দাদা আজকে আপনার দূর্গা পুজো ২০২৩ এর পর্ব ২ দেখলাম। সব গুলো মন্ডপের ফটোগ্রাফি অনেক সুন্দর হয়েছে। আসলে যারা এই প্যান্ডেল গুলো তৈরী করে তারা সবাই অনেক দিক খেয়াল রেখেই এগুলো তৈরী করে থাকে। আর সময়ও লাগে অনেক। এর আগে আপনার কয়েকটি ফটোগ্রাফি পোষ্টে দেখলাম এক মাস আগে থেকেই এই প্যান্ডেল গুলো বানানোর কাজ শুরু করে। প্রথমে যেটা বলবো শেঠপুকুর নামের স্থানের প্যান্ডেলটি যেটা ভারতীয় কোর্টের আদলে তৈরী করা হয়েছে। দারুন সব কারোকার্য দিয়ে সাজানো হয়েছে। লাল কালারটা দারুন লাগছে। তারপর রয়েছে স্কুলের মাঠের ওখানের প্যান্ডেলটা যেটা আপনাদের বিখ্যাত একটি মন্দিরের আদলে তৈরী করা হয়েছে। যে মন্দিরটা আমি আলু অর্জনের ডিজে মুভিতে দেখেছিলাম। এটা কারোকার্যও দারুন হয়েছে। প্রত্যেকটা স্টেপে স্টেপে ডিজাইন করেছে। সেখানে আবার ছেলে মেয়েরা নিত্য করে দর্শকদের আনন্দ দিচ্ছিলো। তারপরে আসি আসার সময় যেখানে গিয়েছিলেন। যেখানে লাইন ধরে ভিতরে প্রবেশ করেছিলেন। এখানে দেখলাম সব ধর্মের মানুষের মূর্তি বানিয়ে সাজিয়ে রেখেছে। আবার আফ্রিকার কিছু মেয়েদের নিত্যের মূর্তি বানিয়েছে। বিষয় গুলো দেখে যেটা বুঝতে পারলাম অনেক সময় আর শ্রম দিয়ে এই জিনিষ গুলো তৈরী করতে হয়েছে। সব মিলিয়ে দারুন উপস্থাপনা আর ফটোগ্রাফি দেখলাম। ধন্যবাদ দাদা।