দাদা আজকের মুভির নামটাই কেমন যেন অদ্ভুত। মুভির নামের মাঝেও রহস্য লুকিয়ে আছে। মায়া সাধারনত ড্রিংক করে গাড়ি চালায়। আর ঐদিন ও তাই করেছে। ড্রিংক করেছে ঠিক আছে। তাই বলে এত স্পিডে গাড়ি চালায়। গাড়ির যত গতি তত ক্ষতি। আর সেটাই হয়েছে। মায়ার গাড়ি জয়রাজের গাড়ির সাথে ধাক্কা লেগে যায়। আর জয়রাজের গাড়িও একেবারে পাহাড়ের খাদের কিনারায় পড়ে গিয়েছিল। যেহেতো মায়ার গাড়ি ধাক্কা লেগেছে সেহেতো তাদের হেল্প করার দরকার ছিল,তাদের কে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার দরকার ছি।। সেটা না করে মায়া গাড়ি নিয়ে চলে এসেছিল। ঐ দিকে। যার ফলে জয়রাজের স্ত্রী মারা যায়। তবে রিতু সেটা ভুলে যায়নি। সে ঠিকই ছলে বলে কৌশলে প্রেমের জ্বালে ফাঁসিয়ে তার মায়ের প্রতিশোধ নিলো। যদি শেষে গিয়ে রহস্যা উন্মোচন হয়েছে তাবে মুভিটা ইন্টারেস্টিং ছিল। আপনাদের দেশের এমরান হাশমি ভাইয়ের মুভি এমনিতেও অনেক সুন্দর হয়। বেচারা সবসময় রোমান্টিক মুডে থাকে। দর্শকদের মাঝে উনার মোটামুটি ভালোই শুনাম আছে। সব মুভির মধ্যেই উনার পার্সোনাল বাড়ি,গাড়ি থাকে। যায়হোক দ্যা বডি মুভিটা কিন্তু দারুন ছিল। অনেক মুভি দেখা যায় না। আপনার রিভিউ পড়ে কিছুটা ধারনা পায়। ধন্যবাদ দাদা।