কুষ্টিয়া ইসলামিয়া ইউনিভার্সিটি ভ্রমণ
আসসালামু আলাইকুম/আদাব আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধু গন আমি @kibreay001 বাংলাদেশ থেকে বলছি আজ (০৭-০৫-২০২৩)
আসলামু আলাইকুম আমার স্টিম বন্ধু গন আশা করি আপনারা অনেক ভালো আছেন । আপনাদের দোয়ায় আমিও অনেক ভালো আছি। আমি @kibreay001 আমি আজকে আপনাদের মাঝে শেয়ার করতে যাচ্ছি কুষ্টিয়া ইসলামিয়া ইউনিভার্সিটি ভ্রমণ। গতকাল আমি আমার আপু আমার দুলাভাই এবং আমার ছোট খালামণি মোট চারজন বাইকে গিয়েছিলাম কুষ্টিয়া ইসলামিয়া ইউনিভার্সিটি দেখতে। ইসলামিয়া ইউনিভার্সিটি দেখতে যাওয়ার মূল উদ্দেশ্য হলো আমি কখনো কুষ্টিয়া ইসলামিয়া ইউনিভার্সিটি দেখিনি এই জন্য। আরো বেশি যাওয়ার ইচ্ছা ছিলো ইসলামিয়া ইউনিভার্সিটির প্রফেসর আমার মামা। মামা আমাদেরকে বলেছিল ইউনিভার্সিটি দেখতে যাওয়ার কথা। গতকাল বেলা ৯ টার দিকে আমরা কুষ্টিয়া থেকে রওনা দিয়েছিলাম ইউনিভার্সিটি দেখতে যাওয়ার জন্য। আমাদের প্রায় বাইকে ৪০ মিনিট লেগেছে ইউনিভার্সিটিতে যেতে। তবে চলুন নিছে ধাপে ধাপে শেয়ার করা যাক.........
আপনার উপরে ছবির দিকে লক্ষ্য করলে সাদ্দাম হোসেন হল দেখতে পারবেন কুষ্টিয়া ইসলামিয়া ইউনিভার্সিটির। আমরা প্রথমে বাইক নিয়ে যাওয়ার পরে সেখানে গিয়ে কিছু ছবি তুলেছিলাম। পাশে কিছু দোকান রয়েছে সেখান থেকে পানি কিনে খেয়েছিলাম আমরা। দুলাভাই আমাকে বলছিল ইউনিভার্সিটি ভিতরে পুলিশ ক্যাম্পে আমি দুই বছর ছিলাম। দুলাভাই হচ্ছে পুলিশের চাকরি করে। তিনি এখানকার প্রায় সব জায়গায় গিয়েছিল।
এবার আপনাদের দেখতে পারছেন আমরা চারজন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের সামনে দাঁড়িয়ে অনেক সুন্দর ভাবে কিছু ছবি তুলেছিলাম। আপনারা উপরে ছবির দিকে লক্ষ্য করলে দেখতে পারবেন। আসলে জায়গা গুলো বেশ সুন্দর দেখার মত। আমরা যখন গিয়েছিলাম তখন হল থেকে অনেক ছেলে বের হয়ে তাদের ক্লাসের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিল। আসলে সবকিছু দেখে আমার কাছে অনেক ভালো লেগেছিল।
এবার আপনারা দেখতে পারছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের সামনে অনেক সুন্দর একটি পুকুর রয়েছে। পুকুরের সামনে আমার ছোট্ট খালামণি কে দাঁড় করিয়ে রেখে আমি একটি ছবি তুলে আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছি। আসলে আমার দুলাভাই বলছে এখানে আমি অনেক গোসল করেছি। আসলে পুকুরটি দেখতে বেশ দারুন লেগেছিল।
এবার আপনারা দেখতে পারছেন পুকুরের অপর পাশে অনেক সুন্দর একটি খেলার মাঠ রয়েছে। আমি তখন অনেক সুন্দর ভাবে খেলার মাঠের ছবি তুলে আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছিলাম। তখন দেখি আমার মামা ফোন দিয়েছে। মামা আমাকে জিজ্ঞেস করে কোথায় আছো আমি বলেছিলাম আপনাদের ইউনিভার্সিটির ভিতরে আছি। মামা বলে তোমর একটু ঘুরে দেখো আমি একটা কাজ শেষ করে তোমাদের সাথে দেখা করছি । আমি তখন বলেছিলাম আচ্ছা ঠিক আছে মামা।
তারপর আমরা ইসলামিয়া ইউনিভার্সিটির মসজিদ দেখেছিলাম। আসলে মসজিদটি অনেক নিচ থেকে উপরে করা হয়েছে। আসলে মসজিদটি দেখতে আমার কাছে অনেক ভালো লেগেছিল। আমি তখন আমার আপু আর আমার খালামণিকে সিঁড়ির উপরে দাঁড় করিয়ে অনেক সুন্দর ভাবে একটি ছবি তুলেছিলাম। আপনারা উপরের ছবির দিকে লক্ষ্য করলে দেখতে পারবেন।
এবার আপনাদের উপরে ছবির দিকে লক্ষ্য করলে দেখতে পারবেন। আমার মামা এবং আমি আমার আপু ও আমার খালামণি অনেক সুন্দর ভাবে দাঁড়িয়ে একটি ছবি তুলে আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছি। আমরা দাঁড়িয়ে রয়েছে কুষ্টিয়া ইসলামিয়া ইউনিভার্সিটির রাষ্ট্রবিজ্ঞান ডিপার্টমেন্টের ভিতর। আসলে আমার মামা কুষ্টিয়া ইসলামিয়া ইউনিভার্সিটির রাষ্ট্রবিজ্ঞান ডিপার্টমেন্টের প্রফেসর। সেখানে যাওয়ার পর মামা আমাদেরকে নাস্তা দেওয়ার জন্য বলে তারপরে একজন লোক এসে আমাদেরকে নাস্তা দিয়ে যায়। খাওয়া দাওয়া করে আমরা সেখান থেকে বের হয়েছিলাম কিছুক্ষণ পরে।
এবার আপনাদের উপরে ছবির দিকে লক্ষ্য করলে দেখতে পারবেন মামার পাশে একজন দাঁড়িয়ে রয়েছে তিনি হচ্ছে মামাদের ম্যাডাম। তিনি হচ্ছেন কুষ্টিয়া ইসলামিয়া ইউনিভার্সিটির রাষ্ট্রবিজ্ঞান ডিপার্টমেন্টের চেয়ারম্যান। মামা তখন বলে ম্যাডামের স্বাক্ষর না হলে এখানে কেউ রাষ্ট্রবিজ্ঞান ডিপার্টমেন্টে জয়েন করতে পারবেনা। মামা বলে ম্যাডামের স্বাক্ষর এর মাধ্যমে আমি এখানে রাষ্ট্রবিজ্ঞান ডিপার্টমেন্টে জয়েন করেছি।
এবার আপনারা দেখতে পারছেন অনেক ছেলে মেয়ে ক্লাস শেষ করে বাইরে ঘোরাফেরা করছেন এবং খাওয়া-দাওয়া করছে। আসলে আমরা তখন সেখানে কিছুক্ষণ বসে ছিলাম। সেখান থেকে আমরা আনারস এবং অনেক কিছু খাওয়া দাওয়া করেছিলাম। আসলে ভিতরে পরিবেশ অনেক ভালো। আসলে আমাদের কুষ্টিয়াতে যে এত সুন্দর একটি জায়গা আছে আমি আগে জানতাম না। মামা আমাদেরকে বলে দেশ স্বাধীন হওয়ার পরে সর্বপ্রথম বিশ্ববিদ্যালয়।
এবার আপনারা দেখতে পাচ্ছেন তার কিছু সময় পর মামা আমাদের সাথে নিয়ে ইউনিভার্সিটিতে মামার একটি পার্সোনাল রুম রয়েছে সেখানে নিয়ে গেলো। মামা বলে সব শিক্ষকদের একটি করে পার্সোনাল রুম রয়েছে। তারপর সেখানে কিছু ছবি তুলেছিলাম আমরা। উপরে ছবির দিকে লক্ষ্য করে দেখতে পারবেন আমি একটি ছবি আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছি।
সবার শেষে আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছি আমার দুলাভাই একটি সেলফি তুলেছিল আমরা চারজন যখন বাড়ি ফিরতে ছিলাম তার কিছুক্ষণ আগে একটি জায়গায় বসে ছিলাম সেখান থেকে। আসলে জায়গাটি বসার জন্য বেশ ভালো একটি জায়গা। আশা করি পোস্টটি আপনাদের সকলের কাছে ভালো লাগবে সকলের মতামত নিচে কমেন্ট বক্সের মাধ্যমে জানাবেন। সকলের জন্য আমার পক্ষ থেকে শুভকামনা রইল।
| শ্রেণী | ড্রাগন ফলের বাগান ভ্রমণ |
|---|---|
| ক্যামেরা | redmi note 8 , 48mp |
| পোস্ট তৈরি | @kibreay001 |
| লোকেশন | কুষ্টিয়া ইসলামিয়া ইউনিভার্সিটি |
| W3W | https://w3w.co/bring.stumped.patrolled |
আমি মোঃ কিবরিয়া হোসেন। আমি বাংলাদেশ খুলনা বিভাগে মেহেরপুর জেলার গাংনী থানায় কামারখালী গ্রামে বসবাস করি। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের সবাইকে জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আমি বর্তমানে একাদশ শ্রেণীর ছাত্র। আমার মাতৃভাষা বাংলা। আমি বাংলা ভাষায় কথা বলতে এবং লিখতে অনেক ভালোবাসি। সব থেকে আমি বেশি পছন্দ করি ফটোগ্রাফি করতে। আমি বেশিরভাগ সময় বিভিন্ন জায়গা ঘোরাঘুরি করে থাকি। কয়েকটি শখের মধ্যে আমার প্রধান শখ হচ্ছে ঘোরাঘুরি করা। সংক্ষিপ্ত আকারে আমি আমার নিজের পরিচয় শেয়ার করলাম আপনাদের মাঝে। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের জন্য শুভকামনা রইল।
(১০% প্রিয় লাজুক খ্যাঁক এর জন্য )
VOTE @bangla.witness as witness
OR
https://twitter.com/GKibreay/status/1655109065666867202?t=rHbFGGUoSmj2rDFifDWN-Q&s=19
অনেকদিন আগে যখন ছোট ছিলাম তখন কুষ্টিয়া ইসলামী ইউনিভার্সিটি তে ঘুরতে গিয়েছিলাম। ফলে জায়গাগুলো অনেকটাই অচেনা হয়ে গিয়েছে এখন আমার কাছে। আপনার পোস্ট দেখার পরে সেই জায়গাটি পুনরায় যেন মনের মধ্যে ফুটে উঠলো। আসলে ইসলামী ইউনিভার্সিটি মসজিদ টা দেখতে খুবই সুন্দর।
আপনি তাহলে কুষ্টিয়া ইসলামিয়া ইউনিভার্সিটি দেখেছেন মামা জানতে পেরে খুবই ভালো লাগলো। আপনি একদম ঠিক বলেছেন মসজিদটা দেখতে আসলেই খুব সুন্দর ছিল।
মামু অনেক সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করেছ।কুষ্টিয়া ইসলামিয়া ইউনিভার্সিটি ভ্রমণ। অনেক ঘোরাঘুরি করেছ দেখে অনেক ভালো লাগলো। এই আমি কখনো যাইনি কিন্তু দেখে অনেক ইচ্ছে জাগতেছে। ধন্যবাদ অনেক সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করেছেন।
ধন্যবাদ এত সুন্দর মূল্যবান মতামত শেয়ার করে পাশে থাকার জন্য।
সবাইকে নিয়ে ইসলামিয়া ইউনিভার্সিটিতে খুব চমৎকার সময় অতিবাহিত করেছেন। ইসলামিয়া ইউনিভার্সিটির চারপাশের পরিবেশ খুবই সুন্দর। ইসলামিয়া ইউনিভার্সিটি ভ্রমণের অনুভূতি সুন্দর ভাবে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন ধন্যবাদ আপনাকে।
ঠিক বলেছেন ভাই আপনি সবাইকে নিয়ে বেশ চমৎকার সময় কাটিয়েছিলাম কুষ্টিয়া ইসলামিয়া ইউনিভার্সিটিতে। ধন্যবাদ এত সুন্দর মূল্যবান মতামত শেয়ার করার জন্য।
দারুণ ঘোরাফেরা করেছেন ভাইয়া কুষ্টিয়া ইসলামিয়া ইউনিভার্সিটিতে দেখে অনেক ভালো লাগলো। এই ধরনের ইউনিভার্সিটিতে ঘোরাফেরা করলে অনেক কিছু দেখার সুযোগ হয়। আপনার মামা সেখানে চাকরি করে শুনে অনেক খুশি হলাম। তাছাড়া আপনার দুলাভাই কুষ্টিয়াতে পোস্টিং আছে তাহলে তো অনেক কিছু দেখার সুযোগ হলো আপনার। তবে আপনার ভাগ্নের ফটোগ্রাফিটা অসাধারণ ছিল। সবকিছু মিলিয়ে খুব সুন্দর অনুভূতি শেয়ার করলেন। আপনার ফটোগ্রাফির মাধ্যমে অনেক কিছু দেখার সুযোগ হলো।
ধন্যবাদ আপনি এত সুন্দর ভাবে আপনার মূল্যবান মতামত করার জন্য। আসলে পোস্টি আপনার কাছে ভালো লেগেছে জানতে পেরে খুবই ভালো লাগলো আমার। ধন্যবাদ মূল্যবান মতামত শেয়ার করার জন্য।
কুষ্টিয়া ইউনিভার্সিটির ভিউ টা অনেক সুন্দর লাগে আমার কাছে।নিরিবিলি পরিবেশে একদম।আপনারা চারজন মিলে বাইকে করে গিয়েছিলেন ইউনিভার্সিটি দেখতে।যেতে ৪০ মিনিট সময় লেগেছিল আপনাদের।এভাবে করে পরিবারের সাথে ঘুরতে গেলে ভালোই লাগে।আর ইউনিভার্সিটি দেখতে গিয়ে আপনার মনেও এখানে পড়ার আশা জেগেছে নিশ্চয়।এতো সুন্দর একটি ইউনিভার্সিটি তে পড়তে পারলে সেটা অনেক আনন্দের বিষয়।ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।
ঠিক বলেছেন আপু আপনি এখানে যদি পড়তে পারি তাহলে বিষয়টি আরো বেশি আনন্দের হবে।