দর্জি পাখির শৈল্পিক গুন এবং অতীতের স্মৃতিচারণ
আমরা আমাদের বাড়ির আশেপাশে প্রতিনিয়তই একটি ছোট পাখির টুনটুন শব্দ শুনতে পাই। পাখিটি টুনটুনি নামে পরিচিত। দেখতে ছোট আকারের অনেক সুন্দর এই টুনটুনি পাখিটি টুনটুন শব্দ করে গাছের পাতায় পাতায় উড়ে বেড়ায়। এটি দেখতে যেমন সুন্দর তেমনি এর কাজ গুলো দেখতেও অনেক সুন্দর। এক নিপুণ শৈল্পিক গুণের কারণে এটি অবশ্য দর্জি পাখি নামেও পরিচিত।
Device Name: Samsung Galaxy J7
Device Name: Samsung Galaxy J7
Device Name: Samsung Galaxy J7
ছোট ছোট গাছপালায় বিশেষ করে ডুমুর পাতায় কিংবা ধানের জমিতে ধান গাছের মধ্যে কিংবা আমপাতায় এই পাখির বাসা দেখতে পাওয়া যায়। এই ছোট পাখিটি তার ধারালো সূচের মতো ঠোঁট দিয়ে বিভিন্ন গাছের পাতার মধ্যে দর্জির কাজ করে নিজেদের বসবাসের জন্য অসাধারণ বাসা তৈরি করে থাকে।
একজন দর্জি যেমন তার দক্ষতা কাজে লাগিয়ে অসাধারণ ভাবে তার শৈল্পিক কাজ করে থাকেন। তেমনি একটি দর্জি পাখি এর দক্ষতা এবং শ্রম দিয়ে একটি নিপুণ কারিগর এর পরিচয় দিয়ে থাকে। এটি এর শৈল্পিক কাজের মাধ্যমে এর শিল্পীকতার পরিচয় বিশ্ব দরবারে তুলে ধরে। কিছুদিন আগে এই দর্জি পাখির শৈল্পিক কাজ অনেক দিন পর দেখার সুযোগ হয়েছে। আমাদের বাড়িতে জানালার পাশে থাকা আম গাছের পাতায় এই পাখির শৈল্পিক কাজ দেখতে পেয়ে আমি বেশ উপভোগ করেছিলাম। এবং সেই সময় কয়েকটি ফটোগ্রাফি করে নিয়েছিলাম।
Device Name: Samsung Galaxy J7
Device Name: Samsung Galaxy J7
Device Name: Samsung Galaxy J7
Device Name: Samsung Galaxy J7
অতীতের স্মৃতিচারণ
এই ধরনের পাখির বাসা দেখলে বেশিরভাগ সময় আমার অতীতের স্মৃতি মনে পড়ে যায়। ছোটবেলা পাখি পালন করার প্রতি আমার অনেক বেশি শখ ছিল। তাই যেখানেই পাখির বাসা খুঁজে পেতাম সেখানে কয়েকদিন ধরে খেয়াল করতাম, কবে পাখিগুলো বাসায় ডিম পাড়ে এবং কখন সেই ডিম থেকে বাচ্চা ফুটায়। তারপর সেই পাখির বাচ্চাগুলো আমি নিয়ে এসে খাঁচার ভিতর পালন করতাম। যদিও এই কাজটি আমার মোটেও ভাল ছিলনা। কিন্তু ছোটবেলা এই জিনিসগুলো আমায় বেশ আনন্দ দিতো। এমনকি সহপাঠীদের কাছ থেকে কিংবা অপরিচিতদের কাছ থেকে বিভিন্ন পাখির ছোট বাচ্চা কিনে আনতাম এবং নিজে বাঁশ দিয়ে কিংবা চিকন তার দিয়ে পাখির খাঁচা বানানোর চেষ্টা করতাম। এবং সেই খাঁচাতে পাখিগুলো পালন করতাম।
যদিও সেই জন্য আমি আমার মায়ের কাছ থেকে অনেক বকুনি শুনতে হয়েছে। তার কারণ হচ্ছে আমি পড়াশোনা ছেড়ে দিয়ে সারা দিন এই পাখিদের পিছনে সময় ব্যায় করতাম এবং সারাদিন পাখির বাসা খুঁজে বেড়াতাম। তাই মাঝে মধ্যে বাড়িতে এসে দেখতাম আমার মা খাঁচা থেকে পাখি গুলো ছেড়ে দিয়েছে। তখন খুব কষ্ট পেতাম এবং কান্নাকাটি শুরু করতাম। যাইহোক এই গুলো কেবলই এখন স্মৃতি।
ধন্যবাদ সকলকে।
অসাধারন ভাই, আমি আগে এমন পাখির ভাসা দেছিনি। ধন্যবাদ আপনাকে।
যাক তাহলে আমার ফটোগ্রাফির মাধ্যমে আমি আপনাকে এরকম পাখির বাসা দেখে দেখাতে পেরেছি। ধন্যবাদ
আপনার অতীতের স্মৃতিচারণ আমার খুব ভালো লেগেছে।আমার অতীতটিও কিছুটা এই রকমই কেটেছে।আমাদের বাড়ির শিউলি ফুল গাছে 3-4 দিন হল একটি টুনটুনি পাখি সুন্দর একটি বাসা বেঁধেছে।তাতে 2 টি ডিম ও পেরেছে।আশা করি দেখাতে পারবো সবাইকে।ধন্যবাদ দাদা।
আমি সত্যি আনন্দিত যে আমার অতীতের স্মৃতিচারণা আপনার কাছে ভালো লেগেছে। টুনটুনি পাখির বাচ্চা সহ কিছু ফটোগ্রাফি আপনার কাছ থেকে দেখার জন্য প্রত্যাশায় রইলাম। ধন্যবাদ
আমি চেষ্টা করবো আপনার প্রত্যাশা পূরণ করার।ধন্যবাদ।
অনেক ভালো লাগলো আপনার ফটোগ্রাফি গুলি দেখে। আমাদের পুরানো বাড়িতে অনেক আম গাছ সেখানে এগুলি দেখেছি অনেক বার। সেই স্মৃতি মনে পড়ে গেলো। অসংখ্য ধন্যবাদ