লাইফ স্টাইল // ছোট ভাই ও বন্ধুদের সাথে রাতে পিকনিকের আড্ডা।
আসসালামু আলাইকুম/আদাব আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধু গন আমি @kibreay001 বাংলাদেশ থেকে বলছি আজ (০২-০৯-২০২৩)
আসসালামু আলাইকুম আমার স্টিম বন্ধু গন আশা করি আপনারা অনেক ভালো আছেন । আপনাদের দোয়ায় আমিও অনেক ভালো আছি। আমি @kibreay001 আমি আজকে আপনাদের মাঝে শেয়ার করতে যাচ্ছি ছোট ভাই ও বন্ধুদের সাথে রাতে পিকনিকের আড্ডা। আসলে পিকনিক করেছিলাম গত কয়েকদিন আগে। সেখান থেকে আমি কিছু ছবি তুলে রেখেছিলাম আপনাদের মাঝে শেয়ার করব বলে। আসলে আজকে সকাল থেকেই বেশ ব্যস্ত সময় পার করতে হচ্ছে তাই এখন পর্যন্ত আপনাদের মাঝে যুক্ত হতে পারেনি। সকাল বেলায় ঘুম থেকে উঠে প্রাইভেটের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলাম। তারপরে রুমে এসে খাওয়া-দাওয়া শেষ করে আবার একটু বাইরে বের হয়ে আসলাম। তারপরে মেসে ফিরে দুপুরবেলায় গোসল শেষ করে খাওয়া-দাওয়া শেষ করে আপনাদের মাঝে যুক্ত হয়েছি। তবে চলুন আজকের পোস্ট আপনাদের মাঝে নিচে ধাপে ধাপে শেয়ার করা যাক......
আসলে যখন রান্না করতে ছিলাম তখন আমি বেশ ব্যস্ত ছিলাম তাই তখন কোন ছবি তুলতে পারছিলানা ।আপনাদের মাঝে আসলে এই বিষয়ে আমি অনেক আগেই আপনাদের মাঝে একটি পোস্ট শেয়ার করেছিলাম ফুটবল খেলা নিয়ে। সেই খেলার দিন রাতে আমরা মূলত পিকনিক করেছিলাম। শুধুমাত্র মুরগির মাংস ও খিচুড়ি একসাথে রান্না করা হয়েছিল খেতে বেশ মজাই লেগেছিল। যখন রান্না চলছিল তখন আমরা বেশ কয়েকজন বন্ধু মিলে বাইরে গিয়েছিলাম একটা কাজের উদ্দেশ্যে । খাওয়া-দাওয়ার কিছুক্ষণ আগে এসে খাওয়া-দাওয়া করেছিলাম। উপরের ছবি দেখে লক্ষ্য করলে দেখতে পারবেন আমাদের বড় ভাই অনেক সুন্দরভাবে খাবার পরিবেশন করছে তখন আমি অনেক সুন্দর ভাবে একটি ছবি তুলে রেখেছিলাম আপনাদের মাঝে শেয়ার করব বলে।
এবার আপনার উপরের ছবির দিকে লক্ষ্য করলে দেখতে পারবেন। বড় ভাই যখন আমার প্লেটে খাবার দিয়েছিল তখন আমি অনেক সুন্দরভাবে একটি ছবি তুলেছিলাম। কথা বলা মাত্রই বড় ভাই অনেক সুন্দরভাবে হেসে দিয়েছিল। আসলে বড় ভাই সবসময় বন্ধুর মত আমাদের সাথে চলাফেরা করে। আসলে আমরা বেশ সুন্দর সময় কাটাই বড় ভাইয়ের সাথে। বড় ভাইয়ের নাম হচ্ছে মোঃ আশিক । এবার বড় ভাই ইন্টার ফাইনাল পরীক্ষা দিচ্ছে। আসলে পরীক্ষা শেষে বড় ভাইয়ের সাথে প্রায় প্রত্যেক দিনই কথা হয় পরীক্ষা বেশ ভালই হচ্ছে।
আমি সেখানে অনেকগুলো ছবি তুলেছিলাম তখন আমার বন্ধু বলছিল বন্ধু তুমি সবার ছবি তুললে আমার ছবি তুলছোনা। তাই আমি কিছুক্ষণের মধ্যে আমার বন্ধুর পাশে গিয়ে অনেক সুন্দর ভাবে বন্ধুর ছবি তুলেছিলাম নাহলে হয়তো বন্ধু রাগ করতে পারে। আসলে আমার এই বন্ধু অনেক খেতে পারে মানুষ হিসাবেও বেশ ভালো একজন মানুষ। আমরা তিনজন মিলে যেই পরিমাণ খাবার খায় আমার এই বন্ধু একাই সেই পরিমাণ খাবার খায় বন্ধুর নাম হচ্ছে ফারুক। আসলে বন্ধুর সাথে আমরা সবাই অনেক আনন্দ করে থাকি। সেই পিকনিকের রাতেও বেশ মজা করেছিলাম।
তার কিছুক্ষণ পরে আমি আমার প্লেটের ছবি তুলে আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছি। আসলে প্লেটের দিকে তাকালে লক্ষ্য করতে পারবেন অনেক খিচুড়ি এবং কয়েক পিস মুরগির মাংস আছে। আসলে এগুলো যদি সব একসাথে দিয়ে রান্না করা যায় খেতে বেশ ভালোই লাগে। যেহেতু মেসে থাকি এমন পিকনিক প্রায় প্রতিনিয়তই করা হয়ে থাকে। আসলে সেই রাতে সবাই মিলে আবার কোক খেতে গিয়েছিলাম বাইরে। তখন দেখি দোকান বন্ধ করে দিয়েছে তারপরে বাড়িওয়ালাকে ডেকে দোকান খুলে কোক নিয়ে এসে খেয়েছিলাম।
খাওয়া-দাওয়া শেষে যেহেতু আমরা রান্না সময় থাকতে পেরেছিলামনা। তাই প্লেট এবং হাড়ি ধোয়ার দায়িত্ব আমাদের পাঁচজনের ওপর এসে পড়েছিল। আমরা সবাই মিলে কলের পাড়ে গিয়ে যখন দাঁড়িয়ে ছিলাম তখনই দেখি ছোট দুই ভাই হাড়ি এবং প্লেটগুলো ধরছিল। তখন আমি আমার মোবাইলের ফ্ল্যাশ ধরেছিলাম তারা সবগুলো অনেক সুন্দরভাবে ধুয়েছিল। সে রাতে হাড়ি এবং প্লেট পরিষ্কার করে রাখার পরে ঘুমানোর উদ্দেশ্যে রুমে এসেছিলাম। রুমে এসে ঘুমাতে ঘুমাতে প্রায় রাত তিনটা বেজে গিয়েছিল। আসলে সেই দিন সকালে উঠে প্রাইভেটে যেতে অনেক কষ্ট হয়েছিল আমার।
যখন সবার প্লেটে খাবার দেওয়া শেষ হয়ে গিয়েছিল তখন সবাই খাওয়া শুরু করেছিল। যখন সবাই মনোযোগ দিয়ে খাচ্ছিল তখন আমি অনেক সুন্দর ভাবে আমার নিজের ছবিসহ একটি সেলফি তুলে আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছি। আসলে আমি যে কোন পোষ্টের নিচে আমি আমার নিজের ছবি দিতে অনেক বেশি পছন্দ করি। আসলে সেই দিন খিচুড়ি গুলো খেতে বেশ ভালো লেগেছিল আমার কাছে। খিচুড়ি রান্না করেছিল আমাদের এক ছোট ভাই বেশ ভালো রান্না পারে। আশা করি পোস্টে আপনাদের সকলের কাছে ভালো লাগবে। সকলের মতামত নিচে কমেন্ট বক্সের মাধ্যমে জানাবেন। আপনাদের সকলের জন্য আমার পক্ষ থেকে শুভকামনা রইল।
আমি মোঃ কিবরিয়া হোসেন। আমি বাংলাদেশ খুলনা বিভাগে মেহেরপুর জেলার গাংনী থানায় কামারখালী গ্রামে বসবাস করি। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের সবাইকে জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আমি বর্তমানে একাদশ শ্রেণীর ছাত্র। আমার মাতৃভাষা বাংলা। আমি বাংলা ভাষায় কথা বলতে এবং লিখতে অনেক ভালোবাসি। সব থেকে আমি বেশি পছন্দ করি ফটোগ্রাফি করতে। আমি বেশিরভাগ সময় বিভিন্ন জায়গা ঘোরাঘুরি করে থাকি। কয়েকটি শখের মধ্যে আমার প্রধান শখ হচ্ছে ঘোরাঘুরি করা। সংক্ষিপ্ত আকারে আমি আমার নিজের পরিচয় শেয়ার করলাম আপনাদের মাঝে। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের জন্য শুভকামনা রইল।
(১০% প্রিয় লাজুক খ্যাঁক এর জন্য )
VOTE @bangla.witness as witness
OR
https://twitter.com/GKibreay/status/1697889115378008472?s=20
সবাই মিলে এরকমভাবে একত্রে একসাথে ভুরিভোজ সত্যি অসাধারণ।
রান্না যেটাই হোক খাবার যেরকমই হোক না কেন সবাই মিলে একসাথে অনেক আনন্দ করা যায় ।
নিশ্চয় অনেক মজা করেছেন সেই সাথে মজার খাবার খেয়েছেন।
আপনার পোস্টটি দেখে পুরনো দিনের কথা মনে হয়ে যাচ্ছে এরকমভাবে কত পিকনিক করেছি।
ঠিক বলেছেন ভাই আপনি সবাই মিলে একসাথে পিকনিক করলে খেতে বেশ মজাই লাগে।
বন্ধুদের সাথে এরকম খিচুড়ি পার্টি করলে দারুন লাগে। আপনাদের খাওয়ার আয়োজন দেখে ভালো লাগলো ভাই। একটা সময় আমরাও এধরনের আয়োজন করতাম বন্ধুরা মিলে। আপনার পোস্ট পড়ে পুরনো দিনের কথা মনে পরে গেলো।
ধন্যবাদ ভাই এত সুন্দর ভাবে আপনার কাঙ্খিত মূল্যবান মতামত শেয়ার করার জন্য।
ফুটবল খেলা শেষ করে বন্ধুবান্ধব, গ্রামের ছোট বড় ভাইদের নিয়ে পিকনিকের আয়োজন করেছেন। সেই পিকনিকের মুহূর্তটি আমাদের মাঝে খুব সুন্দর ভাবে তুলে ধরেছেন। মুহূর্তগুলো দেখে আমার খুবই ভালো লাগলো।ধন্যবাদ জানাচ্ছি মুহূর্তগুলো আমাদের মাঝে এত সুন্দর ভাবে শেয়ার করার জন্য।
ধন্যবাদ ভাই এত সুন্দর ভাবে পোস্টি পড়ে আপনার গঠনমূলক মূল্যবান মতামত শেয়ার করার জন্য
আপনি দারুণ একটা বিষয় নিয়ে পোস্ট উপস্থাপন করেছেন। বন্ধুদের সাথে পিকনিক খাওয়ার মজাই আলাদা। আপনারা ফুটবল খেলা শেষ করে পিকনিকের আয়োজন করছেন শুনে খুব ভালো লাগলো। আপনি প্রতিটা ধাপ সুস্পষ্ট ভাবে আমাদের মাঝে বর্নণা দিয়েছেন। আপনাকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই।
ঠিক বলেছেন ভাই বন্ধুদের সাথে পিকনিক করে খাওয়ার মজাই বেশ আলাদা। ধন্যবাদ আপনার কাঙ্খিত মতামত শেয়ার করার জন্য।
ভাগ্নে রাত্রে এ ধরনের পিকনিক কত করেছি তার বলে শেষ করা যাবে না। তোমার এই পিকনিকের আয়োজন দেখে আমার সেই দিনগুলোর কথা মনে পড়ে গেল। আসলে সবাই মিলে এভাবে পিকনিক করে খেতে ভীষণ ভালো লাগে। তোমাদের এ পিকনিক খাওয়া দেখে খুব ভালো লাগলো। ধন্যবাদ এই মুহূর্তগুলো আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
যদি সেই দিনগুলোর কথা আবারও আপনার মনে পড়ে যায় তাহলে আবারো বন্ধুবান্ধব নিয়ে পিকনিক শুরু করে দিন মামা।
রাতের বেলায় এইভাবে পিকনিক করার মজাটাই যেন অন্যরকম। আর রান্না যেমনই হোক না কেন খিচুড়ি আর মুরগির মাংস যখন পিকনিক এ সকলে একসাথে খাওয়া যায় তখন যেন সেটা খেতে আরো বেশি মজাদার হয়ে যায়। বড় ভাই যখন বন্ধুর মত তাহলে তো মজাটা আরো বৃদ্ধি পেয়ে গিয়েছিল।
ঠিক বলেছেন মামা আপনি খিচুড়ি আর মুরগির মাংস একসাথে রান্না করলে খেতে বেশ মজাই লাগে।
সবাই মিলে একসাথে খাওয়া দাওয়া করার মজাই আলাদা। খাবারের স্বাদ কম হলেও খুব সুস্বাদু লাগে খেতে। একসময় আমরাও প্রায়ই পিকনিক করতাম কোনো না কোনো বন্ধুর বাসায়। সেই সোনালী দিন গুলো আসলেই খুব মিস করি। কারণ ব্যস্ততার জন্য এখন তেমন একটা সুযোগ হয়ে উঠে না। যাইহোক এতো সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
আসলে ভাই আমি যখন হাই স্কুলে পড়তাম তখন আমিও বেশ কয়েকবার অনেক বন্ধুদের বাড়িতে পিকনিক করেছিলাম । আসলে সেই সময় গুলো বেশ মজায় কাটাতাম আমরা। ধন্যবাদ এত সুন্দর গঠনমূলক মতামত শেয়ার করার জন্য।