হারিয়ে যাওয়ার মৃৎশিল্পের সাথে পরিচয়।১০% বেনিফেশিয়াল প্রিয় @shy-fox

হ্যালো বন্ধুরা,,
আসসালামু আলাইকুম। আশা করি আপনারা সবাই অনেক ভালো আছেন। আমি অনেক ভালো আছি।তবে কিছু দিন আগে আমি ভালো ছিলাম না।


আজকে আমি আপনাদের সাথে মৃৎশিল্পের সাথে পরিচয় করতে চলছি।মৃৎশিল্পী হলো বাংলাদেশের প্রচীনতম শিল্প। এই শিল্পকে ঘিরে আমাদেশের নানা ঐতিহ্য রয়েছে।কিন্তু বর্তমান সময়ে এই শিল্প ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে মানুষ যন্ত্রপাতি দ্বাড়া বেশি আসক্ত হয়েছে।বর্তমানে মানুষ দেশের ঐতিহ্য হারিয়ে বিদেশি জিনিসের প্রতি বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে।মৃৎশিল্প যে কতোটা মুল্যবান সেটা আমরা দেশের বাইরে গেলে বুঝতে পারি।কথায় আছে না, দাঁত থাকতে দাতের মর্ম বুঝে না।

IMG20211127124151.jpg

location

IMG20211127124243.jpg
location

হঠাৎ গত কাল আমি কোনো একটা কাজে বাইরে গিয়েছিলাম আমাদের বাজারে। আমি খুবই বাজার যাই। আমাদের বাজাট দুই অংশে বিভক্ত একটা নতুন বাজার আর একটা হলো পুরাতন বাজার। নতুন বাজারের সাথে আমি জড়িত।কিন্তু পুরাতন বাজারের সাথে আমি বেশি পরিচিতি না।কারণ আমি বাড়ির বাইরে খুব কম যাই।কিন্তু কালকে সেখানে যাওয়ার পর আমি সেখানে মৃৎশিল্পের কিছু জিনিস সেখানে দেখতে পাই।সেগুলো আমার কাছে খুব ভালো লাগে।আসলে সেগুলো মাঠে শুকাতে দেওয়া হয়েছে।তারপর আমি ধীরে ধীরে সেগুলো অনুসরণ করে ভেতরের দিকে যেতেই তো আমি অবাক হয়ে যাই।কারণ সেখানে সেই জিনিস গুলো তৈরি করেছে।

IMG20211127124408.jpg
location

IMG20211127124421.jpg

location

আমি আমার বন্ধুকে ফোন করে বলি যে আমি কিছু সময় পর তাদের সাথে দেখা করতেছি।তারপর আমি সেই কারিগরি আংকেলের সাথে কথা বলি।সে আমাকে বলে তারা অনেক বছর ধরে এই কাজ করে আসছে।আমি তাকে বলি আংকেল আমি তো কখনো এই কাজ গুলো করা দেখি নি যদি আমাকে একটু দেখার ব্যবস্থা করে দিতেন তাহলে ভালো হতো। তিনি আমাকে একজনের কাছে নিয়ে গেলেন সেখানে একজন লোকজন লোক মাটি দিয়ে একটি ফুলের টব তৈরি করছেন। আসলে তিনি শুধু একটি চাকা একটি লাঠি আর নিজের হাতের সাহায্যে জিনিস গুলো তেরি করছেন।আমি তো দেখে অবাক। কারণ আমি কখনো এগুলো দেখে নাই।তারপর আমি আংকেলকে বলি যে এগুলো যে এতো বড় করে তৈরি করছেন। সেগুলো ভাঙ্গবে না। তিনি আমার দিকে তাকিয়ে একটু হাসলেন আর বলতেন আমি বিশ বছর ধরে এই কাজ করছি। যদি ভেঙে যাবে তাহলে আমি কিসের কারিগর।

IMG20211127123720.jpg

location

আমি তার সাথে কথা শেষ করে বাইরে চলে আসি। যেখানে তারা তাদের তৈরি করা জিনিসগুলো রোদে শুকাতে দিয়েছে। যেমন, ফুলের টব,মাটির হাড়ি, মাটির ব্যাংক,আগুন জালার ডিয়ার।সেখানে একটি আন্টি আসলে আমি তাকে বলি আন্টি আপনারা যে এতো কষ্ট করে এগুলো তৈরি করেন।মনে হয় এগুলোর দাম অনেক বেশি।তিনি আমাকে একটা কথা বলেন যদি এগুলোর দাম থাকত তাহলে আমরা এই ভাঙ্গা বাড়তে থাকতাম না।আসলেই সেগুলো কম দামে তারা বিক্রি করে ৫ /১০/১৫ টাকা দরে তারা সেগুলো বিক্রি করে।এভাবে তারা কোনো মতো নিজের জীবন বাঁচিয়ে রাখার সংগ্রাম করছে।

তারপর আমি বন্ধুদের সাথে বাড়িতে চলে আসি।

Coin Marketplace

STEEM 0.04
TRX 0.33
JST 0.101
BTC 64166.64
ETH 1812.82
USDT 1.00
SBD 0.38