ডাব পেড়ে খাওয়ার মজার এক ঘটনা।
আসসালামু আলাইকুম/আদাব আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধু গন আমি @kibreay001 বাংলাদেশ থেকে বলছি আজ (১১-০২-২০২৩)
আসলামু আলাইকুম আমার স্টিম বন্ধু গন আশা করি আপনারা অনেক ভালো আছেন । আপনাদের দোয়ায় আমিও অনেক ভালো আছি। আমি @kibreay001 আমি আজকে আপনাদের মাঝে শেয়ার করতে যাচ্ছি ডাব পেড়ে খাওয়ার মজার এক ঘটনা। আপনারা দেখতে পাচ্ছেন যে দুইজন বসে ডাব কাটছে সেই দুইজন হচ্ছে একজন আমার দুলাভাই ও আরেকজন হচ্ছে আমার খালাতো ভাই। মূলত আমরা ডাব পেরেছিলাম আমাদের নানীদের ডাব গাছ থেকে। আমার ছোট মামার বিয়েতে আমরা সবাই নানীদের বাড়িতে গিয়েছিলাম। বিয়ে খেতে গিয়েছিলাম রাত নয়টার দিকে আর বাড়িতে এসেছিলাম রাত বারোটার দিকে । আমার দুলাভাই একটি বুদ্ধি দিল বলল আজ রাতে নানীদের গাছের ডাব খেতে হবে। কিন্তু আমি তখন বলেছিলাম আমি তো ডাব গাছে উঠতে পারি না ভাইয়া। তখন আমার খালাতো ভাই বলল আমি ডাব গাছে উঠতে পারি ভাই আজকে রাত একটার দিকে আমরা ডাব গাছে উঠবো। তারপরে ঠিক একটার দিকে ডাব গাছে উঠে পড়ল আমার খালাতো ভাই। ডাব গাছে ওঠার পরে একটি ডাব পাড়ে পরে সে ডাবটি ঠিক নানীদের ঘরের টিনের উপরে ফেলেছে। তারপরে সবাই চোর চোর বলে চিল্লায় উঠেছে। আমি আর আমার দুলাভাই গাছের নিচে দাঁড়িয়ে রয়েছি। তারপরে বাড়ির ভিতর থেকে নানা বের হয়ে এসে বলে তোরা ডাব খাবি তো দিনের বেলায় পাড়বি রাতে পাড়ছি কে। তারপরে নানা বাড়ি থেকে একটি দড়ি নিয়ে এসে আমাদেরকে দিল। পরে এক কান ডাব পেড়ে আমরা নামিয়ে আনলাম নিচে। নানা বলল যা তোরা কত পারিস খা দরকার হয় আবার কালকে পাড়বি আজকে আর গাছে উঠিস না ।তখন আমি বললাম আচ্ছা ঠিক আছে.........
এবার আপনাদের উপরে ছবির দিকে লক্ষ্য করলে দেখতে পারবেন প্রথমের দিকে তিনটি ডাব কাটা হয়েছে। আসলে আমরা লোক হচ্ছে তিনজন। তাই আমার দুলাভাই একটি করে ডাব কাটছে আর একজনকে করে দিচ্ছে তখন আমরা তিনটি ডাব খাওয়ার পরে অনেক সুন্দর ভাবে ভোগ দিয়ে চেরে ফেলে একটি জায়গায় রেখে ছবি তুলেছিলাম।
এবার আপনাদের উপরে ছবির দিকে লক্ষ্য করলে দেখতে পারবেন ডাবের ভিতরে হালকায়ে নারিকেল হয়ে গিয়েছে। তখন আমার দুলাভাই ডাব তিনটি আমার খালাতো ভাইয়ের কাছে দিল বললো নারিকেল গুলো বের কর। তখন আমার খালাতো ভাই নারিকেল গুলো বের করতেছিল আমি অনেক সুন্দর ভাবে একটি ছবি তুলেছিলাম।
এবার আপনারা দেখতে পারছেন সবগুলো ডাব খাওয়ার পরে একত্রিত করে আমি অনেক সুন্দর ভাবে ছবি তুলে আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছি। আমি এবং আমার দুলাভাই দুটো করে ডাব খেয়েছিলাম। আমার খালাতো ভাই তিনটা ডাব খেয়েছিল। আমরা তিনজন মোট সাতটি ডাব খেয়েছিলাম ওই রাতে। আশা করি আপনাদের কাছে ভালো লাগবে আপনাদের মতামত কমেন্ট বক্স এর মাধ্যমে জানাবেন সকলের জন্য আমার পক্ষ থেকে শুভকামনা রইল।
🤝আমার নিজের পরিচয়🤝
আমি কিবরিয়া ব্লগ। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের সবাইকে জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আমি বর্তমান একাদশ শ্রেণীর ছাত্র। আমার মাতৃভাষা বাংলা। আমি বাংলা ভাষায় কথা বলতে এবং লিখতে অনেক ভালোবাসি।সংক্ষিপ্ত আকারে আমি আমার নিজের পরিচয় শেয়ার করলাম আপনাদের মাঝে। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের জন্য শুভকামনা রইল।
(১০% প্রিয় লাজুক খ্যাঁক এর জন্য )
VOTE @bangla.witness as witness
OR
আপনার দুলাভাই এবং আপনার খালাতো ভাই মিলে ডাব পেড়ে খাবার মজার অনুভূতি শেয়ার করেছেন। সবাই মিলে একসাথে রাতে এভাবে ডাব খেতে খুবই ভালো লাগে। আপনারা দুটি করে ডাব খেয়েছেন কিন্তু আপনার খালাতো ভাই কেন একটি ডাব বেশি খেয়েছে সেটা যদি আমার জন্য পাঠিয়ে দিতেন।
আপু ডাব কুরিয়ার সার্ভিসে পাঠানো সম্ভব না। যদি ডাব খেতে চান তাহলে আমাদের বাড়িতে চলে আসেন আপনাকে অনেক ডাব খাওয়াবো।
রাতের বেলায় ডাব গাছে উঠা একটু রিস্কি তারপরও অনেক মজা হয়। তবে আপনার নানা বেশ ভালো মনের মানুষ যতটুকু বুঝতে পারলাম। তবে আমার কাছে রাতের বেলায় ডাব চুরি করে খাওয়ার মজাটাই বেশি ভালো লাগে। এর আগে একবার আমার মামাতো ভাইদের সাথে ডাব চুরি করে খেয়েছিলাম অনেক মজা হয়েছিল যদিও সেটাও রাত্রিবেলার কথা।
ঠিক বলেছেন ভাই আপনি আমার নানা আমার কাছ থেকেও মনে হয় যে বেশ ভালো মনের একটি মানুষ। তাহলে তো আপনি বুঝেন ডাব চুরি করে খাওয়ার মজাই কি আলাদা।
ডাব দেখে খেতে খুব ইচ্ছে করতেছে। আজ দুই বছর যাবত আমাদের নারিকেল গাছ গুলোতে নারিকেল ধরে না। তাই আর ডাব খাওয়া হয় না। আমাদের এদিকে ডাবের অনেক দাম একটি ডাব ১০০ টাকা থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয় । ডাব খাওয়া অনুভূতি খুব সুন্দর ভাবে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। সবাই মিলে এভাবে ভাগাভাগি করে ডাব খাওয়ার আনন্দ খুবই অন্যরকম । এত সুন্দর পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই।
আমাদের বাড়িতে চলে আসেন ভাই আপনাকে ডাব খাওয়াবো নিজেদের গাছ থেকে পেড়ে।
আপনার ডাব খাওয়ার কাহিনীটা পড়ে বেশ মজা পেলাম। এই রকম পাগলামি ছোট বেলায় অনেক করেছি। কিন্তু আপনারা দুলাভাই চুরি করে ডাব খাওয়ার প্লানটা কিন্তু দারুন ছিল কিন্তু ডাব টিনের চালের উপর পড়াতেই যত বিপত্তি ঘটে গেলো। যাক তারপর ও কিন্তু আপনাদের ভালোই হয়েছে, নিবিগ্নে ডাব খেতে পেরেছেন। তিনজন মিলে সাতটি ডাব খেয়েছেন যার বাজার মুল্য প্রায় সাতশত টাকা।
বেশ দারুন মতামত দিয়েছেন আপনার এত সুন্দর মতামতের জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
বেশ মজার একটি বিষয় শেয়ার করেছেন এত রাতে টিনের উপর ডাব ফেলছন আর চোর চোর বলে বের হয়ে গেছে।আর সবাই চোর ধরার জন্য বের হয়ে গেছে সাথে যদি একটা গণ ধোলাই দিত তাহলে বেশ মজার হতো🤭🤭।শেষে তো সবাই মিলে অনেক ডাব খেলেন এত রাতে।অনেক মজা করেছেন দেখে তো অনেক ভালো লাগলো।
ঠিক বলেছেন আপু রাতে সবাই চোর চোর বলে উঠতে ছিল। পরে নানা গাছের নিচে এসে দেখে আমরা তিন ভাই দাঁড়িয়ে ডাব পারছি।
কি ব্যাপার ভাগ্নে, আজকাল ডাব পেড়ে খাওয়া ধরেছ নাকি? নিজের দুলাভাইয়ের খালাতো ভাই মিলে অন্যের গাছের ডাব পেড়ে খেয়েছ। ডাবওয়ালা যদি ধরতে পারতো তাহলে কি হতো তোমাদের। যাহোক ভাগ্নে আসলে এই বয়সের লোকের কাছে ডাব রেখা আর মজাই আলাদা আমারও এক সময় এ ধরনের কাজ অনেক করেছি। তবে রাতের বেলায় গাছে ওঠা একটু বিপদজনক। তবে তোমরা ওই রাত্রে যে কতটা মজা করেছিলে সেটা আমি খুব ভালোভাবে বুঝতে পাচ্ছি। কারণ ওই দিনটা আমরা পার করে এসেছি।
ধন্যবাদ মামা এত সুন্দর ভাবে আপনার মূল্যবান মতামত শেয়ার করার জন্য।
সবারই দেখি ডাব নিয়ে মজার কিছুনা কিছু থাকবেই।আমিও এমন একবার ডাব পাড়তে গিয়ে বিপদে পড়েছিলাম।তবে আপনারা ডাব চুরিতে দক্ষ হতে পারেন নি। কিন্তু সব শেষে ডাব খাওয়ার ইচ্ছা পূর্ণ হয়েছে।মজা পেলাম গল্পটি পড়ে।ধন্যবাদ ভাইয়া শেয়ার করার জন্য।
ধন্যবাদ ভাইয়া এত সুন্দর ভাবে আপনার মূল্যবান মতামত শেয়ার করার জন্য।
তিনজনে মিলে দেখি সাতটি ডাব সাবার করে দিয়েছেন ভাই ! ডাবগুলোর মধ্যে দেখছি হালকা নারকেলও হয়েছে এরকম হালকা নারকেল হলেই ডাবের জল একটু বেশি মিষ্টি হয়। যাই হোক খালাতো ভাই ও দুলাভাইয়ের সাথে ডাব পেড়ে খাওয়ার মজার ঘটনাটি বেশ ভালো লাগলো। এভাবে রাতের বেলায় ডাব পেড়ে খাওয়া বেশ মজাদার। আমি যখন গ্রামে থাকতাম এই কাজগুলোর সাথে পরিচিত ছিলাম কিন্তু বছর পর বছর কেটে গেছে এরকম অনুভূতি নেওয়ার সুযোগ হয় না আর।
ঠিক বলেছেন ভাই আপনি ডাবের ভিতরে হালকা নারিকেল হলে ডাবের পানি খুবই মিষ্টি হয়।