ব্যাংকার গার্লফ্রেন্ড // নাটক রিভিউ
আসসালামু আলাইকুম/আদাব আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধু গন আমি @kibreay001 বাংলাদেশ থেকে বলছি আজ (২২-০৭-২০২৩)
| নাটকের নাম | ব্যাংকার গার্লফ্রেন্ড |
|---|---|
| পরিচালক | এস কে শাহেদ আলী পাপ্পু |
| অভিনয় | জোভান, তানজিন তিশা |
| দৈর্ঘ্য | ৪৬ মিনিট ৪২ সেকেন্ড |
| ভাষা | বাংলা |
| মুক্তির তারিখ | ২৬ আগস্ট ২০২১ ইং |
প্রথমে আপনার উপরের ছবির দিকে লক্ষ্য করলে দেখতে পারবেন নায়কা এবং নায়ক একটি জায়গায় গিয়েছিল সেই জায়গায় গিয়ে দুজন ধাক্কা খেয়েছিল সেখান থেকে তাদের দুজনের মধ্যে চেনা পরিচয়। নায়ক নায়কার সাথে ধাক্কা খাওয়ার পর হাত থেকে মোবাইল এবং চশমা পড়ে গিয়ে দুটাই ভেঙে যায়। এজন্য নায়ক অনেকক্ষণ নায়কাকে কথা শোনাতে থাকে। নায়ক বলে আপনাদের এই জেনারেশনের মেয়েরা একটু এরকম সব সময় ফোন ইউজ করে। নায়কা তখন বলেছিল আমি যদি এই জেনারেশনের হয় আপনি কি আদিম জেনারেশনের মানুষ। নায়কের হাত থেকে একটা বই পড়ে গিয়েছিল সেই বইটা নায়কা তুলে তার নিজের হাতে রেখেছিল নায়ক যাওয়ার সময় তার হাত থেকে বইটা কেড়ে নিয়ে চলে যায়। সেখান থেকে তারা দুজনই চলে যায় নায়কা বাসায় ফেরার পরে এই কথাটি বারে বারে ভাবতে থাকে। তার রুমমেট তাকে কফি বানিয়ে দেয় এবং কফি খাওয়ার সময় সে আনমনা হয়ে থাকে তখন সে বলে লাভ লাভ ভাব নাকি। আসলে এখনকার ইয়াং জেনারেশন এর জন্য নাটকটি বেশ রোমান্টিক নাটক।
তারপরে নায়ক তার নিজ বাসায় ফেরে এবং তার সাথে একটি তার বন্ধু থাকতো তার বন্ধুর কাছে ভাঙ্গা ফোনটি সারাতে দিয়েছে। নায়কের সেই বন্ধু সারা ঢাকা শহর খোঁজার পরে তার সেই ভাঙ্গা ফোনটি সারতে পারে। বাসায় ফেরার পরে সেই বন্ধু বলছে তোমারে আদিম যুগের ফোনটার সারার থেকে একটা দামি ফোন কেনা যেত যেই টাকা দিয়ে ফোন সারা হল। তারপরে নায়ক একদিন একটা পার্কে বসে বই পড়তে ছিল সেই পার্কে হঠাৎ আবার নায়কা চলে এসে নায়কের সাথে দেখা। নায়কা গিয়ে নায়কের সাথে কথা বলে এবং নায়ক সেখানে বসতে বলে এর জন্য নায়কা তাকে ধন্যবাদ জানাই। নায়ক বলছিল ধন্যবাদ জানাতে হলে লেক কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান আসলে বেঞ্চ লেক কর্তৃপক্ষের । তারপর নায়কা ফুল দিয়ে নায়কের বিয়ের প্রপোজ দেয়। আসলে নায়কা ব্যাংকে চাকরি করে। কিন্তু নায়ক তখনও লেখাপড়া শেষ করতে পারেনি।
নায়ক এবং নায়কা যখন দুজন বসে সেখানে গল্প করছিল নায়কা বলছিল আজকে আমাকে বিয়ে করতে হবে। নায়ক তখন বলছিল আজকেই বিদেশের যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিলাম আজকে টিকিট কাটলাম আজকে ফ্লাইট। তার কিছুক্ষণ পরেই তারা দুজন কাজী অফিসে এসে বিবাহ সম্পন্ন করে। তারপরে অনেক সুন্দর একটি গান হয়েছিল গানটি বেশ রোমান্টিক একটি গান। তারপরে নায়ক এবং নায়কা বিয়ের মিষ্টি কিনে ছেলে মেয়েদের মধ্যে বিলিয়ে দিয়েছিল তখন আমি অনেক সুন্দরভাবে একটি স্ক্রিনশট মেরেছিলাম। তারপরে নায়কা অনেক সুন্দর ভাবে মিষ্টি নিয়ে তার রুমমেটকে খাওয়াই বলে প্রমোশন হয়েছে নাকি বলে চাকরির প্রমোশন না বিয়ে করে ফেলছি। তারপরে রুমমেট নায়কাকে কংগ্রাচুলেশন জানাই। আসলে বর্তমান সময়ের ছেলে-মেয়েদের জন্য নাটকটি বেশ রোমান্টিক একটি নাটক। আমার কাছেও নাটকটি দেখতে বেশ ভালো লেগেছে।
নায়ক এবং নায়কা দুজনই ঢাকা শহরে থাকতো নায়ক সেখানে লেখাপড়া করতে এবং নায়কা ব্যাংকে চাকরি করতো। নায়কা কিছুদিন পর পরে নায়কের বাসাতে গিয়ে রান্না করে দিয়ে আসতে এবং দুজন বেশ কিছুক্ষণ গল্প গুজব এবং আড্ডা দিতে সেখানে। এভাবেই তাদের বেশ কিছুদিন কেটে যায়। তার কিছুদিন পরে নায়কার হঠাৎ শরীর খারাপ হতে শুরু করে। নায়ক ডাক্তার দেখানোর জন্য নায়কাকে বলে। তারপরে হঠাৎ নায়ক এবং নায়কা আবারো একদিন একটা ব্রিজের উপরে দেখা করে। নায়কা বলে চাকরির জন্য আমাকে একটু ঢাকা শহরের বাইরে যেতে হবে বেশ কয়েকদিন। তাই তোমার সাথে হয়তো কয়েকদিন দেখা হবে না। কিন্তু আমি ঢাকাতে ফিরে দুজন মিলে আবারো রাজশাহীতে ফিরব আমরা এই কথা বলে। এই বলে সেখান থেকে দুইজন দুজনের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে দুজনের গন্তব্যের দিকে ফিরতে থাকে।
আসলে নায়কা তখন ঢাকা শহর ছেড়ে বাড়িতে চলে এসেছিল চাকরির জন্য কোথাও না গিয়ে। আসলে তখন নায়কা জানতে পেরেছিল তার অনেক বড় ধরনের একটা অসুখ হয়েছে। বাড়িতে এসে তার ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত হওয়ার কথা জানায়। তখন নায়কার পেটে সন্তান ছিল। আসলে নায়কারা দুইজন জমজ বোন দেখতে ঠিক একই রকম। নায়কা তখন বলে আমার যদি অপারেশন করে আমি যে বেঁচে যাব এমন তো কোন কথা নেই তাই আমি আমার সন্তানের কথা ভেবে অপারেশন করতে চাচ্ছি না তুই মাকে বোঝা আপু তাই বলছিল। নায়কা সন্তান জন্ম দেওয়ার কিছুদিন পরে মারা যায়। এদিকে নায়ক সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করে কোথাও খোঁজ পায় না। তারপরে একদিন খুঁজতে খুঁজতে হঠাৎ করে নায়কাদের বাসায় চলে আসে। আসার পরে নায়কার জমজ বোনকে দেখে মনে করে তার বউ। তারপরে আস্তে আস্তে সব কিছু জানতে পারে। তারপরে তার ছেলে সন্তানকে কোলের মধ্যে জড়িয়ে ধরে নায়ক কান্নায় ফেটে পড়ে। এই ছিল নাটকের শেষ পর্যন্ত কাহিনী।
বর্তমান সময়ে এই নাটকটি বেশ জনপ্রিয় একটি নাটক। আমার কাছে যতটুকু মনে হয় এই নাটকটির নাম দেয়া হয়েছে ব্যাংকার গার্লফ্রেন্ড এই কারণে নায়কা যেহেতু ব্যাংকে চাকরি করতো এই কারণে নাটকটির নাম দেয়া হয়েছিল ব্যাংকার গার্লফ্রেন্ড । নাটকটিতে দুই বোন জমজ ছিল তাই দেখতে সবথেকে বেশি রোমান্টিক লেগেছিল। শেষের দিকে দুঃখের একটু কাহিনী ছিল নায়কা সন্তান জন্ম দিয়ে মারা যাওয়ার পরে। তার আগের প্রেমের কাহিনী গুলো কিন্তু বেশ রোমান্টিক এবং দারুণ লেগেছিল আমার কাছে। আমার নিজের কাছে এই নাটকটি বেশ ভালো লেগেছে।
এই নাটকটিতে আমি আমার ব্যক্তিগত রেটিং পয়েন্ট দিতে চাই ১০/৯.৮
আমি মোঃ কিবরিয়া হোসেন। আমি বাংলাদেশ খুলনা বিভাগে মেহেরপুর জেলার গাংনী থানায় কামারখালী গ্রামে বসবাস করি। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের সবাইকে জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আমি বর্তমানে একাদশ শ্রেণীর ছাত্র। আমার মাতৃভাষা বাংলা। আমি বাংলা ভাষায় কথা বলতে এবং লিখতে অনেক ভালোবাসি। সব থেকে আমি বেশি পছন্দ করি ফটোগ্রাফি করতে। আমি বেশিরভাগ সময় বিভিন্ন জায়গা ঘোরাঘুরি করে থাকি। কয়েকটি শখের মধ্যে আমার প্রধান শখ হচ্ছে ঘোরাঘুরি করা। সংক্ষিপ্ত আকারে আমি আমার নিজের পরিচয় শেয়ার করলাম আপনাদের মাঝে। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের জন্য শুভকামনা রইল।
(১০% প্রিয় লাজুক খ্যাঁক এর জন্য )
VOTE @bangla.witness as witness
OR
https://twitter.com/GKibreay/status/1682633482055618561?t=f1ygVcGt1Vsj_huL_FRSdg&s=19
খুব চমৎকার একটা নাটক এর রিভিউ করেছেন ভাইয়া। আসলে এখন পড়াশুনার চাপ বা সব মিলিয়ে অনেক বেশি ব্যস্ত থাকি। যার কারণে নাটক মুভি কিছুই দেখা হয় না। তবে ভালো লাগলো আপনাদের রিভিউটি পড়ে ধন্যবাদ।
আসলে আপু আমিও লেখাপড়ার জন্য খুবই ব্যস্ত থাকি তাও চেষ্টা করি সপ্তাহে সাতটি ভিন্ন ধরনের পোস্ট করার জন্য এই কারণে নাটক রিভিউ পোস্ট শেয়ার করা।
জোভান আর তানজিন তিশার নাটক দেখতে আমার কাছে অনেক ভালো লাগে। অনেক দিন হয়েছে নাটক দেখা হয়না। আপনার নাটক রিভিউ পড়ে অনেক ভালো লেগেছে। সময় পেলে অবশ্যই এই নাটক দেখবো। বর্তমানে বাংলা নাটক গুলো দেখতে অনেক ভালো লাগে। ধন্যবাদ সুন্দর একটি নাটক রিভিউ দেওয়ার জন্য।
আসলে আপু নাটকটি সময় পেলে দেখার চেষ্টা করবেন বর্তমান সময়ে নাটকটি আমার কাছে দেখতে বেশ ভালো লেগেছিল।
ব্যাংকার গার্লফ্রেন্ড নাটকটি আমি দেখেছি রোমান্টিক একটি নাটক। তবে নাটকটি দেখে একটু খারাপ ও লাগে। চমৎকার ভাবে আপনি রিভিউ আকারে পোস্ট উপহার দিয়েছেন ধন্যবাদ আপনাকে ভাইয়া।
ঠিক বলেছেন ভাই নাটকটিতে যখন নায়কা ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যায় তখন বেশ খারাপ লাগে।
খুব সুন্দর একটি নাটকের রিভিউ শেয়ার করেছেন ভাইয়া।রিভিউ পড়ে ভালই লাগলো।তানজিন তিশার নাটক গুলো আমার কাছে বেশ ভালো লাগে।যেহেতু জমজ বোন নাটকে ,সেহেতু নিশ্চয়ই আরও ভালো লাগবে।আপনাকে ধন্যবাদ।
ঠিক বলেছেন আপু জমজ বোন হওয়ার কারণে নাটকটি দেখতে সবথেকে বেশি ভালো লেগেছিল আমার কাছে। ধন্যবাদ আপনার মূল্যবান মতামত শেয়ার করার জন্য।
এদের নাটক গুলো কিন্তু আমার খুব। এমনিতেই আমি প্রেম জাতীয় নাটকগুলো বেশি পছন্দ করে থাকি তাই আপনার এই অসাধারণ একটি নাটক রিভিউ করা দেখে যেমন মুগ্ধ হয়েছি, তেমন আরো ভালো লেগেছে নতুন এই নাটকটা সম্পর্কে ধারণা পেতে।
মামা আপনি যদি সময় পান অবশ্যই নাটকটি দেখবেন তাহলে আরও বেশি মুগ্ধ হবেন যেহেতু আপনি প্রেম জাতীয় নাটক দেখতে বেশি পছন্দ করেন তাই এটা আপনার জন্য সবথেকে ভালো নাটক হবে বলে আমি মনে করছি।