কিছু এলোমেলো ফটোগ্রাফি।।
হ্যালো বন্ধুরা
কেমন আছেন সবাই। আশা করি সবাই অনেক ভাল আছেন। আজকে আবার চলে আসলাম আপনাদের মাঝে। আজকে কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করবো। আমার ল্যাপটপের মধ্যে সংরক্ষন করা প্রচুর ফটোগ্রাফি রয়েছে। চিন্তা করেছি ধীরে ধীরে ফটোগ্রাফি গুলো শেয়ার করবো। যেহেতো সময় ব্যয় করে ফটোগুলো ধারন করেছি সেহেতো আপনাদের মাঝে শেয়ার করা দরকার। চলুন শুরু করি।
বন্ধুরা আজকে বিভিন্ন জায়গার কিছু ফটো শেয়ার করবো। এই ফটো গুলো আমি একদিনে তুলি নাই। যখন যেখানে গিয়েছি যেটা ভাল লেগেছে সেটাই মোবাইলে ধারন করেছি। কেউ যদি এলোমেলো ফটোগ্রাফি শেয়ার করে আমি সেটা যথা সম্ভব দেখার চেষ্টা করি। কারন এক সাথে অনেক কিছু দেখা যায়। এমন অনেক জায়গা রয়েছে যে গুলো আমার পক্ষে সেখানে গিয়ে দেখা সম্ভব নয়। কিন্তুু আমাদের সম্মানিত মেম্বারদের শেয়ার করার মাধ্যমে দেখতে পারি।
আমাদের সম্মানিত বড় দাদা,ছোট দাদা তারপর দিদিরা সিকিম,দার্জিলিং এর অনেক ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছে। আমাদের সম্মানিত এডমিন প্যালেলে কয়েকজন ভাইয়েরা কলকাতা ভ্রমন করতে গিয়ে অনেক ফটোগ্রাফি করেছে। সেই ফটোগ্রাফি গুলো দেখে আমি মুগ্ধ। এমন সব জায়গার ফটোগ্রাফি করেছে যে সব জায়গার দৃশ্য আমি সরাসরি গিয়ে দেখতে পারবো কি না জানি না। তাদের মাধ্যমে দেখার সৌভাগ্য হয়েছে। কিছু কিছু দৃশ্য দেখলে প্রাণটা জুড়িয়ে যায়। মন চাই পাখি হয়ে উড়াল দিয়ে সেসব জায়গাতে চলে যায়। যায়হোক সেটা তো আর কোন ভাবে সম্ভব নয়। চলুন ফটোগুলো দেখে আসা যাক।
এখন বর্ষাকাল। নদ-নদী ফিরে পেয়েছে তাদের যৌবন। বৃষ্টি আর জোয়ারের পানিতে নদী এখন টয়টুম্বর। নতুন বর্ষার পানিতে মানুষ খুব মজা করে গোসল করছে। আর পানির স্রোতের সাথে ভেঁসে এসেছে কচুরি পানা। আমি দাড়িয়ে থেকে একজনকে দেখলাম কচুরি পানার মধ্যে একটি ক্রিকেট বল কুড়িয়ে পেয়েছে। আমরাও কত বল হারিয়েছি তার কোন হিসাব নেই।
তারিখ : ৪ ই জুলাই ২০২৩
সময় : দুপুর ৩ টা ২০ মিনিট
স্থান : তিতাস নদী, শিমরাইল কান্দি, ব্রাহ্মনবাড়িয়া।
এটি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিখ্যাত তিতাস নদীর ফটোগ্রাফি। একদিন নৌকা দিয়ে ঘুরতে বের হয়ে ফটোগ্রাফি করে ছিলাম। ফটোগ্রাফিতে কিন্তুু একটি গ্যাস ফিল্ডের আগুনের ফুলকি দেখা যাচ্ছে। খুব দুরে ভালভাবে লক্ষ করলে সেটা বুঝতে পারবেন। চব্বিশ ঘন্টা এভাবে আগুন জ্বলতে থাকে।
তারিখ : ৪ ই জুলাই ২০২৩
সময় : বিকাল ৫ টা ২০ মিনিট
স্থান : লইস্কার বিল, শিমরাইল কান্দি, ব্রাহ্মনবাড়িয়া।
এই ফটোগ্রাফিটা নারায়ণগঞ্জের বিখ্যাত শীতলক্ষা নদীরে পার থেকে তুলেছিলাম। নদীর পারে গড়ে উঠেছে বিশাল বড় এক সিমেন্ট ফ্যাক্টোরী। সিমেন্ট ফ্যাক্টোরীর ধোয়া আর ময়লার কারনে সারা এলাকা অন্ধকার হয়ে আছে। আবার বিভিন্ন ফ্যাক্টোরীর দূষিত পানির কারন দূষিত হচ্ছে নদী।
তারিখ : ১০ ই মার্চ ২০২৩
সময় : বিকাল ৫ টা ২০ মিনিট
স্থান : শীতলক্ষা নদী,বন্দর উপজেলা, নারায়ণগঞ্জ।
নদীর পাশে মাঝিদের অপেক্ষরত তিনটি ডিঙ্গি নৌকা বাধাঁ আছে। মাঝিরা নৌকা রেখে বাসায় আহার করতে গেছে। পানি থাকলেই নৌকার দেখা মিলে। পানি ছাড়া নৌকা অসহায় হয়ে পড়ে থাকে। এই নৌকা গুলো দিয়ে মাছ শিকারীরা মাছ শিকার করে থাকে। তিতাস নদীতে প্রচুর মাছ পাওয়া যায়।
তারিখ : ৪ ই জুলাই ২০২৩
সময় : দুপুর ৩ টা ১০ মিনিট
স্থান : তিতাস নদী, শিমরাইল কান্দি, ব্রাহ্মনবাড়িয়া।
এই ফটোগ্রাফিটা নিয়েছিলাম হযরত শাহ জালাল রহঃ এর মাজারের সামনে থেকে। বিশাল বড় বড় মোমবাতি দেখতে পাচ্ছেন। ঐখানে মোমবাতি গুলো ছোটই দেখা যাচ্ছে। আমাদের দিকে একটি মাজার আছে সেখানে মানুষের সমান বড় বড় মোমবাতি দেখা যায়। এক সময় আপনাদের সাথে সেই দৃশ্য শেয়ার করবো।
তারিখ : ৫ ই জুন ২০২৩
সময় : বিকাল ৫ টা ১০ মিনিট
স্থান : দরগাহে হযরত শাহ জালাল রহঃ গেইট,সিলেট।
এই নৌকা গুালো দিয়ে বালু উত্তলন করে পুকুর, খাল, ডোবা ভরাট করা হয়। প্রযুক্তির কারনে মানুষ কত এগিয়ে গেছে। আগে মানুষ কোদাল দিয়ে মাটি কেটে মাথায় করে নিয়ে জায়গা ভরাট করতো। আর এখন মানুষের হাতের স্পর্শ ছাড়াই বিশাল বিশাল জয়গা ভরাট হয়ে যায়। আরো কত কিছু যে আবিষ্কার হবে তার কোন হিসাব নেই।
তারিখ : ৪ ই জুলাই ২০২৩
সময় : দুপুর ৩ টা ০৫ মিনিট
স্থান : তিতাস নদী, শিমরাইল কান্দি, ব্রাহ্মনবাড়িয়া।
বন্ধুরা আজকে আর বেশি লম্বা করবো না। আজকে প্রকৃতি আর নদী নিয়ে ব্লগ লিখলাম। আশা করি আপনাদের কাছে ভাল লাগবে। ধীরে ধীরে আমার জমিয়ে রাখা সব গুলো ফটো শেয়ার করবো। অনেক প্রকারের ছবি রয়েছে আমার সংরক্ষনে। আগামীকাল আবার আপনাদের সাথে দেখা হবে। সবাই ভাল থাকবেন। সুস্থ থাকবেন। আল্লাহ হাফেজ।।
সবাইকে ধন্যবাদ। আল্লাহ হাফেজ।।
আমি একজন বাংলাদেশের সাধারন নাগরিক। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাতে আমার বসবাস। সিম্পল আমার স্বপ্ন সিম্পল আমার জীবন। স্টিমিট আমার জীবনের একটি অংশ, আমার বাংলা ব্লগ আমার পরিবার। বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়া বলতে আমি স্টিমিটকেই চিনি। ভ্রমন করা, ফটেগ্রাফি করা আর বই পড়া আমার স্বপ্ন। আমি বিশ্বাস করি মানুষের জীবনে উত্তান পতন আছেই। সর্বপরি কাজ করতে হবে লেগে থাকতে হবে, তাহলেই একদিন সফলতা আসবে,এটাই আমি বিশ্বাস করি। সবাইকে ধন্যবাদ।।
Bangla Witness কে সাপোর্ট করতে এখানে ক্লিক করুন
এখানে ক্লিক করো ডিসকর্ড চ্যানেলে জয়েন করার জন্য
Support @heroism Initiative by Delegating your Steem Power
250 SP 500 SP 1000 SP 2000 SP 5000 SP
Click Here For Join Heroism Discord Server
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
নদ-নদী আমার কাছে সব সময় ভালো লাগে। নদীর কাছে গেলে মনে হয় যেন অশান্ত হৃদয় ও শান্ত হয়ে যায়। আপনি অনেক সুন্দর ভাবে তিতাস নদীর পাড়ের ও শীতলক্ষ্মার ছবি তুলেছেন। নদীর পাড়ের ফটোগ্রাফি গুলো দেখে অনেক ভালো লাগছে।
জী আপু একদম ঠিক বলেছেন। নদীর পাশে গেলে হৃদয়টা বিশাল হয়ে যায়। ধন্যবাদ আপু।
আরে ভাই আপনার সাথে তো আমার মনের বড্ড মিল রয়েছে। আমারও তো মাঝে মাঝে পাখি হয়ে উড়ে বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানগুলো দেখার ইচ্ছে হয়। মনে হয় এই সুন্দর সুন্দর জায়গাগুলোর প্রাকৃতিক দৃশ্যগুলো স্বচক্ষে যদি দেখতে পারতাম তাহলে খুব ভালো হতো। জানিনা কখনো মনের আশা পূর্ণ হবে কিনা, তবে শেষ বয়স অবধি পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়ে যাব। যাইহোক ভাই, আপনার এলোমেলো কিছু ফটোগ্রাফি দেখে খুব ভালো লাগলো শেয়ার করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
জী ভাইয়া পৃথিবীতে কত কিছু আছে। কি দেখলাম আমরা। মন চাই পাখি হয়ে যায়। ধন্যবাদ ভাইয়া।
Congratulations, your post has been upvoted by @dsc-r2cornell, which is the curating account for @R2cornell's Discord Community.
আসলে ভাইয়া পাখি হয়ে সবারই উড়ে যেতে ইচ্ছে করে। তবে উড়ে যেতে পারলে কেউ হয়তো বসে থাকত না।যাইহোক ভাইয়া আপনার ফটোগ্রাফি গুলো অসাধারণ ছিল। সত্যি ফটোগ্রাফির মাধ্যমে আমরা অনেক কিছু দেখতে পায়। যেগুলো হয়তো বা কখনো যেয়ে দেখা সম্ভব নয়। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
জী আপু মন চাই পাখি হতে। কিন্তুু সেটা তো আর সম্ভব না। ধন্যবাদ আপু।
এলোমেলো ফটোগ্রাফি গুলো দেখে খুবই ভালো লাগলো ভাই। চেষ্টা করবেন ল্যাপটপে থাকা ফটোগ্রাফি গুলো ধীরে ধীরে আমাদের সাথে শেয়ার করতে। শীতলক্ষ্যা নদীর পাড়ে সিমেন্ট ফ্যাক্টরির ফটোগ্রাফিটা দেখে বেশি ভালো লেগেছে। কারণ এটি অতি পরিচিত একটি জায়গা। যাইহোক এতো সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
বর্ষার সময় শীতলক্ষা নদীতে গেলে ভালই লাগে। ধন্যবাদ ভাইয়া।
ফটোগ্রাফি গুলো এলোমেলো হলেও দেখতে কিন্তু বেশ আকর্ষণীয়। বেশ সুন্দর কিছু প্রাকৃতিক দৃশ্য সহ আরো অনেক সুন্দর সুন্দর আপনি আমাদের সাথে শেয়ার করলেন। যেগুলো আপনি বিভিন্ন সময় তুলেছেন। ধন্যবাদ আপনাকে।
জী আপু বিভিন্ন সময় ধারুন করা ফটো গুলো শেয়ার করা শুরু করেছি। ধন্যবাদ আপু।
অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইজান এলোমেলো ফটোগ্রাফি গুলো ছিল মনোমুগ্ধকর। যেখানে অনেক কিছু ক্লিয়ার ভাবে ফটোগ্রাফি করার চেষ্টা করেছেন। খুবই ভালো লেগেছে প্রত্যেকটা ফটোগ্রাফি। তিতাস নদীর ফটোগ্রাফি টা বেশ সুন্দর ছিল।
তিতাস নদী সুন্দরের সাথে অনেক মাছও পাওয়া যায়। ধন্যবাদ ভাইয়া।