......
বিকেল বেলায় যখন মাছের খাবার দিতে গিয়েছিলাম গিয়ে দেখি যেখানে মাছের খাবার দেওয়া হয় সেখানে পুকুরের সব মাছ এসে আগে থেকেই খাবার জন্য অপেক্ষা করছিল। আসলে বিকেল বেলায় পুকুরে মনোরম পরিবেশে সময় কাটাতে বেশ ভালো লাগে। পুকুরের মাছগুলো দেখলে সত্যিই মনো প্রাণ ভরে যায়। প্রায় অনেকদিন পর পর পুকুরে যাওয়া হয় বেশিরভাগ সময় আব্বু পুকুরে যেয়ে থাকে। আসলে আমাদের এই পুকুরে ইনভেস্ট প্রায় সাত থেকে সাড়ে সাত লাখ টাকা আনুমানিক। কিছুদিন আগে পুকুর থেকে মাছ বিক্রয় করা হয়েছে চার লাখ চব্বিশ হাজার টাকার। পুকুরে যাওয়ার পরে আমি অনেক সুন্দর ভাবে ছবি তুলে রেখেছিলাম আপনাদের মাঝে শেয়ার করব বলে।
আসলে আমাদের পুকুর আমাদের বাসা থেকে প্রায় দেড় থেকে দুই কিলোমিটার দূরে। তাই আমি বেশিরভাগ সময় বাইকে করে মাছের খাবার দিতে যাই। মাছের খাবার দিতে যাওয়ার পরে খাবারের বস্তা পুকুরের উপরে রাখার পরে আমি অনেক সুন্দর ভাবে মাছের খাবারের বস্তার ছবি তুলে আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছি। আসলে আগের তুলনায় মাছের খাবারের দাম অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু সেই তুলনায় মাছের দাম ততটা বৃদ্ধি পায়নি। এই এক বস্তা খাবারের ওজন ২০ কেজি। এই খাবারের দাম প্রায় ১৬০০ টাকা। প্রত্যেকদিন তিন বস্তা খাবার দেওয়া হয় এই পুকুরে। সকালে এক বস্তা বিকেলে দুই বস্তা। আনুমানিক এখনো ৫ থেকে ৬ লাখ টাকার মাছ পাওয়া যাবে পুকুর থেকে।
এবার আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছি যখন প্লেটে করে খাবার পুকুরের মধ্যে দিতে ছিলাম তখন খাবার প্লেটের মধ্যে রেখে অনেক সুন্দরভাবে একটি ছবি তুলে শেয়ার করেছি। আসলে খাবারের দানা গুলা গোল গুটির মত। এগুলো হচ্ছে ভাসমান খাবার। আসলে অনেক ধরনের কেমিক্যাল ইউজ করে এই খাবার তৈরি করা হয়। আসলে খাবারের বস্তা খোলার পরেই খাবার দিয়ে বেশ দারুন একটা সুগন্ধি বের হয়। মাছে যখন খাবার গুলা খাই দেখতে কিন্তু তখন বেশ দারুন লাগে।
এবার আপনারা উপরে ছবির দিকে লক্ষ্য করলে দেখতে পারবেন আমি অনেক সুন্দর ভাবে আমাদের পুকুরের মাছের ছবি তুলে আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছি। আসলে আগের তুলনায় পাঙ্গাস মাছ পুকুর থেকে অনেক কমে গিয়েছে। আসলে কিছুদিন আগে পাঙ্গাস মাছ প্রায় অর্ধেকের বেশি বিক্রয় করে দেওয়া হয়েছে। এখন শুধু তেলাপিয়া এবং অল্প কিছু পাঙ্গাস মাছ রয়েছে। মাছগুলো যখন পুকুরের মধ্যে ভেসে ভেসে খাচ্ছিল তখন আমি ছবি তুলেছিলাম আপনাদের মাঝে শেয়ার করব বলে। আসলে দেখতে কিন্তু আমার কাছে বেশ ভালই লাগে। বিকেল বেলায় পুকুরপাড়ে এসে প্রায় প্রত্যেকদিন বসে থাকা হয়। পুকুরে মাছ চুরি হয়ে যাওয়ার ভয়ে পুকুরের মধ্যে কিছু বাশ এবং কুঞ্চি দেওয়া রয়েছে যাতে কেউ জাল দিয়ে মাছ চুরি করতে না পারে।
সবার শেষে আমি আপনাদের মাঝে আমার নিজের সেলফি তুলে শেয়ার করেছি। আসলে পুকুরপাড়ে সময় কাটাতে সত্যি বেশ ভালো লাগে। বিকেল বেলায় সুন্দর এই মনোরম পরিবেশে বন্ধুদের সাথে প্রায় দিন এখানে বসে থাকা হয়। আশা করি পোস্টি আপনাদের সকলের কাছে ভালো লাগবে। সকলের মতামত নিচে কমেন্ট বক্সের মাধ্যমে জানাবেন। সকলের জন্য আমার পক্ষ থেকে শুভকামনা রইল।
আমি মোঃ কিবরিয়া হোসেন। আমি বাংলাদেশ খুলনা বিভাগে মেহেরপুর জেলার গাংনী থানা কামারখালী গ্রামে বসবাস করি। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের সবাইকে জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আমি বর্তমানে দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র। আমার মাতৃভাষা বাংলা। আমি বাংলা ভাষায় কথা বলতে এবং লিখতে অনেক ভালোবাসি। সব থেকে আমি বেশি পছন্দ করি ফটোগ্রাফি করতে। আমি বেশিরভাগ সময় বিভিন্ন জায়গা ঘোরাঘুরি করে থাকি। কয়েকটি শখের মধ্যে আমার প্রধান শখ হচ্ছে ঘোরাঘুরি করা। সংক্ষিপ্ত আকারে আমি আমার নিজের পরিচয় শেয়ার করলাম আপনাদের মাঝে। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের জন্য শুভকামনা রইল।
(১০% প্রিয় লাজুক খ্যাঁক এর জন্য )
VOTE @bangla.witness as witness
OR
আপনাদের ওদিকে সবাই মনে হয় মোটামুটি মাছের চাষ করেন। তুহিন ভাই সহ আরো অনেককে দেখেছি মাছের খামারে খাবার দিতে। যাই হোক মাছের খাবারের এখন অনেক দাম সেই তুলনায় মাছের দাম বৃদ্ধি পায়নি বলছিলেন। আপনার বাবার অবর্তমানে আপনি বেশ দায়িত্বের সাথে পুকুরে খাবার দিয়েছেন। ভালো লাগলো আপনার অনুভূতি মেশানো পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।
ঠিক বলেছেন ভাই আপনি। আমাদের এলাকাতে প্রায় প্রত্যেক মানুষের দুই একটা করে পুকুর রয়েছে। তাই সবাই মোটামুটি মাছ চাষ করে।
বিকেলে পুকুরে মাছের খাবার দেওয়ার মুহূর্তটা পড়ে বেশ ভালই লাগলো। আসলে কিছুদিন আগে আমিও শুনলাম যে মাছের খাবারের দাম অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে কিন্তু সেই তুলনায় মাছের দাম অনেকটাই কমে গেছে। যাইহোক আপনাদের পুকুরে তো দেখছি অনেক মাছ আছে। আশা করি এগুলো একে একে বিক্রি করে অনেক লাভ করতে পারবেন। ধন্যবাদ ভাই আপনাকে বিকেলে পুকুরে খাবার দেওয়ার মুহূর্তটা আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
আপনি ঠিক শুনেছেন ভাই মাছের খাবারের দাম আগের তুলনায় অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে।
অনেক দিন পর এতগুলো মাছ একসাথে দেখলাম দেখে খুবই ভালো লাগলো। আগের পুকুরে মাছের খাবার জিতে যেতাম। যখন সবগুলো মাছ একসাথে এসে খায় তখন মাছগুলো দেখতে খুবই সুন্দর লাগে। ধন্যবাদ মম সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য তোমার পোষ্টের মাধ্যমে অনেকদিন পর একসাথে অনেক মাল দেখতে পেলাম।
ঠিক বলেছেন মামা আপনি সবগুলো মাছ যখন একসাথে এসে খাবার খাই দেখতে বেশ ভালোই লাগে।
https://x.com/GKibreay/status/1732318112735953141?s=20
বাহ!আপনি তো দেখছি অনেক ব্যাস্ত সময় পার করেন সারাদিন। খুব ভালো বাবার কাজে সাহায্য করাটা মাঝে মাঝে।মাছ গুলো আগে থেকেই খাওয়ার জন্য চলে আসে সঠিক সময়ে জেনে বেশ ভালো লাগলো।মাছগুলোর ফটোগ্রাফি খুব ভালো লাগছে দেখে।ধন্যবাদ সুন্দর করে গুছিয়ে পোস্ট টি শেয়ার করার জন্য।
চেষ্টা করি আপু মাঝেমধ্যে বাবার কাছে একটু সাহায্য করার জন্য। এমনিতেই বিকেল বেলায় পুকুরে গেলে বেশ ভালো লাগে মাছের খাবার দিতে।